Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দেশের অর্থনীতি এগচ্ছে আরও ধ্বংসের দিকে
সন্দীপন বিশ্বাস

ঠিক এক বছর আগে ১৯ নভেম্বর ঘটেছিল সেই ঘটনা। সেদিন কৃষক আন্দোলনের দৃঢ়তার মুখে ভেঙে পড়তে বাধ্য হয়েছিলেন ‘লৌহকঠিন’ হিসাবে বিজ্ঞাপিত নরেন্দ্র মোদি। তার আগের বছর তিনি কৃষিবিল এনেছিলেন। জানতেন যে, সেই বিলে শুধু দেশের শিল্পপতিদেরই মুনাফা হবে এবং সেই আইনের বলি হবেন কৃষকরা। তবুও তিনি সংসদে সংখ্যাগুরু থাকার ঔদ্ধত্য দেখিয়ে সেই বিল এনেছিলেন। কিন্তু এক বছর ধরে কৃষকদের ইস্পাত কঠিন আন্দোলনের সামনে তিনি কার্যত চূর্ণ হয়ে যান। তিনি সেদিন বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, আপনাদের কোনও ক্ষতি হবে না। আপনারা সবাই আপনাদের পরিবারের পাশে ফিরে যান। আপনাদের যাতে মঙ্গল হয়, আমি তার চেষ্টা করব। 
এই যে মোদির নতজানু হওয়া, তার উৎস কিন্তু অনুতাপ বা অনুশোচনা ছিল না। তা ছিল সম্পূর্ণই রাজনৈতিক। তাই যেন পাকা অভিনেতার নাটুকে আবেগ অনেকটাই লেগেছিল তাঁর স্বরে। আসলে তখন ভোট এসে দুয়ারে ধাক্কা দিচ্ছিল। তাই তাঁকে ‘গো অ্যাজ ইউ লাইক’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীর মতো ‘অনুতাপ পীড়িত’ সেজে আসরে নামতে হয়েছিল। মূল আন্দোলনকারী চাষিরা ছিলেন পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের। এর মধ্যে যে দুই রাজ্যে ভোট এসে গিয়েছিল, সে দু’টি হল উত্তরপ্রদেশ এবং পাঞ্জাব। তাই তাঁকে তড়িঘড়ি কৃষিবিল গুটিয়ে নিয়ে মুখরক্ষার চেষ্টা করতে হয়েছিল। জানতেন, এই ছদ্ম-সজ্জাটুকু ধারণ না করলে ভোট বাক্সে ঢাক, ঢোল দুইই ফাঁসবে। 
সেই ঘটনার বর্ষ অতিক্রান্ত। সেদিন মোদিকে বিশ্বাস করে কৃষকরা তাঁদের জয়ে উল্লসিত হয়েছিলেন। এই এক বছরে কিন্তু তাঁদের ভুল ভেঙেছে। বুঝতে পারছেন, সবটাই ছিল একটা ড্রামা। ওই নাটকের মধ্য দিয়ে সাময়িকভাবে বিলটিকে হিমঘরে পাঠানো হলেও সুযোগ পেলেই ফের বিলটিকে ঝুলি থেকে বের করা হবে। কেননা বিজেপি সরকার বৃহত্তর শিল্পপতিদের কাছে এনিয়ে দায়বদ্ধ। বৃহত্তর শিল্পপতিদের তুষ্টি মানেই বিজেপির তহবিল রসেবশে থাকা। আর তহবিল রসেবশে না থাকলে বিভিন্ন রাজ্যে ভোটের কাজে তা ব্যবহারও করা যাবে না। প্রয়োজনে অন্য দলের বিধায়ক ভেঙে সরকার গড়ার নিত্য খেলাও সম্ভব হবে না।
তবে কৃষকরা বার বার বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিজেপি সরকার বুনো ওল হলে, তাঁরাও কিন্তু বাঘা তেঁতুল। গত এক বছরে প্রধানমন্ত্রী যে তাঁর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি, তা কৃষকরা কিন্তু ভোলেননি। তাঁদের ফসলের সহায়ক মূল্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কিছুই করেননি। মোদি অবশ্য সহায়ক মূল্য নির্ধারণের জন্য একটি ‘সাজানো’ কমিটি করেছেন। তবে হাস্যকর ব্যাপার হল, সেই কমিটিতে আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে কোনও প্রতিনিধি নেই। তাই কৃষক নেতারা এই কমিটিকে ইতিমধ্যেই অস্বীকার করেছেন। তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আগামী ২৬ নভেম্বর সহায়ক মূল্য ঘোষণার দাবিতে রাজভবনের দিকে যাত্রা করবেন। মোদির নীরবতাই যে তাঁদের পুনরায় আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, এ নিয়ে সন্দেহের কোনও কারণ নেই।   
শুধু তো কৃষিবিল নয়, শাসন ব্যবস্থার সার্বিক ক্ষেত্রে এই ডামাডোল চলছে। প্রতিদিন আমরা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে চলেছি। ক্রমে ক্রমে ভারতীয় অর্থনীতির দম সঙ্কুচিত হয়ে আসছে। এই মুহূর্তে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বুঝিয়ে দিচ্ছে, দেশে রিসেশন বা মন্দা অর্থনীতির অশুভ ছায়া ঘনিয়ে আসছে। আসলে মন্দা অর্থনীতি তো চলছেই। তাই মন্দা অর্থনীতি বললে ঠিক রিসেশন ব্যাপারটা বোঝানো যায় না। একে নাটকের ভাষায় বলা যেতে পারে ‘দেশের আর্থিক অবস্থার পতন ও মূর্চ্ছা।’ 
দেশের অর্থনীতি নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এতদিন যেন মোদির তালেই তাল দিয়ে আসছিল। ইদানীং তারা বুঝেছে, আর বুঝি তালে তাল ঠোকা সম্ভব নয়। তাই মাঝেমাঝেই দেশের অর্থনীতি নিয়ে তারা কিছুটা বেসুরো গাইতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে দেশে রিসেশন আসার নানা লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে একটা কথা অবশ্যই বলা যায়, করোনা পর্বের পর রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ সারা বিশ্বের অর্থনীতিতেই কমবেশি প্রভাব ফেলেছে। যে দেশের অর্থনীতির বনিয়াদ শক্ত এবং ক্ষমতায় থাকা দল সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছে, তাদের অর্থনীতির ভাঙন অল্প। কিন্তু যে দেশের শাসক দলের সিদ্ধান্তে দুর্বলতা দেখা দিয়েছে, তাদের ক্রমেই রিসেশনের দিকে ঢলে পড়তে হচ্ছে। আমরা তো চোখের সামনেই ভারত ছাড়া দেখতে পাচ্ছি ব্রিটেনকে। সেখানে অর্থনীতির ভাঙনের ঠেলায় প্রধানমন্ত্রীই বদল হয়ে গেল। নতুন প্রধানমন্ত্রীও কবুল করেছেন, দেশ রিসেশনের কবলে পড়েছে। তার মোকাবিলায় নানা পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে।
বিশ্বব্যাঙ্ক বলছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সব দেশই অর্থনৈতিক দিক থেকে হৃতবল হয়েছে। এই সম্পর্কে তারা একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। কোন দেশের অর্থনৈতিক বনিয়াদ কতটা দুর্বল হয়েছে, তার উল্লেখ সেখানে আছে। জাপান দুর্বল হয়েছে ২.৬ শতাংশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হয়েছে ৪.৫ শতাংশ, চীন হয়েছে ৫.৭ শতাংশ, জার্মানি হয়েছে ৬.৮ শতাংশ, গ্রেট ব্রিটেন হয়েছে ৭.৮ শতাংশ, ভারত হয়েছে ৭.৮ শতাংশ এবং রাশিয়ার দুর্বলতা হল ১২.৬ শতাংশ। এই যে অর্থনৈতিক অপুষ্টির শতকরা হার, তার হাল ঠিকমতো ধরতে না পারলে আগামী দিনে তা বাড়বে। আমরা নিরুপায়। এই বিপন্ন সময়ে আমাদের সকল নিয়ে বসে আছি সর্বনাশের আশায়।
মোদি-অনুগত নন, এমন বিজ্ঞ অর্থনীতিবিদরা ইতিমধ্যেই বলে দিয়েছেন যে, এই মুহূর্তে দেশের যা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, তাকে আধা রিসেশন বলাই যায়। এছাড়াও তাঁরা আশঙ্কা করছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে এই অর্থনীতি চরম গাড্ডায় পড়ে যাবে। সরকার এখন অর্থনীতির যেসব রামধনু দেখানোর চেষ্টা করছে, তা আসলে সবই বাকোয়াস।   
কয়েকদিন আগে দেশের বিভিন্ন কোম্পানির ৬৬ শতাংশ সিইও স্বীকার করেছেন যে, আসন্ন ২০২৩ সাল অর্থনৈতিক দিক থেকে ভয়ঙ্কর এক সময় হতে চলেছে। এই সময়ে দেশ রিসেশনের কবলে পড়তে পারে। পরিস্থিতি উন্নত হওয়ার কোনও আশা তো নেইই, বরং কতটা ক্ষতি আটকানো যায়, সেই চেষ্টাই করা হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে বহু মানুষের চাকরি যাবে, বেতন কমে যাবে, মূল্যবৃদ্ধি ঘটবে, সরকার হু হু করে কর বাড়াবে, জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়বে, উৎপাদনও কমে যাবে। দেশের সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষ যে অসংগঠিত ক্ষেত্রে লড়াই করে প্রতিদিনের রুটি রোজগার জোগাড় করেন, তাঁদের কর্মক্ষেত্রেও টান পড়বে। দু’মুঠো খাবার জোগাড় করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে। একেই নোটবন্দির জ্বালা এখনও জুড়ায়নি, তার উপরে জিএসটির বিষে জর্জরিত ক্ষুদ্র শিল্প ও ব্যবসা। রিসেশনের ছোঁয়ায় তা আরও প্রাণান্তকর হয়ে ওঠার আশঙ্কা। মনে রাখা দরকার, অসংগঠিত ক্ষেত্রের ৫০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে যুক্ত। এদের মধ্যে অধিকাংশই আবার প্রান্তিক চাষি। তাদের যদি সরকার ন্যূনতম সহায়ক মূল্য না দেয়, তাহলে তাদের পক্ষে জীবনধারণ করা কঠিন হয়ে উঠবে। 
এই বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে সরকার কতটা লড়াই করতে পারবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কেননা বাহুবলী দিয়ে, ধর্ম দিয়ে, সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে বা সিএএ দিয়ে এই দুর্বিপাককে রোখা যাবে না। এমনকী জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে বা গো-পূজনেও এই সর্বনাশকে রোখা সম্ভব হবে না। 
 এর আগে আমাদের দেশে দু’বার রিসেশনের আভাস দেখা গিয়েছিল। ১৯৯১ সালে এবং ২০০৮ সালে। মনে রাখা দরকার, দু’বারই ভারত যে মানুষটির হাত ধরে তা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল, তাঁর নাম মনমোহন সিং। একবার তিনি ছিলেন অর্থমন্ত্রী, অন্যবার প্রধানমন্ত্রী। এখন মোদির পরীক্ষা। অবশ্য এর মোকাবিলার জন্য শিক্ষা, মেধা, বিচক্ষণতার প্রয়োজন। গত সাড়ে আট বছরের রাজত্বকালে এই সরকার তার কণামাত্রও দেখাতে পারেনি। দেশের মানুষের আতঙ্কটা সেখানেই।
23rd  November, 2022
আধার বন্ধ কি ঝড়ের পূর্বাভাস?
তন্ময় মল্লিক

বিপুল সরকার থাকেন পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের জুহিহাটি গ্রামে। নিজের কোনও ঘরবাড়ি নেই। থাকেন আত্মীয়ের ঘরে। সংসারে অভাব লেপ্টে থাকে ছায়ার মতো। সর্বক্ষণ। ভরসা বলতে খেতমজুরি আর বিনাপয়সার রেশন। অভাব থাকলেও স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। বিশদ

দ্বিতীয় মণ্ডল: কংগ্রেসকে বদলে দিচ্ছেন রাহুল?
সমৃদ্ধ দত্ত

রাহুল গান্ধী শুধু নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে নয়, স্বাধীনতার পর কংগ্রেসের ইতিহাসেও সম্ভবত সবথেকে বড় এক সিদ্ধান্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাজি নিয়েছেন ঠিক লোকসভা ভোটের আগে। নিজের দলের ইতিহাসের ঘোষিত অথবা অঘোষিত অবস্থানের ঠিক বিপরীত অবস্থানে গিয়ে রাহুল গান্ধী সরাসরি জাতিগত রাজনীতিতে প্রবেশ করছেন। বিশদ

23rd  February, 2024
হিন্দুত্ববাদী পপস্টারদের এজেন্ডা
মৃণালকান্তি দাস

হিন্দুত্ববাদীদের জন্য এই ‘ভক্তিমূলক’ গান রচেছেন প্রেম কৃষ্ণবংশী। যার বাংলা তর্জমা: ‘তুমি মানুষ নও, তুমি কসাই; যথেষ্ঠ হয়েছে হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই।’ বিদ্বেষমূলক রাজনীতির টানে কৃষ্ণবংশীর এই গান এখন গোবলয়ে নতুন গণসংস্কৃতির অংশ। বিশদ

22nd  February, 2024
বারবার আক্রান্ত হয়েছে বাংলা ভাষা
সন্দীপন বিশ্বাস

বাংলা ভাষার যে প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে, তা কম করে হাজার বছরের। মোটামুটি ‘চর্যাপদ’ই হল বাংলা ভাষার প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ। এই হাজার বছর ধরে বাংলা ভাষাকে বার বার লড়াই করতে হয়েছে অন্য ভাষার সঙ্গে। তার উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে অন্য ভাষাকে। বিশদ

21st  February, 2024
‘ফ্রিজ’ হয়েছে কংগ্রেসের রাজনৈতিক লক্ষ্যটাই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রথমে অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’। তারপর শর্তসাপেক্ষে ব্যবহারের অনুমতি। কী সেই শর্ত? প্রথমত, টাকা জমা দেওয়া যাবে না। আর দ্বিতীয়ত, টাকা তোলা যাবে, কিন্তু কী কারণে তোলা হচ্ছে এবং কোন খাতে খরচ, সেটা জানাতে হবে আয়কর দপ্তরকে। বিশদ

20th  February, 2024
সব কালো অথবা সাদা
পি চিদম্বরম

পাগলামির ভিতরেও মাঝেমধ্যে একটা পদ্ধতি থাকে। একটা সরকার তার শেষ বাজেট পেশ করল সাধারণ নির্বাচনের মুখে। তার বদলে পরবর্তী অর্থবর্ষের এপ্রিল থেকে জুলাই মাসের জন্য ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’ সংবলিত একটা অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে পারত তারা। বিশদ

19th  February, 2024
ভোটের আগেই দুর্নীতির পর্দাফাঁস!
হিমাংশু সিংহ

স্বাধীন ভারতের বৃহত্তম দুর্নীতি। কালো টাকা উদ্ধারের নামে কালো টাকাকেই ঘুরিয়ে সাদা করার আইনি ফাঁদ। পরপর তিনবার। ২০১৬, ২০১৮ এবং ২০২০। প্রথম অঙ্কে নোট বাতিল, দ্বিতীয় খেপে নির্বাচনী বন্ড এবং সর্বশেষে কোভিড প্রহরে রহস্যজনক পিএম কেয়ার্স। বিশদ

18th  February, 2024
টার্গেট কি তবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার?
তন্ময় মল্লিক

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার আগেই বাংলায় এসে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তা নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল প্রচুর। প্রশ্ন উঠেছিল, এটা সংবিধানসম্মত কি না! কিন্তু সেই সব প্রশ্ন ও সমালোচনা ধর্তব্যের মধ্যেই আনা হয়নি। কারণ বাংলা দখলই ছিল গেরুয়া শিবিরের টার্গেট। বিশদ

17th  February, 2024
যাদবপুরে অশনিসঙ্কেত
জিষ্ণু বসু

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টার দেওয়া হয়েছে, ‘ফ্রি প্যালেস্তাইন, ফ্রি কাশ্মীর, ফ্রি গোর্খাল্যান্ড’। সেইসঙ্গে কমরেড ফ্লাডিমির ইলিচ উলিয়নভের (লেনিন) বাণী, ‘বিচ্ছেদের স্বাধীনতা ছাড়া স্বাধীন মিলন মিথ্যা কথা’। একটা পুরনো বামপন্থী দেওয়াল লিখন স্মরণে এল, ‘দেওয়াল পড়ে শিখি, দেওয়াল পড়েই জানি’। বিশদ

17th  February, 2024
অহঙ্কারই পতনের কারণ, আজও!
সমৃদ্ধ দত্ত

সরকারের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি ইন্দিরা গান্ধীকে রিপোর্ট দিয়েছিল, আপনি লোকসভা ভোটে ৩৪০ আসন অন্তত পাচ্ছেনই। ১৯৭৭ সালের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস সরকারের মুখ্যমন্ত্রী নারায়ণ দত্ত তিওয়ারি দিল্লিতে দেখা করে প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলেন, আমাদের রাজ্যে ৮৫ সিটের মধ্যে ৭০ তো পাচ্ছিই। বিশদ

16th  February, 2024
নিজেরটা ‘মোদি কী গ্যারান্টি’, বাকি সব রেউড়ি?
মৃণালকান্তি দাস

রেউড়ি! উত্তর ভারতে মন্দির, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাতাসার মতোই বিলি করা হয় এই চ্যাপ্টা তিলের নাড়ু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেই ‘রেউড়ি’-কে আচমকাই রাজনৈতিক অভিধানে তুলে এনেছিলেন। ১৭ জুলাই, ২০২২। বিশদ

15th  February, 2024
শিক্ষায় নির্মলার উপেক্ষার জবাব রাজ্যের
হারাধন চৌধুরী

 

আজ সরস্বতী পুজো। প্রতিমা সাজিয়ে বিদ্যাদেবীর আরাধনা সব স্কুলে‌‌ হয় কি না কিংবা সেই পরিবেশের উন্নতি অবনতির বিতর্কিত প্রসঙ্গ একপাশে সরিয়েই রাখা যাক। সেই জায়গায়, আজ প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যা, শিক্ষা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হলে মন্দ কী।‌  বিশদ

14th  February, 2024
একনজরে
প্রায় তিন বছর পর আইসিএআর (ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চ)-এর স্বীকৃতি ফিরে পেল বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিসিকেভি)। সেই সঙ্গে বাঁকুড়ার শুশুনিয়া এবং বর্ধমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ...

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার রুখতে ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকার। চিকিৎসকদের জন্য আনা হয়েছে গাইডলাইন। তবে সেই নির্দেশিকা অসম্পূর্ণ। অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ন্ত্রণের আরও নানাদিক খতিয়ে দেখা উচিত ...

সাব মার্সিবলের ইলেকট্রিক বিল কে দেবে, তা নিয়ে বাবা ও ছেলের মধ্যে বিবাদ চলছিল। বচসার জেরে শেষপর্যন্ত বাবার হাতে খুন হল ছেলে। ...

টেস্ট জীবনের প্রথম স্পেলটাই দুর্ধর্ষ। ৭ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট। আবির্ভাবেই সাড়া ফেলে দিয়েছেন ডানহাতি পেসার আকাশ দীপ। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চ বা উচ্চতর শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি। বন্ধুর প্রতারণায় অর্থক্ষতির সম্ভাবনা। সন্তানের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

কেন্দ্রীয় শুল্ক দিবস
১৩০৪ - বিখ্যাত পরিব্রাজক ইবন বতুতার জন্ম
১৮৭৩ - আজকের দিনে প্রথম কলকাতার আর্মেনিয়া ঘাট থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম ঘোড়ায় টানা ট্রামগাড়ি চালু হয়
১৯২৪ - বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী তালাত মাহমুদের জন্ম
১৯৩১- বিশিষ্ট অভিনেতা তরুণকুমারের জন্ম
১৯৩৯-বিশিষ্ট অভিনেতা জয় মুখার্জির জন্ম
১৯৪৮- তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার জন্মদিন
১৯৫২- ভাষা আন্দোলনের স্মরণে ঢাকায় প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়, কয়েক দিন পরেই এটি পুলিস ধ্বংস করে দেয়
১৯৫৫- অ্যাপল সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের জন্ম
১৯৫৯ কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভির জন্মদিন
১৯৬৩- চিত্র পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনসালির জন্মদিন
১৯৭২- অভিনেত্রী পূজা ভাটের জন্মদিন
১৯৮২- আর্জেন্টাইন ফুটবলার ইমানুয়েল ভিলার জন্ম
১৯৮৩- দাবারু সূর্যশেখর গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্মদিন
১৯৯৩- ইংরেজ ফুটবলার ববি মুরের মৃত্যু
১৯৯৮- অভিনেত্রী ললিতা পাওয়ারের মৃত্যুদিন
২০১১- কমিক্স বইয়ের জনক অনন্ত পাইয়ের মৃত্যুদিন
২০১৮- দুবাইয়ের হোটেলে মৃত্যু অভিনেত্রী শ্রীদেবীর



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৩৯ টাকা ৮৩.৪৮ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৬৯ টাকা ১০৬.৩২ টাকা
ইউরো ৮৮.৫৬ টাকা ৯০.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৬২,৪৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৬২,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৯,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৯,৯৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭০,০৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ ফাল্গুন, ১৪৩০, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। পূর্ণিমা ২৯/৪৪ সন্ধ্যা ৬/০। মঘা নক্ষত্র ৪০/৩৫ রাত্রি ১০/২১। সূর্যোদয় ৬/৬/৩৯, সূর্যাস্ত ৫/৩৩/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৬ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/৩ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/১৫ গতে ১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ২/৪৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩২ গতে উদয়াবধি। 
১১ ফাল্গুন, ১৪৩০, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। পূর্ণিমা সন্ধ্যা ৫/২৪। মঘা নক্ষত্র রাত্রি ১০/৪। সূর্যোদয় ৬/১০, সূর্যাস্ত ৫/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৯ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৬ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১১ গতে ১/৪৯ মধ্যে ও ২/৩৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৫ মধ্যে ও ১/১৬ গতে ২/৪২ মধ্যে ও ৪/৭ গতে ৫/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৭ মধ্যে ও ৪/৩৫ গতে ৬/৯ মধ্যে। 
১৩ শাবান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মন্ত্রিত্ব পাইয়ে দেওয়ার নামে বিধায়কের সঙ্গে প্রতারণা, ধৃত যুবক
মন্ত্রিত্ব পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণা করে গ্রেপ্তার ...বিশদ

03:54:30 PM

চতুর্থ টেস্ট, দ্বিতীয় দিন(প্রথম ইনিংস): ১ রানে আউট অশ্বিন, ভারত ১৭৭/৭, প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের স্কোর ৩৫৩

03:48:25 PM

চতুর্থ টেস্ট, দ্বিতীয় দিন(প্রথম ইনিংস): ১৪ রানে আউট সরফরাজ, ভারত ১৭১/৬, প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের স্কোর ৩৫৩

03:32:40 PM

চতুর্থ টেস্ট, দ্বিতীয় দিন(প্রথম ইনিংস): ৭৩ রানে আউট যশস্বী জয়সওয়াল, ৪ উইকেট নিলেন শোয়েব বশির, ভারত ১৬১/৫, প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের স্কোর ৩৫৩

03:14:05 PM

১ জুলাই থেকে দেশজুড়ে লাগু নয়া ন্যায় সংহিতা: কেন্দ্র

03:09:09 PM

তামিলনাড়ুর সাত্তুরের কাছে বাজি কারখানায় আগুন, মৃত কমপক্ষে ১

02:57:14 PM