Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গুজরাত নিয়ে মোদির এত ভয় কীসের?
হিমাংশু সিংহ

‘গত দু’দশক ধরে পাকাপাকি শান্তি বিরাজ করছে গুজরাতে। ওদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।’ ভোটপ্রচারের চূড়ান্ত পর্বে অমিত শাহের মুখে এই ‘সাম্প্রদায়িক’ কথাগুলি কীসের ইঙ্গিত? সমঝদার মানুষ মাত্রই বলবেন, ‘ইশারাই কাফি।’ কোনও অজ্ঞাত কারণে মোদির সেনাপতি প্রচারের শেষ প্রহরে আস্থা রাখলেন সেই হিন্দু-মুসলমান মেরুকরণের রাজনীতিতেই। সেটা ভয়ে, না ভক্তিতে বলতে পারব না। তবে দেশের পোড়খাওয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন সব শিষ্টাচার দূরে সরিয়ে সংখ্যালঘু মুসলিম সমাজকে ‘ওদের’ বলে সম্বোধন করেন, তখন গোটা দলটার মাইন্ডসেটটা বুঝতে বিন্দুমাত্র অসুবিধা হয় না। ভোট বালাইয়ের দোহাই দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের দু’নম্বর ব্যক্তি নিজেই যখন সঙ্কীর্ণ তাস খেলেন, তখন বোঝা যায় খাসতালুকে দলের জয় নিয়ে আতঙ্কটা কত তীব্র। নাহলে সংখ্যালঘু ঠান্ডা করার আস্ফালন!
প্রচার যত এগচ্ছে, ততই মনে হচ্ছে কোনও ছন্দপতনের আশঙ্কায় ভীত নরেন্দ্র মোদি! তাই উন্নয়নের দু’শো ফিরিস্তি দেরাজে সযত্নে তুলে রেখে আবার সেই কট্টর হিন্দুত্বের লাইনে ঝাঁপিয়েছে গেরুয়া শিবির। মোদি-রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের আর ১০০ ঘণ্টাও বাকি নেই। তাই এই মুহূর্তে নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে উন্নয়ন মডেল ব্রাত্য। বিজেপির পাখির চোখ সঙ্ঘের সেই সঙ্কীর্ণ বিভাজনের রাজনীতি। ফোলানো ফাঁপানো ‘গুজরাত মডেল’ যে বাংলার সামাজিক সুরক্ষার একের পর এক প্রকল্পের সামনে নিতান্ত অসহায়, তা আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে এই উচ্চকিত সাম্প্রদায়িক প্রচার। যেখানে বারেবারে উঠে আসছে অভিশপ্ত গোধরা ও দু’দশক আগে রাজ্য সরকারের সৌজন্যে ঘটে যাওয়া দাঙ্গার দগদগে স্মৃতি। এবং তা থেকেই ‘ওদের’ ঠান্ডা করে দেওয়ার কীর্তির অবতারণা। সঙ্গে রয়েছে গত স্বাধীনতা দিবসে বিলকিস বানো কাণ্ডে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের মুক্তি ও বীরের সম্মান দেওয়া নিয়ে বিতর্ক। 
এখানেই ফারাকটা স্পষ্ট। বাংলায় কিন্তু মানুষে মানুষে বিভেদ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনী সাফল্য এনে দেয় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, সবুজসাথীর মতো ৬৯টি জনকল্যাণমুখী সামাজিক প্রকল্প। রয়েছে নারীর ক্ষমতায়নের দিশারী কন্যাশ্রী। এর ঠিক বিপরীতেই দিকভ্রষ্ট অমিত শাহদের উন্নয়ন মডেল! দু’দশক আগের গোধরা কাণ্ড ও দাঙ্গার পর ক্রমাগত জয় এলেও গুজরাতে মোদি ব্রিগেডের আসন সংখ্যা কিন্তু ক্রমাগত কমেছে। উদ্বেগের কারণ জনসমর্থনের এই ভাটার টান। ২০০২, ২০০৭, ২০১২ এবং ২০১৭। বিজেপি জিতেছে যথাক্রমে ১২৭, ১১৭ এবং ১১৫টি আসন। সর্বশেষ ২০১৭ সালের ভোটে অমিত শাহ হুঙ্কার ছেড়েছিলেন দেড়শো আসন জেতার, কিন্তু দল থেমে গিয়েছিল একশোরও নীচে। মাত্র ৯৯টি আসনে। বলা বাহুল্য, গুজরাতের ইতিহাসে একবারই ১৪৯ আসন জেতে কংগ্রেস। ১৯৮৫ সালে। আপাতত ওটাই রেকর্ড। 
এবার ভোটের দরজায় কড়া নাড়ছে মোরবির সেতু দুর্ঘটনায় প্রায় দেড়শো মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু। এই ঘটনার গাফিলতির দায় কোনওভাবেই এড়াতে পারে না রাজ্যের বিজেপি সরকার। ‘ড্রাই স্টেট’ বলে গলা ফাটালেও গত কয়েক বছরে রাজ্যজুড়ে মদ ও মাদকের রমরমা আর এক শিরঃপীড়ার কারণ সঙ্ঘের। এর উপর আর একটা ভয়ও আছে। সেটা অঘটনের। হঠাৎ হিসেব উল্টে যাওয়ার। খেলা থেকে রাজনীতি সব মঞ্চেই এটা সমান দস্তুর। বিশ্বকাপের দৌড়ে অন্যতম ফেভারিট মেসিরা শুরুতেই হেরেছে আন্ডারডগ সৌদি আরবের কাছে। দুরন্ত জার্মানিকে হারিয়ে বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে এশিয়ার আর এক বিস্ময় জাপান। শুধু ফুটবল মাঠ নয়, ইতিহাসও বারেবারে ধাক্কা দিয়ে গিয়েছে প্রচলিত বিশ্বাস ও ধারণাকে। চমকে দিয়েছে দুনিয়াকে। সাতাত্তরের সাধারণ নির্বাচনে ইন্দিরা গান্ধীর পরাজয় কিংবা আঠারো বছর আগে লোকসভা ভোটে ‘ফিল গুড’ প্রচারে বাঘের পিঠে সওয়ার অটলবিহারী বাজপেয়ির গদিচ্যুত হওয়ার ঘটনা নিঃসন্দেহে তেমন বড় অঘটন। সেরকম কিছুর আশঙ্কা কি চেপে বসেছে নরেন্দ্র মোদির মাথাতেও? আসলে বাইশ সালের এই শেষপর্বে দু’টি ফলের অপেক্ষায় দেশ ও দুনিয়া। বিশ্ব ফুটবলের সেরার মুকুট শেষ পর্যন্ত কোন দেশের মাথায় শোভা পাবে, আর গুজরাতে বিজেপির গত ২৭ বছরের নিরবচ্ছিন্ন রাজ্যপাট অক্ষুণ্ণ থাকবে কি না। এই বাধা পেরলে মোদির গুজরাতও পশ্চিমবঙ্গে বামেদের ৩৪ বছরের রেকর্ডকে প্রায় ছুঁয়ে ফেলবে। সেও এক ইতিহাস তো বটে।
ঠিক সেই কারণে, সব জয় করেও ভয় কিছুতেই যেন যাচ্ছে না আধুনিক গুজরাত সম্রাটের। তিনমাস টানা চষে বেড়াচ্ছেন তাঁর চেনা রাজ্যটার অলিগলি, মন্দির ও রাজপথ। বলছেন, এই নতুন গুজরাত তাঁর হাতেই তৈরি। একথা মনে রেখে মানুষ যেন ভোট দেন! আমেদাবাদের ঝকঝকে নতুন সড়ক, সরকারি অনুদান, টাটাদের এয়ারবাস কারখানা, একের পর এক প্রকল্পের উদ্বোধন করেই ক্ষান্ত হননি তিনি। তাঁর নিত্যদিনের তোফা বিলি শেষ না-হওয়া পর্যন্ত ‘স্বশাসিত’ কমিশন নির্বাচনের দিন ঘোষণা আটকে রেখেছিল অজ্ঞাত কারণে। তবে দিল্লির সব কাজ ফেলে নেহাতই একটি রাজ্যের বিধানসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রীর এমন হাইভোল্টেজ প্রচার কবে দেখেছে দেশ? এ প্রশ্ন ওঠা কিন্তু মোটেই অসঙ্গত নয়।
বিশেষত সামনে যখন গুরুত্বপূর্ণ বাজেট। আগামী লোকসভা ভোটের আগে শেষ পূর্ণাঙ্গ আর্থিক ধারাপাতের ঘোষণা। সবাই জানে, পরের বছর নির্বাচনের দামামা বেজে গেলে হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। সঙ্গে অভূতপূর্ব আর্থিক মন্দার হাতছানি। ব্যবসা, কর্মসংস্থান শিকেয়। বাজারে নগদের জোগান কম, বাড়ছে না মানুষের ক্রয়ক্ষমতা। দগদগে জিএসটির আঘাত। যাঁরা আমির, তাঁরা আরও বড় ধনকুবের হচ্ছেন। অন্তত দু’জন তো বটেই। যাঁরা গরিব, তাঁরা আরও নিকষ কালো আঁধারে তলিয়ে যাচ্ছেন। তবু সব ছেড়ে তাঁর সযত্নলালিত গুজরাত মডেলের জয়গান করতেই ব্যস্ত দেশের ভালোমন্দের নিয়ন্ত্রক। তিনি ভালো করেই জানেন, প্রচারের ফানুস যতই উপরে উঠুক গুজরাতের আম জনতা, গরিব মানুষ ভালো নেই। গ্রামে তীব্র অসন্তোষ আছে। তার উপর মোরবির সেতু ভেঙে প্রায় দেড়শো মানুষের অকালমৃত্যু নিঃসন্দেহে ভোটের অন্যতম ইস্যু। তবে দ্বিধাবিভক্ত বিরোধী ভোটভাগের সবটুকু ফায়দা চেটেপুটে তুলে নিতে চান তিনি। তাই আপাতত ভোটবিভাজনই গুজরাতে বিজেপির জিয়নকাঠি।
নরেন্দ্র মোদি ১২ বছর ২৫৭ দিন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এই উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ী প্রধান রাজ্যটার। তাঁর ‘গুজরাত মডেল’-এর সাফল্যের উপরই রচিত হয়েছে গত সাড়ে আট বছর দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকার কীর্তি। তাঁর সেই আত্মশ্লাঘায় ধাক্কা লাগলে আগামী চব্বিশ সালে ফের জিতে দিল্লির কুর্সিতে বসার স্বপ্নে একফোঁটা চোনা পড়ে যেতে বাধ্য। চাওয়ালার সন্তানের একটাই প্রতিজ্ঞা, নেহরু-গান্ধীদের সব কীর্তি মুছে দিতে হবে যে! সেই কারণেই ভয় কিছুতেই যাচ্ছে না দোর্দণ্ডপ্রতাপ গুজরাতি প্রধানমন্ত্রীর। অথচ, কোনও জনমত সমীক্ষা এখনও পর্যন্ত গেরুয়া ভরাডুবির কথা লেখেনি। গতবার বিজেপির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলা কংগ্রেসও এবার অনেকটাই হীনবল। পাঁচ বছর আগে যে তিন নেতা গুজরাতের রাজনীতিতে ঝড় তুলেছিলেন তাঁদের মধ্যে দু’জন, হার্দিক প্যাটেল ও অল্পেশ ঠাকুর এবার বিজেপিরই পতাকার তলায়। তাঁদের কিনে নেওয়া হয়েছে বলে অসম্মান করব না, কিন্তু পর্দার পিছনে কারণটা তো রহস্যে ঢাকা। একমাত্র জিগনেশ মেভানি এখনও বিরোধী পতাকার নীচে। বরং নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গুজরাত মডেলের মিনারে আঘাত হানতে মরিয়া অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আপ। দিল্লি ও পাঞ্জাবের রিপ্লে আমেদাবাদের মাটিতে হলে তা হবে ভারতীয় রাজনীতির বর্তমান একমুখী স্রোতে নিশ্চিতভাবে এক অত্যাশ্চর্য ঘটনা।
তবে বেশ কয়েকটা বসন্ত কাটিয়েও গুজরাতে একটা রেকর্ড এখনও মোদি-শাহদের হাতছাড়া। অমিত শাহ প্রায়ই বলেন, এবারও বলেছেন, গুজরাতে দেড়শো আসন জিতে ক্ষমতায় ফিরব। কিন্তু দু’দশক আগে, ২০০২ সালের নির্বাচনে গুজরাত দাঙ্গার পটভূমিতেও ১২৭টি আসন জিতেছিল বিজেপি। তারপর গুজরাত মডেলের আলোয় আরও তিনবার জিতলেও আসন সংখ্যা ক্রমে কমেছে। ২০১৭ সালের গুজরাত নির্বাচনে বিজেপির আসন সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৯৯! আর কংগ্রেস ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলে ৭৭টি আসন জিতে। রাজ্যপাট কোনওক্রমে বাঁচলেও পাঁচ বছর আগের ওই ফল মোটেই গেরুয়া শিবিরের কাছে স্বস্তিদায়ক ছিল না। তারপরই শুরু হয় পাটীদার আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেলকে ছলেবলে দলে টানার উদ্যোগ।
গত বিধানসভা ভোটে এই বাংলাতেও ‘গুজরাত মডেল’-এর টোপ দিয়েছিল স্থানীয় দলবদলুরা। স্বপ্ন দেখিয়েছিল ডাবল ইঞ্জিন রাজ্যের। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তাতে বিন্দুমাত্র সাড়া দেয়নি। বরং নিন্দুকদের মুখে ছাই দিয়ে একুশের ভোটেও দু’শোরও বেশি আসনে জিতে প্রতিষ্ঠিত মোদি মিথকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে রাজি হয়নি বাংলার মানুষ। এবার নিজভূমেই গুজরাত মডেলের অগ্নিপরীক্ষা। ৮ ডিসেম্বরের ফল ইঙ্গিত দেবে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের গতিপ্রকৃতিরও। তাই সসম্মানে উত্তীর্ণ হতে কোনও বাজি ধরতেই পিছপা নন নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড।
27th  November, 2022
আমে-দুধে মেশায় আইএসএফ এখন ‘আঁটি’
তন্ময় মল্লিক

ডুবন্ত মানুষ বাঁচার আশায় খড়কুটোকেও আঁকড়ে ধরে। একুশের নির্বাচনে সেই আশায় ডুবন্ত সিপিএম আইএসএফকে আঁকড়ে ধরেছিল। বাংলার রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য ব্রিগেডের জনসভায় অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে দিয়ে আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকীর হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিয়েছিলেন মহম্মদ সেলিম। বিশদ

অশ্বমেধের ঘোড়া বনাম এক নারীর লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন ৫০ বছরে পা দিল। ৫০ বছর ধরে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্থান এক চমকপ্রদ ঐতিহাসিক রেফারেন্স। বিশেষত পুরুষতান্ত্রিক ভারতীয় রাজনীতিতে এক নারী হিসেবে ক্রমে শীর্ষে পৌঁছনো প্রায় বিরল। বিশদ

12th  April, 2024
ইতিহাসমেধ যজ্ঞের শেষ পরিণতি কী?
মৃণালকান্তি দাস

সদ্য ক্ষমতায় বসা নরেন্দ্র মোদি সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী তখন স্মৃতি ইরানি। ২০১৪-র অক্টোবর মাস। দিল্লির মধ্যপ্রদেশ ভবনে মন্ত্রীকে ডেকে এনে প্রায় সাত ঘণ্টা বৈঠক করেছিলেন আরএসএস নেতারা। বৈঠকে সুরেশ সোনি, দত্তাত্রেয় হোসাবোলে ছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সঙ্ঘের বিভিন্ন শাখার নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বিশদ

11th  April, 2024
অর্থ পরে, আগে আস্থা ফেরান মোদি
হারাধন চৌধুরী

পূর্ববর্তী দুটি লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাজিমাত করেছিলেন। এবার তাঁর প্রচারের ক্যাচলাইন ‘গ্যারান্টি’। কখনও কখনও তিনি শুধু ‘গ্যারান্টি’তেই থেমে নেই, ‘গ্যারান্টিরও গ্যারান্টি’ দিচ্ছেন! পুরো শরীরী ভাষা উজাড় করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে চলেছেন, ‘আজ পুরা হিন্দুস্থান জানতা হ্যায়, দুনিয়া ভি মানতা হ্যায়, মোদি কি গ্যারান্টি মতলব গ্যারান্টি পুরা হোনে কি গ্যারান্টি!’
বিশদ

10th  April, 2024
ফ্যাক্টর নারীশক্তি, গ্যারান্টিও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

জওহরলাল নেহরুর হাতে সময় যে বেশি নেই, তার আভাস অনেক আগে থেকেই পেয়েছিলেন কংগ্রেসের ‘বস’রা। তাই বছর দুয়েক ধরে নিজেদের গুছিয়ে নিতে পেরেছিলেন। বরং সময় দেননি লালবাহাদুর শাস্ত্রী। কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? বিশদ

09th  April, 2024
বিপন্ন সাংবিধানিক নৈতিকতা
পি চিদম্বরম

দুর্নীতির অভিযোগে একজন কর্তব্যরত মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার একইসঙ্গে আইনি, রাজনৈতিক এবং সাংবিধানিক সমস্যা। এটা আরও এমন একটা বিষয় যা সংবিধানের লিখিত বয়ানবহির্ভূত এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে সাংবিধানিক নৈতিকতার দিক। 
বিশদ

08th  April, 2024
ডায়মন্ডহারবারে বিজেপি’র প্রার্থী নেই কেন?
হিমাংশু সিংহ

মুখে বড় বড় কথা, লড়াই করার নেতা নেই, দমও নেই। শনিবার দুপুরে এই লেখা যখন লিখছি তখনও ডায়মন্ডহারবারে প্রার্থীই ঘোষণা করতে পারেনি রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রণেভঙ্গ দিয়েছেন সিপিএমের মদতপুষ্ট নৌশাদ সিদ্দিকিও। বিশদ

07th  April, 2024
বেলাগাম হও, নম্বর বাড়াও
তন্ময় মল্লিক

‘বিধায়কের সম্পত্তির সঙ্গে উপার্জনের কোনও সঙ্গতি নেই। তার হিসেব আমার কাছে এসে গিয়েছে। কীভাবে এত সম্পত্তি, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হবে। তিনি হয়তো তিহারে যেতে পারেন। এই হুঁশিয়ারির পর বিধায়ক যদি চুপ করে যান তাহলে আমাদের কিছু বলার নেই।’ বিশদ

06th  April, 2024
ইতিহাসের তর্ক বিতর্ক: সর্বনাশ কিন্তু বাঙালিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা সবথেকে কী পেতে ভালোবাসি? ধনসম্পত্তি, প্রশংসা এবং সমর্থন। ধনসম্পত্তি, অর্থাৎ টাকাপয়সা সম্পদ পেলে আনন্দ হয়। প্রশংসা শুনলে মন খুশিতে ভরে ওঠে। আর আমাদের কথার সমর্থন পেতে পছন্দ করি আমরা। সাধারণ মানুষ অথবা ক্ষমতার শীর্ষস্তরে থাকা ব্যক্তিত্ব সকলেরই এই একইরকম মনের সুর। বিশদ

05th  April, 2024
চান্দা দো ধান্দা লো!
মৃণালকান্তি দাস

হেটেরো দেশের অন্যতম বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা। অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ড্রাগ প্রস্তুতের কাজে হায়দরাবাদের এই কোম্পানি বিশ্বেরও বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা। মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই বিখ্যাত কোম্পানির বিরুদ্ধে ছ’টি নোটিস জারি করেছিল। কেন জানেন?
বিশদ

04th  April, 2024
মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা
সন্দীপন বিশ্বাস

জনমেজয় অতঃপর ব্যাসশিষ্য বৈশম্পায়নকে বললেন, হে ঋষিপ্রবর আপনি আমার কাছে কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা বর্ণনা করুন। 
বিশদ

03rd  April, 2024
মোদির ম্যাজিক ফিগার আদৌ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বিশ্ব সমাজের পথচলাকে স্বামী বিবেকানন্দ দু’টি ভাগে ভাগ করেছিলেন—রাজনীতি ও ধর্ম। রাজনীতির ব্যাপারে তিনি সবসময় এগিয়ে রাখতেন গ্রিকদের। কারণ, ওই দেশেই জন্ম অ্যারিস্টটলের, যাঁর হাত ধরে পলিটিক্স বিজ্ঞানের মর্যাদা পেয়েছে। কারণ, ওই দেশেই গণতন্ত্রের ভাবনার জন্ম। বিশদ

02nd  April, 2024
একনজরে
চাকদহ থানার চরসরাটি এলাকায় শুক্রবার নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেলেন এক যুবক। দুপুরে কল্যাণী ব্লকের সগুনা এলাকার জয়েস ভট্টাচার্য (২০) সহ আরও দুই যুবক স্নান করতে নামেন। ...

চলতি অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৭ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (এডিবি)। তাদের বক্তব্য, মূলত চাহিদা বৃদ্ধি এবং সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের হাত ধরে পূর্বের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাবে ভারত। ...

রাজ্য সরকারের সচিবালয়ে বিভিন্ন স্তরে প্রচুর নতুন পদ সৃষ্টির সুফল পেতে শুরু করেছেন সরকারি কর্মীরা। বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মীদের পদোন্নতির সুযোগ বেড়ে গিয়েছে। ভোট ঘোষণার আগেই আপার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট (ইউডিএ), সেকশন অফিসার (এসও) প্রভৃতি পদে অনেক কর্মীই উন্নীত হয়েছেন। ...

মন্টে কার্লো ওপেনের পুরুষ সিঙ্গলসের শেষ আটে পৌঁছলেন নোভাক জকোভিচ। শনিবার রাউন্ড অব সিক্সটিনের লড়াইয়ে তিনি হারালেন ইতালির লরেঞ্জো মুসেত্তিকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সপরিবারে তীর্থভ্রমণ ও দেবদর্শনে আত্মিক শান্তি। ব্যাবসায়িক ক্ষেত্রে শুভ। বিদ্যায় অগ্রগতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

চৈত্র সংক্রান্তি
১৭৭২: ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন
১৮৫৫: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কৃত ‘বর্ণপরিচয়’ প্রথম প্রকাশিত হয়। (১লা বৈশাখ,সংবৎ ১৯১২)
১৮৯৩: গোকুলচন্দ্র নাগ ও দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘কল্লোল’ প্রথম প্রকাশিত হয়
১৯০৯: প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী ও সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তীর জন্ম
১৯১৯: জালিওয়ানালাবাগে হত্যাকাণ্ড। জেনারেল ডায়ারের নেতৃত্বে চলল নির্বিচারে গুলি। মৃত অন্তত ৩৭৯, আহত ১২০০
১৯৪০: মেঘালয়ের রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লার জন্ম  
১৯৪৮: ভুবনেশ্বরকে ওড়িশা রাজ্যের রাজধানী করা হয়
১৯৫৬: পরিচালক-অভিনেতা সতীশ কৌশিকের জন্ম
১৯৫৬: প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরার জন্ম
১৯৬৩: রুশ দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভের জন্ম 
১৯৭৩: চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা বলরাজ সাহনির মৃত্যু
২০২৩: পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এক বিশাল শঙ্খের আকারের বিশ্বমানের অডিটোরিয়াম ধনধান্য-র উদ্বোধন হয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৮৯ টাকা ৮৩.৯৮ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৪০ টাকা ১০৬.০২ টাকা
ইউরো ৮৮.২৩ টাকা ৯০.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৩,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৪,০০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭০,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী ১৬/৪৬ দিবা ১২/৫। মৃগশিরা নক্ষত্র ৪৮/৩৮ রাত্রি ১২/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২২/২, সূর্যাস্ত ৫/৫২/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/২৮ গতে ৩/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/১১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/১৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে উদয়াবধি। 
৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/১২। মৃগশিরা নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫০। সূর্যোদয় ৫/২৩, সূর্যাস্ত ৫/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৫ গতে ১২/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৯ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/৩৫ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৭ মধ্যে ও ১/১২ গতে ২/৪৬ মধ্যে ও ৪/২০ গতে ৫/৫৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২০ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/২২ মধ্যে। 
৩ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৩ মাস ধরে ভোট হলে কাজ হবে কবে: মমতা

01:10:00 PM

আমি রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বেশিরভাগ প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ করে দিয়ে গিয়েছি: মমতা

01:05:00 PM

বিজেপিকে জেতালেন, কিন্তু আপনাদের জন্য তারা কিছুই করেনি: মমতা

01:04:20 PM

জলপাইগুড়িকে অমৃতসর-দীঘার সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলাম আমি: মমতা

01:04:00 PM

কাঞ্চনকন্যা, উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস আমিই দিয়েছি: মমতা

01:04:00 PM

জলপাইগুড়ির ডাবগ্রামের জনসভায় বক্তব্য রাখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

01:03:38 PM