Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাঙালির দ্বিচারিতা
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর সবথেকে বড় শক্তি হল, যারা তাঁকে মন থেকে অপছন্দ করে কিংবা তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থানকে আদর্শগতভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করে না, তারা নিজেরা কিন্তু আন্দোলনে নেমে অজান্তে সেই গান্ধীকেই অনুসরণ করে। লক্ষ্য করে দেখা যায়, যে বামপন্থী ছাত্রনেতা একেবারেই গান্ধীপন্থী নয়, সে যখন প্রশাসন কিংবা সরকারের বিরুদ্ধে দলগতভাবে বিক্ষোভ আন্দোলনে নামে, তখন সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টির পন্থাটি হল অনশন। বাঙালির একটি বড় অংশই ঘোষণা করে যে, তারা গান্ধীজিকে পছন্দ করে না। কিন্তু শিক্ষক থেকে ডাক্তার, বামপন্থী থেকে অতি দক্ষিণপন্থী, সকলেই নিজেদের দাবি আদায়ে গান্ধীর প্রদর্শিত পথ অনশনকেই হাতিয়ার করে। ১৯১৮ সালে রাউলাট আইন চালু করেছিল ব্রিটিশ পুলিস। সেই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে চেন্নাইয়ে একটি সভা থেকে মহাত্মা গান্ধী যে আন্দোলনটির ডাক দিয়েছিলেন তা ভারতে তার আগে সেভাবে দেখা যায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকায় অবশ্য ওই আন্দোলন করে সাফল্য পেয়েছেন গান্ধী। সেই আন্দোলনের নাম সত্যাগ্রহ। এরপর ক্রমেই ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন দুটি পথে এগিয়েছিল। একটি হল চরমপন্থী আন্দোলন। আর অন্যটি গান্ধীজির অহিংসার পথ। গান্ধীজি নিজে বারংবার অনশন অস্ত্রটি প্রয়োগ করেছেন। দেখা যায় গান্ধীজির সেই অস্ত্রটি মোক্ষম ধরে নিয়ে আজকাল প্রায় প্রতিটি আন্দোলনের শেষ ও শক্তিশালী অস্ত্র ওটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ গান্ধীজিকেই কিন্তু অনুসরণ করতে হচ্ছে।
গান্ধীজিকে বাঙালির একটি বৃহৎ অংশ অপছন্দ করে কেন? আলোচনা এবং চর্চা থেকে যা বোঝা যায়, সেটি হল, গান্ধীজি সুভাষচন্দ্র বসুর তুলনায় জওহরলাল নেহরুকে বেশি প্রমোট করতেন। সুভাষচন্দ্র বসুকে গান্ধীজি নিজেই একসময় সভাপতি পদে নিয়ে এসেছিলেন। আবার সেই তিনিই দ্বিতীয়বারের জন্য সুভাষচন্দ্র বসুর সভাপতিত্ব মেনে নিতে পারেননি। সুভাষচন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে নেহরুকে বলেছিলেন। নেহরু রাজি হননি। শেষ পর্যন্ত পট্টভি সীতারামাইয়াকে প্রার্থী করেন। এবং সীতারামাইয়কে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সুভাষচন্দ্র বসু জয়ী হন। এসব তথ্য সকলের জানা। সীতারামাইয়ার পরাজয়ে গান্ধীজি এতই বিষণ্ণ হয়েছিলেন যে, ওই পরাজয়কে নিজের পরাজয় হিসাবেই বিবেচনা করেন। সুতরাং এহেন গান্ধীজিকে অপছন্দ করার কারণ বাঙালির আছে। কিন্তু সমস্যা হল ঠিক এই একই কারণ থাকলেও, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে বাঙালি অপছন্দ করে না। অথচ গান্ধীজির তুলনায় বল্লভভাই প্যটেলের সুভাষবিরোধিতা ছিল অনেক তীব্র। ১৯৩৩ সালে কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর সুভাষচন্দ্রকে ইওরোপে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি সেই সময় বিভিন্ন দেশে ঘোরার সময় ভিয়েনায় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের দাদা বিঠঠলভাই প্যাটেলের সেবা শুশ্রুষা করেন। কারণ প্রবাসে বিঠঠলভাই প্যাটেল অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। দীর্ঘ অসুস্থতার পরও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। প্রবাসেই মৃত্যু হয়। সুভাষচন্দ্রকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন তিনি। মৃত্যুর আগে তিনি উকিল ডেকে, উইল করে, নিজের সম্পত্তির বড় অংশই লিখে দিয়ে গিয়েছিলেন সুভাষচন্দ্রের নামে। বলে গিয়েছিলেন, দেশের বাইরে, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য যে ব্যয় হবে, সেটি সুভাষচন্দ্র ওই তহবিল থেকে ব্যবহার করবেন। কিন্তু দেশে থাকা বল্লভভা‌ই প্যাটেল ওই উইল বিশ্বাস করেননি। তিনি এমনকী ওই স্বাক্ষর সত্যিই দাদার কি না, সেটা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং মামলা করেন সুভাষচন্দ্রের বিরুদ্ধে। প্রায় পাঁচ বছর ধরে ওই মামলা চলেছিল। এখানেই শেষ নয়। সুভাষচন্দ্রকে কংগ্রেসের সভাপতি পদ থেকে সরানোর জন্য সবথেকে বেশি উদ্যোগী হয়েছিলেন কে? প্যাটেল। কিন্তু বাঙালি যতটা গান্ধীজিকে সুভাষচন্দ্র বিরোধী হিসাবে অপছন্দ করে, ততটা বীতরাগ প্যাটেল সম্পর্কে নেই।
বাঙালি গান্ধীজির অনুগামী হতে পারেনি এটা যেমন সত্যি, আবার সবথেকে দুর্ভাগ্যজনক হল, সুভাষচন্দ্রের অনুগামীও হতে পারেনি। গান্ধীজির অহিংসা, আলোচনা, আবেদন নিবেদন, সত্যাগ্রহ ইত্যাদি পথকে বিশ্বাস না করে সুভাষচন্দ্র বসু একক শক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন অজানা এক লড়াইয়ে। তিনি যুদ্ধ করে ব্রিটিশকে পরাজিত করার স্বপ্নে এক সেনাবাহিনী পর্যন্ত গড়ে ফেলেছিলেন। এবং সত্যিই ব্রিটিশ শাসনে আতঙ্ক তৈরি করেছিলেন। বাঙালি গান্ধীজিকে যেমন অনুসরণ করেনি, আবার সুভাষচন্দ্রকেও অনুসরণ করতে পারেনি। বাঙালি গান্ধীজি প্রদর্শিত ধৈর্য, স্থৈর্য, অহিংসার পথে নেই। আবার স্বাজাত্যবোধ কিংবা জাতিগত সম্মানরক্ষায় অথবা মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপের দাবিতে দলাদলি ভুলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার মনের জোরও আজ নেই। যা সুভাষচন্দ্রের ছিল। বড়সড় ইস্যুতে প্রতিবাদ করা ছেড়েই দিলাম, সামান্য নিত্যদিনের সমস্যা নিয়েই বাঙালির মাথাব্যথা নেই। একটি উদাহরণ, বাঙালি ৩৭০ ধারা নিয়ে অত্যন্ত ভাবিত, কিন্তু আজও গোটা দেশের সব শহরে যেখানে ঝকঝকে অত্যাধুনিক মেট্রো চলছে, সেখানে একমাত্র কলকাতায় ভাঙাচোরা, মান্ধাতা আমলের নন-এসি মেট্রো রেক কেন চালিয়ে যাওয়া হবে? এই প্রশ্ন কেউ তোলে না! এটা যে বাংলাকে তাচ্ছিল্য করা সেটা কারও মনেই হয় না। অথচ রোজ ওই মেট্রোতেই যাতায়াত করছে সকলে। জেলা, মফস্‌সলের বাঙালিকে সৌন্দর্যায়ন দেখতে কেন নিউ টাউন যেতে হবে? কেন নিজের বাস করা শহরে পাবে না, এই প্রশ্ন বাঙালি তোলে না।
সমালোচক যদি ভক্তে পর্যবসিত হয়ে যায়, তার থেকে বড় জয় আর হয় না। মহাত্মা গান্ধী ধীরে ধীরে একটির পর একটি যুদ্ধজয় আজও করে চলেছেন। এটাই তাঁর বৃহত্তম মাহাত্ম্য। ১৯৪৭ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ প্রকাশ্যেই মহাত্মা গান্ধীর অবস্থানের সমালোচনা করেছে। এমনকী ‘অর্গানাইজার’ পত্রিকায় গান্ধীজিকে কটাক্ষ করেই লেখা হয়েছিল রোম যখন পুড়ছিল নিরো তখন বেহালা বাজিয়েছিলেন। কলকাতা এবং পাঞ্জাব নিয়ে গান্ধীজির অবস্থান যে সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী ছিল, এই সমালোচনা করা হয়। স্বাধীনতা, দেশভাগ, দাঙ্গা নিয়ে গান্ধীজির মনোভাবের তীব্র বিরোধী ছিল আরএসএস। কিন্তু ৭২ বছর পর সেই মনোভাব আর নেই। পাল্টে দিয়েছেন গান্ধীজি। আজ ২০১৯ সালে মহাত্মা গান্ধীর জন্মের দেড়শ বছর পালনের দিন ২ জানুয়ারি বুধবার সেই আরএসএসেরই সরসংঘচালক মোহন ভাগবত বললেন, গান্ধীজিকে আমাদের প্রত্যেককে অনুসরণ করতে হবে। গান্ধীজি তাঁর আদর্শের মাধ্যমে সামাজিক সাম্য, শান্তির বার্তা দিয়েছেন। আমাদের সেই আদর্শকে সামনে রেখে ভারতকে বিশ্বগুরু হিসাবে পর্যবসিত করার পথে অগ্রসর হতে হবে। বস্তুত মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে ২ জানুয়ারি দেখা গিয়েছে, কংগ্রেস এবং সংঘ পরিবারের মধ্যে প্রবল টানাপোড়েন যে, কারা আসল গান্ধীপন্থী! ভারতবাসী কি আদৌ গান্ধীবাদী এখনও? যদি উত্তর না হয়, তাহলে তাবৎ রাজনৈতিক দল গান্ধীজিকে নিজেদের রোলমডেল হিসাবে প্রদর্শন করতে কেন এত আগ্রহী? নাকি সবটাই কি প্রতীকী? এই প্রশ্ন নিজেদেরই করতে হবে। বরং আরও বৃহত্তর প্রেক্ষিতে। সেটি হল ভারতের তাবৎ মনীষীদের নিয়ে মাতামাতি করার সবটাই কি নেহাত লোকদেখানো? কারণ তাঁদের অনুসরণ করা, তাঁদের বাণীকে নিজের জীবনযাপনে সম্পৃক্ত করার কোনও লক্ষণ দেখা যায় না। শুধুই চলে জয়ন্তী পালন আর উজ্জ্বল অনুষ্ঠানের পরম্পরা।
বাঙালি গান্ধীবাদী নয়, বাঙালি সুভাষচন্দ্রকে অনুসরণ করতে পারে না, শুধুই তাঁর অন্তর্ধান রহস্যে থ্রিলারের শিহরন খোঁজে। বাঙালি কি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভক্ত? সিজনাল। অর্থাৎ যদি কেউ তাঁর মুর্তি ভাঙে, তখন বাঙালি অতি বড় বিদ্যাসাগরভক্ত হয়ে যায়। কিন্তু ব্যক্তিগত কিংবা সামাজিক জীবনে বিদ্যাসাগরের সাহস, আত্মশক্তি অথবা ভিড়ের থেকে সরে গিয়ে নিজের বিশ্বাসে অটল থাকার কোনও মিশন নিয়ে লড়াই করে যাওয়া বাঙালির সাধ্য নেই। বাঙালির বর্তমান শক্তি ভিড়ের শক্তি। বাঙালি কি রবীন্দ্রনাথের ভক্ত? হ্যাঁ এবং না। তিনি বাঙালিকে সংস্কৃতিমান হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন সহজে। তাই সারা বছরই গান গেয়ে স্মরণ করা যায়। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের প্রদর্শিত পথকে অবলম্বন করা সম্ভব নয়। রবীন্দ্রনাথের ভক্ত বাঙালি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও যত্নের সঙ্গে শান্তিনিকেতনকে ধ্বংস করেছে। ১৯৪০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মহাত্মা গান্ধী শেষবার এসেছিলেন শান্তিনিকেতনে। বিদায় নেওয়ার আগে তাঁর হাতে একটি চিঠি দিয়ে রবীন্দ্রনাথ শেষ চেষ্টা করেছিলেন শান্তিনিকেতনকে বাঁচানোর। লিখেছিলেন, ‘প্রিয় মহাত্মাজি,..শান্তিনিকেতন থেকে আপনি বিদায় নেওয়ার আগে আপনার কাছে আমার ঐকান্তিক আবেদন জানাই। এই প্রতিষ্ঠানকে যদি আপনি জাতীয় সম্পত্তি বলে গণ্য করেন, তাহলে এর রক্ষার ভার গ্রহণ করে এর চিরস্থায়িত্বের আশ্বাস দিয়ে যান। বিশ্বভারতী একটি তরীর মতো আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ বহন করে চলেছে। আশা করি আমার দেশবাসীদের কাছে সে সযত্নে রক্ষার দাবি করতে পারে। প্রীতিসহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪০।’
মহাত্মা গান্ধী সেদিনই পাল্টা চিঠিতে উত্তর দিয়ে রবীন্দ্রনাথকে আশ্বস্ত করেছিলেন। এবং তাঁর নিরলস প্রয়াসের ফলেই জওহরলাল নেহরু সরকার ১৯৫১ সালে বিশ্বভারতীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করে। বিশ্বভারতী বিল নিয়ে আলোচনার সময় সব বিষয়েই চরম প্রতিপক্ষ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং জওহরলাল নেহরু একটি বিষয়ে একমত পোষণ করে সংসদে ভাষণ দিয়েছিলেন। সংসদে নেহরু বলেছিলেন, ‘আমি শ্যামাপ্রাসাদবাবুর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত যে, শান্তিনিকেতনে প্রচুর ইটের ঘরবাড়ি তৈরির জন্য আমাদের অর্থব্যয় ঠিক হবে না।’ সত্তর দশক পর্যন্ত আশ্রমের রূপ ও পরিবেশ ঠিক ছিল। কিন্তু তারপর যেদিন আশির দশকের শেষভাগ থেকে শ্রীনিকেতন শান্তিনিকেতন উন্নয়নের নামে জোরদার রিয়াল এস্টেট, হোটেল আর আমোদ প্রমোদের অবাধ বিচরণক্ষেত্র হয়ে উঠল এই ব্রহ্মচর্যাশ্রম। তার পর থেকে আর রবীন্দ্র আদর্শ অনুসরণ নয়, বোলপুর শান্তিনিকেতন হয়ে উঠেছে তারাপীঠ-বক্রেশ্বর-শান্তিনিকেতন প্যাকেজ ট্যুরের একটি স্পট। এই উদ্যোগ তো আমাদের চোখের সামনে হয়েছে। কখনও কি দেখা গিয়েছে দলগত বিভেদ ভুলে বাঙালি রাস্তায় নেমেছে এ সবের বিরুদ্ধে? ভাষা নিয়ে, সংস্কৃতি নিয়ে, ধর্মপালন নিয়ে বিভেদ সৃষ্টির বিরুদ্ধে শেষ কবে বাঙালি গণআন্দোলনে নেমেছে? নামে নি। কেন নামেনি? কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ, মহাত্মা গান্ধী, সুভাষচন্দ্র বসু, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.. যাঁদেরই অনুগামী হিসাবে নিজেদের বাঙালি দাবি করে, তাঁদের একক মনের জোর আর উচ্চ আদর্শ ছিল। বাঙালির কোনওটাই অবশিষ্ট নেই। শুধুই ওই মনীষীদের প্রতি মিথ্যা ভক্তির আতিশয্য আছে। আর আছে ফেসবুক-বিপ্লব ও রাজনীতি।  
04th  October, 2019
এবার পথ দেখাবে উত্তরপ্রদেশই
হিমাংশু সিংহ

দু’বছর আগে উত্তরপ্রদেশ জেলা প্রশাসন মুখ্যসচিবের সার্কুলারটা পেয়ে চমকে উঠেছিল। ১৯৮৪ ব্যাচের আইএএস অনুপকুমার পাণ্ডে ওই নির্দেশে লিখছেন, সাধারণতন্ত্র দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর এনকাউন্টারের ফলেই যে জেলায় জেলায় সর্বত্র শান্তি ফিরেছে তা সবিস্তারে বলতে হবে ডিএমদের। 
বিশদ

মমতার সিদ্ধান্তের উপর
ঝুলছে বিজেপির ভাঙন
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতি অনেকটা নাগরদোলার মতো। উপরে উঠলে নামতে হবেই। এটাই ভবিতব্য। অপেক্ষাটা শুধু সময়ের। বিজেপির দিল্লির নেতারা উপরে উঠে নামার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। বাংলার নির্বাচন বিজেপির সেই নামার দিকটাই নির্দেশ করে দিয়েছে। বিশদ

19th  June, 2021
ভারতের প্রশাসনের স্থাপত্য
গোপালকৃষ্ণ গান্ধী

রাজনীতিক-সিভিল সার্ভেন্ট সম্পর্কের মজবুত ভিতটা নির্মাণ করে গঠন, বিশ্বাস ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা। সর্দার প্যাটেল এটা অনুধাবন করেছিলেন।
বিশদ

18th  June, 2021
বিরুদ্ধ মত মানেই
দেশদ্রোহ নয়
সমৃদ্ধ দত্ত

 

১৮৭৬ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে অন্তত ১৮টি দুর্ভিক্ষ হয়েছে। প্রায় ২ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়। তা সত্ত্বেও মানুষের উপর ল্যান্ড ট্যাক্সের বোঝা না কমিয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল ব্রিটিশ।
বিশদ

18th  June, 2021
লাক্ষাদ্বীপে গেরুয়া অ্যাজেন্ডার আতঙ্ক!
মৃণালকান্তি দাস

টলিউড বা বলিউডের মতো প্রচুর ছবি তৈরি হয় না এখানে। নামমাত্র ছবিতেই বিনোদন খোঁজে এই প্রবাল দ্বীপ। তবুও সংবাদ শিরোনামে দ্বীপের এক অভিনেত্রী এবং পরিচালক আয়েশা সুলতানা।
বিশদ

17th  June, 2021
মুখরক্ষা করল উত্তরবঙ্গ,
পোড়াচ্ছে তাকেই!
হারাধন চৌধুরী

সম্ভাবনা ছিল দু’টো। মমতা ফিরবেন অথবা নতুন শক্তি হিসেবে উঠে আসবে বিজেপি। বিজেপি ফেল করেছে। ফিরেছেন মমতা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হ্যাট্রিকের শক্তি এতটা প্রবল হবে, অনেকেই বোঝেনি।
বিশদ

16th  June, 2021
মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা: আত্মনির্ভরতার নতুন থিম সং
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেপ্টেম্বর ১, সাল ২০১৩। দিল্লিতে বিজেপির বাইক র‌্যালি। প্রতিবাদ চলছে পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে... ঠুঁটো কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। সেই বাইক মিছিল সেদিন রওনা দিয়েছিল দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের বাসভবনের উদ্দেশে।
বিশদ

15th  June, 2021
দায়িত্ব নিন, আলোচনা
করুন, প্ল্যান বানান
পি চিদম্বরম

টিকাকরণ নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা হল, তা ইতিহাসে লেখা থাকবে। ৭ জুন, টেলিভিশন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’টো ভুল শুধরে নিয়েছেন। আমি মনে করি, এটাই তাঁর ভুল স্বীকার করে নেওয়ার কায়দা।
বিশদ

14th  June, 2021
মমতার নির্দেশে
অভিষেকের মাস্টারস্ট্রোক
হিমাংশু সিংহ

এতদিন বাংলার রাজনীতিতে মাস্টারস্ট্রোক কথাটা শুধু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই সমার্থক ছিল ষোলোআনা। কিন্তু এখন তার আর এক দাবিদার উপস্থিত। পুত্রসম অভিষেক।
বিশদ

13th  June, 2021
সেলিব্রেটি থেকে সংগঠক,
রাজনীতির নতুন ধারা
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই বলে থাকেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন, তৃণমূল ততদিন। তারপর পার্টিটাই আর থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জবাবও দিয়েছেন। তিনি বহুবার বলেছেন, ‘যাঁরা ভাবছেন, আমি চলে গেলে দলটা উঠে যাবে, তাঁরা ভুল ভাবছেন। তৃণমূলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি।’ এতদিন তিনি যে কথা মুখে বলতেন, এবার সেটা করে দেখাচ্ছেন।
বিশদ

12th  June, 2021
পুরুষ আধিপত্যের ভিড়ে
সফল শাসক দুই বাঙালি নারী
সমৃদ্ধ দত্ত

রাজনীতির হিসেব-নিকেশ বাদ দিয়ে নিছকই জাতিগত আকাঙক্ষার তাগিদে ২০২৪ সালের দিকে আমরা বাঙালিরা অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে লক্ষ করব এই জাতিটির জার্নিতে সত্যিই কি একটি নতুন ইতিহাস রচিত হবে? একদা একসঙ্গে থাকা দু’টি পাশাপাশি দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীই কি বাঙালি নারী হবেন? বিশদ

11th  June, 2021
অবলুপ্তির আত্মঘাতী
পথে সিপিএম
মৃণালকান্তি দাস

গোটা দেশের লোক যখন মোদি-মমতার মরণপণ দ্বৈরথ দেখছে, সিপিএম তখন চোখ বন্ধ রেখে বলেছে, ও-সব ‘সেটিং’। আসলে দল তো একটাই, তার নাম বিজেমূল। ছায়ার সঙ্গে এই পুরো যুদ্ধটাই করা হয়েছে বিজেপি-তৃণমূল বাইনারি ভাঙার নাম করে। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। বিজেমূল নামক এই বকচ্ছপ ধারণাটাকে জনতা স্রেফ ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।
বিশদ

10th  June, 2021
একনজরে
লং ওয়াল মাইনিং, কনটিনিউয়াস মাইনারস ও সারফেস মাইনারসের মতো কয়লা খনিতে ব্যবহৃত বিশ্বমানের মেশিনের যন্ত্রাংশ দুর্গাপুরে তৈরি হতে চলেছিল। বন্ধ এমএএমসি কারখানার বৃহত্তম অংশীদার ভারত আর্থ মোভারস লিমিটেড(বিইএমএল) পোল্যান্ডের এক সংস্থার সঙ্গে সব কিছু চূড়ান্তও করে ফেলেছিল। ...

৩২.৯৯ কেজি রুপোর গয়না উদ্ধার হল স্বরূপনগরের তারালী সীমান্তে থেকে। শনিবার সকালে তল্লাশির সময় বিএসএফের তারালী বিওপির সীমান্ত ডিউটিতে থাকা জওয়ানরা ওই গয়না উদ্ধার করেন। ...

আইএসএলে খেলা নিয়ে জট খুলতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে তাকিয়ে আছেন শ্রী সিমেন্ট ও ইস্ট বেঙ্গলের কর্তারা। সূত্রের খবর, উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। ...

এবার বিধানসভা ভোটে আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি আসনেই জিতেছে বিজেপি। সবক’টি আসনে জিতলেও ভোটের পরে কিন্তু জেলাজুড়ে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য, মণ্ডল ও বুথ সভাপতিদের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের হিড়িক পড়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি, প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব উদ্বাস্তু দিবস
১৯৩৯: ক্রিকেটার রমাকান্ত দেশাইয়ের জন্ম
১৯৫২: লেখক বিক্রম শেঠের জন্ম
১৯৭৯: ফুটবলার রেনেডি সিংয়ের জন্ম
২০০৭: অভিনেত্রী অনীতা গুহের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.২৯ টাকা ৭৫.০০ টাকা
পাউন্ড ১০০.৬৬ টাকা ১০৪.১৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৩৭ টাকা ৮৯.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) -
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) -
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) -
রূপার বাট (প্রতি কেজি) -
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) -
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আষাঢ় ১৪২৮, রবিবার, ২০ জুন ২০২১। দশমী ২৮/৩৩ অপরাহ্ন ৪/২২। চিত্রা নক্ষত্র ৩৪/৪২ রাত্রি ৬/৪৯। সূর্যোদয় ৪/৫৬/২৭, সূর্যাস্ত ৬/১৯/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৪ গতে ৯/২৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১০/৩৪ গতে ১২/৪২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৪/৩২ গতে ৫/২৫ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৭ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৮ গতে ২/১৮ মধ্যে। 
৫ আষাঢ় ১৪২৮, রবিবার, ২০ জুন ২০২১। দশমী দিবা ১২/২৪। চিত্রা নক্ষত্র দিবা ৩/৪০। সূর্যোদয় ৪/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ গতে ৯/২৮ মধ্যে ও ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/৩৮ গতে ১২/৪৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৪/৩৫ গতে ৫/২৯ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৮ গতে ১/২০ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৮ গতে ২/১৭ মধ্যে। 
৯ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইউরো কাপ: জার্মানি ৪-২ গোলে হারাল পর্তুগালকে

19-06-2021 - 11:29:00 PM

ইউরো কাপ: পর্তুগাল ১-২ জার্মানি (হাফটাইম)

19-06-2021 - 10:27:06 PM

ইউরো কাপ: পর্তুগাল ১ জার্মানি ১( ৩৬ মিনিট)

19-06-2021 - 10:09:32 PM

ইউরো কাপ: পর্তুগাল ১ জার্মানি ০ ( ১৫ মিনিট)

19-06-2021 - 09:49:40 PM

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ: দ্বিতীয় দিনে কম আলোর জন্য বন্ধ খেলা, ভারত ১৪৬/ ৩ (প্রথম ইনিংস)

19-06-2021 - 09:33:54 PM

ইউরো কাপ: ১-১ গোলে ড্র ফ্রান্স ও হাঙ্গেরি ম্যাচ

19-06-2021 - 08:30:13 PM