Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদির রাজত্বে ক্ষতি বিজেপিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

সেই স্লোগানের নাম ছিল শাইনিং ইন্ডিয়া। ২০০৪ সাল। আর এখন নয়া স্লোগানের নাম অমৃতকাল। সামনেই ২০২৪ সাল। ২০ বছরে ভারত অনেক পাল্টেছে। পাল্টেছে রাজনীতি। রাজনৈতিক সমীকরণ। পাল্টেছে নেতা-নেত্রী। পাল্টে গিয়েছে জনতার মনোভাব।  কিন্তু ইতিহাস ফিরে ফিরে আসে। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি শব্দবন্ধ এই কারণেই জন্ম নিয়েছে। ২০০৪ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে অটলবিহারী বাজপেয়ি সরকারের প্রধান প্রচার ছিল ভারত অনেক বেশি উজ্জ্বল 
হয়েছে। তাই স্লোগান দেওয়া হয়েছিল শাইনিং ইন্ডিয়া। ২০০৪ সালে বিজেপির সামনে কোনও বিপক্ষই 
ছিল না।  রাহুল গান্ধী রাজনীতির প্রাঙ্গণেই নেই। সোনিয়া গান্ধীর কংগ্রেস কিংবা বিজেপি বিরোধী আঞ্চলিক দলের শক্তিশালী জোট কিছুই সেরকম প্রভাবশালী নয়। অতএব ধরে নেওয়া হয়েছিল হাসতে হাসতে জয়ী হবেন বাজপেয়ি। ২০০৪ সাল ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এক আশ্চর্য রহস্য। কারণ বাজপেয়ির এনডিএ যে ওভাবে পরাস্ত হতে পারে সেটা অকল্পনীয় ছিল। 
২০২৪ সাল এখনও আসেনি। কিন্তু গতিপ্রকৃতি থেকে স্পষ্ট যে, ২০২৪ সালের বিজেপি (এনডিএ বলে কিছু তো আর নেই) অনেক বেশি আগ্রাসী ভাবে ঠিক ওই শাইনিং ইন্ডিয়ার ধাঁচেই প্রচার করবে যে, ভারত এখন প্রায় জগৎসভায় শ্রেষ্ট আসন নিতে চলেছে। অর্থাৎ নামে অমৃতকাল, আসলে শাইনিং ইন্ডিয়া টু। তবে অনেক বেশি হাই ভোল্টেজ। বিরোধী পক্ষ ছত্রভঙ্গ, বারংবার ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মহাজোটের উদ্যোগ নেই। এই মুহূর্তে কেউ ভাবছেও না যে, নরেন্দ্র মোদির বিজেপি পরাস্ত হতে পারে। অতএব ধরেই নেওয়া যায় ২০০৪ সালের নির্বাচনপূর্ব চিত্রনাট্য উপস্থিত হয়েছে। এবার আমাদের আর দেড় বছর অপেক্ষা করতে হবে যে, ২০০৪ সালের মতোই কোনও অঘটন হয় কি না। 
এই নিবন্ধের প্রতিপাদ্য  ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে কি না সেটি নয়। আমরা বরং লক্ষ করতে চাইছি, বিজেপির কতটা পরিবর্তন হয়ে গেল এই ২০ বছরে। নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ আপাতভাবে বিজেপিকে সবথেকে বেশি শক্তিশালী করেছেন এখন। তাঁদের দুজনের যুগলবন্দিতেই আজ বিজেপি সর্বশক্তিমান। কিন্তু সত্যিই কি তাই? রাজ্যে রাজ্যে সরকার গঠন অথবা কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি একচ্ছত্র শাসকে পরিণত করার মধ্যে দিয়ে এটাই প্রমাণিত হয় যে, বিজেপিকে সর্বশক্তিমান আইডেন্টিটি দিয়েছেন মোদি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে উল্টো। বিজেপির একক আইডেন্টিটি একপ্রকার ধ্বংসই হয়ে যাচ্ছে। বিজেপি এখন মোদির দলে পরিণত হয়েছে। 
বিজেপি প্রথম থেকেই ছিল কালেকটিভ লিডারশিপের দল। একজন নেতা-নেত্রীর অধীনে থাকা দল হতে চায়নি বিজেপি। তাদের নিজেদের প্রচারও ছিল সেটাই। চরম উত্থানের সময়ও বিজেপি কখনও আদবানির দল, বাজপেয়ির দলে পরিণত হয়নি। একঝাঁক নেতা-নেত্রী ছিলেন বিজেপির উত্থান, উন্নয়ন এবং সাফল্যের কারণ। 
সেই বিজেপিকে ধ্বংস করে দিয়েছেন মোদি। এতদিন মুখে বলতেন না। কিন্তু এখন একথা মোদি নিজেই ঘোষণা করে দিচ্ছেন! হিমাচল প্রদেশে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে মোদি সম্প্রতি বলেছেন, এখানে পদ্মফুলে একটি করে ভোট পড়ার অর্থ সোজা সেটা দিল্লিতে মোদির অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। তাই পদ্মফুলে ভোট দেওয়া মানে আমাকেই ভোট দেওয়া। এই যে মোদি এখন বলতে শুরু করলেন, ভোটে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অর্থ তাঁকেই ভোট দেওয়া, এটাই বিজেপির পক্ষে সবথেকে বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। কারণ, মোদির এটাই সম্ভবত শেষতম লোকসভা ভোট হতে চলেছে। ২০২৯ সালে তিনি নিশ্চয়ই প্রার্থী অথবা প্রধানমন্ত্রী হবেন না। কিন্তু তিনি নিজেকে যে লার্জার দ্যান পার্টিতে পরিণত করেছেন গত ৮ বছরে, তারপর তাঁর মাপকাঠিতে অন্য নেতা পাওয়া বিজেপির পক্ষে যেমন চরম সঙ্কট, তেমনই দলের অভ্যন্তরে আবার সেই গণতান্ত্রিক কাঠামো ফিরিয়ে আনাও কঠিন। দল নয়, অতিরিক্ত ব্যক্তিপুজো এবং মোদিভক্তির জেরে এখন যা কিছু বন্দনাগীতি সবই মোদিকে কেন্দ্র করে। 
মোদি এবং অমিত শাহ সবথেকে বেশি ক্ষতি করেছেন সঙ্ঘ পরিবারের। একটি ধারণা রয়েছে যে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘই আসলে এখনও বিজেপির নিয়ন্ত্রক। মোদিকেও নিয়ন্ত্রণ করে তারা। তিনি যা কিছু করছেন, আরএসএসের অঙ্গুলিহেলনে করছেন। একথা সম্পূর্ণ ভুল। বরং বিপরীত।  রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের নিয়ন্ত্রণ কিংবা নির্দেশকে নরেন্দ্র মোদি তোয়াক্কা করেন না।  সঙ্ঘের এজেন্ডা মোদি রপায়ণ করছেন। এরকমই একটা কথা চালু আছে। একেবারেই ঠিক। কিন্তু ছয়ের দশক থেকে প্রচারকের কাজ করা মোদি নিজেই তো জানেন যে, কী কী এজেন্ডা পালন করতে হবে। ৩৭০ থেকে তিন তালাক। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি থেকে রামমন্দির। অবশেষে হিন্দুরাষ্ট্র। এসব জানা এজেন্ডা। একের পর এক সেগুলি রূপায়িত হচ্ছে। তাই খামোখা সঙ্ঘকে কেন কৃতিত্ব দেবেন তিনি? বরং তিনি চাইবেন এটাই প্রতিষ্ঠা পাক যে, এসব কিছু তিনি করে যাচ্ছেন। অর্থাৎ এককভাবে সব তাঁর কৃতিত্ব। এটাই তো তাঁর ইতিহাস রচনার প্রধান লক্ষ্য। সেই কারণেই মোদি সঙ্ঘকে আসলে গুরুত্বহীন করে দিচ্ছেন। বরং এখন নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ অস্তিত্ব বজায় রাখতে মরিয়া হয়ে তারা ভোটের আগে পরে মোদিকেই নানাভাবে সাহায্য করে চলেছে এবং মোদির কথায় সায় দিয়ে চলেছে। 
সম্প্রতিকালে এমন কোনও উদাহরণ সামনে আসেনি যে, সঙ্ঘ বিজেপিকে পরিচালনা করছে। উল্টে ধীরে ধীরে সঙ্ঘের থেকে নির্বাচিত কোনও শক্তিশালী সংগঠক নেতাকে আর বিজেপির সিদ্ধান্তগ্রহণকারী টিমে দেখা যায় না। সাম্প্রতিক উদাহরণ হল, বিজেপি সংসদীয় বোর্ড থেকে যোগী আদিত্যনাথ, শিবরাজ সিং চৌহান এবং নীতিন গাদকারিকে বাদ দেওয়া। যোগী আদিত্যনাথকে বাদ দেওয়ার একটি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। সেটি হল,  মোদির পর যোগী প্রধানমন্ত্রী হতে ইচ্ছুক। কিন্তু সেটা মোদি এবং অমিত শাহ চাইছেন না। অতএব তাঁর ডানা ছাঁটা হল। কিন্তু শিবরাজ সিং চৌহান এবং নীতিন গাদকারি সরাসরি সঙ্ঘের প্রিয়পাত্র।  তাঁদের সঙ্ঘঘনিষ্ঠতাই কি তাঁদের ছেঁটে ফেলার কারণ নয়?
মোদির পর ২০১৪ সালের পর থেকে বিজেপিতে আর একজনও শক্তিশালী নেতার আবির্ভাব ঘটছে না যিনি সরাসরি সঙ্ঘের মাধ্যমে এসেছেন। বরং একের পর এক সঙ্ঘের নেতারা এসেছেন এবং গুরুত্বহীন হয়ে চলে গিয়েছেন। সঙ্ঘের ঘনিষ্ঠ জগৎপ্রকাশ নাড্ডা নিছক মোদি ও শাহের অনুগামী। তিনি নিজেকে কখনও একক শক্তিশালী ভাবেনই না। সরকারের প্রধানমন্ত্রী মোদি। আর সুপার সভাপতি অমিত শাহ।  মোদি কোনও লিডারশিপ তৈরি করছেন না। বরং কখন কে গুরুত্বহীন ও ছাঁটাই হয়ে যাবে, কেউ জানে না। এই ফর্মুলাই চলছে ৮ বছর ধরে। আবার রাজ্যে রাজ্যে আগে ছিল বিজেপির একাধিক প্রভাবশালী নেতা। এখন আর নেই। মোদিকে মুখ করেই সব ভোটের প্রচার হয়। 
সঙ্ঘ সংরক্ষণ ব্যাপারটাই পছন্দ করে না। মোদি নতুন করে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ করলেন গরিব উচ্চবর্ণের জন্য। সঙ্ঘ বেসরকারিকরণ পছন্দ করে না। মোদি সরকার ঢালাও বেসরকারিকরণের মন্ত্র নিয়েছে। সঙ্ঘ চায় বিজেপিতে সঙ্ঘ থেকে প্রশিক্ষিত নেতারা যাবে এবং বিজেপির স্তম্ভ হবে। মোদি এবং অমিত শাহ অন্য যে কোনও দল থেকে দলে দলে নেতাদের ভাঙিয়ে এনে বড়সড় পদ দিয়েছেন বিজেপিতে। রাজ্যে রাজ্যে বিজেপির মুখ এখন অন্য দল থেকে আসারাই। সুতরাং সঙ্ঘচালিত নয়। বরং মোদির বিজেপি সঙ্ঘের নির্দেশে আর চলেই না। বিজেপিকে স্বাধীন সত্তা দিতে চাইছেন মোদি। কিন্তু আর সাত আট বছরের মধ্যে তাঁকে বয়সোচিত কারণে প্রত্যক্ষ রাজনীতির সক্রিয়তা থেকে কিছুটা স্তিমিত হতেই হবে। তখন কিন্তু একটি দুর্বল বিজেপি আত্মপ্রকাশ করবে। একসঙ্গে অনেক নেতা সুপার লিডার হতে চাইবেন। তাঁরা শুধু অপেক্ষা করছেন সুযোগ আসার। ১৯৯১ সালের পর থেকে শক্তিশালী নেতার অভাবে বারংবার ভেঙেছে কংগ্রেস।   সেই দুর্বলতা আজও কাটেনি। বিজেপিরও কি অদূর ভবিষ্যতের পরিণতি হতে চলেছে সেরকমই? 
অর্থাৎ দল ভেঙে যাওয়া কিংবা ভোটব্যাঙ্ক ছিনতাই। আবার বিজেপির পরিত্রাতা হবে কি জোট রাজনীতিই? ব্যাক টু বাজপেয়ি? 
25th  November, 2022
দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ন্তা শাসক নয়, জনগণই
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের ইতিহাস পুনর্লিখন হবে! বিশেষ করে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিবৃত্ত। দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার পক্ষে সেটা নাকি বিশেষ জরুরি। এমনই নির্দেশ এসেছে দেশের শাসক দলের কাছ থেকে। বিশদ

26th  January, 2023
গণতন্ত্র রক্ষায় মমতা মডেল
হারাধন চৌধুরী

কোভিড বিধি ভেঙে পার্টিতে যোগ দিয়ে জরিমানার মুখে পড়েছিলেন বরিস জনসন, তাঁর স্ত্রী এবং ঋষি সুনাক। ওই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন মোট ৫০ জন। জরিমানার নোটিস ধরানো হয় বাকিদেরও। ঘটনাস্থল ব্রিটেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। সময়টা ২০২০-র ১৯ জুন। বিশদ

25th  January, 2023
প্রত্যাশা যে আপনারই কাছে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

দর্শনশাস্ত্রে প্রত্যাশা শব্দের সংজ্ঞা বলা হয়েছে, ‘কোনও কর্মকাণ্ডের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে তীব্র বিশ্বাস’। এখানেই একটু গোল বাধে। প্রত্যাশা আর বিশ্বাস কি এক জিনিস? আমরা আপনার কাছে আশা করি, আপনি কোনও না কোনওদিন আমাদের সবার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে ফেলে দেবেন। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, এই কাজটা আপনি কখনও করবেন না। দু’টো কীভাবে এক হয়? বিশদ

24th  January, 2023
সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ বনাম সংবিধান
পি চিদম্বরম

বলা হয় যে উক্তিটি এডমান্ডক বার্ক, জর্জ সান্টায়ানা এবং উইনস্টন চার্চিলের। প্রায়ই উদ্ধৃতি দেওয়া হয়, ‘যারা অতীত মনে রাখতে পারে না, পুনরাবৃত্তির দোষে তারা নিন্দিত হয়।’
বিশদ

23rd  January, 2023
আজও আক্রোশের
অভিমুখ সেই বাংলা...
হিমাংশু সিংহ

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ২৩ জানুয়ারি এলেই মনটা কেমন আনচান করে ওঠে। একটা আশ্চর্য শ্রদ্ধা মাখা সম্ভ্রমে মাথাটা আপনি হেঁট হয়ে যায়। আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়েই যিনি অন্তর্ধানে হারিয়ে গিয়েছেন। তাঁর লক্ষ্যপূরণ হলেও আসব আসব করে আর অসেননি এই বাংলায়। বিশদ

22nd  January, 2023
জনতার দাবিকে বিক্ষোভ ভাবাটাই ভুল
তন্ময় মল্লিক

‘আমরা এখানে প্রশংসা শুনতে আসিনি। মানুষের সমস্যা ও অভাব অভিযোগ শুনে তার সমাধান করতে চাই। এটাই আমাদের এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য।’ কথাটা মেদিনীপুরের অভিনেত্রী বিধায়ক জুন মালিয়ার। ‘দিদির দূত’ হয়ে তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার গোকুলপুর পঞ্চায়েতের কাজিপাটনা গ্রামে গিয়েছিলেন। বিশদ

21st  January, 2023
বাঙালিকে বিভাজিত করার চক্রান্ত চলছেই
সমৃদ্ধ দত্ত

১২০ বছর কেটে গেল। বদলে গেল শাসক। অথচ একটিমাত্র জাতির প্রতি শাসকের ক্রোধ একইভাবে রয়ে গেল। এটা বেশ আশ্চর্যের। সকলেই অবগত যে, লর্ড জর্জ নাথানিয়েল কার্জন ১৮৯৮ সালে ভারতের ভাইসরয় হয়ে আসার পর থেকে তাঁর প্রধান কাজই যেন হয়ে দাঁড়ায় বাঙালি নামক জাতিকে শায়েস্তা করা। বিশদ

20th  January, 2023
বিচারব্যবস্থাকে ‘বশংবদ’ করার আপ্রাণ চেষ্টা
মৃণালকান্তি দাস

বিচারবিভাগ, সংসদ-বিধানসভা ও প্রশাসনের মধ্যে বিবাদ বা প্রতিযোগিতার কোনও জায়গা সংবিধানের আত্মায় নেই। একসময় এই মহার্ঘ ভাষণ দিতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

19th  January, 2023
ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে পঞ্চায়েত দখলের স্বপ্ন বিজেপির
সন্দীপন বিশ্বাস

কথায় বলে, দুঃখের দিনে অথবা বিপদের দিনে সঠিকভাবে মানুষকে চেনা যায়। কথাটা আক্ষরিক অর্থেই সত্য। কিছুদিন আগেই মানুষ ভয়ঙ্কর করোনা মহামারীর খপ্পরে পড়েছিল।
বিশদ

18th  January, 2023
আরএসএস এবং ‘এক’ আধিপত্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

গত কয়েকদিন ধরে ‘আধিপত্য’ শব্দটি ভারতের নানা প্রান্তে বিশেষভাবে আলোচিত। অবশ্য আলোড়িত বললেও খুব ভুল বলা হবে না। আর এই আলোড়নের নেপথ্যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সুপ্রিমো মোহন ভাগবত। বিশদ

17th  January, 2023
২০২৩-২৪ সালের জন্য প্রথম হুঁশিয়ারি
পি চিদম্বরম

জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (এনএসও) ২০১৬-১৭ সালে অর্থবর্ষভিত্তিক জাতীয় আয়ের যে ফার্স্ট অ্যাডভান্স এস্টিমেটস (এফএই) প্রকাশের ফলপ্রসূ ব্যবস্থা চালু করেছে, সেটা এখন শেষ পর্যায়ে।
বিশদ

16th  January, 2023
স্বামীজি-নেতাজির বঙ্গে বিজেপির হিন্দুত্ব চলবে না
হিমাংশু সিংহ

ধু নতুন বছরের শুরু বলেই নয়, জানুয়ারি মাসটার সবচেয়ে বড় তাৎপর্য এই বঙ্গের দুই শ্রেষ্ঠ মহামানবের জন্মদিন উপহার দেওয়ার জন্য।
বিশদ

15th  January, 2023
একনজরে
'বিক্ষোভ' বলবেন না, মানুষ বিষয়টি নজরে আনছেন। দিদির দূত'দের গ্রামের অঞ্চলে যাওয়া প্রসঙ্গে এমনটাই জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি শুরু হওয়ার প্রথম ১৫ দিনের রিপোর্ট তুলে ধরে তৃণমূল দাবি করল, বিরোধীরা যে অভিযোগ করছে তা ...

আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। এই মেলাকে দূষণমুক্ত করার আর্জি জানাল ‘সবুজ মঞ্চ’। দূষণমুক্ত করতে যাতে সকল পরিবেশগত নিয়মাবলীর মেনে চলা হয়, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করতে ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে পাবলিসার্স ও বুক সেলার্স গিল্ড, রাজ্য ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহ পরিবেশে চাপ ও মানসিক চিন্তা বৃদ্ধি। কপট লোকের দ্বার কর্মে বিপত্তি ও অর্থক্ষতির যোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৮২: বাঁশের কেল্লা খ্যাত বিপ্লবী তিতুমীর তথা সৈয়দ মীর নিসার আলীর জন্ম
১৮৮০: টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাতির বাণিজ্যিক পেটেন্ট করেন।
১৯২২: অভিনেতা অজিত খানের জন্ম
১৯২৬: জন লগি বেয়ার্ড লন্ডনে প্রথম টেলিভিশন সিস্টেমকে জনসমক্ষে নিয়ে আসেন
১৯৩৬: জনগণের জন্য লন্ডনে শুরু হল বিবিসি-র সম্প্রচার
১৯৩৯: আমেরিকায় নিয়মিতভাবে টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু
১৯৬৯: অভিনেতা ববি দেওলের জন্ম
১৯৬৯: চিত্রপরিচালক বিক্রম ভাটের জন্ম
১৯৮৬: বিশিষ্ট সেতারবাদক নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৩: অভিনেত্রী তথা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সায়নী ঘোষের জন্ম
২০০৯: ভারতের অষ্টম রাষ্ট্রপতি আর ভেঙ্কটরামনের মৃত্যু
২০০২: নাইজেরিয়ার লেগোস শহরে এক বিস্ফোরণে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুন গৃহহীন হন।
২০০৬: ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, টেলিগ্রাফি ও বাণিজ্যিক মেসেজিং সেবা বন্ধ করে দেয়



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.৭৮ টাকা ৮২.৫২ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৯৬ টাকা ১০২.৩৪ টাকা
ইউরো ৮৭.৪৪ টাকা ৯০.৫৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
26th  January, 2023
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৭,৯০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৪,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৫,৮০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
26th  January, 2023

দিন পঞ্জিকা

১২ মাঘ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩। পঞ্চমী ১০/১৭ দিবা ১০/২৯। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ৩১/২৮ রাত্রি ৭/৫৮। সূর্যোদয় ৬/২১/৪০, সূর্যাস্ত ৫/১৬/২৪। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৭ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ২/৩২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে। 
১১ মাঘ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/৪০। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র রাত্রি ১/৯। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৫। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৮ গতে ৩/৪২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৪৬ মধ্যে ও ১০/৪৩ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৩৩ গতে ৫/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫০ গতে ১/২৯ মধ্যে।  
৩ রজব।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ড ৯৬/২ (১২ ওভার)

08:01:39 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ড ৪৩/২ (৫ ওভার)

07:33:21 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত ভারতের

06:58:00 PM

বিয়ে সারলেন ক্রিকেটার ভিভ রিচার্ডসের কন্যা মাসাবা গুপ্তা

04:21:00 PM

জিটিএ ছাড়ল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা
গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(জিটিএ) ছেড়ে বেরিয়ে গেল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। ২০১১ ...বিশদ

03:30:00 PM

সাঁকরাইলে যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার
হাওড়ার সাঁকরাইলে গলার নলি কেটে খুন। মৃতের নাম রবি রাই ...বিশদ

01:30:01 PM