Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আজও আক্রোশের
অভিমুখ সেই বাংলা...
হিমাংশু সিংহ

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ২৩ জানুয়ারি এলেই মনটা কেমন আনচান করে ওঠে। একটা আশ্চর্য শ্রদ্ধা মাখা সম্ভ্রমে মাথাটা আপনি হেঁট হয়ে যায়। আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়েই যিনি অন্তর্ধানে হারিয়ে গিয়েছেন। তাঁর লক্ষ্যপূরণ হলেও আসব আসব করে আর অসেননি এই বাংলায়। ৭৭ বছর পার করেও সুভাষ ঘরে ফেরেননি। দেখতে আসেননি তাঁর প্রাণ বাজি রেখে অর্জন করা স্বাধীন ভারতের আলপথ, পুকুর, নদী, গাছপালা, মানুষ কেমন আছে! সত্যিকারের স্বাধীনতার মানে ও দ্যুতি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে কি না। নাকি কখনও একটা পরিবারের আড়ালে আবার কখনও নিষ্ঠুর ধর্মের ব্যবসার ফাঁদে হারিয়ে গিয়েছে আসল উদ্দেশ্যটাই! নিঃসন্দেহে তাঁর এই না ফেরায় হাসি চওড়া হয়েছে স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে লুটেপুটে খাওয়া নেতানেত্রীদের। ভোটে জনগণের মন জিতে আখের গোছানোয় আর বাধা হয়নি কেউ। অনেকেই কামাতে ব্যস্ত। শৃঙ্খলা আর চরিত্র শুদ্ধির কথা তিনি ছাড়া বলবে কে? ফল, ৭৫ বছরের স্বাধীনতার পরিক্রমায় পরিবারবাদ থেকে ধর্মীয় বিভাজনের আবর্তে বন্দি হয়েছে দেশ। ভাঙা সেই রেকর্ড চলতে চলতে নৈতিকতার মাথা খেয়ে খেলাটা আজ ক্রমেই জটিল। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছেয়ে যাচ্ছে দুর্নীতি। ভোট পাটিগণিতকে যেকোনও মূল্যে নিয়ন্ত্রণ করাই কি স্বাধীনতার আসল মানে? এই স্বাধীনতারই কি স্বপ্ন দেখেছিলেন সুভাষ, চিত্তরঞ্জন, বিনয়, বাদল, দীনেশ ও বাঘাযতীনের মতো বাংলার একদল দামাল ছেলে? দেশের জন্য জীবন দিয়ে তাঁরা সত্যি কী পেলেন? নাকি বাংলার বঞ্চনার ভারই শুধু বাড়ল!
স্বাধীনতার ৭৫ বছর এবং একইসঙ্গে বাংলার বীর সন্তান নেতাজি সুভাষের অর্ন্তধানেরও ৭৭ বছর। এই সমাপতনের সময়টা নিঃসন্দেহে ভারতের ইতিহাসে ক্রান্তিকাল। সরকার একে অমৃতকাল আখ্যা দিলেও দেশবাসীর প্রকৃত অমৃতলাভ দূরঅস্ত। এই সাড়ে সাত দশকের অভিযাত্রায় শাসক আর শাসিতের দূরত্বই শুধু বাড়েনি। সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, আজ প্রতি মুহূর্তে দেশে ধনী-গরিবের ফারাক চওড়া হচ্ছে বিপজ্জনকভাবে। দেশের ৪০ শতাংশ সম্পদ আজ মাত্র ১ শতাংশ মানুষের হাতে। শুধু ভোটে জেতা নেতা নয়, নব্য পুঁজিপতি সমাজও সব দখলের নেশায় মত্ত। এই একটা মাত্র সরল পরিসংখ্যান প্রমাণ করে স্বাধীন দেশে মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব, দারিদ্র্যের ছোবলের চেয়েও বড় সমস্যা—গরিব আরও গরিব হচ্ছে। আর বড়লোক হাওয়াই জাহাজ কিনে রাতারাতি আরও আমির বনে যাচ্ছে! তাঁর প্রাসাদের প্রধান ফটকের পাশেই নিরন্ন মানুষের ভিড়। সমাজে যখন এই বৈষম্য তৈরি হয়, তখন তার অনিবার্য পরিণতি শোষণ এবং স্বেচ্ছাচার। ৭৫ বছরের এই অভিযাত্রায় দুর্নীতির পাশাপাশি অন্ধকারে ভরা ওই দিকটাও সমান উদ্বেগজনক।
আর পূর্বভারতের এককোণে পড়ে থাকা অবহেলিত বাংলা। শতসহস্র বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীর উত্থান এই পবিত্র বীরভূমি থেকে। অথচ ইতিহাসের পরতে পরতে বাংলা ও বাঙালিকে টেনে নামানোর ষড়যন্ত্রটা এক মুহূর্তের জন্য থামেনি। বরং যত দিন যাচ্ছে, ততই সেই চক্রান্ত আরও গভীর হচ্ছে। স্বাধীনতা আন্দোলনে সবার আগে থেকেও এই ৭৫ বছরের ইতিহাসে বাঙালি যে শুধু একটা প্রধানমন্ত্রী পায়নি তা নয়, পদে পদে তার অগ্রগতিকে রুদ্ধ করার চেষ্টা হয়েছে। চক্রান্ত হয়েছে। ভাতে মারার চেষ্টা হয়েছে, এবং তা এখনও চলছে। দেশভাগের বিষ ছড়িয়ে দেওয়া থেকে হালে একশো দিনের কাজের বরাদ্দ বন্ধ করার মধ্যে দিয়েই তা বারে বারে প্রমাণিত। দেশভাগের শিকার পাঞ্জাবও। কিন্তু তার উন্নয়ন একবারের জন্য থমকে যায়নি। গুজরাত, মহারাষ্ট্রও এগিয়েছে জেট গতিতে। অথচ মাশুল সমীকরণ নীতির কোপে এবং দিল্লির কর্তাদের একচোখামোয় বাংলায় বরাদ্দ আসেনি। দিল্লির শাসকরা উদার দৃষ্টিতে চোখ মেলে দেখেননি। তবু বিধানচন্দ্র রায় কিছু একটা করার চেষ্টা করেছিলেন। তারপর থেকে দীর্ঘ ৩৪ বছরের সিপিএম আমলে বাংলা রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে ও উগ্র ইউনিয়নবাজির ধাক্কায় শুধুই বঞ্চিত হয়েছে। পেয়েছে যৎসামান্য। কল-কারখানা, শিল্প বিনিয়োগ থেকে হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ সব ক্ষেত্রেই আজ বাংলার চেয়ে উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের বৃহৎ অংশ অনেক এগিয়ে। নেতাজি সময়মতো ফিরলে শুধু কানাকড়ি নিয়েই বাংলাকে খুশি থাকতে হতো না। একশো দিনের আটকে থাকা কোটি কোটি টাকা থেকে জিএসটির ক্ষতিপূরণ পেতে মমতাকে লড়াই করতে হতো না। বাংলাকে আটকে রাখার হিম্মত হতো না কারও।
নেতাজি ফিরে আসুন, হয়তো নেহরুর মেন্টর গান্ধীজিও চাননি। কারণ, তিনি ফিরে এলে ভারতের ইতিহাস আজ নতুন খাতে বইত। বাঙালির অগ্রগতির খতিয়ান সোনার কলম দিয়ে লিখতে হতো। শুধু একটি পরিবারই অর্ধশতাব্দীরও বেশি দেশের শাসনযন্ত্রকে নিজেদের তাঁবে রাখতে পারত না। ধর্মের নামে ভোট ভাগাভাগির নাটক পর্যন্ত কুৎসিত চেহারায় সামনে আসতে পারত না। নেতাজি ফিরে আসেননি বলেই দেশটা কখনও পরিবারবাদ, আবার কখনও ধর্মোন্মাদদের হাতে বন্দি। এই ৭৫ বছরে কখনও কোনও প্রধানমন্ত্রীকে সংসদে বসেই ঘুমোতে দেখেছি। আবার কেউ দাবি করেছেন, অষ্টপ্রহর তিনি দেশের কথা ভাবেন। ছুটি বলে কিছু তাঁর অভিধানেই নাকি নেই! বিভাজনের বিষ যাঁর হাতে, তাঁর ত্যাগ আত্মস্থ করতে হলে জনগণকেও যে নীলকণ্ঠ হতে হবে।
আজ নরেন্দ্র মোদি যখন তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ নিষ্কণ্টক করার জন্য বলেন, আর ৪০০ দিন বাকি। তখন একটা কথাই মনে হয়, স্বাধীনতা সংগ্রামীরা কিন্তু একটা অনির্দিষ্টকাল লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। তাতে সাফল্য আসবে, গদি মিলবে এমন কোনও লাভ দেখে তাঁরা ঝাঁপাননি। তাঁরা শুধু একটা কথাই জানতেন, দেশের জন্য প্রাণ দেওয়ার চেয়ে পবিত্র কর্তব্য আর কিছু নেই। কাউকে ইতিহাস থেকে মুছে নিজের কীর্তি স্থাপনের জন্য নয়, নেতাজিদের লড়াই ছিল দেশমাতৃকার শৃঙ্খলমোচনের। আর আজ ভোটের ৪০০ দিন বাকির কথা যখন মোদিজি বলেন, তখন দেশ নয়, অগ্রাধিকার পায় ব্যক্তিগত রেকর্ড। তাতে দেশের ভালোর চেয়েও গুরুত্ব পায় পরাক্রমী ভিতরের ‘আমি’টা। 
তাই ১৯৪৩ সালে বিদেশের মাটিতে নেতাজি যখন আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়ার কথা বলেছিলেন, তখন তাঁর স্লোগান ছিল ‘কদম কদম বাড়ায়ে যা...।’ সম্বোধন ছিল দেশবাসীকে। আর দেশের অষ্টাদশ সাধারণ নির্বাচনের আগে মোদির স্লোগান সম্পূর্ণ ব্যক্তিকেন্দ্রিক। নিজের কেরামতি তুলে ধরার ‘উসসে গুমা হ্যায় কি মেরি উড়ান কুছ কম হ্যায় মুঝে ইয়েকিন হ্যায় কি ইয়ে আসমান কুছ কম হ্যায়...।’ যার বাংলা অর্থ, ‘আরও অনেক কিছু করার বাকি আছে, কিন্তু আমাদের সম্ভাবনা অসীম।’ এখানেই বোঝা যায় পার্থক্যটা। একজন দেশের জন্য উৎসর্গপ্রাণ। দেশমাতৃকার জন্য বলিপ্রদত্ত। অন্যজন ব্যক্তিগত রেকর্ড ও ক্ষমতা জাহির করতে মরিয়া। তার চেয়েও সাংঘাতিক হচ্ছে স্বাধীনতার আন্দোলনে যে সঙ্ঘ পরিবারের ভূমিকা ছিল সন্দেহজনক। আতশকাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিয়ে সেই সঙ্ঘ পরিবারই এখন নতুন করে দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস লিখতে মরিয়া। সঙ্ঘের এই বীরত্ব জাহির করাটা বাঙালি মেনে নিতে প্রস্তুত তো! চারপাশটা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। আর তাই সেদিনের বীরশ্রেষ্ঠ সাভারকার আর নেতাজির স্থান হচ্ছে এক পঙ্‌ক্তিতে। বাঙালিকে তা মেনেও নিতে হচ্ছে মুখ বুজে। কারণ, স্বাধীনতার লড়াইয়ে সবার আগে থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার বাঙালির ভাগ্যে জোটেনি। তাই ইতিহাস বদলের প্রতিটি বাঁকে এই বঙ্গের বীর সন্তানদের ভূমিকার ক্রমশ অবমূল্যায়ন ঘটে গিয়েছে নিঃশব্দে। তবুও কি ইতিহাসকে মুছে ফেলা এত সহজ? ষড়যন্ত্র সেদিনও হয়েছিল, আজও চলছে—বাঙালিকে টেনে নামানোর, ভাতে মারার। তার বিরুদ্ধেই বাংলার আজকের অগ্নিকন্যা লড়ছেন।
অনেক তত্ত্ব খাড়া করেও এখনও তাঁকে ভোলানো যায়নি। বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হয়নি, তাতে কী? ১৯৪৭ সালের পর যাঁরা ওই আসনে বসেছেন, তাঁদের ক’জনকে শ্রদ্ধায় ভালোবাসায় আজ এতদিন পরও মনে রেখেছে দেশের মানুষ? মনে রাখেনি। ক’জনের জন্মদিন এভাবে গোটা দেশে পালিত হয় সসম্মানে? আজকে যিনি সর্বশক্তিমান, তিনি প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর যাবতীয় কীর্তি মুছে নিজেকে আরও আগুয়ান দেখতে চান। গান্ধী পরিবারের কৌলীন্য মুছে দিতে চান। অথচ প্রধানমন্ত্রী না-হলেও নেতাজির প্রভাব ও ভূমিকাকে ছোট করে দেখানোর হিম্মত কারও হয় না। কারণ, তিনি আছেন ও থাকবেন প্রতিটি দেশবাসীর রক্তবিন্দুতে। পরপর পাঁচবার কেউ প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার দখল করলেও নেতাজির সমকক্ষ হতে পারবেন না। যতদিন ভারত থাকবে, তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের সমার্থক হিসেবেই সম্মান ও পুজো পাবেন। আরও একশো বছর পরেও, ২৩ জানুয়ারির আগের দিন তা সমান আগ্রহে স্মরণ করতে হবে কোনও কলমচিকে। তাঁকে স্মরণের মধ্যে দিয়ে চক্রান্তকে হারিয়ে বাংলা ও বাঙালির জয়ও ঘোষিত হবে সম্মিলিত গর্জনে।
22nd  January, 2023
মোদিবাবুর আপন দেশে, গণতন্ত্র সর্বনেশে
সন্দীপন বিশ্বাস

আজ থেকে ঠিক দু’শো বছর আগে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণের প্রতিবাদে রাজা রামমোহন রায় তাঁর ফারসি ভাষায় প্রকাশিত সংবাদপত্র ‘মীরাৎ-উল-আখবার’-এর পাতায় এক অগ্নিস্রাবী নিবন্ধ লিখেছিলেন।
বিশদ

মোদিজি, অস্ত্র ব্যুমেরাং হবে না তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সাল ২০১৩। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহর। লেখাটা হাত থেকে নামালেন মনমোহন সিং—‘আমার কি পদত্যাগ করা উচিত?’ উল্টোদিকে বসে মন্টেক সিং আলুয়ালিয়া। তৎকালীন যোজনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান। আর মনমোহন সিংয়ের বন্ধু।
বিশদ

28th  March, 2023
আইনের নামে রাষ্ট্রের শক্তি প্রদর্শন চলছে
পি চিদম্বরম

শক্তি প্রদর্শন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার উপর তিনি এবং তাঁর সরকার হস্তক্ষেপ করেন না, এবং তাঁরা কখনও হস্তক্ষেপ করেননিও। সুযোগ পেলেই, এটা জোরের সঙ্গে দাবি করেন মাননীয় আইন ও বিচার মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।
বিশদ

27th  March, 2023
মমতা রসায়নের তল পাবে বিরোধীরা?
হিমাংশু সিংহ

১৯৮৪ সালে ইন্দিরা হত্যার পর পর সাধারণ নির্বাচনে ধূমকেতুর মতো রাজনীতিতে উত্থান মমতার। যাদবপুরে সিপিএমের কুলীন ব্যারিস্টার সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে তিনি যে অমন হেলায় হারাবেন তা বিশ্বাস করতে চাননি কেউ। বিশদ

26th  March, 2023
মমতা-মডেল ছাড়া গতি নেই বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

টার্গেট সবসময় উঁচুতে বাঁধা হয়। তাতে লক্ষ্যের ধারেকাছে না হোক, অর্ধেকটা গেলেও সম্মান বাঁচে। বিজেপির দিল্লি নেতৃত্বও সেই নীতিতেই নির্বাচনে আসন লাভের লক্ষ্য স্থির করে। কখনও সখনও শিকে ছিঁড়লেও বেশিরভাগ সময়েই তা মুখ থুবড়ে পড়ে। তাই কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় ফেরা নিয়ে সন্দিহান বিজেপির এবার লোকসভার টার্গেট চারশো। বিশদ

25th  March, 2023
মোদি সরকার এত স্বল্পে ভীত কেন?
সমৃদ্ধ দত্ত

১৯৭৫ সালের এপ্রিল মাসে মোরারজি দেশাই অনশনে বসেছিলেন। তাঁর অন্যতম দাবি ছিল এক বছর আগে ভেঙে দেওয়া গুজরাত বিধানসভা আবার গঠনের জন্য অবিলম্বে নতুন করে নির্বাচন ঘোষণা করা হোক। বিশদ

24th  March, 2023
সিআইএ প্রধানের
কুনজরে আসলে কে?
মৃণালকান্তি দাস

মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ’র ডিরেক্টর উইলিয়াম জে বার্নস গোটা বিশ্বের কাছে বিশেষ পরিচিত মুখ নন। ফলে, ডিরেক্টর কবে কোথায় যাচ্ছেন, তা নিয়ে এজেন্সি যেমন কোনও আলোচনা করে না, তেমনই দুনিয়ার কেউ ঘুণাক্ষরে টের পায় না তাঁর গতিবিধি। বিশদ

23rd  March, 2023
অন্য স্বাধীনতার লড়াই কি দুর্বল হচ্ছে?
হারাধন চৌধুরী

শেষ জনগণনা রিপোর্ট সামনে এসেছে ২০১১ সালে। ওই রিপোর্টে ভারতের যে নারীচিত্র প্রকাশিত হয়, তা ভয়াবহ। ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটসের (এনসিপিসিআর) রিপোর্ট অনুসারে, ২০০১ পরবর্তী একদশকে ভারতে ২৯ লক্ষ বাল্যবিবাহের ঘটনা সামনে আসে। বিশদ

22nd  March, 2023
রাজনীতির জটিল জ্যামিতি এবং বিরোধী জোট
শান্তনু দত্তগুপ্ত

রাজনীতি বিষয়টার সঙ্গে বিজ্ঞানের এক অদ্ভুত যোগাযোগ। কখনও মনে হয়, নিউটনের তৃতীয় সূত্রের সঙ্গে এর মিলমিশ সবচেয়ে বেশি। যেমন ক্রিয়া, তার ঠিক সমান এবং বিপরীত প্রতিক্রিয়া। বিশদ

21st  March, 2023
সংসদীয় গণতন্ত্রের ধ্বংসযজ্ঞ চলছে
পি চিদম্বরম

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক সংস্থা ফ্রিডম হাউস ভারতকে ‘আংশিকভাবে মুক্ত গণতন্ত্র’-এর স্তরে রেখেছে। এটা ভারতের গণতন্ত্রের পক্ষে অবনমন বলেই ধরতে হবে। অন্যদিকে, সুইডেনের ভি-ডেম ইনস্টিটিউট ভারতকে ‘ইলেক্টোরাল অটোক্রেসি’ আখ্যা দিয়েছে।
বিশদ

20th  March, 2023
দেশের অপমান নিয়েও রাজনীতি!
হিমাংশু সিংহ

রাজনীতি আমাদের মজ্জায়। দুর্নীতি, লোভ আর উচ্চাকাঙ্ক্ষা শিরায় শিরায়। ডানবাম সবাই এই দোষে কমবেশি দুষ্ট। শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি বড় কম হয়নি। ধর্ম, সম্প্রদায় নিয়েও লড়াই সপ্তমে। অর্থনীতি, সমাজনীতি, কর্মসংস্থান, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক, দুর্নীতির আমি তুমি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, সবই সঙ্কীর্ণ দলীয় আকচাআকচির শিকার। বিশদ

19th  March, 2023
মমতাকে চাষি-বিরোধী
প্রমাণ অত সোজা নয়
তন্ময় মল্লিক

মন জয়ের সহজতম উপায় হল, বঞ্চনার অভিমানকে উস্কে দেওয়া। পঞ্চায়েত ভোট আসন্ন। তাই বাংলায় শুরু হয়েছে চাষিদের খ্যাপানোর চেষ্টা। বিরোধীদের দাবি, এরাজ্যের চাষিরা আলুর দাম পাচ্ছেন না। অবস্থা এতটাই নাকি খারাপ যে আলুচাষি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হচ্ছেন। বিশদ

18th  March, 2023
একনজরে
ইতিমধ্যে শিবসেনার নাম ও প্রতীক হাতছাড়া হয়েছে উদ্ধব শিবিরের। এবার মানহানির মামলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব থ্যাকারে, তাঁর ছেলে আদিত্য এবং সাংসদ সঞ্জয় রাউতকে সমন পাঠাল দিল্লি হাইকোর্ট। ...

শক্তিগড়ের গাংপুর স্টেশনের বাইরে যাত্রী তোলা নিয়ে মঙ্গলবার টোটো ও অটোচালকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পুলিস এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। দু’পক্ষের মধ্যে কয়েকজনকে আটক করা হয়। ...

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এক ...

ডিটেনশন ক্যাম্পে আগুন লেগে মৃত্যু হল ৩৯ জন শরণার্থীর। আহত আরও ২৯। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আমেরিকায় অবৈধভাবে ঢোকার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যালাভের পক্ষে দিনটি উত্তম। ব্যবসার উন্নতি, পেশায় সুনাম। উপার্জন বাড়বে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৫- পিয়ানো বাদক হিসেবে বেটোভেনের আত্মপ্রকাশ
১৮০৭- জার্মান জ্যোর্তিবিদ উইলহেম অলবার্স ক্ষুদ্রতম গ্রহ ভেস্টা আবিষ্কার করেন
১৮৪৯- লর্ড ডালহৌসি সমগ্র পাঞ্জাবকে ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে ঘোষণাপত্র প্রচার করেন
১৮৫৭- বারাকপুরে মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে শুরু হল সিপাহী বিদ্রোহ
১৯২০- ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়
১৯২৭- জন রবার্ট ভেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ ফার্মাকোলজিস্ট ও শিক্ষাবিদের জন্ম
১৯৩৯- অভিনেতা জগদীপের জন্ম
১৯৮২- গায়ক অনুপম রায়ের জন্ম
১৯২৯- অভিনেতা উৎপল দত্তের জন্ম
১৯৮২- তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠা



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮১.৩৪ টাকা ৮৩.০৮ টাকা
পাউন্ড ৯৯.৬০ টাকা ১০৩.০০ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৬ টাকা ৯০.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৯,৬০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৬,৫৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৭,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৯,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৯,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ১৪ চৈত্র, ১৪২৯, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩।  অষ্টমী ৩৮/৪৮ রাত্রি ৯/৮। আর্দ্রা নক্ষত্র ৩৬/১৬ রাত্রি ৮/৭। সূর্যোদয় ৫/৩৬/৩৩, সূর্যাস্ত ৫/৪৬/৫৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ৯/৪০ গতে ১১/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/২০ গতে ৪/৫৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৩ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৩৮ গতে ১০/১০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪১ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩৭ গতে ৪/৬ মধ্যে।  
১৪ চৈত্র, ১৪২৯, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩।  অষ্টমী রাত্রি ১০/১৯। আর্দ্রা নক্ষত্র রাত্রি ৯/২৭। সূর্যোদয় ৫/৩৮, সূর্যাস্ত ৫/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৩৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৪০ গতে ১০/১১ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪০ গতে ৪/৯ মধ্যে।  
৬ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রেড রোডে ধর্না মঞ্চ থেকে কী বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
কেউ কেউ বলছেন আমি নাকি ধর্নায় বসতে পারিনা। আমি তো ...বিশদ

07:07:15 PM

জোকার ইএসআই হাসপাতালের হস্টেলে উদ্ধার ডাক্তারি পড়ুয়ার ঝুলন্ত দেহ
হস্টেল রুমে আত্মঘাতী মেডিক্যাল ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে, আজ, বুধবার সকাল ...বিশদ

04:54:26 PM

ধর্নামঞ্চ থেকে সেভ ইন্ডিয়া সেভ ডেমোক্রেসির ডাক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতাকে এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করতে 'সেভ ইন্ডিয়া ...বিশদ

04:00:03 PM

দুর্নীতিতে আমার যোগসাজশ প্রমাণ করতে পারলে মৃত্যুবরণ করব: অভিষেক

03:46:28 PM

জয় বাংলা যখন বলবেন, গর্ব করে বলবেন: অভিষেক

03:46:00 PM

একুশের ভোট প্রচারে মহিলাদের অপমান করার পরও প্রধানমন্ত্রীর পদ কেন খারিজ হবে না?: অভিষেক

03:40:00 PM