Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাঙালির দ্বিচারিতা
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর সবথেকে বড় শক্তি হল, যারা তাঁকে মন থেকে অপছন্দ করে কিংবা তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থানকে আদর্শগতভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করে না, তারা নিজেরা কিন্তু আন্দোলনে নেমে অজান্তে সেই গান্ধীকেই অনুসরণ করে। লক্ষ্য করে দেখা যায়, যে বামপন্থী ছাত্রনেতা একেবারেই গান্ধীপন্থী নয়, সে যখন প্রশাসন কিংবা সরকারের বিরুদ্ধে দলগতভাবে বিক্ষোভ আন্দোলনে নামে, তখন সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টির পন্থাটি হল অনশন। বাঙালির একটি বড় অংশই ঘোষণা করে যে, তারা গান্ধীজিকে পছন্দ করে না। কিন্তু শিক্ষক থেকে ডাক্তার, বামপন্থী থেকে অতি দক্ষিণপন্থী, সকলেই নিজেদের দাবি আদায়ে গান্ধীর প্রদর্শিত পথ অনশনকেই হাতিয়ার করে। ১৯১৮ সালে রাউলাট আইন চালু করেছিল ব্রিটিশ পুলিস। সেই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে চেন্নাইয়ে একটি সভা থেকে মহাত্মা গান্ধী যে আন্দোলনটির ডাক দিয়েছিলেন তা ভারতে তার আগে সেভাবে দেখা যায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকায় অবশ্য ওই আন্দোলন করে সাফল্য পেয়েছেন গান্ধী। সেই আন্দোলনের নাম সত্যাগ্রহ। এরপর ক্রমেই ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন দুটি পথে এগিয়েছিল। একটি হল চরমপন্থী আন্দোলন। আর অন্যটি গান্ধীজির অহিংসার পথ। গান্ধীজি নিজে বারংবার অনশন অস্ত্রটি প্রয়োগ করেছেন। দেখা যায় গান্ধীজির সেই অস্ত্রটি মোক্ষম ধরে নিয়ে আজকাল প্রায় প্রতিটি আন্দোলনের শেষ ও শক্তিশালী অস্ত্র ওটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ গান্ধীজিকেই কিন্তু অনুসরণ করতে হচ্ছে।
গান্ধীজিকে বাঙালির একটি বৃহৎ অংশ অপছন্দ করে কেন? আলোচনা এবং চর্চা থেকে যা বোঝা যায়, সেটি হল, গান্ধীজি সুভাষচন্দ্র বসুর তুলনায় জওহরলাল নেহরুকে বেশি প্রমোট করতেন। সুভাষচন্দ্র বসুকে গান্ধীজি নিজেই একসময় সভাপতি পদে নিয়ে এসেছিলেন। আবার সেই তিনিই দ্বিতীয়বারের জন্য সুভাষচন্দ্র বসুর সভাপতিত্ব মেনে নিতে পারেননি। সুভাষচন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে নেহরুকে বলেছিলেন। নেহরু রাজি হননি। শেষ পর্যন্ত পট্টভি সীতারামাইয়াকে প্রার্থী করেন। এবং সীতারামাইয়কে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সুভাষচন্দ্র বসু জয়ী হন। এসব তথ্য সকলের জানা। সীতারামাইয়ার পরাজয়ে গান্ধীজি এতই বিষণ্ণ হয়েছিলেন যে, ওই পরাজয়কে নিজের পরাজয় হিসাবেই বিবেচনা করেন। সুতরাং এহেন গান্ধীজিকে অপছন্দ করার কারণ বাঙালির আছে। কিন্তু সমস্যা হল ঠিক এই একই কারণ থাকলেও, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে বাঙালি অপছন্দ করে না। অথচ গান্ধীজির তুলনায় বল্লভভাই প্যটেলের সুভাষবিরোধিতা ছিল অনেক তীব্র। ১৯৩৩ সালে কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর সুভাষচন্দ্রকে ইওরোপে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি সেই সময় বিভিন্ন দেশে ঘোরার সময় ভিয়েনায় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের দাদা বিঠঠলভাই প্যাটেলের সেবা শুশ্রুষা করেন। কারণ প্রবাসে বিঠঠলভাই প্যাটেল অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। দীর্ঘ অসুস্থতার পরও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। প্রবাসেই মৃত্যু হয়। সুভাষচন্দ্রকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন তিনি। মৃত্যুর আগে তিনি উকিল ডেকে, উইল করে, নিজের সম্পত্তির বড় অংশই লিখে দিয়ে গিয়েছিলেন সুভাষচন্দ্রের নামে। বলে গিয়েছিলেন, দেশের বাইরে, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য যে ব্যয় হবে, সেটি সুভাষচন্দ্র ওই তহবিল থেকে ব্যবহার করবেন। কিন্তু দেশে থাকা বল্লভভা‌ই প্যাটেল ওই উইল বিশ্বাস করেননি। তিনি এমনকী ওই স্বাক্ষর সত্যিই দাদার কি না, সেটা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং মামলা করেন সুভাষচন্দ্রের বিরুদ্ধে। প্রায় পাঁচ বছর ধরে ওই মামলা চলেছিল। এখানেই শেষ নয়। সুভাষচন্দ্রকে কংগ্রেসের সভাপতি পদ থেকে সরানোর জন্য সবথেকে বেশি উদ্যোগী হয়েছিলেন কে? প্যাটেল। কিন্তু বাঙালি যতটা গান্ধীজিকে সুভাষচন্দ্র বিরোধী হিসাবে অপছন্দ করে, ততটা বীতরাগ প্যাটেল সম্পর্কে নেই।
বাঙালি গান্ধীজির অনুগামী হতে পারেনি এটা যেমন সত্যি, আবার সবথেকে দুর্ভাগ্যজনক হল, সুভাষচন্দ্রের অনুগামীও হতে পারেনি। গান্ধীজির অহিংসা, আলোচনা, আবেদন নিবেদন, সত্যাগ্রহ ইত্যাদি পথকে বিশ্বাস না করে সুভাষচন্দ্র বসু একক শক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন অজানা এক লড়াইয়ে। তিনি যুদ্ধ করে ব্রিটিশকে পরাজিত করার স্বপ্নে এক সেনাবাহিনী পর্যন্ত গড়ে ফেলেছিলেন। এবং সত্যিই ব্রিটিশ শাসনে আতঙ্ক তৈরি করেছিলেন। বাঙালি গান্ধীজিকে যেমন অনুসরণ করেনি, আবার সুভাষচন্দ্রকেও অনুসরণ করতে পারেনি। বাঙালি গান্ধীজি প্রদর্শিত ধৈর্য, স্থৈর্য, অহিংসার পথে নেই। আবার স্বাজাত্যবোধ কিংবা জাতিগত সম্মানরক্ষায় অথবা মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপের দাবিতে দলাদলি ভুলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার মনের জোরও আজ নেই। যা সুভাষচন্দ্রের ছিল। বড়সড় ইস্যুতে প্রতিবাদ করা ছেড়েই দিলাম, সামান্য নিত্যদিনের সমস্যা নিয়েই বাঙালির মাথাব্যথা নেই। একটি উদাহরণ, বাঙালি ৩৭০ ধারা নিয়ে অত্যন্ত ভাবিত, কিন্তু আজও গোটা দেশের সব শহরে যেখানে ঝকঝকে অত্যাধুনিক মেট্রো চলছে, সেখানে একমাত্র কলকাতায় ভাঙাচোরা, মান্ধাতা আমলের নন-এসি মেট্রো রেক কেন চালিয়ে যাওয়া হবে? এই প্রশ্ন কেউ তোলে না! এটা যে বাংলাকে তাচ্ছিল্য করা সেটা কারও মনেই হয় না। অথচ রোজ ওই মেট্রোতেই যাতায়াত করছে সকলে। জেলা, মফস্‌সলের বাঙালিকে সৌন্দর্যায়ন দেখতে কেন নিউ টাউন যেতে হবে? কেন নিজের বাস করা শহরে পাবে না, এই প্রশ্ন বাঙালি তোলে না।
সমালোচক যদি ভক্তে পর্যবসিত হয়ে যায়, তার থেকে বড় জয় আর হয় না। মহাত্মা গান্ধী ধীরে ধীরে একটির পর একটি যুদ্ধজয় আজও করে চলেছেন। এটাই তাঁর বৃহত্তম মাহাত্ম্য। ১৯৪৭ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ প্রকাশ্যেই মহাত্মা গান্ধীর অবস্থানের সমালোচনা করেছে। এমনকী ‘অর্গানাইজার’ পত্রিকায় গান্ধীজিকে কটাক্ষ করেই লেখা হয়েছিল রোম যখন পুড়ছিল নিরো তখন বেহালা বাজিয়েছিলেন। কলকাতা এবং পাঞ্জাব নিয়ে গান্ধীজির অবস্থান যে সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী ছিল, এই সমালোচনা করা হয়। স্বাধীনতা, দেশভাগ, দাঙ্গা নিয়ে গান্ধীজির মনোভাবের তীব্র বিরোধী ছিল আরএসএস। কিন্তু ৭২ বছর পর সেই মনোভাব আর নেই। পাল্টে দিয়েছেন গান্ধীজি। আজ ২০১৯ সালে মহাত্মা গান্ধীর জন্মের দেড়শ বছর পালনের দিন ২ জানুয়ারি বুধবার সেই আরএসএসেরই সরসংঘচালক মোহন ভাগবত বললেন, গান্ধীজিকে আমাদের প্রত্যেককে অনুসরণ করতে হবে। গান্ধীজি তাঁর আদর্শের মাধ্যমে সামাজিক সাম্য, শান্তির বার্তা দিয়েছেন। আমাদের সেই আদর্শকে সামনে রেখে ভারতকে বিশ্বগুরু হিসাবে পর্যবসিত করার পথে অগ্রসর হতে হবে। বস্তুত মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে ২ জানুয়ারি দেখা গিয়েছে, কংগ্রেস এবং সংঘ পরিবারের মধ্যে প্রবল টানাপোড়েন যে, কারা আসল গান্ধীপন্থী! ভারতবাসী কি আদৌ গান্ধীবাদী এখনও? যদি উত্তর না হয়, তাহলে তাবৎ রাজনৈতিক দল গান্ধীজিকে নিজেদের রোলমডেল হিসাবে প্রদর্শন করতে কেন এত আগ্রহী? নাকি সবটাই কি প্রতীকী? এই প্রশ্ন নিজেদেরই করতে হবে। বরং আরও বৃহত্তর প্রেক্ষিতে। সেটি হল ভারতের তাবৎ মনীষীদের নিয়ে মাতামাতি করার সবটাই কি নেহাত লোকদেখানো? কারণ তাঁদের অনুসরণ করা, তাঁদের বাণীকে নিজের জীবনযাপনে সম্পৃক্ত করার কোনও লক্ষণ দেখা যায় না। শুধুই চলে জয়ন্তী পালন আর উজ্জ্বল অনুষ্ঠানের পরম্পরা।
বাঙালি গান্ধীবাদী নয়, বাঙালি সুভাষচন্দ্রকে অনুসরণ করতে পারে না, শুধুই তাঁর অন্তর্ধান রহস্যে থ্রিলারের শিহরন খোঁজে। বাঙালি কি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভক্ত? সিজনাল। অর্থাৎ যদি কেউ তাঁর মুর্তি ভাঙে, তখন বাঙালি অতি বড় বিদ্যাসাগরভক্ত হয়ে যায়। কিন্তু ব্যক্তিগত কিংবা সামাজিক জীবনে বিদ্যাসাগরের সাহস, আত্মশক্তি অথবা ভিড়ের থেকে সরে গিয়ে নিজের বিশ্বাসে অটল থাকার কোনও মিশন নিয়ে লড়াই করে যাওয়া বাঙালির সাধ্য নেই। বাঙালির বর্তমান শক্তি ভিড়ের শক্তি। বাঙালি কি রবীন্দ্রনাথের ভক্ত? হ্যাঁ এবং না। তিনি বাঙালিকে সংস্কৃতিমান হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন সহজে। তাই সারা বছরই গান গেয়ে স্মরণ করা যায়। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের প্রদর্শিত পথকে অবলম্বন করা সম্ভব নয়। রবীন্দ্রনাথের ভক্ত বাঙালি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও যত্নের সঙ্গে শান্তিনিকেতনকে ধ্বংস করেছে। ১৯৪০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মহাত্মা গান্ধী শেষবার এসেছিলেন শান্তিনিকেতনে। বিদায় নেওয়ার আগে তাঁর হাতে একটি চিঠি দিয়ে রবীন্দ্রনাথ শেষ চেষ্টা করেছিলেন শান্তিনিকেতনকে বাঁচানোর। লিখেছিলেন, ‘প্রিয় মহাত্মাজি,..শান্তিনিকেতন থেকে আপনি বিদায় নেওয়ার আগে আপনার কাছে আমার ঐকান্তিক আবেদন জানাই। এই প্রতিষ্ঠানকে যদি আপনি জাতীয় সম্পত্তি বলে গণ্য করেন, তাহলে এর রক্ষার ভার গ্রহণ করে এর চিরস্থায়িত্বের আশ্বাস দিয়ে যান। বিশ্বভারতী একটি তরীর মতো আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ বহন করে চলেছে। আশা করি আমার দেশবাসীদের কাছে সে সযত্নে রক্ষার দাবি করতে পারে। প্রীতিসহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪০।’
মহাত্মা গান্ধী সেদিনই পাল্টা চিঠিতে উত্তর দিয়ে রবীন্দ্রনাথকে আশ্বস্ত করেছিলেন। এবং তাঁর নিরলস প্রয়াসের ফলেই জওহরলাল নেহরু সরকার ১৯৫১ সালে বিশ্বভারতীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করে। বিশ্বভারতী বিল নিয়ে আলোচনার সময় সব বিষয়েই চরম প্রতিপক্ষ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং জওহরলাল নেহরু একটি বিষয়ে একমত পোষণ করে সংসদে ভাষণ দিয়েছিলেন। সংসদে নেহরু বলেছিলেন, ‘আমি শ্যামাপ্রাসাদবাবুর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত যে, শান্তিনিকেতনে প্রচুর ইটের ঘরবাড়ি তৈরির জন্য আমাদের অর্থব্যয় ঠিক হবে না।’ সত্তর দশক পর্যন্ত আশ্রমের রূপ ও পরিবেশ ঠিক ছিল। কিন্তু তারপর যেদিন আশির দশকের শেষভাগ থেকে শ্রীনিকেতন শান্তিনিকেতন উন্নয়নের নামে জোরদার রিয়াল এস্টেট, হোটেল আর আমোদ প্রমোদের অবাধ বিচরণক্ষেত্র হয়ে উঠল এই ব্রহ্মচর্যাশ্রম। তার পর থেকে আর রবীন্দ্র আদর্শ অনুসরণ নয়, বোলপুর শান্তিনিকেতন হয়ে উঠেছে তারাপীঠ-বক্রেশ্বর-শান্তিনিকেতন প্যাকেজ ট্যুরের একটি স্পট। এই উদ্যোগ তো আমাদের চোখের সামনে হয়েছে। কখনও কি দেখা গিয়েছে দলগত বিভেদ ভুলে বাঙালি রাস্তায় নেমেছে এ সবের বিরুদ্ধে? ভাষা নিয়ে, সংস্কৃতি নিয়ে, ধর্মপালন নিয়ে বিভেদ সৃষ্টির বিরুদ্ধে শেষ কবে বাঙালি গণআন্দোলনে নেমেছে? নামে নি। কেন নামেনি? কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ, মহাত্মা গান্ধী, সুভাষচন্দ্র বসু, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.. যাঁদেরই অনুগামী হিসাবে নিজেদের বাঙালি দাবি করে, তাঁদের একক মনের জোর আর উচ্চ আদর্শ ছিল। বাঙালির কোনওটাই অবশিষ্ট নেই। শুধুই ওই মনীষীদের প্রতি মিথ্যা ভক্তির আতিশয্য আছে। আর আছে ফেসবুক-বিপ্লব ও রাজনীতি।  
04th  October, 2019
রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে পুরভোট কার্যত সেমিফাইনাল
হিমাংশু সিংহ

মাত্র এক বছর পরেই বিধানসভার ভোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে পরপর তিনবার বাংলায় ক্ষমতা দখলের সুবর্ণ সুযোগ। এই অবস্থায় শাসক তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের উচিত সংযত থাকা। সেইসঙ্গে গণ্ডগোল, রক্তপাত এড়ানোর সবরকম চেষ্টা করা। তাহলেই এরাজ্যের মানুষ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দ্বিধায় আরও একবার দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।
বিশদ

প্রার্থী নির্বাচনে সাহসী হলে পুরভোটে লাভ পাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন মানেই পরীক্ষা। রাজনৈতিক দলের পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা পুরসভা বা পঞ্চায়েতের হলে বিষয়বস্তু হয় উন্নয়ন, পরিষেবা ও সমস্যা। কিন্তু, এই ধরনের পরীক্ষায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মুখ। আর এবার পুরভোটে তৃণমূলের কাছে প্রার্থী নির্বাচনই অগ্নিপরীক্ষা। তার জন্য তৃণমূল সহ রাজ্যবাসী তাকিয়ে আছে টিম পিকের দিকে।  
বিশদ

22nd  February, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
একনজরে
 অভিমন্যু মাহাত, বারাকপুর, বিএনএ: ‘আমি অনুতপ্ত। ওভারটেক করতে গিয়েই দুর্ঘটনা। আমি এই দুর্ঘটনা ভুলে যেতে চাই। আচ্ছা, ঋষভ এখন কেমন আছে?’ কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ...

 ওয়াশিংটন, ২২ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): নিজের ভূখণ্ডে থাকা জঙ্গি ও চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামলেই একমাত্র ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারবে পাকিস্তান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের আগে সন্ত্রাস ইস্যুতে এভাবেই ইসলামাবাদের উপর চাপ বাড়াল আমেরিকা। ...

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: শনিবার নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে বসে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিল নবদ্বীপ এপিসি ব্লাইন্ড স্কুলের ছাত্রী স্মৃতি নন্দী। ব্লাইন্ড স্কুলের হোস্টেল সুপার সুরেন্দ্রকুমার চক্রবর্তী বলেন, বুধবার রাতে স্মৃতি অসুস্থ হয়ে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (জিপিএফ)-এর টাকা নিয়ে অনিয়ম আটকাতে পুরো ব্যবস্থাটিকে অনলাইনে এইচআরএমএস পোর্টালে নিয়ে আসা হচ্ছে। অতীতে জিপিএফ নিয়ে সরকারি অফিসে একাধিক অনিয়মের ঘটনা ধরা পড়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের মানসিক স্থিরতা রাখা দরকার। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। তবে নতুন বন্ধু লাভ হবে। সাবধানে পদক্ষেপ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু

১৭৩২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের জন্ম
১৯০৬: অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের জন্ম
১৯৪৪: মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীর মৃত্যু
১৯৫৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু
২০১৫: বাংলাদেশে নৌকাডুবি, মৃত ৭০

21st  February, 2020




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, রবিবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) অমাবস্যা ৩৭/১৭ রাত্রি ৯/২। ধনিষ্ঠা ১৮/৫৮ দিবা ১/৪৩। সূ উ ৬/৭/২৩, অ ৫/৩৩/৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ গতে ৯/৫৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ২/৫৮ মধ্যে। 
১০ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, রবিবার, অমাবস্যা ৩৪/৪২/৪০ রাত্রি ৮/৩/৩৭। ধনিষ্ঠা ১৭/৩৭/৪৩ দিবা ১/১৩/৩৮। সূ উ ৬/১০/৩৩, অ ৫/৩১/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪০ গতে ৯/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ১১/৫১/১৬ গতে ১/১৬/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৬/৫ গতে ৩/০/৫৪ মধ্যে। 
২৮ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ময়নাগুড়ির বালাসন এলাকায় চিতা বাঘের আতঙ্ক, ঘটনাস্থলে বনদপ্তরের কর্মীরা 

22-02-2020 - 02:10:59 PM

কোচবিহারে পথ দুর্ঘটনায় জখম ১০ 
কোচবিহারের বানেশ্বর শিব মন্দিরে শিবের মাথায় জল ঢেলে বাড়ি ফেরার ...বিশদ

22-02-2020 - 01:48:00 PM

জয়নগরে স্কুলের গেটে ট্রাকের ধাক্কায় জখম প্রহরী 

22-02-2020 - 01:02:00 PM

বারুইপুরে আত্মঘাতী কিশোরী 
বারুইপুরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী কিশোরী। গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

22-02-2020 - 01:01:00 PM

কৃষ্ণা বসুর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

22-02-2020 - 12:57:00 PM

উলুবেড়িয়ায় ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে উল্টাল গ্যাস ট্যাঙ্কার, ব্যাহত যান চলাচল 

22-02-2020 - 12:39:00 PM