Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি। মাওবাদীদের অত্যাচারে মানুষ মুখ খুলতে পারত না। বিগত বাম সরকারও সেভাবে জঙ্গলমহলে সুশাসন কায়েম করতে পারেনি। জঙ্গলমহলের মানুষের মনে সহানুভূতি আদায় করার লক্ষ্যে কোনও উন্নয়ন করতে পারেনি। তাই জঙ্গলমহল মাওবাদীদের অবাধ রাজত্বে পরিণত হয়েছিল। মাওবাদীদের প্রসঙ্গে নকশাল নেতা সন্তোষ রানা একসময় বলেছিলেন, ‘জঙ্গলমহলে মাওবাদীরা শুধুই প্রভাব বিস্তার করলেন, কিন্তু সেখানকার মানুষদের নিয়ে মাথা ঘামালেন না।’ তাই যতটা না ভক্তিতে, তার থেকে বেশি ভয়ে মাওবাদী একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে ভয়ে কাঁটা হয়ে ছিল জঙ্গলমহলের মানুষ।
এই অনুন্নয়নের জায়গাটাকে ধরতে পেরেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুঝেছিলেন, জঙ্গলমহলের উন্নয়ন করতে না পারলে মাওবাদীদের নাগপাশ থেকে তাকে বের করা যাবে না। তাই তিনি ক্ষমতায় এসেই জঙ্গলমহলের মুখে হাসি ফোটাতে সচেষ্ট হলেন। সেখানে আনলেন উন্নয়নের জোয়ার। আমরা হতদরিদ্র আমলাশোল, বেলপাহাড়ি দেখেছি। দেখেছি অভুক্ত দুখীরাম টুডু আর গুণধর বাস্কেদের। তৃণমূল সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর সেখানে নতুন ভাষ্যে উন্নয়নের প্রকাশ দেখতে পেলাম। ঝাঁ চকচকে রাস্তা, স্কুল, শিক্ষা, খাদ্য, বাসস্থান, চাকরির সুযোগ—সবকিছু দিয়ে এতদিনের বঞ্চিত আদিবাসী সমাজকে নতুন জীবনের স্বাদ এনে দিলেন মমতা।
সিপিএমের একচ্ছত্র আধিপত্যের মূল উপড়ে ফেললেন তিনি। সেই শূন্যস্থানে ধীরে ধীরে বিরোধী দল হিসেবে প্রবেশ করল বিজেপি। তারপর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভালো ফল করে বিজেপি সেখানে পদ্ম ফোটাল। সেই ধারাবাহিকতা দেখা গেল লোকসভার নির্বাচনেও। আসলে সেদিন তৃণমূল নেতাদের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়েছিল জঙ্গলমহলের অধিকাংশ মানুষ। তাই তাঁরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর এক বছর কেটে গিয়েছে। ক্রমেই বিজেপির প্রতি বীতরাগ জন্মাচ্ছে সেখানকার ভূমিপুত্রদের। তাঁরা দেখেছেন, কীভাবে ধীরে ধীরে আরএসএসের নির্দেশে আদিবাসী সমাজকে হিন্দুত্বের গণ্ডিতে টেনে আনার চেষ্টা চলছে। আরএসএসের নির্দেশে বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক মন্দির তৈরি হচ্ছে। এতে মানসিকভাবে আঘাত লাগছে কুর্মি, মাহাত, সাঁওতাল-সহ আদিবাসীদের ধর্মীয় আবেগে। আদিবাসীরা মনে করছেন, আরএসএস এখন তাঁদের ধর্ম ও সংস্কৃতির উপর আগ্রাসী প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে।
এর মধ্যেই ছিল এনআরসি’র আতঙ্ক। ভারতের অন্যান্য এলাকার মতো আদিবাসী সমাজেও আতঙ্কের ঢেউ তুলল কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ। এইসব দরিদ্র, অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, আজীবন বঞ্চিত মানুষ তাঁদের ‘ডকুমেন্ট’ পাবেন কোথা থেকে? তাহলে কি তাঁদের আশ্রয় নিতে হবে কোনও এক ডিটেনশন ক্যাম্পে? ভিতরে ভিতরে ফুঁসছিলেন তাঁরা। আবার হয়তো একটা বীরসা মুন্ডা বা সিধুকানহোর ইতিহাস তৈরি হতো। লেখা হতো নতুন উলগুলানের গল্প।
আদিবাসী সমাজের এই মনোভাব বুঝেছে বিজেপি। বুঝেছে আদিবাসী সমাজের ক্রমে দূরে সরে যাওয়ার কারণও। তাই কিছুটা নরম হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। তারা বলেছিল, রামমন্দিরের ভূমিপূজনের জন্য বিভিন্ন জায়গায় মাটি ও জল নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অযোধ্যায়। সাঁওতালদের পবিত্র ক্ষেত্র সারনা ও জাহের থানের মাটিও নিয়ে যাওয়া হবে রামজন্মভূমিতে। কিন্তু রামচন্দ্রের মন্দির নির্মাণের জন্য তাঁদের ধর্মস্থানের মাটি দিতে অস্বীকার করল সাঁওতাল সমাজ। সারা ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের সুপ্রিমো রামচন্দ্র মুর্মু বললেন, আদিবাসী সমাজকে হিন্দু ধর্মে শামিল করার এটা একটা চক্রান্ত। আসলে মোহন ভাগবতরা দীর্ঘদিন ধরে চাইছেন হিন্দু জনসংখ্যা বাড়ানোর জন্য সাঁওতালদের হিন্দুত্বের তালিকায় নথিভুক্ত করতে। এতে দেশে হিন্দুত্বের সংখ্যা অনেক বেশি দেখানো যাবে। আরএসএসের এই ফাঁদে পা দিতে রাজি নয় আদিবাসী সমাজ। তাঁদের মতে, এই ফাঁদে পা দিলে সাঁওতাল আদিবাসীদের জাতি, ধর্ম, সমাজ সংস্কৃতি সব শেষ হয়ে যাবে। ক্রমে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এই দূরত্ব যত বাড়বে, জঙ্গলমহল থেকে বিজেপি ততই তার মাটি হারাবে। তা অনেকটা প্রকট হয়ে উঠছে। ধীরে ধীরে সবুজ হয়ে উঠছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি, মাটি ও মানুষ। ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী সমাজ বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা বিজেপিকে চায় না। সেখানে বিজেপি ক্ষমতা-বিচ্যুত। পশ্চিমবঙ্গের আদিবাসী সমাজের মানুষও তৈরি হয়েই আছে। শুধু ভোটের অপেক্ষা।
সেইসঙ্গে আছে জঙ্গলমহলে বিজেপির আপন ঘরের কোন্দল। যতদিন যাচ্ছে, একটু একটু করে ভাঙছে জঙ্গলমহলে বিজেপির সংগঠন। জঙ্গলমহলকে দখলে রাখতে বিজেপি সেখানে অনেক টাকা ঢেলেছে। সেই টাকা-পয়সার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু। দল, উপদল, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের এইসব চেনা গল্প জড়াচ্ছে বিজেপিকে ঘিরেও। দলে জন্ম নিচ্ছেন বিক্ষুব্ধরা। তাঁদের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে। তারই ফলে জঙ্গলমহলে দল ভেঙে আবার সব ফিরে যাচ্ছেন তৃণমূলে। বিজেপির ভাষাতেই যাকে বলা যায় ঘরওয়াপসি। তৃণমূলের নেতাদের বিরুদ্ধে যে ক্ষোভ একদিন জঙ্গলমহলের মানুষকে বিজেপির দিকে ঠেলে দিয়েছিল, আজ বিজেপির দিকে তাকিয়ে তাঁদের মনে সেই একই ক্ষোভই জন্মাচ্ছে। ফলে আবার সবুজের আভা ফিরছে জঙ্গলমহলে। দল বেঁধে অনেকেই ফিরছেন তৃণমূলে। ঘাসফুল আবার সেখানে আশায় বুক বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। নতুন করে সংগঠন সাজাচ্ছে।
এসব দেখে বিজেপি অনেকটাই আননার্ভড। তারা দিনে দিনে উপলব্ধি করছে যে, সেখান থেকে তাদের পায়ের তলার মাটি আস্তে আস্তে সরে যাচ্ছে। তারাও তাই পাল্টা প্রচারে নেমেছে। গেরুয়া শিবির এখন জোরকদমে প্রচার চালিয়ে বলছে, ‘ওই দেখ, ছত্রধর মাহাতকে জঙ্গলমহলে গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল। ছত্রধরের ইতিহাস সবাই জানেন। উনি আসলে এখানে ফের মাওবাদী সংগঠন গড়ে তুলতে চান এবং সেটা তৃণমূলের পৃষ্ঠপোষকতায়।’ জঙ্গলমহলে এখন মাওবাদীদের ম-ও নেই। তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের ঢেউয়ে জঙ্গলমহল নতুন আর একটা সকালের স্বপ্ন দেখছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেডিয়াম, যোগাযোগ ব্যবস্থা, হাতে হাতে কাজ, আবাসন প্রকল্প, পুষ্টিবাগান প্রকল্প ইত্যাদি ঘিরে দারুণ উৎসাহ। এর মধ্যে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। সাঁওতালি ভাষাতেই এবার নেওয়া যাবে ডিএলএড। এবছর প্রথম সাঁওতালি ভাষায় পরীক্ষা দিয়ে বেশ কয়েকজন ছাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেছে। তাদের জন্য সাঁওতালি মাধ্যমে কলেজ খোলা হচ্ছে। রাজনীতির বাইরে এ এক অন্য আলো। যে আলো অনুন্নয়নকে ঘাড় ধরে বের করে মানুষের মধ্যে আলোর স্পর্শ এনে তাকে নতুন বোধে জাগিয়ে তোলে।
জঙ্গলমহলের মানুষ আগে সিপিএমকে বলত, চোর আর তৃণমূলকে বলত, ডাকাত। এখন বিজেপিকে বলছে, মাফিয়া। যে তোলাবাজির কারণে একসময় জঙ্গলমহল এলাকায় তূণমূলকে হার স্বীকার করতে হয়েছিল, যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে লোকসভা ভোটে বিজেপি ভালো ফল করেছিল, আজ সেই কারণে আদিবাসী সমাজ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে গেরুয়া শিবির থেকে।
একদিকে মমতার উন্নয়নের ইতিবাচক দিক, অন্যদিকে বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় সরকারের নেতিবাচক দিক—এই দুইয়ের লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জঙ্গলমহলজুড়ে এখন ঘরে ঘরে ভাত ফোটার গন্ধ। জঙ্গলমহলজুড়ে এখন নতুন প্রজন্মের চোখে শিক্ষার স্বপ্ন, বড় হওয়ার স্বপ্ন। জঙ্গলমহলজুড়ে এখন মানুষের বেঁচে থাকার বিশ্বাসের স্বপ্ন। এই স্বপ্নের শক্তিকে নষ্ট করার মতো আর কোনও শক্তি আছে কি? অঞ্জনা সোরেন, ত্রিলোচন মাহাতরা এখন আর পিছু ফিরতে চাইছেন না। আবার সবুজ হয়ে ওঠা জঙ্গলমহলই ওদের নিশ্চিন্ত আশ্রয়।
ক্ষমতায় আসার পর যে উন্নয়নটুকু হয়েছিল, সেটা তৎকালীন তৃণমূলের নেতারা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেননি। এর আগের বার উন্নয়নের সেই বাস্তবতাকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়নি। এবার আর তৃণমূল সেই ভুল করতে রাজি নয়। উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রচারে নেমে তারা বুঝিয়ে দিয়েছে, ভুল থেকে তারা শিক্ষা নিয়েছে। প্রতিটি ব্লক ধরে তৈরি হচ্ছে উন্নয়নের তথ্যচিত্র। সেসব দেখে মানুষ মিলিয়ে নিতে পারবে, তাদের জন্য কী হয়েছে, এবং তথ্যচিত্রে কী দেখানো হচ্ছে। পরিস্থিতি আবার নতুন করে জঙ্গলমহলের মানুষকে ভাবাচ্ছে। তাদের মনের দিকবদল হচ্ছে।
তবে একটা ব্যাপার পরিষ্কার। আগের বার দলীয় নেতৃত্বের খেয়োখেয়ি, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কিন্তু দলের পক্ষে অভিশাপ ডেকে এনেছিল। সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কিন্তু একেবারে নির্মূল হয়ে যায়নি। জঙ্গলমহলে তৃণমূল অনেকটা এগিয়ে থাকলেও তাকে পিছু টেনে ধরছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই। জঙ্গলমহলে উন্নয়নের সোনালি প্রেক্ষাপটে তৃণমূলের অগ্রগতির মধ্যে এটাই কেবল একটা কাঁটার খোঁচা রয়ে গিয়েছে।
05th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...

 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...

 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৫ রানে হারাল হায়দরাবাদ 

11:31:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM