Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন।
ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? ওয়াশিংটনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস বলছে, ১৯৪৯ সালে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু আমেরিকা সফরে গিয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যানকে বার্তা দেন, স্নায়ুযুদ্ধে কোনও পক্ষে না গিয়ে নিরপেক্ষ থাকবে নয়াদিল্লি। আর এই বার্তাতেই মূলত ওয়াশিংটন পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকে পড়ে। বিপরীতে ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বের পথ সহজ হয়।
পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খান এই সুযোগ নষ্ট করেননি। বন্ধুত্বের বার্তা নিয়ে তিনি ওয়াশিংটন ছুটে গিয়েছিলেন। তাঁর ওই সফরকে বেশ গুরুত্ব দিয়েছিল তৎকালীন মার্কিন প্রশাসন। ৫০-এর দশকে সোভিয়েতের উপর নজর রাখতে আমেরিকাকে পেশোয়ার বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয় পাকিস্তান। মস্কোর উপর গুপ্তচরবৃত্তি করতে ওয়াশিংটনকে নিজের ভূখণ্ড ব্যবহারেরও অনুমতি দেয়। শুধু তা-ই নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনকে তাঁর প্রথম চীন সফরে মধ্যস্থতা করে ইসলামাবাদ। এর বিনিময়ে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে লাখ লাখ ডলার সামরিক সহায়তা পায় পাকিস্তান।
ওয়াশিংটন পোস্টের নিবন্ধে বলা হয়, আশির দশকে হোয়াইট হাউসের হুঁশ ফেরে। দুই দেশের সম্পর্কে শীতলতা নেমে আসে। মার্কিন কংগ্রেস পাকিস্তানকে দেওয়া সামরিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য স্থগিত করে। ওয়াশিংটন বলে, পাকিস্তানকে দেওয়া সাহায্যের অর্থ ইসলামাবাদ তার পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যবহার করছে না—এটা আগে নিশ্চিত করতে হবে। তা করতে না পারা পর্যন্ত সাহায্য স্থগিতই থাকবে। তবে আমেরিকা এই পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস পায় তখনই, যখন মস্কোর বিরুদ্ধে স্নায়ুযুদ্ধের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে আসছিল। আর ১৯৯২ সালে পাকিস্তানে নিযুক্ত মার্কিন দূত নিকোলাস প্ল্যাট সরাসরি বলেছিলেন, পাকিস্তান রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে। সেই প্রথম!
তবে নাইন-ইলেভেনের পর দুই দেশের সম্পর্ক নতুন মোড় নেয়। মস্কোর বিরুদ্ধে স্নায়ুযুদ্ধের সময় যেমন পাকিস্তানকে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে আমেরিকা, তেমনই সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়েও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত মিত্র হিসেবে ইসলামাবাদকে কাছে টানে ওয়াশিংটন। পাকিস্তানের নেতারা ওই সময় বলেন, আমেরিকার সঙ্গে যাওয়া ছাড়া ইসলামাবাদের কাছে অন্য কোনও বিকল্প ছিল না। কারণ, পাকিস্তানকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল, সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ে না থাকলে পাকিস্তানে বোমা হামলা চালিয়ে ‘প্রস্তর যুগে ফেরত পাঠানো হবে’। আমেরিকার সঙ্গে থাকার পুরস্কার তাৎক্ষণিকভাবেই পেয়েছিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদের উপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় আমেরিকা। ১০০ কোটি ডলার ঋণ মাফ করে দেয়। ২০০৪ সালের মধ্যে সামরিক জোট ন্যাটোর নতুন বন্ধু হিসেবে অস্ত্রও কেনার সুযোগ পায় ইসলামাবাদ।
কিন্তু আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হলে পাকিস্তান নিয়ে সুর বদলাতে থাকে আমেরিকা। মার্কিন কর্তারা প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলতে থাকেন, পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ের জন্য যে সাহায্য দেওয়া হয়েছে, সেটা কি সত্যিই ওই কাজে ব্যবহার করেছে? পাকিস্তানের প্রতি বুশ ও ওবামা প্রশাসনের একরাশ বিরক্তি আছড়ে পড়ে। বলতে থাকে, সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পাকিস্তান পর্যাপ্ত সাহায্য করেনি। এর ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে আমেরিকা পাকিস্তানকে দেওয়া ৮০ কোটি ডলারের সামরিক সাহায্য স্থগিত করে। আর ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে বুশ-ওবামার প্রশাসনের সেই অবস্থানটা আরও কঠোর করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানকে যখন আমরা শত শত কোটি ডলার সাহায্য দিচ্ছি, তখন দেশটি জঙ্গিদের জন্য নিরাপদ ঘাঁটি গড়েছে। আমরা আবার সেই জঙ্গিদের বিরুদ্ধেই লড়াই করছি।’ আমেরিকা-পাকিস্তানের সম্পর্কের ইতিহাসই বলছে, এটা সম্ভবত তাদের সম্পর্কের শেষ ধাপ নয়। প্রয়োজন হলে আবার নতুন মোড় নেবে এই সম্পর্ক। তবে কোন উদ্দেশ্যে বা কোন ঘটনাকে ঘিরে সম্পর্ক নতুন মাত্রা নেবে, সেই দিকে তাকিয়ে নয়াদিল্লিও।
পাকিস্তান থেকে আমেরিকার মুখ ফিরিয়ে নেওয়া শুরু হয় ডেমোক্র্যাটদের আমলেই। তখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বিল ক্লিনটন। ক্লিনটনই ভারত-মার্কিন বন্ধুত্বের বীজ বপন করেন। তারপর আসেন রিপাবলিকানদের জুনিয়র বুশ। তাঁর আমলে ওই বীজ থেকে চারাগাছ জন্ম নেয়। তারপর বারাক ওবামা। এই ওবামার আমলেই আমেরিকা ভারতকে রাষ্ট্রসঙ্ঘে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদ দেওয়ার জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করে। সেইসময় ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও সেই প্রস্তাব সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু ওবামা সফল হননি। গত দশকে ওবামার আমলে ভারত-মার্কিন বেসামরিক পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির রূপকার ছিলেন বাইডেন। জো বাইডেন ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালেই মার্কিন কংগ্রেসে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আমেরিকার বিশেষ কৌশলগত মিত্রের স্বীকৃতি পায় ভারত। এবারও ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনী ইস্তেহারে বলা হয়েছে, ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে স্থায়ী এবং আইনসঙ্গত ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গঠন করা হবে। ফলে পাকিস্তানের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের উন্নতি হওয়ার এখনই কোনও সম্ভাবনা নেই। মনে করছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা।
একনাগাড়ে ৩৬ বছর জো বাইডেন মার্কিন সিনেটর ছিলেন। বারাক ওবামার সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ৩৬ বছরের সিনেটর পদ থেকে ইস্তফা দেন এবং আট বছর ওবামার রানিংমেট ছিলেন। বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক সেনেট কমিটিতেও তিনি কাজ করেছেন। প্রশাসন চালানোর ব্যাপারে বাইডেনের রয়েছে ৪৪ বছরের অভিজ্ঞতা। অতীতে তিনি প্রেসিডেন্ট সিনিয়র বুশের কুয়েত আক্রমণের বিরোধিতা করেছিলেন। কিন্তু তিনি জুনিয়র বুশের ইরাকে সামরিক অভিযান এবং ইরাক দখলকে সমর্থন করেছিলেন শুরু থেকেই। লিবিয়ায় ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপেও সমর্থন ছিল তাঁর।
বাইডেন ২০০৭ সালে পাকিস্তানকে সম্ভাব্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ হিসেবেও তালিকাভুক্ত করেছেন। ২০০৮ সালে এই বাইডেনই ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিতর্কে জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমাদের দেশে যদি কোনও হামলা হয়, তবে তা হবে আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে।’ ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওবামা-বাইডেন জমানায় পাকিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলা ৬৩১ ভাগ বেড়েছিল। বাইডেন তাঁর ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে অনেকবার পাকিস্তান সফর করেছেন। পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার হিলাল-ই-পাকিস্তান পদকে ভূষিত হয়েছেন। এই বাইডেন ২০১১ সালে পাকিস্তান সফরের সময় বলেছিলেন, ‘আমার ও প্রেসিডেন্ট ওবামার দৃষ্টিতে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আমেরিকার স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা বিশ্বাস করেন যে আমেরিকার নীতি পাকিস্তানকে দুর্বল করতে চায়, তাঁরা জেনে রাখবেন, তা ভয়াবহ মাত্রায় ভুল। আমরা চাই একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক পাকিস্তান, যে নিজে শান্তিতে থাকবে, ভারতসহ প্রতিবেশীদের শান্তিতে রাখবে। আমরা আপনাদের স্বার্থেই নয়, বরং আমাদের নিজেদের স্বার্থেও তা কামনা করি।’
মার্কিন কংগ্রেস আজ মনে করে, পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জঙ্গিরাই আফগানিস্তান এবং জম্মু-কাশ্মীরে নাশকতামূলক কাজে লিপ্ত। পাকিস্তান হল সেই দেশ, যারা সরকারি কোষাগার থেকে পেনশন দিয়ে জঙ্গিদের পোষে। গত ৭০ বছর ধরে ধারাবাহিক ভাবে দেশ থেকে হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব মুছে ফেলছে ওরা। ওরা ওসামা বিন লাদেনকে শহিদ বলে। এই হলো ওদের কৃতিত্ব।
আমেরিকার প্রবল চাপেই গত মাসে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স– ‘এফএটিএফ’এর পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাকিস্তানকে “ধূসর তালিকায়” রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাকিস্তান জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে তাদের দীর্ঘস্থায়ী সংযোগের অবসান ঘটাতে দ্বিধাগ্রস্ত। জঙ্গি সংগঠনগুলিকে পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে সমর্থন করেছে এবং অর্থ দিয়েছে। এদের পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগান ও অর্থ পাচারের একটি সক্রিয় নেটওয়ার্ক গভীরভাবে শিকড় ছড়িয়েছে। এর ফলেই পাকিস্তান ধূসর তালিকাভূক্ত হয়েছে এবং যতক্ষণ না পাকিস্তান তাদের ভাবমূর্তি উন্নত করতে পারে ততদিন ওই তালিকাই বজায় থাকবে। পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, ধূসর তালিকার কারণে আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থাগুলির সাহায্য পাওয়া থেকে তাদের বঞ্চিত থাকতে হবে।
ইসলামাবাদও জানে, পাকিস্তান প্রশ্নে মার্কিন নীতিতে এখনই কোনও পরিবর্তন আসবে না। দোটানায় ইমরান খানও। বুঝতে পারছেন না, চীন না আমেরিকা— কোনদিকে যাবেন? পাক প্রধানমন্ত্রী ভালো করেই জানেন, বারাক ওবামা প্রশাসনের নীতি ছিল ‘ছায়া যুদ্ধের’ মাধ্যমে আমেরিকার আধিপত্যকে সুসংহত রাখা। সেক্ষেত্রে সন্ত্রাসবাদবিরোধী যুদ্ধ ছিল সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস। টার্গেট হয়ে উঠেছিল পাকিস্তানের মাটি। এবারও যদি বাইডেন প্রশাসন সেই নীতি নিয়ে চলে, তাহলে নতুন ‘ছায়া যু্দ্ধ’ শুরু হতে বেশি সময় লাগবে না। ক্ষেত্রও অনেকখানি প্রস্তুত। 
20th  November, 2020
দীর্ঘ ভোটপর্ব: একগুঁয়েমির
মূল্য মানুষ কেন দেবে?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটের লড়াই, বিরোধী দল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়... কোনও বিষয় কি এই উদ্বেগের আবহে গুরুত্ব পায়? রাজনীতির বাইরে বেরনোর সময় তো এটাই ছিল? হল না... রাজনীতির মোড়ক ভেঙে বেরতে পারল না বিজেপি, পারল না সিপিএম। বাংলার মানুষের প্রতি এতটুকু দায়বদ্ধতা থাকলে তারা আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়াত। লড়াইটা তো ভোটের যন্ত্রে! তার বাইরে শুধু ইগো চরিতার্থ করাটা রাজনীতি নয়। বিশদ

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা কমে গিয়েছে
পি চিদম্বরম 

আমি প্রথম কোনও নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছিলাম ১৯৭৭ সালে। পরিস্থিতি তখন কদর্য ছিল না। নির্বাচনে কিছু অবাঞ্ছিত জিনিস তখনও ছিল, কিন্তু আজকের যে কদর্য রূপ সেটা মোটেই ছিল না। 
বিশদ

19th  April, 2021
মোদি-শাহকে যেসব
প্রশ্নের উত্তর দিতেই হবে...
হিমাংশু সিংহ

২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে মমতার বাংলায় পা রাখতে পারলে গণতন্ত্র হত্যার মহোৎসব সাফল্যমণ্ডিত হবে, এটাই মোদিজির লক্ষ্য। তাই বিজেপি মরিয়া। কিন্তু ওই ‘আসল পরিবর্তন’এর আড়ালে কোন বিষ অপেক্ষা করছে তা অসম ও ত্রিপুরার  মানুষ আজ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। আমরাও নিশ্চিত, বাঙালি সেই ভুল করবে না। বিশদ

18th  April, 2021
এখনও তিনি ‘স্ট্রিট ফাইটার’
তন্ময় মল্লিক

করোনা বাড়তেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি, বাকি তিন দফার ভোট একবারে হোক। কিন্তু বিজেপি সেই আট দফাতেই অনড়। মমতা চান, বাংলার মানুষ থাকুক সুরক্ষিত। বিজেপির লক্ষ্য, বঙ্গ দখল।  ফারাকটা এখানেই।
বিশদ

17th  April, 2021
বাঙালির প্রাণ বাঙালির মন
বাঙালির ঘরে যত ভাইবোন
সমৃদ্ধ দত্ত

এই প্রথম একটি ভোট হচ্ছে বাঙালি জাতির আত্মসম্মানের ভোট। বাঙালি সত্ত্বার জয়-পরাজয়ের ভোট! বাঙালির আবেগের ভোট। স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এবার এসেছে বাঙালির চেতনা ও স্বাধীনতা রক্ষার ভোট! বিশদ

16th  April, 2021
স্বাধীন ভারতে সবথেকে
কলঙ্কিত নির্বাচন
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপির বাংলা জয়ের লক্ষ্যের পিছনে রয়েছে নিধন-বাসনা। উড়েছে বস্তা বস্তা বেহিসেবি টাকা। বিজেপির আসল লক্ষ্য বাঙালির অস্মিতা নিধন, বাঙালির ভাষা নিধন, বাঙালির সংস্কৃতি নিধন, বাঙালির ঐক্য নিধন। বাঙালিকে হিরো থেকে জিরো করে দাসানুদাসে পরিণত করা। কিন্তু তা বোধহয় সম্ভব হল না। শোনা যাচ্ছে জননির্ঘোষ, ‘ঘর সামলাও চৌ...কি...দা...র।’ বিশদ

14th  April, 2021
শীতলকুচি ট্রেলার হলে পুরো সিনেমাটা কী? 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফেলুদা সোফায় বসে বাটিটা মোড়ক থেকে খুলে টেবিলের উপর রেখে বলল, ‘এটার একটা বিশেষত্ব আছে।’
‘কী বিশেষত্ব?’
‘জীবনে এই প্রথম একটা বাটি দেখলাম যেটাকে সোনার পাথরবাটি বললে খুব ভুল বলা হয় না।’
জয়সলমিরের মানুষ বাংলা সম্পর্কে প্রথম যে শব্দবন্ধটি শেখে, সেটি একটি নাম—সত্যজিৎ রায়। ‘সোনার পাথরে’ তৈরি বাটি-ঘটি বিক্রির খুব সাধারণ দোকানে গিয়েও দেখেছি, সত্যজিৎ রায়ের ছবি টাঙানো। 
বিশদ

13th  April, 2021
ফিরে এল রাফালের ভূত
পি চিদম্বরম 

স্মৃতি ক্ষণস্থায়ী। সাধারণ মানুষের পক্ষে রোজকার বেঁচে থাকা একটা চ্যালেঞ্জ। দেশ এবং দেশের প্রশাসনের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তারা সচেতন। কিন্তু তারা সেসব নিয়ে দীর্ঘকাল ভাবতে পারে না। 
বিশদ

12th  April, 2021
বাংলার মহিলাদের জীবনে
এই ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ
হিমাংশু সিংহ

ইতিমধ্যেই যে ক’দফা ভোট হয়েছে তাতে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উঠে এসেছে মহিলাদের লম্বা লাইন। যা আশা জাগিয়েই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, প্রমাণ করেছে প্রত্যয়ী মুখে বর্গীর হানাদারি রুখতে বঙ্গ নারী কতটা অকুতোভয়। আসলে এই শক্তি তাঁরা পাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেই।
  বিশদ

11th  April, 2021
আক্রান্ত প্রার্থীরা: বঙ্গ
রাজনীতিতে ‘অশনি সঙ্কেত’
তন্ময় মল্লিক

ভোটের দফা যত গড়াচ্ছে রাজনৈতিক মারামারি, প্রার্থীদের উপর হামলা ততই বাড়ছে। নেতাদের ‘জয়লাভে’র দাবিকে সত্যি ধরে নিয়ে অনেকেই ‘বদলা’ নেওয়ার মহড়া শুরু করে দিয়েছে। নন্দীগ্রাম কার্যত বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। রাজ্যের জন্য এ-এক ‘অশনি সঙ্কেত’।
  বিশদ

10th  April, 2021
মতুয়াদের সামনে ‘গাজর’
ঝুলিয়ে লাভ নেই! 
মৃণালকান্তি দাস

অসমের গল্পটা নিশ্চিত এতদিনে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে জলের মতো পরিষ্কার। কী সেই গল্প? নাগরিকত্ব আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে অসম দখল করেছিল বিজেপি। আর পাঁচ বছর পর, বিধানসভা ভোটের মুখে জানা গেল, টাকা শেষ। অতএব ঝাঁপ বন্ধ এনআরসি দপ্তরের।  
বিশদ

09th  April, 2021
সোনার বাংলা গড়বে না
বেচে দেবে, প্রশ্ন সেটাই
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

যে সরকার নিজেই তার সমস্ত সংস্থা বিক্রি করে দিতে উঠে পরে লেগেছে সেই সরকার ভবিষ্যতে চাকরিবাকরি বা পরিষেবা দেবে কী দিয়ে? মানুষকেই তার নিজের যোগ্যতায় রোজগার করার পথ খুঁজে নিতে হবে। সরকার কিছু দেবে না, উল্টে সরকারের সব সম্পদ বেচে দেবে। এটাই হল মোদি সরকার বা বিজেপির সরকার চালানোর আসল দর্শন! বিশদ

08th  April, 2021
একনজরে
উপলেন্দ্রনাথ সরকার মেমোরিয়াল অনূর্ধ্ব ১৫ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় স্পন্দন ক্রিকেট  অ্যাকাডেমি বিজয়ীর সন্মান লাভ করে। স্পন্দন ক্রিকেট অ্যাকাডেমি ৪০ ওভারে ৩ উইকেটে ২৬৩ রান ...

 পলাশীপাড়ার বিধায়ক ছিলেন তাপস সাহা। পাঁচ বছরে সেখানকার মানুষের কী উপকারটা করেছেন শুনি? তেহট্টের পড়শি বিধানসভা কেন্দ্র পলাশীপাড়া। তাপসবাবু এবার কেন্দ্র বদলেছেন। কিন্তু কেন্দ্র তাঁর ...

স্বাস্থ্যকর্মী এবং করোনার ‘প্রথম সারির যোদ্ধা’দের টিকাকরণের পর ধাপে ধাপে সাধারণ মানুষের জন্যও টিকাকরণ চালু হয়েছে। মার্চের শুরুর দিকে যখন ষাটোর্ধ্ব এবং ৪৫ বছরের বেশি ...

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে টালমাটাল শেয়ার বাজার। এই অবস্থায় বেশ কিছুদিন নিম্মমুখী থাকার পর ফের চড়ল সোনার দাম। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনে সোনার দাম বেড়েছে ৪১১ টাকা। যার জেরে দেশের রাজধানী দিল্লিতে ১০ গ্রাম সোনার দাম হয়েছে ৪৭ হাজার ২৯১ টাকা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্য ও হতাশা দুই-ই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৯: জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলারের জন্ম
১৯১২: আইরিশ লেখক ব্রাম স্টোকারের মৃত্যু
১৯৫০: রাজনীতিক তথা অন্ধ্রপ্রদেশের ১৩তম মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডুর জন্ম
১৯৭২: চাঁদের মাটিতে নামল অ্যাপোলো ১৬
১৯৯৯: কলেরাডোর কলম্বাইন হাইস্কুলে ১৩ জনকে হত্যা করে আত্মহত্যা করল এরিক হ্যারিস এবং ডিলান কেবোল্ড
২০১৩: চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃত ১৫০ 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৭ টাকা ৭৫.৫৯ টাকা
পাউন্ড ১০১.৬১ টাকা ১০৫.১৫ টাকা
ইউরো ৮৭.৭৬ টাকা ৯০.৯৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৫০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ০০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬, ৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৯, ৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৯, ৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ বৈশাখ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১। অষ্টমী ৪৮/৩৯ রাত্রি ১২/৪৪। পুনর্বসু নক্ষত্র ৪/১ দিবা ৬/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১৬/১৭, সূর্যাস্ত ৫/৫৪/৫৯। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ গতে ১০/১৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৪ মধ্যে, রাত্রি ৬/৪০ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১২/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫১ গতে ৮/২৬ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে। 
৬ বৈশাখ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১। অষ্টমী রাত্রি ৭/১৮। পুষ্যা নক্ষত্র রাত্রি ৩/৮। সূর্যোদয় ৫/১৬, সূর্যাস্ত ৫/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫১ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৪৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২১ গতে ৮/৪৬ মধ্যে। 
৭ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কমিশনের সমালোচনা ফিরহাদের
কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক বোর্ড ভেঙে দেওয়া‌য় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা ...বিশদ

04:18:27 PM

করোনা আক্রান্ত শুভশ্রী
ফের করোনার থাবা টলিউডে। জিৎ-এর পর এবার শুভশ্রীও কোভিড পজেটিভ। ...বিশদ

04:03:53 PM

করোনা আক্রান্ত রাহুল গান্ধী, আইসোলেশনে কেজরিওয়াল
মনমোহন সিংয়ের পর এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন রাহুল গান্ধী। আজ, ...বিশদ

03:55:11 PM

কালনায় করোনায় মৃত ১
কালনায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত‍্যু হল এক ব‍্যক্তির। মৃতের নাম ...বিশদ

02:48:00 PM

দিল্লি-বাংলার লড়াইতে জিতবে বাংলা: মমতা

02:00:00 PM

বিজেপি সব বিক্রি করে দিচ্ছে: মমতা

01:58:47 PM