Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কাতার বিশ্বকাপ বনাম পাশ্চাত্য মিডিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 

বিশ্বের বাগান হল ইউরোপ। আর বাকি দুনিয়ার অধিকাংশ জঙ্গল। ব্রাসেলসে একটি কূটনৈতিক অ্যাকাডেমি উদ্বোধন করতে গিয়ে এমনই বলেছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদেশনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল। ভয়ঙ্কর বৈষম্যমূলক এই ধ্যান-ধারণাই পশ্চিমের সর্বত্র লক্ষণীয়। ইউরোপ নিজেদের সাফল্যকেই শুধু বিশ্বের সাফল্য এবং শুধু পশ্চিমের সমস্যাকেই সমগ্র বিশ্বের সমস্যা মনে করে। কোনও কিছুতেই ইউরোপ এশিয়া কিংবা আফ্রিকার সাফল্যকে স্বীকৃতি দিতে নারাজ। তারা আফ্রো-এশিয়ান চ্যালেঞ্জকে বিশ্বের সমস্যা মনে করে না। বরং আফ্রো-এশীয় ভূখণ্ডকে জঞ্জাল হিসেবেই দেখে। সভ্যতা, সাফল্য, সুন্দরের সংজ্ঞা যেন ইউরোপই ঠিক করে দেবে!
এডওয়ার্ড সঈদ, গায়ত্রী স্পিভাকের মতো উত্তর-ঔপনিবেশিক এশীয় পণ্ডিতরা ইউরোপীয় শাসক ও চিন্তকদের আফ্রো-এশিয়াকে দেখার ‘ওয়ার্ল্ড ভিউ’ বুঝতে সাহায্য করেছেন। বলেছেন, আসলে প্রাচ্যের কোনটি ভালো, কোনটি মন্দ, তা ইউরোপ-আমেরিকানদের কল্পনাপ্রসূত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করে থাকে। এবারের বিশ্বকাপ সেই ভাষ্যকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটা মোক্ষম সুযোগ করে দিয়েছে। সঈদ সেই পশ্চিমী হীনমন্যতার ছবি এঁকেছেন, যেখানে পশ্চিম মনে করে আফ্রো-এশিয়ানরা নীচ-হীন, নোংরা, অসভ্য, নিজেদের শাসনে অক্ষম, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ। বিপরীতে পশ্চিমই দুনিয়ার শাসক ও নেতা হওয়ার যোগ্য। উপনিবেশ সুরক্ষার জন্য প্রজন্মের পর প্রজন্মে ইউরোপীয় নাগরিকদের কলোনিয়াল শাসক ‘মাইন্ডসেট’ তৈরির ‘সাপ্লাই চেন’ নির্মাণ তাদের জন্য প্রয়োজন ছিল। অনৈতিক শাসন চালিয়ে যাওয়ার জন্য ইউরোপীয় সাধারণ নাগরিকের উপর ‘প্রাচ্যবাদ’ দর্শন চাপিয়ে দেওয়ার চর্চা ছিল। এসব বর্ণবাদী চিন্তা ও ধ্যান-ধারণা যে পশ্চিম থেকে এখনও মোছেনি তার প্রমাণ ইউরোপে নতুন করে ডানপন্থার নবজোয়ার। এসব এখন ইউরোপকে কুরে কুরে খাচ্ছে।
ইউরোপের সাজানো বাগান আফ্রো-এশিয়ানদের রক্ত, হত্যা, অমানবিকতা ও অন্যের দেশ ধ্বংসের উপর নির্মিত। স্কুলের পাঠ্যবই থেকে এসবের সাক্ষ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে ইউরোপীয় শিশুরা আজ বেশ কিছু মিথ্যার ইতিহাসের মধ্যেই বড় হচ্ছে। তবে ইউরোপের প্রতিটি বড় শহরের গৌরবজনক রাজপ্রাসাদ সেসবের প্রমাণ বয়ে বেড়াচ্ছে। তা মোছা কীভাবে সম্ভব? তবুও কলোনিয়াল শোষণ কাঠামোর প্রাচ্যবাদী চর্চা পশ্চিমের মিডিয়া হেজিমনি (আধিপত্য)-তে আজও রয়ে গিয়েছে। আর তাই কাতার বিশ্বকাপ কভারেজে পশ্চিমের মিডিয়া হেজেমনির কুৎসিত চেহারা বেরিয়ে পড়েছে। পশ্চিমের দেশগুলি মনে করে ফুটবল, অলিম্পিকস এসব শুধু তাদেরই খেলা। বিশ্বকাপ আয়োজনের অধিকারও শুধু তারই। বিশ্বকাপের স্থান ও সময় হতে হবে তার কমফোর্ট জোনকে বিবেচনায় রেখেই। কিন্তু স্পোর্টস শো করে আফ্রো-এশিয়ার বিস্তৃত বাজার থেকে যে বিপুল অর্থ তোলে, তা নিয়ে কোনও চর্চাই করে না। যথাসম্ভব গোপন রাখতে চোখ বুজে থাকে।
কাতার বড় ফুটবল প্লেয়িং নেশন নয়। তাদের অভিজ্ঞতা কম। বিশ্বকাপ আয়োজন করতে গিয়ে সেখানে বহু শ্রমিক মারা গিয়েছেন—এসব কাতার অস্বীকার করেনি। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) কাতারের শ্রমনিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছে। তারাও জানিয়েছে, কাতারে উচ্চতাপে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বছরে ৫০ থেকে ৬০-এর কাছাকাছি। কিন্তু ইউরোপের মিডিয়া প্রচার করা শুরু করে, দশ বছরে কাতারে শ্রমিক মৃত্যুর সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৫ থেকে সাড়ে ৬ হাজার। আর বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে বলা শুরু হয় সংখ্যাটা অন্তত ১৫ হাজার। ফলে ইউরোপে শুরু হয় বিশ্বকাপ বর্জনের ব্যাপক আন্দোলন। খোদ আইএলও বলছে, সৌদি আবরের আগে কাতার ‘কাফালা’ পদ্ধতি বন্ধ করেছে। শ্রমিকদের চাকরি পরিবর্তন ও দেশ ছাড়ার স্বাধীনতা দিয়েছে। শ্রমিকদের কর্ম নিরাপত্তা উন্নত করতে বেশ কিছু কাজ করেছে। ন্যূনতম মজুরি, আবাসন ট্রান্সপোর্টেশান দিয়েছে। অথচ, পশ্চিমের মিডিয়া বলছে, কোনও পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু আধুনিক শ্রমদাসত্বের এই কাফালা ব্যবস্থাও যে কলোনিয়াল লিগ্যাসি, সেটা পশ্চিমের মিডিয়া কখনও বলে না।
ঘৃণা ছড়ানো প্রোপাগান্ডায় পশ্চিমের ‘মিডিয়া হেজেমনি’ ও হীনমন্যতা প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। কাতারের পরিকাঠামোগুলি নির্মাণে যে পশ্চিমের কোম্পানিও যুক্ত, শ্রমিক নিরাপত্তার দায় যে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সার্টিফায়েড পশ্চিম কোম্পানিরও— সেটা তারা বেমালুম চেপে গিয়েছে। দ্য ইকোনমিস্টের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি বাবদ এরই মধ্যে কাতার ৩০ হাজার কোটি ডলার খরচ করে ফেলেছে। প্রতিযোগিতা চলাকালীন খরচ আরও বাড়বে। অথচ, ২০১৪ সালে ব্রাজিল, ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপ আয়োজন করতে খরচ করেছিল দেড় হাজার কোটি ডলার। কাতার যা খরচ করেছে, তা মূলত ব্যয় হয়েছে পরিকাঠামো নির্মাণে। যার বড় অংশই খরচ হয়েছে মেট্রো নেটওয়ার্ক তৈরিতে। যা বিশ্বকাপ শেষেও কাতারকে সমৃদ্ধ করবে। অথচ, বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের ইতিহাসে ঘাঁটলে দেখা যায়, এই ধরনের বড় আয়োজন মানেই ‘খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি’।
সুইজারল্যান্ডের লুসান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ১৯৬৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বকাপ ও অলিম্পিকের মতো ৩৬টি বড় আয়োজনের মধ্যে ৩১টি আয়োজন লাভের মুখ দেখেনি। গবেষণায় যে ১৪টি বিশ্বকাপের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে, তার মধ্যে শুধু একটির আয়োজনই ছিল লাভজনক। ২০১৮ সালে রাশিয়ার ফুটবল বিশ্বকাপ। ওই বিশ্বকাপ থেকে রাশিয়া ২৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার মুনাফা করেছিল। এই মুনাফা আসে মূলত বিশ্বকাপের প্রচারস্বত্ব বিক্রি করে। তবে বিনিয়োগের বিপরীতে সেটা আবার খুব বেশি লাভজনক হয়নি। আসলে রাশিয়া ওই আয়োজন থেকে মুনাফা করেছিল মাত্র ৪.৬ শতাংশ। আর কাতার বিশ্বকাপের আয়োজক কমিটির প্রধান নাসের আল খাতের জানিয়ে দিয়েছেন, এবারের বিশ্বকাপ থেকে আয় ৬০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। এটাই ফিফার হিসেব।
কাতার ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক লারবি সাদিকি সংবাদসংস্থা আল-জাজিরায় লিখেছেন, যখন মুসোলিনির ফ্যাসিবাদী শাসনাধীন ইতালিতে বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছে, আর্জেন্তিনার নৃশংস সামরিক শাসকের অধীনে বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছে, তখন পশ্চিমী মিডিয়ায় কোনও সমালোচনার ঝড় দেখা যায়নি। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজনের সময় বিদেশিদের নজর থেকে দেশের দারিদ্র্য আড়াল করতে ব্রাজিলে বহু স্থানীয় গরিব মানুষকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। অথচ, কাতারের মতো তাদের কোনও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়নি। ১৯৯৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজিত হয়েছিল। আমেরিকার ওই অঙ্গরাজ্যে মাত্র দুই বছর আগেই সবচেয়ে বড় বর্ণবাদী দাঙ্গা হয়েছিল। তা নিয়ে কেউ তো মুখ খোলেনি। কেউ তো বলেননি, ১৯৫৪ সালে দুর্বিষহ আবহাওয়ার মধ্যেই সুইজারল্যান্ডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পশ্চিমের চোখে তারা বৈধ আয়োজক। আর কাতারের বিশ্বকাপ আয়োজনে সুযোগ পাওয়াকে পশ্চিমীরা বহিরাগত অভিজাতদের অবৈধ অনুপ্রবেশ হিসেবে দেখেছে।
কাতার বিশ্বকাপের আগে ব্রিটিশ মিডিয়ায় যত আলোচনা হয়েছে, তার দুই-তৃতীয়াংশ আলোচনাই ছিল নেতিবাচক। পশ্চিমের দুনিয়ায় গৎবাঁধা ধারণা হিসেবে কাতারিদের ‘ধর্মান্ধ মুসলিম’ মনে করা হয়। তার জের ধরেই সম্প্রতি কাতারের জাতীয় ফুটবল দলকে ব্যঙ্গ করে প্যারিসে ইসলামবিদ্বেষী কার্টুন আঁকা হয়েছে। তাদের সেই ধারণা মিথ্যে প্রমাণ করার এবং বহু সংস্কৃতির সঙ্গে সখ্য প্রদর্শনের আরেকটি সুযোগ কাতারের সামনে এনেছে এই বিশ্বকাপ। ইউরোপীয় মিডিয়া হেজেমনির মাথাব্যথা আসলে, একটি অ-ইউরোপীয় দেশের পরিকাঠামোর চোখধাঁধানো উন্নয়ন ঘটে যাওয়া। বিশাল বড় গ্লোবাল শো-র যোগ্যতা পশ্চিমের বাইরে চলে যাওয়া। সমস্যা ব্র্যান্ডিংয়ের। উন্নয়ন ও নির্মাণের নতুন সংজ্ঞাটিকে পশ্চিমের বাইরে নিয়ে আসাটাই আসলে প্রধান সমস্যা। ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজনে, পরিকাঠামো ডিজাইনে এবং এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাতার সযত্নে নিজেদের আরব ও ইসলামি সংস্কৃতি তুলে ধরেছে। বিশ্বখ্যাত স্থপতি জাহা হাদিদের অসম্ভব নকশার বাস্তবায়নের কৃতিত্ব দেখিয়েছে কাতার। পশ্চিমী মিডিয়া তাতে খুশি হবে কেন?
ইউরোপের সাবেক কলোনির একটা মুসলিম দেশ কাতার। ১৯১৬ থেকে ১৯৭১ সালে পর্যন্ত ছিল ব্রিটিশ শাসনাধীন। ব্রিটিশ পেট্রলিয়াম (বিপি) যে আদি কোম্পানি থেকে উদ্ভূত, সেই অ্যাংলো-পার্সিয়ান অয়েল কোম্পানি (এপিওসি) ১৯৩০–এর দশকের শেষের দিকে কাতারে তেল উৎপাদন শুরু করে। ১৯৪০–এর দশকে কাতারে শুরু হয় ফুটবল খেলা। উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রথম ঘাসের ফুটবল মাঠ ছিল দোহা স্টেডিয়াম। দেশটি স্বাধীন হওয়ার কয়েক বছর আগে সেখানে ১৯৬০ সালে লিগ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। মজার বিষয়, উত্তর-ঔপনিবেশিকতার গবেষণায় ফুটবল সম্পর্কে তেমন কিছুই বলা হয়নি। কাতার দ্রুত নিজের প্রাকৃতিক সম্পদের সদ্ব্যবহারটা শিখে গিয়েছে। এই শিখে নেওয়াটা যদি এশিয়া ও আফ্রিকায় ব্যাপক গতিতে ছড়িয়ে পড়ে, তাতে সবচেয়ে বড় ক্ষতি ইউরোপীয় অর্থনীতির। ইউরোপীয় পেশাদার লিগে খেলা সালাহ মানেদের মতো আরব দুনিয়ার ফুটবলারদের সাফল্যকে ইউরোপ তার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ রাখতে চায়। নয়তো আঘাত নামবে বাজার অর্থনীতিতে। এটাই ইউরোপের সবচেয়ে ভয়ের কারণ।
প্রাচ্যতত্ত্ব বা ওরিয়েন্টালিজমের ভূত কিছুতেই ইউরোপের ঘাড় থেকে নামছে না!
01st  December, 2022
দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ন্তা শাসক নয়, জনগণই
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের ইতিহাস পুনর্লিখন হবে! বিশেষ করে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিবৃত্ত। দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার পক্ষে সেটা নাকি বিশেষ জরুরি। এমনই নির্দেশ এসেছে দেশের শাসক দলের কাছ থেকে। বিশদ

26th  January, 2023
গণতন্ত্র রক্ষায় মমতা মডেল
হারাধন চৌধুরী

কোভিড বিধি ভেঙে পার্টিতে যোগ দিয়ে জরিমানার মুখে পড়েছিলেন বরিস জনসন, তাঁর স্ত্রী এবং ঋষি সুনাক। ওই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন মোট ৫০ জন। জরিমানার নোটিস ধরানো হয় বাকিদেরও। ঘটনাস্থল ব্রিটেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। সময়টা ২০২০-র ১৯ জুন। বিশদ

25th  January, 2023
প্রত্যাশা যে আপনারই কাছে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

দর্শনশাস্ত্রে প্রত্যাশা শব্দের সংজ্ঞা বলা হয়েছে, ‘কোনও কর্মকাণ্ডের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে তীব্র বিশ্বাস’। এখানেই একটু গোল বাধে। প্রত্যাশা আর বিশ্বাস কি এক জিনিস? আমরা আপনার কাছে আশা করি, আপনি কোনও না কোনওদিন আমাদের সবার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে ফেলে দেবেন। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, এই কাজটা আপনি কখনও করবেন না। দু’টো কীভাবে এক হয়? বিশদ

24th  January, 2023
সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ বনাম সংবিধান
পি চিদম্বরম

বলা হয় যে উক্তিটি এডমান্ডক বার্ক, জর্জ সান্টায়ানা এবং উইনস্টন চার্চিলের। প্রায়ই উদ্ধৃতি দেওয়া হয়, ‘যারা অতীত মনে রাখতে পারে না, পুনরাবৃত্তির দোষে তারা নিন্দিত হয়।’
বিশদ

23rd  January, 2023
আজও আক্রোশের
অভিমুখ সেই বাংলা...
হিমাংশু সিংহ

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ২৩ জানুয়ারি এলেই মনটা কেমন আনচান করে ওঠে। একটা আশ্চর্য শ্রদ্ধা মাখা সম্ভ্রমে মাথাটা আপনি হেঁট হয়ে যায়। আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়েই যিনি অন্তর্ধানে হারিয়ে গিয়েছেন। তাঁর লক্ষ্যপূরণ হলেও আসব আসব করে আর অসেননি এই বাংলায়। বিশদ

22nd  January, 2023
জনতার দাবিকে বিক্ষোভ ভাবাটাই ভুল
তন্ময় মল্লিক

‘আমরা এখানে প্রশংসা শুনতে আসিনি। মানুষের সমস্যা ও অভাব অভিযোগ শুনে তার সমাধান করতে চাই। এটাই আমাদের এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য।’ কথাটা মেদিনীপুরের অভিনেত্রী বিধায়ক জুন মালিয়ার। ‘দিদির দূত’ হয়ে তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার গোকুলপুর পঞ্চায়েতের কাজিপাটনা গ্রামে গিয়েছিলেন। বিশদ

21st  January, 2023
বাঙালিকে বিভাজিত করার চক্রান্ত চলছেই
সমৃদ্ধ দত্ত

১২০ বছর কেটে গেল। বদলে গেল শাসক। অথচ একটিমাত্র জাতির প্রতি শাসকের ক্রোধ একইভাবে রয়ে গেল। এটা বেশ আশ্চর্যের। সকলেই অবগত যে, লর্ড জর্জ নাথানিয়েল কার্জন ১৮৯৮ সালে ভারতের ভাইসরয় হয়ে আসার পর থেকে তাঁর প্রধান কাজই যেন হয়ে দাঁড়ায় বাঙালি নামক জাতিকে শায়েস্তা করা। বিশদ

20th  January, 2023
বিচারব্যবস্থাকে ‘বশংবদ’ করার আপ্রাণ চেষ্টা
মৃণালকান্তি দাস

বিচারবিভাগ, সংসদ-বিধানসভা ও প্রশাসনের মধ্যে বিবাদ বা প্রতিযোগিতার কোনও জায়গা সংবিধানের আত্মায় নেই। একসময় এই মহার্ঘ ভাষণ দিতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

19th  January, 2023
ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে পঞ্চায়েত দখলের স্বপ্ন বিজেপির
সন্দীপন বিশ্বাস

কথায় বলে, দুঃখের দিনে অথবা বিপদের দিনে সঠিকভাবে মানুষকে চেনা যায়। কথাটা আক্ষরিক অর্থেই সত্য। কিছুদিন আগেই মানুষ ভয়ঙ্কর করোনা মহামারীর খপ্পরে পড়েছিল।
বিশদ

18th  January, 2023
আরএসএস এবং ‘এক’ আধিপত্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

গত কয়েকদিন ধরে ‘আধিপত্য’ শব্দটি ভারতের নানা প্রান্তে বিশেষভাবে আলোচিত। অবশ্য আলোড়িত বললেও খুব ভুল বলা হবে না। আর এই আলোড়নের নেপথ্যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সুপ্রিমো মোহন ভাগবত। বিশদ

17th  January, 2023
২০২৩-২৪ সালের জন্য প্রথম হুঁশিয়ারি
পি চিদম্বরম

জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (এনএসও) ২০১৬-১৭ সালে অর্থবর্ষভিত্তিক জাতীয় আয়ের যে ফার্স্ট অ্যাডভান্স এস্টিমেটস (এফএই) প্রকাশের ফলপ্রসূ ব্যবস্থা চালু করেছে, সেটা এখন শেষ পর্যায়ে।
বিশদ

16th  January, 2023
স্বামীজি-নেতাজির বঙ্গে বিজেপির হিন্দুত্ব চলবে না
হিমাংশু সিংহ

ধু নতুন বছরের শুরু বলেই নয়, জানুয়ারি মাসটার সবচেয়ে বড় তাৎপর্য এই বঙ্গের দুই শ্রেষ্ঠ মহামানবের জন্মদিন উপহার দেওয়ার জন্য।
বিশদ

15th  January, 2023
একনজরে
আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। এই মেলাকে দূষণমুক্ত করার আর্জি জানাল ‘সবুজ মঞ্চ’। দূষণমুক্ত করতে যাতে সকল পরিবেশগত নিয়মাবলীর মেনে চলা হয়, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করতে ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে পাবলিসার্স ও বুক সেলার্স গিল্ড, রাজ্য ...

'বিক্ষোভ' বলবেন না, মানুষ বিষয়টি নজরে আনছেন। দিদির দূত'দের গ্রামের অঞ্চলে যাওয়া প্রসঙ্গে এমনটাই জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি শুরু হওয়ার প্রথম ১৫ দিনের রিপোর্ট তুলে ধরে তৃণমূল দাবি করল, বিরোধীরা যে অভিযোগ করছে তা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহ পরিবেশে চাপ ও মানসিক চিন্তা বৃদ্ধি। কপট লোকের দ্বার কর্মে বিপত্তি ও অর্থক্ষতির যোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৮২: বাঁশের কেল্লা খ্যাত বিপ্লবী তিতুমীর তথা সৈয়দ মীর নিসার আলীর জন্ম
১৮৮০: টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাতির বাণিজ্যিক পেটেন্ট করেন।
১৯২২: অভিনেতা অজিত খানের জন্ম
১৯২৬: জন লগি বেয়ার্ড লন্ডনে প্রথম টেলিভিশন সিস্টেমকে জনসমক্ষে নিয়ে আসেন
১৯৩৬: জনগণের জন্য লন্ডনে শুরু হল বিবিসি-র সম্প্রচার
১৯৩৯: আমেরিকায় নিয়মিতভাবে টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু
১৯৬৯: অভিনেতা ববি দেওলের জন্ম
১৯৬৯: চিত্রপরিচালক বিক্রম ভাটের জন্ম
১৯৮৬: বিশিষ্ট সেতারবাদক নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৩: অভিনেত্রী তথা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সায়নী ঘোষের জন্ম
২০০৯: ভারতের অষ্টম রাষ্ট্রপতি আর ভেঙ্কটরামনের মৃত্যু
২০০২: নাইজেরিয়ার লেগোস শহরে এক বিস্ফোরণে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুন গৃহহীন হন।
২০০৬: ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, টেলিগ্রাফি ও বাণিজ্যিক মেসেজিং সেবা বন্ধ করে দেয়



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.৭৮ টাকা ৮২.৫২ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৯৬ টাকা ১০২.৩৪ টাকা
ইউরো ৮৭.৪৪ টাকা ৯০.৫৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
26th  January, 2023
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৭,৯০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৪,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৫,৮০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
26th  January, 2023

দিন পঞ্জিকা

১২ মাঘ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩। পঞ্চমী ১০/১৭ দিবা ১০/২৯। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ৩১/২৮ রাত্রি ৭/৫৮। সূর্যোদয় ৬/২১/৪০, সূর্যাস্ত ৫/১৬/২৪। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৭ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ২/৩২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে। 
১১ মাঘ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/৪০। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র রাত্রি ১/৯। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৫। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৮ গতে ৩/৪২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৪৬ মধ্যে ও ১০/৪৩ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৩৩ গতে ৫/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫০ গতে ১/২৯ মধ্যে।  
৩ রজব।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ড ৯৬/২ (১২ ওভার)

08:01:39 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ড ৪৩/২ (৫ ওভার)

07:33:21 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত ভারতের

06:58:00 PM

বিয়ে সারলেন ক্রিকেটার ভিভ রিচার্ডসের কন্যা মাসাবা গুপ্তা

04:21:00 PM

জিটিএ ছাড়ল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা
গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(জিটিএ) ছেড়ে বেরিয়ে গেল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। ২০১১ ...বিশদ

03:30:00 PM

সাঁকরাইলে যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার
হাওড়ার সাঁকরাইলে গলার নলি কেটে খুন। মৃতের নাম রবি রাই ...বিশদ

01:30:01 PM