Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাঙালির দ্বিচারিতা
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর সবথেকে বড় শক্তি হল, যারা তাঁকে মন থেকে অপছন্দ করে কিংবা তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থানকে আদর্শগতভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করে না, তারা নিজেরা কিন্তু আন্দোলনে নেমে অজান্তে সেই গান্ধীকেই অনুসরণ করে। লক্ষ্য করে দেখা যায়, যে বামপন্থী ছাত্রনেতা একেবারেই গান্ধীপন্থী নয়, সে যখন প্রশাসন কিংবা সরকারের বিরুদ্ধে দলগতভাবে বিক্ষোভ আন্দোলনে নামে, তখন সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টির পন্থাটি হল অনশন। বাঙালির একটি বড় অংশই ঘোষণা করে যে, তারা গান্ধীজিকে পছন্দ করে না। কিন্তু শিক্ষক থেকে ডাক্তার, বামপন্থী থেকে অতি দক্ষিণপন্থী, সকলেই নিজেদের দাবি আদায়ে গান্ধীর প্রদর্শিত পথ অনশনকেই হাতিয়ার করে। ১৯১৮ সালে রাউলাট আইন চালু করেছিল ব্রিটিশ পুলিস। সেই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে চেন্নাইয়ে একটি সভা থেকে মহাত্মা গান্ধী যে আন্দোলনটির ডাক দিয়েছিলেন তা ভারতে তার আগে সেভাবে দেখা যায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকায় অবশ্য ওই আন্দোলন করে সাফল্য পেয়েছেন গান্ধী। সেই আন্দোলনের নাম সত্যাগ্রহ। এরপর ক্রমেই ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন দুটি পথে এগিয়েছিল। একটি হল চরমপন্থী আন্দোলন। আর অন্যটি গান্ধীজির অহিংসার পথ। গান্ধীজি নিজে বারংবার অনশন অস্ত্রটি প্রয়োগ করেছেন। দেখা যায় গান্ধীজির সেই অস্ত্রটি মোক্ষম ধরে নিয়ে আজকাল প্রায় প্রতিটি আন্দোলনের শেষ ও শক্তিশালী অস্ত্র ওটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ গান্ধীজিকেই কিন্তু অনুসরণ করতে হচ্ছে।
গান্ধীজিকে বাঙালির একটি বৃহৎ অংশ অপছন্দ করে কেন? আলোচনা এবং চর্চা থেকে যা বোঝা যায়, সেটি হল, গান্ধীজি সুভাষচন্দ্র বসুর তুলনায় জওহরলাল নেহরুকে বেশি প্রমোট করতেন। সুভাষচন্দ্র বসুকে গান্ধীজি নিজেই একসময় সভাপতি পদে নিয়ে এসেছিলেন। আবার সেই তিনিই দ্বিতীয়বারের জন্য সুভাষচন্দ্র বসুর সভাপতিত্ব মেনে নিতে পারেননি। সুভাষচন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে নেহরুকে বলেছিলেন। নেহরু রাজি হননি। শেষ পর্যন্ত পট্টভি সীতারামাইয়াকে প্রার্থী করেন। এবং সীতারামাইয়কে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সুভাষচন্দ্র বসু জয়ী হন। এসব তথ্য সকলের জানা। সীতারামাইয়ার পরাজয়ে গান্ধীজি এতই বিষণ্ণ হয়েছিলেন যে, ওই পরাজয়কে নিজের পরাজয় হিসাবেই বিবেচনা করেন। সুতরাং এহেন গান্ধীজিকে অপছন্দ করার কারণ বাঙালির আছে। কিন্তু সমস্যা হল ঠিক এই একই কারণ থাকলেও, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে বাঙালি অপছন্দ করে না। অথচ গান্ধীজির তুলনায় বল্লভভাই প্যটেলের সুভাষবিরোধিতা ছিল অনেক তীব্র। ১৯৩৩ সালে কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর সুভাষচন্দ্রকে ইওরোপে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি সেই সময় বিভিন্ন দেশে ঘোরার সময় ভিয়েনায় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের দাদা বিঠঠলভাই প্যাটেলের সেবা শুশ্রুষা করেন। কারণ প্রবাসে বিঠঠলভাই প্যাটেল অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। দীর্ঘ অসুস্থতার পরও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। প্রবাসেই মৃত্যু হয়। সুভাষচন্দ্রকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন তিনি। মৃত্যুর আগে তিনি উকিল ডেকে, উইল করে, নিজের সম্পত্তির বড় অংশই লিখে দিয়ে গিয়েছিলেন সুভাষচন্দ্রের নামে। বলে গিয়েছিলেন, দেশের বাইরে, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য যে ব্যয় হবে, সেটি সুভাষচন্দ্র ওই তহবিল থেকে ব্যবহার করবেন। কিন্তু দেশে থাকা বল্লভভা‌ই প্যাটেল ওই উইল বিশ্বাস করেননি। তিনি এমনকী ওই স্বাক্ষর সত্যিই দাদার কি না, সেটা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং মামলা করেন সুভাষচন্দ্রের বিরুদ্ধে। প্রায় পাঁচ বছর ধরে ওই মামলা চলেছিল। এখানেই শেষ নয়। সুভাষচন্দ্রকে কংগ্রেসের সভাপতি পদ থেকে সরানোর জন্য সবথেকে বেশি উদ্যোগী হয়েছিলেন কে? প্যাটেল। কিন্তু বাঙালি যতটা গান্ধীজিকে সুভাষচন্দ্র বিরোধী হিসাবে অপছন্দ করে, ততটা বীতরাগ প্যাটেল সম্পর্কে নেই।
বাঙালি গান্ধীজির অনুগামী হতে পারেনি এটা যেমন সত্যি, আবার সবথেকে দুর্ভাগ্যজনক হল, সুভাষচন্দ্রের অনুগামীও হতে পারেনি। গান্ধীজির অহিংসা, আলোচনা, আবেদন নিবেদন, সত্যাগ্রহ ইত্যাদি পথকে বিশ্বাস না করে সুভাষচন্দ্র বসু একক শক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন অজানা এক লড়াইয়ে। তিনি যুদ্ধ করে ব্রিটিশকে পরাজিত করার স্বপ্নে এক সেনাবাহিনী পর্যন্ত গড়ে ফেলেছিলেন। এবং সত্যিই ব্রিটিশ শাসনে আতঙ্ক তৈরি করেছিলেন। বাঙালি গান্ধীজিকে যেমন অনুসরণ করেনি, আবার সুভাষচন্দ্রকেও অনুসরণ করতে পারেনি। বাঙালি গান্ধীজি প্রদর্শিত ধৈর্য, স্থৈর্য, অহিংসার পথে নেই। আবার স্বাজাত্যবোধ কিংবা জাতিগত সম্মানরক্ষায় অথবা মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপের দাবিতে দলাদলি ভুলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার মনের জোরও আজ নেই। যা সুভাষচন্দ্রের ছিল। বড়সড় ইস্যুতে প্রতিবাদ করা ছেড়েই দিলাম, সামান্য নিত্যদিনের সমস্যা নিয়েই বাঙালির মাথাব্যথা নেই। একটি উদাহরণ, বাঙালি ৩৭০ ধারা নিয়ে অত্যন্ত ভাবিত, কিন্তু আজও গোটা দেশের সব শহরে যেখানে ঝকঝকে অত্যাধুনিক মেট্রো চলছে, সেখানে একমাত্র কলকাতায় ভাঙাচোরা, মান্ধাতা আমলের নন-এসি মেট্রো রেক কেন চালিয়ে যাওয়া হবে? এই প্রশ্ন কেউ তোলে না! এটা যে বাংলাকে তাচ্ছিল্য করা সেটা কারও মনেই হয় না। অথচ রোজ ওই মেট্রোতেই যাতায়াত করছে সকলে। জেলা, মফস্‌সলের বাঙালিকে সৌন্দর্যায়ন দেখতে কেন নিউ টাউন যেতে হবে? কেন নিজের বাস করা শহরে পাবে না, এই প্রশ্ন বাঙালি তোলে না।
সমালোচক যদি ভক্তে পর্যবসিত হয়ে যায়, তার থেকে বড় জয় আর হয় না। মহাত্মা গান্ধী ধীরে ধীরে একটির পর একটি যুদ্ধজয় আজও করে চলেছেন। এটাই তাঁর বৃহত্তম মাহাত্ম্য। ১৯৪৭ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ প্রকাশ্যেই মহাত্মা গান্ধীর অবস্থানের সমালোচনা করেছে। এমনকী ‘অর্গানাইজার’ পত্রিকায় গান্ধীজিকে কটাক্ষ করেই লেখা হয়েছিল রোম যখন পুড়ছিল নিরো তখন বেহালা বাজিয়েছিলেন। কলকাতা এবং পাঞ্জাব নিয়ে গান্ধীজির অবস্থান যে সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী ছিল, এই সমালোচনা করা হয়। স্বাধীনতা, দেশভাগ, দাঙ্গা নিয়ে গান্ধীজির মনোভাবের তীব্র বিরোধী ছিল আরএসএস। কিন্তু ৭২ বছর পর সেই মনোভাব আর নেই। পাল্টে দিয়েছেন গান্ধীজি। আজ ২০১৯ সালে মহাত্মা গান্ধীর জন্মের দেড়শ বছর পালনের দিন ২ জানুয়ারি বুধবার সেই আরএসএসেরই সরসংঘচালক মোহন ভাগবত বললেন, গান্ধীজিকে আমাদের প্রত্যেককে অনুসরণ করতে হবে। গান্ধীজি তাঁর আদর্শের মাধ্যমে সামাজিক সাম্য, শান্তির বার্তা দিয়েছেন। আমাদের সেই আদর্শকে সামনে রেখে ভারতকে বিশ্বগুরু হিসাবে পর্যবসিত করার পথে অগ্রসর হতে হবে। বস্তুত মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে ২ জানুয়ারি দেখা গিয়েছে, কংগ্রেস এবং সংঘ পরিবারের মধ্যে প্রবল টানাপোড়েন যে, কারা আসল গান্ধীপন্থী! ভারতবাসী কি আদৌ গান্ধীবাদী এখনও? যদি উত্তর না হয়, তাহলে তাবৎ রাজনৈতিক দল গান্ধীজিকে নিজেদের রোলমডেল হিসাবে প্রদর্শন করতে কেন এত আগ্রহী? নাকি সবটাই কি প্রতীকী? এই প্রশ্ন নিজেদেরই করতে হবে। বরং আরও বৃহত্তর প্রেক্ষিতে। সেটি হল ভারতের তাবৎ মনীষীদের নিয়ে মাতামাতি করার সবটাই কি নেহাত লোকদেখানো? কারণ তাঁদের অনুসরণ করা, তাঁদের বাণীকে নিজের জীবনযাপনে সম্পৃক্ত করার কোনও লক্ষণ দেখা যায় না। শুধুই চলে জয়ন্তী পালন আর উজ্জ্বল অনুষ্ঠানের পরম্পরা।
বাঙালি গান্ধীবাদী নয়, বাঙালি সুভাষচন্দ্রকে অনুসরণ করতে পারে না, শুধুই তাঁর অন্তর্ধান রহস্যে থ্রিলারের শিহরন খোঁজে। বাঙালি কি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভক্ত? সিজনাল। অর্থাৎ যদি কেউ তাঁর মুর্তি ভাঙে, তখন বাঙালি অতি বড় বিদ্যাসাগরভক্ত হয়ে যায়। কিন্তু ব্যক্তিগত কিংবা সামাজিক জীবনে বিদ্যাসাগরের সাহস, আত্মশক্তি অথবা ভিড়ের থেকে সরে গিয়ে নিজের বিশ্বাসে অটল থাকার কোনও মিশন নিয়ে লড়াই করে যাওয়া বাঙালির সাধ্য নেই। বাঙালির বর্তমান শক্তি ভিড়ের শক্তি। বাঙালি কি রবীন্দ্রনাথের ভক্ত? হ্যাঁ এবং না। তিনি বাঙালিকে সংস্কৃতিমান হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন সহজে। তাই সারা বছরই গান গেয়ে স্মরণ করা যায়। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের প্রদর্শিত পথকে অবলম্বন করা সম্ভব নয়। রবীন্দ্রনাথের ভক্ত বাঙালি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও যত্নের সঙ্গে শান্তিনিকেতনকে ধ্বংস করেছে। ১৯৪০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মহাত্মা গান্ধী শেষবার এসেছিলেন শান্তিনিকেতনে। বিদায় নেওয়ার আগে তাঁর হাতে একটি চিঠি দিয়ে রবীন্দ্রনাথ শেষ চেষ্টা করেছিলেন শান্তিনিকেতনকে বাঁচানোর। লিখেছিলেন, ‘প্রিয় মহাত্মাজি,..শান্তিনিকেতন থেকে আপনি বিদায় নেওয়ার আগে আপনার কাছে আমার ঐকান্তিক আবেদন জানাই। এই প্রতিষ্ঠানকে যদি আপনি জাতীয় সম্পত্তি বলে গণ্য করেন, তাহলে এর রক্ষার ভার গ্রহণ করে এর চিরস্থায়িত্বের আশ্বাস দিয়ে যান। বিশ্বভারতী একটি তরীর মতো আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ বহন করে চলেছে। আশা করি আমার দেশবাসীদের কাছে সে সযত্নে রক্ষার দাবি করতে পারে। প্রীতিসহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪০।’
মহাত্মা গান্ধী সেদিনই পাল্টা চিঠিতে উত্তর দিয়ে রবীন্দ্রনাথকে আশ্বস্ত করেছিলেন। এবং তাঁর নিরলস প্রয়াসের ফলেই জওহরলাল নেহরু সরকার ১৯৫১ সালে বিশ্বভারতীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করে। বিশ্বভারতী বিল নিয়ে আলোচনার সময় সব বিষয়েই চরম প্রতিপক্ষ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং জওহরলাল নেহরু একটি বিষয়ে একমত পোষণ করে সংসদে ভাষণ দিয়েছিলেন। সংসদে নেহরু বলেছিলেন, ‘আমি শ্যামাপ্রাসাদবাবুর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত যে, শান্তিনিকেতনে প্রচুর ইটের ঘরবাড়ি তৈরির জন্য আমাদের অর্থব্যয় ঠিক হবে না।’ সত্তর দশক পর্যন্ত আশ্রমের রূপ ও পরিবেশ ঠিক ছিল। কিন্তু তারপর যেদিন আশির দশকের শেষভাগ থেকে শ্রীনিকেতন শান্তিনিকেতন উন্নয়নের নামে জোরদার রিয়াল এস্টেট, হোটেল আর আমোদ প্রমোদের অবাধ বিচরণক্ষেত্র হয়ে উঠল এই ব্রহ্মচর্যাশ্রম। তার পর থেকে আর রবীন্দ্র আদর্শ অনুসরণ নয়, বোলপুর শান্তিনিকেতন হয়ে উঠেছে তারাপীঠ-বক্রেশ্বর-শান্তিনিকেতন প্যাকেজ ট্যুরের একটি স্পট। এই উদ্যোগ তো আমাদের চোখের সামনে হয়েছে। কখনও কি দেখা গিয়েছে দলগত বিভেদ ভুলে বাঙালি রাস্তায় নেমেছে এ সবের বিরুদ্ধে? ভাষা নিয়ে, সংস্কৃতি নিয়ে, ধর্মপালন নিয়ে বিভেদ সৃষ্টির বিরুদ্ধে শেষ কবে বাঙালি গণআন্দোলনে নেমেছে? নামে নি। কেন নামেনি? কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ, মহাত্মা গান্ধী, সুভাষচন্দ্র বসু, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.. যাঁদেরই অনুগামী হিসাবে নিজেদের বাঙালি দাবি করে, তাঁদের একক মনের জোর আর উচ্চ আদর্শ ছিল। বাঙালির কোনওটাই অবশিষ্ট নেই। শুধুই ওই মনীষীদের প্রতি মিথ্যা ভক্তির আতিশয্য আছে। আর আছে ফেসবুক-বিপ্লব ও রাজনীতি।  
04th  October, 2019
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে।
বিশদ

15th  May, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: লকডাউনেও আলিপুরদুয়ার জেলায় প্রাত্যহিক চাহিদা অনুসারে মাছের জোগান স্বাভাবিক রাখতে এবার জেলার প্রান্তিক মৎস্য চাষিরা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণের সুবিধা পেতে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড পাবেন। জেলায় মাছ চাষে কিষাণ ক্রেডিট কার্ডে ঋণ দেওয়ার সুবিধা এ বছরই প্রথম। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সানরাইজ ফুডস প্রাইভেট লিমিটেডের ১০০ শতাংশ ইক্যুইটি শেয়ার কিনে নেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হল আইটিসি লিমিটেড। গত ৭০ বছর ধরে ব্যবসা করে আসছে সানরাইজ, যা গুঁড়ো মশলার বাজারে পূর্ব ভারতের অন্যতম সেরা ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি পেয়ে এসেছে।   ...

সংবাদদাতা, কান্দি: সোমবার সকালে খড়গ্রাম থানার পুড্ডা গ্রামের মাঠে ধান কাটতে যাওয়ার সময় বাইকের ধাক্কায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক চাষি। দুর্ঘটনার পর বছর ৪০-এর জখম চাষি গোপাল মণ্ডলকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ।  ...

নয়াদিল্লি, ২৫ মে: সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। তার মধ্যেও চলছে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার প্রস্তুতি। তার অংশ হিসেবে করোনা মহামারী মোকাবিলায় সারা দেশের সামনে চারটি শহরকে সম্ভাব্য রোল মডেল হিসেবে তুলে ধরল কেন্দ্রীয় সরকার।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর নিয়ে চিন্তায় থাকতে হবে। মাথা ও কোমরে সমস্যা হতে পারে। উপার্জন ভাগ্য শুভ নয়। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১২৯৩: জাপানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় ৩০ হাজার মানুষের
১৮৯৭: ব্রাম স্টোকারের উপন্যাস ড্রাকুলা প্রকাশিত হয়
১৯৪৫: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখের জন্ম
১৯৪৯: মার্কিন কম্পিউটার প্রোগামিং বিশেষজ্ঞ ওয়ার্ড কানিংহামের জন্ম। তিনিই উইকিপিডিয়ার প্রথম সংস্করণ বের করেছিলেন
১৯৭৭: ইতালির ফুটবলার লুকা তোনির জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া ৫০/৫৪ রাত্রি ১/১৯। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/২ প্রাতঃ ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩২ মধ্যে । কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।  
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১২/০। মৃগশিরানক্ষত্র প্রাতঃ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।  
১ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কাস্টমার সার্ভিসে আমাদের সুনাম রয়েছে: সিইএসসি 

04:46:27 PM

যে কোনও দুর্যোগেই সমন্বয় রেখে কাজ করতে হয়: সিইএসসি 

04:44:16 PM

আজ মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমে বৃষ্টির সম্ভাবনা 

04:44:00 PM

পুরসভার সঙ্গে সমন্বয়ের সমস্যা নেই: সিইএসসি 

04:43:40 PM

প্রায় ১৫০টি টিম কাজ করছে: সিইএসসি 

04:41:27 PM

বেহালা, সার্ভে পার্কে কাজ চলছে: সিইএসসি 

04:38:08 PM