Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দেশের অর্থনীতি এগচ্ছে আরও ধ্বংসের দিকে
সন্দীপন বিশ্বাস

ঠিক এক বছর আগে ১৯ নভেম্বর ঘটেছিল সেই ঘটনা। সেদিন কৃষক আন্দোলনের দৃঢ়তার মুখে ভেঙে পড়তে বাধ্য হয়েছিলেন ‘লৌহকঠিন’ হিসাবে বিজ্ঞাপিত নরেন্দ্র মোদি। তার আগের বছর তিনি কৃষিবিল এনেছিলেন। জানতেন যে, সেই বিলে শুধু দেশের শিল্পপতিদেরই মুনাফা হবে এবং সেই আইনের বলি হবেন কৃষকরা। তবুও তিনি সংসদে সংখ্যাগুরু থাকার ঔদ্ধত্য দেখিয়ে সেই বিল এনেছিলেন। কিন্তু এক বছর ধরে কৃষকদের ইস্পাত কঠিন আন্দোলনের সামনে তিনি কার্যত চূর্ণ হয়ে যান। তিনি সেদিন বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, আপনাদের কোনও ক্ষতি হবে না। আপনারা সবাই আপনাদের পরিবারের পাশে ফিরে যান। আপনাদের যাতে মঙ্গল হয়, আমি তার চেষ্টা করব। 
এই যে মোদির নতজানু হওয়া, তার উৎস কিন্তু অনুতাপ বা অনুশোচনা ছিল না। তা ছিল সম্পূর্ণই রাজনৈতিক। তাই যেন পাকা অভিনেতার নাটুকে আবেগ অনেকটাই লেগেছিল তাঁর স্বরে। আসলে তখন ভোট এসে দুয়ারে ধাক্কা দিচ্ছিল। তাই তাঁকে ‘গো অ্যাজ ইউ লাইক’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীর মতো ‘অনুতাপ পীড়িত’ সেজে আসরে নামতে হয়েছিল। মূল আন্দোলনকারী চাষিরা ছিলেন পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের। এর মধ্যে যে দুই রাজ্যে ভোট এসে গিয়েছিল, সে দু’টি হল উত্তরপ্রদেশ এবং পাঞ্জাব। তাই তাঁকে তড়িঘড়ি কৃষিবিল গুটিয়ে নিয়ে মুখরক্ষার চেষ্টা করতে হয়েছিল। জানতেন, এই ছদ্ম-সজ্জাটুকু ধারণ না করলে ভোট বাক্সে ঢাক, ঢোল দুইই ফাঁসবে। 
সেই ঘটনার বর্ষ অতিক্রান্ত। সেদিন মোদিকে বিশ্বাস করে কৃষকরা তাঁদের জয়ে উল্লসিত হয়েছিলেন। এই এক বছরে কিন্তু তাঁদের ভুল ভেঙেছে। বুঝতে পারছেন, সবটাই ছিল একটা ড্রামা। ওই নাটকের মধ্য দিয়ে সাময়িকভাবে বিলটিকে হিমঘরে পাঠানো হলেও সুযোগ পেলেই ফের বিলটিকে ঝুলি থেকে বের করা হবে। কেননা বিজেপি সরকার বৃহত্তর শিল্পপতিদের কাছে এনিয়ে দায়বদ্ধ। বৃহত্তর শিল্পপতিদের তুষ্টি মানেই বিজেপির তহবিল রসেবশে থাকা। আর তহবিল রসেবশে না থাকলে বিভিন্ন রাজ্যে ভোটের কাজে তা ব্যবহারও করা যাবে না। প্রয়োজনে অন্য দলের বিধায়ক ভেঙে সরকার গড়ার নিত্য খেলাও সম্ভব হবে না।
তবে কৃষকরা বার বার বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিজেপি সরকার বুনো ওল হলে, তাঁরাও কিন্তু বাঘা তেঁতুল। গত এক বছরে প্রধানমন্ত্রী যে তাঁর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি, তা কৃষকরা কিন্তু ভোলেননি। তাঁদের ফসলের সহায়ক মূল্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কিছুই করেননি। মোদি অবশ্য সহায়ক মূল্য নির্ধারণের জন্য একটি ‘সাজানো’ কমিটি করেছেন। তবে হাস্যকর ব্যাপার হল, সেই কমিটিতে আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে কোনও প্রতিনিধি নেই। তাই কৃষক নেতারা এই কমিটিকে ইতিমধ্যেই অস্বীকার করেছেন। তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আগামী ২৬ নভেম্বর সহায়ক মূল্য ঘোষণার দাবিতে রাজভবনের দিকে যাত্রা করবেন। মোদির নীরবতাই যে তাঁদের পুনরায় আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, এ নিয়ে সন্দেহের কোনও কারণ নেই।   
শুধু তো কৃষিবিল নয়, শাসন ব্যবস্থার সার্বিক ক্ষেত্রে এই ডামাডোল চলছে। প্রতিদিন আমরা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে চলেছি। ক্রমে ক্রমে ভারতীয় অর্থনীতির দম সঙ্কুচিত হয়ে আসছে। এই মুহূর্তে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বুঝিয়ে দিচ্ছে, দেশে রিসেশন বা মন্দা অর্থনীতির অশুভ ছায়া ঘনিয়ে আসছে। আসলে মন্দা অর্থনীতি তো চলছেই। তাই মন্দা অর্থনীতি বললে ঠিক রিসেশন ব্যাপারটা বোঝানো যায় না। একে নাটকের ভাষায় বলা যেতে পারে ‘দেশের আর্থিক অবস্থার পতন ও মূর্চ্ছা।’ 
দেশের অর্থনীতি নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এতদিন যেন মোদির তালেই তাল দিয়ে আসছিল। ইদানীং তারা বুঝেছে, আর বুঝি তালে তাল ঠোকা সম্ভব নয়। তাই মাঝেমাঝেই দেশের অর্থনীতি নিয়ে তারা কিছুটা বেসুরো গাইতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে দেশে রিসেশন আসার নানা লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে একটা কথা অবশ্যই বলা যায়, করোনা পর্বের পর রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ সারা বিশ্বের অর্থনীতিতেই কমবেশি প্রভাব ফেলেছে। যে দেশের অর্থনীতির বনিয়াদ শক্ত এবং ক্ষমতায় থাকা দল সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছে, তাদের অর্থনীতির ভাঙন অল্প। কিন্তু যে দেশের শাসক দলের সিদ্ধান্তে দুর্বলতা দেখা দিয়েছে, তাদের ক্রমেই রিসেশনের দিকে ঢলে পড়তে হচ্ছে। আমরা তো চোখের সামনেই ভারত ছাড়া দেখতে পাচ্ছি ব্রিটেনকে। সেখানে অর্থনীতির ভাঙনের ঠেলায় প্রধানমন্ত্রীই বদল হয়ে গেল। নতুন প্রধানমন্ত্রীও কবুল করেছেন, দেশ রিসেশনের কবলে পড়েছে। তার মোকাবিলায় নানা পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে।
বিশ্বব্যাঙ্ক বলছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সব দেশই অর্থনৈতিক দিক থেকে হৃতবল হয়েছে। এই সম্পর্কে তারা একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। কোন দেশের অর্থনৈতিক বনিয়াদ কতটা দুর্বল হয়েছে, তার উল্লেখ সেখানে আছে। জাপান দুর্বল হয়েছে ২.৬ শতাংশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হয়েছে ৪.৫ শতাংশ, চীন হয়েছে ৫.৭ শতাংশ, জার্মানি হয়েছে ৬.৮ শতাংশ, গ্রেট ব্রিটেন হয়েছে ৭.৮ শতাংশ, ভারত হয়েছে ৭.৮ শতাংশ এবং রাশিয়ার দুর্বলতা হল ১২.৬ শতাংশ। এই যে অর্থনৈতিক অপুষ্টির শতকরা হার, তার হাল ঠিকমতো ধরতে না পারলে আগামী দিনে তা বাড়বে। আমরা নিরুপায়। এই বিপন্ন সময়ে আমাদের সকল নিয়ে বসে আছি সর্বনাশের আশায়।
মোদি-অনুগত নন, এমন বিজ্ঞ অর্থনীতিবিদরা ইতিমধ্যেই বলে দিয়েছেন যে, এই মুহূর্তে দেশের যা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, তাকে আধা রিসেশন বলাই যায়। এছাড়াও তাঁরা আশঙ্কা করছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে এই অর্থনীতি চরম গাড্ডায় পড়ে যাবে। সরকার এখন অর্থনীতির যেসব রামধনু দেখানোর চেষ্টা করছে, তা আসলে সবই বাকোয়াস।   
কয়েকদিন আগে দেশের বিভিন্ন কোম্পানির ৬৬ শতাংশ সিইও স্বীকার করেছেন যে, আসন্ন ২০২৩ সাল অর্থনৈতিক দিক থেকে ভয়ঙ্কর এক সময় হতে চলেছে। এই সময়ে দেশ রিসেশনের কবলে পড়তে পারে। পরিস্থিতি উন্নত হওয়ার কোনও আশা তো নেইই, বরং কতটা ক্ষতি আটকানো যায়, সেই চেষ্টাই করা হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে বহু মানুষের চাকরি যাবে, বেতন কমে যাবে, মূল্যবৃদ্ধি ঘটবে, সরকার হু হু করে কর বাড়াবে, জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়বে, উৎপাদনও কমে যাবে। দেশের সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষ যে অসংগঠিত ক্ষেত্রে লড়াই করে প্রতিদিনের রুটি রোজগার জোগাড় করেন, তাঁদের কর্মক্ষেত্রেও টান পড়বে। দু’মুঠো খাবার জোগাড় করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে। একেই নোটবন্দির জ্বালা এখনও জুড়ায়নি, তার উপরে জিএসটির বিষে জর্জরিত ক্ষুদ্র শিল্প ও ব্যবসা। রিসেশনের ছোঁয়ায় তা আরও প্রাণান্তকর হয়ে ওঠার আশঙ্কা। মনে রাখা দরকার, অসংগঠিত ক্ষেত্রের ৫০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে যুক্ত। এদের মধ্যে অধিকাংশই আবার প্রান্তিক চাষি। তাদের যদি সরকার ন্যূনতম সহায়ক মূল্য না দেয়, তাহলে তাদের পক্ষে জীবনধারণ করা কঠিন হয়ে উঠবে। 
এই বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে সরকার কতটা লড়াই করতে পারবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কেননা বাহুবলী দিয়ে, ধর্ম দিয়ে, সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে বা সিএএ দিয়ে এই দুর্বিপাককে রোখা যাবে না। এমনকী জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে বা গো-পূজনেও এই সর্বনাশকে রোখা সম্ভব হবে না। 
 এর আগে আমাদের দেশে দু’বার রিসেশনের আভাস দেখা গিয়েছিল। ১৯৯১ সালে এবং ২০০৮ সালে। মনে রাখা দরকার, দু’বারই ভারত যে মানুষটির হাত ধরে তা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল, তাঁর নাম মনমোহন সিং। একবার তিনি ছিলেন অর্থমন্ত্রী, অন্যবার প্রধানমন্ত্রী। এখন মোদির পরীক্ষা। অবশ্য এর মোকাবিলার জন্য শিক্ষা, মেধা, বিচক্ষণতার প্রয়োজন। গত সাড়ে আট বছরের রাজত্বকালে এই সরকার তার কণামাত্রও দেখাতে পারেনি। দেশের মানুষের আতঙ্কটা সেখানেই।
23rd  November, 2022
দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ন্তা শাসক নয়, জনগণই
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের ইতিহাস পুনর্লিখন হবে! বিশেষ করে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিবৃত্ত। দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার পক্ষে সেটা নাকি বিশেষ জরুরি। এমনই নির্দেশ এসেছে দেশের শাসক দলের কাছ থেকে। বিশদ

26th  January, 2023
গণতন্ত্র রক্ষায় মমতা মডেল
হারাধন চৌধুরী

কোভিড বিধি ভেঙে পার্টিতে যোগ দিয়ে জরিমানার মুখে পড়েছিলেন বরিস জনসন, তাঁর স্ত্রী এবং ঋষি সুনাক। ওই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন মোট ৫০ জন। জরিমানার নোটিস ধরানো হয় বাকিদেরও। ঘটনাস্থল ব্রিটেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। সময়টা ২০২০-র ১৯ জুন। বিশদ

25th  January, 2023
প্রত্যাশা যে আপনারই কাছে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

দর্শনশাস্ত্রে প্রত্যাশা শব্দের সংজ্ঞা বলা হয়েছে, ‘কোনও কর্মকাণ্ডের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে তীব্র বিশ্বাস’। এখানেই একটু গোল বাধে। প্রত্যাশা আর বিশ্বাস কি এক জিনিস? আমরা আপনার কাছে আশা করি, আপনি কোনও না কোনওদিন আমাদের সবার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে ফেলে দেবেন। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, এই কাজটা আপনি কখনও করবেন না। দু’টো কীভাবে এক হয়? বিশদ

24th  January, 2023
সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ বনাম সংবিধান
পি চিদম্বরম

বলা হয় যে উক্তিটি এডমান্ডক বার্ক, জর্জ সান্টায়ানা এবং উইনস্টন চার্চিলের। প্রায়ই উদ্ধৃতি দেওয়া হয়, ‘যারা অতীত মনে রাখতে পারে না, পুনরাবৃত্তির দোষে তারা নিন্দিত হয়।’
বিশদ

23rd  January, 2023
আজও আক্রোশের
অভিমুখ সেই বাংলা...
হিমাংশু সিংহ

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ২৩ জানুয়ারি এলেই মনটা কেমন আনচান করে ওঠে। একটা আশ্চর্য শ্রদ্ধা মাখা সম্ভ্রমে মাথাটা আপনি হেঁট হয়ে যায়। আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়েই যিনি অন্তর্ধানে হারিয়ে গিয়েছেন। তাঁর লক্ষ্যপূরণ হলেও আসব আসব করে আর অসেননি এই বাংলায়। বিশদ

22nd  January, 2023
জনতার দাবিকে বিক্ষোভ ভাবাটাই ভুল
তন্ময় মল্লিক

‘আমরা এখানে প্রশংসা শুনতে আসিনি। মানুষের সমস্যা ও অভাব অভিযোগ শুনে তার সমাধান করতে চাই। এটাই আমাদের এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য।’ কথাটা মেদিনীপুরের অভিনেত্রী বিধায়ক জুন মালিয়ার। ‘দিদির দূত’ হয়ে তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার গোকুলপুর পঞ্চায়েতের কাজিপাটনা গ্রামে গিয়েছিলেন। বিশদ

21st  January, 2023
বাঙালিকে বিভাজিত করার চক্রান্ত চলছেই
সমৃদ্ধ দত্ত

১২০ বছর কেটে গেল। বদলে গেল শাসক। অথচ একটিমাত্র জাতির প্রতি শাসকের ক্রোধ একইভাবে রয়ে গেল। এটা বেশ আশ্চর্যের। সকলেই অবগত যে, লর্ড জর্জ নাথানিয়েল কার্জন ১৮৯৮ সালে ভারতের ভাইসরয় হয়ে আসার পর থেকে তাঁর প্রধান কাজই যেন হয়ে দাঁড়ায় বাঙালি নামক জাতিকে শায়েস্তা করা। বিশদ

20th  January, 2023
বিচারব্যবস্থাকে ‘বশংবদ’ করার আপ্রাণ চেষ্টা
মৃণালকান্তি দাস

বিচারবিভাগ, সংসদ-বিধানসভা ও প্রশাসনের মধ্যে বিবাদ বা প্রতিযোগিতার কোনও জায়গা সংবিধানের আত্মায় নেই। একসময় এই মহার্ঘ ভাষণ দিতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

19th  January, 2023
ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে পঞ্চায়েত দখলের স্বপ্ন বিজেপির
সন্দীপন বিশ্বাস

কথায় বলে, দুঃখের দিনে অথবা বিপদের দিনে সঠিকভাবে মানুষকে চেনা যায়। কথাটা আক্ষরিক অর্থেই সত্য। কিছুদিন আগেই মানুষ ভয়ঙ্কর করোনা মহামারীর খপ্পরে পড়েছিল।
বিশদ

18th  January, 2023
আরএসএস এবং ‘এক’ আধিপত্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

গত কয়েকদিন ধরে ‘আধিপত্য’ শব্দটি ভারতের নানা প্রান্তে বিশেষভাবে আলোচিত। অবশ্য আলোড়িত বললেও খুব ভুল বলা হবে না। আর এই আলোড়নের নেপথ্যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সুপ্রিমো মোহন ভাগবত। বিশদ

17th  January, 2023
২০২৩-২৪ সালের জন্য প্রথম হুঁশিয়ারি
পি চিদম্বরম

জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (এনএসও) ২০১৬-১৭ সালে অর্থবর্ষভিত্তিক জাতীয় আয়ের যে ফার্স্ট অ্যাডভান্স এস্টিমেটস (এফএই) প্রকাশের ফলপ্রসূ ব্যবস্থা চালু করেছে, সেটা এখন শেষ পর্যায়ে।
বিশদ

16th  January, 2023
স্বামীজি-নেতাজির বঙ্গে বিজেপির হিন্দুত্ব চলবে না
হিমাংশু সিংহ

ধু নতুন বছরের শুরু বলেই নয়, জানুয়ারি মাসটার সবচেয়ে বড় তাৎপর্য এই বঙ্গের দুই শ্রেষ্ঠ মহামানবের জন্মদিন উপহার দেওয়ার জন্য।
বিশদ

15th  January, 2023
একনজরে
আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। এই মেলাকে দূষণমুক্ত করার আর্জি জানাল ‘সবুজ মঞ্চ’। দূষণমুক্ত করতে যাতে সকল পরিবেশগত নিয়মাবলীর মেনে চলা হয়, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করতে ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে পাবলিসার্স ও বুক সেলার্স গিল্ড, রাজ্য ...

'বিক্ষোভ' বলবেন না, মানুষ বিষয়টি নজরে আনছেন। দিদির দূত'দের গ্রামের অঞ্চলে যাওয়া প্রসঙ্গে এমনটাই জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি শুরু হওয়ার প্রথম ১৫ দিনের রিপোর্ট তুলে ধরে তৃণমূল দাবি করল, বিরোধীরা যে অভিযোগ করছে তা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহ পরিবেশে চাপ ও মানসিক চিন্তা বৃদ্ধি। কপট লোকের দ্বার কর্মে বিপত্তি ও অর্থক্ষতির যোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৮২: বাঁশের কেল্লা খ্যাত বিপ্লবী তিতুমীর তথা সৈয়দ মীর নিসার আলীর জন্ম
১৮৮০: টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাতির বাণিজ্যিক পেটেন্ট করেন।
১৯২২: অভিনেতা অজিত খানের জন্ম
১৯২৬: জন লগি বেয়ার্ড লন্ডনে প্রথম টেলিভিশন সিস্টেমকে জনসমক্ষে নিয়ে আসেন
১৯৩৬: জনগণের জন্য লন্ডনে শুরু হল বিবিসি-র সম্প্রচার
১৯৩৯: আমেরিকায় নিয়মিতভাবে টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু
১৯৬৯: অভিনেতা ববি দেওলের জন্ম
১৯৬৯: চিত্রপরিচালক বিক্রম ভাটের জন্ম
১৯৮৬: বিশিষ্ট সেতারবাদক নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৩: অভিনেত্রী তথা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সায়নী ঘোষের জন্ম
২০০৯: ভারতের অষ্টম রাষ্ট্রপতি আর ভেঙ্কটরামনের মৃত্যু
২০০২: নাইজেরিয়ার লেগোস শহরে এক বিস্ফোরণে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুন গৃহহীন হন।
২০০৬: ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, টেলিগ্রাফি ও বাণিজ্যিক মেসেজিং সেবা বন্ধ করে দেয়



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.৭৮ টাকা ৮২.৫২ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৯৬ টাকা ১০২.৩৪ টাকা
ইউরো ৮৭.৪৪ টাকা ৯০.৫৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
26th  January, 2023
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৭,৯০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৪,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৫,৮০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
26th  January, 2023

দিন পঞ্জিকা

১২ মাঘ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩। পঞ্চমী ১০/১৭ দিবা ১০/২৯। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ৩১/২৮ রাত্রি ৭/৫৮। সূর্যোদয় ৬/২১/৪০, সূর্যাস্ত ৫/১৬/২৪। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৭ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ২/৩২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে। 
১১ মাঘ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/৪০। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র রাত্রি ১/৯। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৫। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৮ গতে ৩/৪২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৪৬ মধ্যে ও ১০/৪৩ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৩৩ গতে ৫/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫০ গতে ১/২৯ মধ্যে।  
৩ রজব।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রথম টি-২০: ভারতকে ১৭৭ রানের টার্গেট দিল নিউজিল্যান্ড

08:45:46 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ড ১৩৯/৩ (১৭ ওভার)
 

08:25:16 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ড ৯৬/২ (১২ ওভার)

08:01:39 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ড ৪৩/২ (৫ ওভার)

07:33:21 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত ভারতের

06:58:00 PM

বিয়ে সারলেন ক্রিকেটার ভিভ রিচার্ডসের কন্যা মাসাবা গুপ্তা

04:21:00 PM