Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন।
ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? ওয়াশিংটনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস বলছে, ১৯৪৯ সালে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু আমেরিকা সফরে গিয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যানকে বার্তা দেন, স্নায়ুযুদ্ধে কোনও পক্ষে না গিয়ে নিরপেক্ষ থাকবে নয়াদিল্লি। আর এই বার্তাতেই মূলত ওয়াশিংটন পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকে পড়ে। বিপরীতে ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বের পথ সহজ হয়।
পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খান এই সুযোগ নষ্ট করেননি। বন্ধুত্বের বার্তা নিয়ে তিনি ওয়াশিংটন ছুটে গিয়েছিলেন। তাঁর ওই সফরকে বেশ গুরুত্ব দিয়েছিল তৎকালীন মার্কিন প্রশাসন। ৫০-এর দশকে সোভিয়েতের উপর নজর রাখতে আমেরিকাকে পেশোয়ার বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয় পাকিস্তান। মস্কোর উপর গুপ্তচরবৃত্তি করতে ওয়াশিংটনকে নিজের ভূখণ্ড ব্যবহারেরও অনুমতি দেয়। শুধু তা-ই নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনকে তাঁর প্রথম চীন সফরে মধ্যস্থতা করে ইসলামাবাদ। এর বিনিময়ে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে লাখ লাখ ডলার সামরিক সহায়তা পায় পাকিস্তান।
ওয়াশিংটন পোস্টের নিবন্ধে বলা হয়, আশির দশকে হোয়াইট হাউসের হুঁশ ফেরে। দুই দেশের সম্পর্কে শীতলতা নেমে আসে। মার্কিন কংগ্রেস পাকিস্তানকে দেওয়া সামরিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য স্থগিত করে। ওয়াশিংটন বলে, পাকিস্তানকে দেওয়া সাহায্যের অর্থ ইসলামাবাদ তার পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যবহার করছে না—এটা আগে নিশ্চিত করতে হবে। তা করতে না পারা পর্যন্ত সাহায্য স্থগিতই থাকবে। তবে আমেরিকা এই পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস পায় তখনই, যখন মস্কোর বিরুদ্ধে স্নায়ুযুদ্ধের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে আসছিল। আর ১৯৯২ সালে পাকিস্তানে নিযুক্ত মার্কিন দূত নিকোলাস প্ল্যাট সরাসরি বলেছিলেন, পাকিস্তান রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে। সেই প্রথম!
তবে নাইন-ইলেভেনের পর দুই দেশের সম্পর্ক নতুন মোড় নেয়। মস্কোর বিরুদ্ধে স্নায়ুযুদ্ধের সময় যেমন পাকিস্তানকে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে আমেরিকা, তেমনই সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়েও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত মিত্র হিসেবে ইসলামাবাদকে কাছে টানে ওয়াশিংটন। পাকিস্তানের নেতারা ওই সময় বলেন, আমেরিকার সঙ্গে যাওয়া ছাড়া ইসলামাবাদের কাছে অন্য কোনও বিকল্প ছিল না। কারণ, পাকিস্তানকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল, সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ে না থাকলে পাকিস্তানে বোমা হামলা চালিয়ে ‘প্রস্তর যুগে ফেরত পাঠানো হবে’। আমেরিকার সঙ্গে থাকার পুরস্কার তাৎক্ষণিকভাবেই পেয়েছিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদের উপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় আমেরিকা। ১০০ কোটি ডলার ঋণ মাফ করে দেয়। ২০০৪ সালের মধ্যে সামরিক জোট ন্যাটোর নতুন বন্ধু হিসেবে অস্ত্রও কেনার সুযোগ পায় ইসলামাবাদ।
কিন্তু আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হলে পাকিস্তান নিয়ে সুর বদলাতে থাকে আমেরিকা। মার্কিন কর্তারা প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলতে থাকেন, পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ের জন্য যে সাহায্য দেওয়া হয়েছে, সেটা কি সত্যিই ওই কাজে ব্যবহার করেছে? পাকিস্তানের প্রতি বুশ ও ওবামা প্রশাসনের একরাশ বিরক্তি আছড়ে পড়ে। বলতে থাকে, সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পাকিস্তান পর্যাপ্ত সাহায্য করেনি। এর ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে আমেরিকা পাকিস্তানকে দেওয়া ৮০ কোটি ডলারের সামরিক সাহায্য স্থগিত করে। আর ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে বুশ-ওবামার প্রশাসনের সেই অবস্থানটা আরও কঠোর করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানকে যখন আমরা শত শত কোটি ডলার সাহায্য দিচ্ছি, তখন দেশটি জঙ্গিদের জন্য নিরাপদ ঘাঁটি গড়েছে। আমরা আবার সেই জঙ্গিদের বিরুদ্ধেই লড়াই করছি।’ আমেরিকা-পাকিস্তানের সম্পর্কের ইতিহাসই বলছে, এটা সম্ভবত তাদের সম্পর্কের শেষ ধাপ নয়। প্রয়োজন হলে আবার নতুন মোড় নেবে এই সম্পর্ক। তবে কোন উদ্দেশ্যে বা কোন ঘটনাকে ঘিরে সম্পর্ক নতুন মাত্রা নেবে, সেই দিকে তাকিয়ে নয়াদিল্লিও।
পাকিস্তান থেকে আমেরিকার মুখ ফিরিয়ে নেওয়া শুরু হয় ডেমোক্র্যাটদের আমলেই। তখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বিল ক্লিনটন। ক্লিনটনই ভারত-মার্কিন বন্ধুত্বের বীজ বপন করেন। তারপর আসেন রিপাবলিকানদের জুনিয়র বুশ। তাঁর আমলে ওই বীজ থেকে চারাগাছ জন্ম নেয়। তারপর বারাক ওবামা। এই ওবামার আমলেই আমেরিকা ভারতকে রাষ্ট্রসঙ্ঘে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদ দেওয়ার জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করে। সেইসময় ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও সেই প্রস্তাব সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু ওবামা সফল হননি। গত দশকে ওবামার আমলে ভারত-মার্কিন বেসামরিক পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির রূপকার ছিলেন বাইডেন। জো বাইডেন ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালেই মার্কিন কংগ্রেসে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আমেরিকার বিশেষ কৌশলগত মিত্রের স্বীকৃতি পায় ভারত। এবারও ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনী ইস্তেহারে বলা হয়েছে, ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে স্থায়ী এবং আইনসঙ্গত ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গঠন করা হবে। ফলে পাকিস্তানের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের উন্নতি হওয়ার এখনই কোনও সম্ভাবনা নেই। মনে করছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা।
একনাগাড়ে ৩৬ বছর জো বাইডেন মার্কিন সিনেটর ছিলেন। বারাক ওবামার সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ৩৬ বছরের সিনেটর পদ থেকে ইস্তফা দেন এবং আট বছর ওবামার রানিংমেট ছিলেন। বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক সেনেট কমিটিতেও তিনি কাজ করেছেন। প্রশাসন চালানোর ব্যাপারে বাইডেনের রয়েছে ৪৪ বছরের অভিজ্ঞতা। অতীতে তিনি প্রেসিডেন্ট সিনিয়র বুশের কুয়েত আক্রমণের বিরোধিতা করেছিলেন। কিন্তু তিনি জুনিয়র বুশের ইরাকে সামরিক অভিযান এবং ইরাক দখলকে সমর্থন করেছিলেন শুরু থেকেই। লিবিয়ায় ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপেও সমর্থন ছিল তাঁর।
বাইডেন ২০০৭ সালে পাকিস্তানকে সম্ভাব্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ হিসেবেও তালিকাভুক্ত করেছেন। ২০০৮ সালে এই বাইডেনই ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিতর্কে জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমাদের দেশে যদি কোনও হামলা হয়, তবে তা হবে আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে।’ ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওবামা-বাইডেন জমানায় পাকিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলা ৬৩১ ভাগ বেড়েছিল। বাইডেন তাঁর ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে অনেকবার পাকিস্তান সফর করেছেন। পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার হিলাল-ই-পাকিস্তান পদকে ভূষিত হয়েছেন। এই বাইডেন ২০১১ সালে পাকিস্তান সফরের সময় বলেছিলেন, ‘আমার ও প্রেসিডেন্ট ওবামার দৃষ্টিতে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আমেরিকার স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা বিশ্বাস করেন যে আমেরিকার নীতি পাকিস্তানকে দুর্বল করতে চায়, তাঁরা জেনে রাখবেন, তা ভয়াবহ মাত্রায় ভুল। আমরা চাই একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক পাকিস্তান, যে নিজে শান্তিতে থাকবে, ভারতসহ প্রতিবেশীদের শান্তিতে রাখবে। আমরা আপনাদের স্বার্থেই নয়, বরং আমাদের নিজেদের স্বার্থেও তা কামনা করি।’
মার্কিন কংগ্রেস আজ মনে করে, পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জঙ্গিরাই আফগানিস্তান এবং জম্মু-কাশ্মীরে নাশকতামূলক কাজে লিপ্ত। পাকিস্তান হল সেই দেশ, যারা সরকারি কোষাগার থেকে পেনশন দিয়ে জঙ্গিদের পোষে। গত ৭০ বছর ধরে ধারাবাহিক ভাবে দেশ থেকে হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব মুছে ফেলছে ওরা। ওরা ওসামা বিন লাদেনকে শহিদ বলে। এই হলো ওদের কৃতিত্ব।
আমেরিকার প্রবল চাপেই গত মাসে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স– ‘এফএটিএফ’এর পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাকিস্তানকে “ধূসর তালিকায়” রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাকিস্তান জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে তাদের দীর্ঘস্থায়ী সংযোগের অবসান ঘটাতে দ্বিধাগ্রস্ত। জঙ্গি সংগঠনগুলিকে পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে সমর্থন করেছে এবং অর্থ দিয়েছে। এদের পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগান ও অর্থ পাচারের একটি সক্রিয় নেটওয়ার্ক গভীরভাবে শিকড় ছড়িয়েছে। এর ফলেই পাকিস্তান ধূসর তালিকাভূক্ত হয়েছে এবং যতক্ষণ না পাকিস্তান তাদের ভাবমূর্তি উন্নত করতে পারে ততদিন ওই তালিকাই বজায় থাকবে। পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, ধূসর তালিকার কারণে আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থাগুলির সাহায্য পাওয়া থেকে তাদের বঞ্চিত থাকতে হবে।
ইসলামাবাদও জানে, পাকিস্তান প্রশ্নে মার্কিন নীতিতে এখনই কোনও পরিবর্তন আসবে না। দোটানায় ইমরান খানও। বুঝতে পারছেন না, চীন না আমেরিকা— কোনদিকে যাবেন? পাক প্রধানমন্ত্রী ভালো করেই জানেন, বারাক ওবামা প্রশাসনের নীতি ছিল ‘ছায়া যুদ্ধের’ মাধ্যমে আমেরিকার আধিপত্যকে সুসংহত রাখা। সেক্ষেত্রে সন্ত্রাসবাদবিরোধী যুদ্ধ ছিল সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস। টার্গেট হয়ে উঠেছিল পাকিস্তানের মাটি। এবারও যদি বাইডেন প্রশাসন সেই নীতি নিয়ে চলে, তাহলে নতুন ‘ছায়া যু্দ্ধ’ শুরু হতে বেশি সময় লাগবে না। ক্ষেত্রও অনেকখানি প্রস্তুত। 
20th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বিজেপির হয়েই কি ব্যাট ধরছে কং-সিপিএম?
হারাধন চৌধুরী

বছর তিরিশ আগের কিছু কথা মনে পড়ছে। জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের তখন থার্ড টার্ম। সিদ্ধার্থ-জমানার সন্ত্রাসের বাস্তব অনেকটাই অতীত ততদিনে। সিপিএমের সন্ত্রাসটাই তখন হাতেগরম। সাতাত্তরে সিপিএম এবং জ্যোতি বসুর নামে যে মোহ জেগেছিল, অনেক সাচ্চা বামপন্থীদেরও ঘুচে গিয়েছে। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ির সেই গোড়ার দিনগুলোতে আমাদের ব্যতিব্যস্ত রাখত সিপিএম পার্টি ক্যাডাররা।  
বিশদ

19th  November, 2020
কংগ্রেস কি দিনে দিনে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে
সন্দীপন বিশ্বাস

 কংগ্রেসের বিগত কয়েক বছরের ব্যর্থতা বারবার নিঃশব্দে বলে গিয়েছে নেতৃত্বে গলদ রয়েছে। আজ বুঝি তাই ভিতর থেকে একটা ভূকম্পনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। নতুন করে পার্টিটাকে বাঁধতে না পারলে মোদির সঙ্গে তার টক্কর দেওয়া সম্ভব নয়।
বিশদ

18th  November, 2020
ছুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরনোর খেলা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পরীক্ষায় পাশ নরেন্দ্র মোদি। তবে উতরানোটা মোটেই খুব সহজ ছিল না! একদিকে মহামারীর আতঙ্ক, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ... প্রশ্ন একটাই, বিজেপির বিকল্প কি খোঁজার সময় এসে গিয়েছে? বিহার বলল, না আসেনি। কারণ, বিকল্প কেউ নেই। আপাতত...। তাই নরেন্দ্র মোদি জনপ্রিয়তার ফাঁকা ময়দানে গোল দিয়েই চলেছেন।   বিশদ

17th  November, 2020
করোনাকালে বায়ুদূষণ এক অশনিসঙ্কেত
অনির্বাণ মিত্র

ইতালির দু’টি অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি রোগীর মৃত্যু হয়। ওই দুই অঞ্চলে দূষণ প্রচণ্ড। একই ধরনের রিপোর্ট আসে চীন থেকেও। যুক্তরাষ্ট্রেও যেখানে বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি, সেখানেই তত বেশি করোনা রোগী মারা যাচ্ছেন।  বিশদ

16th  November, 2020
বিভাজন করেই আমাদের পতন হয়
পি চিদম্বরম

বিভাজনের প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে এবং এটা গভীরতরও হতে পারে—মার্কিন মুলুকে, ওইসঙ্গে ভারতেও। ... ভারতের আঘাতটা হবে ভীষণ খারাপ। সমাজ বিভাজিত হয়ে যাবে। অর্থনীতি উদ্যম হারিয়ে বসবে।  বিশদ

16th  November, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, কানকি: কানকিতে সকাল থেকে রাস্তার ধারে জড়ো হয়ে যান কয়েক হাজার কৃষক। সেইসঙ্গে পাইকার, গাড়িচালক, ভ্যানচালক মিলে ভিড়ে ভিড়াক্কার। এতটাই সেই ভিড়ের চাপ যে, ...

ফের ‘এক দেশ, এক ভোট’-এর পক্ষে জোর সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিলেন, কয়েক মাস অন্তর ভোট হওয়ার ফলে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। দেশের ...

বাড়ি বাড়ি পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে হবে। লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পুরসভাগুলিতে দ্রুতগতিতে চলছে পরিস্রুত পানীয় জলপ্রকল্পের কাজ। কোথাও ট্রিটমেন্ট ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ২০০৮ সালের ১৭ নভেম্বর শীতের দুপুরে নিজের শিল্পকর্মে ব্যস্ত ছিলেন শিল্গী। হঠাৎ পাশে থাকা ফোনটা বেজে উঠল। ফোনের ওপার থেকে আওয়াজ এল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভে কিছু বিলম্ব হবে। প্রেম ভালোবাসায় সাফল্য লাভ ঘটবে। বিবাহযোগ আছে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৫- গেরাসিম লেবেদেফের উদ্যোগে কলকাতার মঞ্চে প্রথম অভিনীত হল নাটক
১৮৭৮- কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচির জন্ম
১৮৮৮ - কবিপুত্র তথা বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম
১৮৯৫ - বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল তাঁর সমস্ত সম্পত্তি উইল করে নোবেল পুরস্কার প্রদানের জন্য তহবিল গঠন করেন।
১৯০৭ - বিশিষ্ট ভারতীয় হিন্দি ভাষার কবি ও লেখক হরিবংশ রাই বচ্চনের জন্ম
১৯১৩- চিত্রশিল্পী চিত্রানিভা চৌধুরির জন্ম
১৯১৪ - ব্রিটেনে প্রথম মহিলা পুলিস নিয়োগ হয়।
১৯৪০- অভিনেতা ও মার্শাল আর্ট শিল্পী ব্রুস লি’র জন্ম
১৯৫২- সুরকার বাপ্পি লাহিড়ির জন্ম
১৯৮৪- অভিনেতা অসিতবরণের মৃত্যু
১৯৮৬- ভারতীয় ক্রিকেটার সুরেশ রায়নার জন্ম
১৯৯২ - এই দিন থেকে ব্রিটেনের রানী আয়কর দিতে শুরু করেন।
২০০৮- ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী ভি পি সিংয়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০২ টাকা ৭৪.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯৭.১৯ টাকা ১০০.৬২ টাকা
ইউরো ৮৬.৫৩ টাকা ৮৯.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬১, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৪/২৫ দিবা ৭/৪৭। অশ্বিনী নক্ষত্র ৪৫/৫৩ রাত্রি ১২/২৩। সূর্যোদয় ৬/১/৮, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৬। অমৃতযোগ  ৬/৪২ মধ্যে পুনঃ ৭/২৬ গতে ৯/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৫ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১১/২৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৫ মধ্যে।  
১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী দিবা ৮/১৬। অশ্বিনী নক্ষত্র রাত্রি ১/২৮। সূর্যোদয় ৬/৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৩৯ গতে ৯/৪৬ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৩/২৫ গতে ৪/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ৩/৩৪ মধ্যে ও ৪/২৭ গতে ৬/৪ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৪ গতে ১১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে। 
১১ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শুভেন্দুর পদত্যাগ, কী বললেন ভাই দিব্যেন্দু অধিকারি ?
শুভেন্দু অধিকারির মন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিষয়ে টেলিফোনে তাঁর ভাই তথা তৃণমূলের ...বিশদ

01:58:20 PM

মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ  করলেন শুভেন্দু অধিকারি
পরিবহণমন্ত্রী ও সেচমন্ত্রীর পদ থেকে  ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারি। আজ ...বিশদ

01:33:00 PM

১ম ওডিআই: ভারতকে ৩৭৫  রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া

01:24:40 PM

কঙ্গনার পাশেই আদালত, খারিজ বিএমসি-র অভিযোগ
আজ, শুক্রবার কঙ্গনার পক্ষেই রায় দিল বম্বে হাইকোর্ট। স্বস্তি পেলেন ...বিশদ

12:52:13 PM

১ম ওডিআই: অস্ট্রেলিয়া ২৮১/৩ (৪২ ওভার)

12:39:45 PM

১ম ওডিআই: অস্ট্রেলিয়া ১৬৯/১(৩০ ওভার)
 ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচে ফিঞ্চ ও ওয়ার্নারের জুটিতে দুরন্ত ...বিশদ

11:43:55 AM