Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন। কিন্তু, পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন: একটি অত্যন্ত অপ্রিয় জোট সরকারের বিরুদ্ধে সাহসী সংগ্রামের মূল্য অর্জন করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী, কারাবাসসহ নানাবিধ হয়রানি সহ্য করেছিলেন তিনি, বস্তুত একা লড়ে সেইসব মানুষের সমর্থন ফিরিয়ে এনে জয়ী হয়েছিলেন তিনি, যারা তাঁর দলকে এবং তাঁকেও (রায়বেরিলিতে) হারিয়েছিল। আর রাজীব গান্ধীর বিপুল জয়ের নেপথ্যে ছিল প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার কারণে সহানুভূতির ঢেউ।
বিপুল জনসমর্থন
বিজেপির জয়টা শুধু বিপুলসংখ্যক আসনেই (৩০৩) নয়, দলটি যেভাবে সুইপ করেছে তার ব্যাপ্তিটা অবাক-করা। বিজেপি তিনটিমাত্র রাজ্যে দাঁত ফোটাতে পারেনি—কেরল, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ। জয়ের ব্যবধানটাও অবিশ্বাস্য রকমের বড়, দু’টি দলের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে সাধারণত যা হয়ে থাকে তার তুলনায় খুব বড়। এই প্রসঙ্গে যে রাজ্যগুলির নাম করতে হয় সেগুলি হল—গুজরাত, রাজস্থান, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ও অসম।
প্রামাণ্য সংখ্যা কিছু নেই ঠিকই, কিন্তু নির্বাচন এবং সমীক্ষাগুলি নিশ্চিত করেছে যে, প্রত্যাশা মতোই হিন্দিভাষী এবং হিন্দি-জানা রাজ্যগুলির উচ্চবর্ণের মানুষজন বিজেপিকে ঢেলে ভোট দিয়েছে। একই কাণ্ড করেছে অন্যান্য অগ্রসর শ্রেণীও (ওবিসি)। বিস্মকরভাবে এও লক্ষ করা যাচ্ছে যে, দলিত, মুসলিম এবং খ্রিস্টানদেরও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিজেপির পক্ষে ভোট দিয়েছে। তাদের ‘মোটিভেশন’
আলাদা হতে পারে, কিন্তু বাস্তবটা হল তারা ভোটটা দিয়েছে বিজেপিকে।
ভোট পেয়েছে, আস্থা নয়
আমি মনে করি, মোদিজি সুখী কিন্তু তৃপ্ত নন। একটি জিনিস মোদিজি উপলব্ধি করেছেন, যেটা সম্ভবত, তাঁর দলের অন্যরা বুঝতে
পারেননি: দলিত, মুসিলম, খ্রিস্টান এবং
হতদরিদ্রদের ভোট পাওয়াটাই যথেষ্ট নয়, জরুরি
হল তাদের আস্থা অর্জন করা। প্রথম দফার
শেষে তিনি জানতেন যে ওইসব শ্রেণীর আস্থা উপভোগ করেননি, তাই তাঁর গোড়ার দিকের স্লোগান ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর
সঙ্গে পরে যোগ করেছিলেন ‘সবকা বিশ্বাস’।
এটি একটি স্মার্ট পদক্ষেপ ছিল ঠিকই কিন্তু এর ঝঞ্ঝাটও অনেক। নিশ্চিত প্রতিবন্ধকতা ছিল কয়েকটি নাম—গিরিরাজ সিং, সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি এবং সঞ্জীব বাল্যন। অন্য কয়েকজন, নির্বাচিত কিন্তু পরিত্যক্ত অথবা নির্বাচিত এবং প্রতীক্ষিত—মহেশ শর্মা, অনন্তকুমার হেগড়ে, সাক্ষী মহারাজ, সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর এবং অন্যরা অজ্ঞাত।
গিরিরাজ সিং, একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী, তিনি ইতিমধ্যেই জোটসঙ্গী দু’টি দলের নেতাদের সম্পর্কে অন্যায় মন্তব্য করে বসেছেন, একটি ইফতারে যোগ দেওয়ার কারণে। এজন্য বিজেপি সভাপতির ভর্ৎসনার পরেও তিনি কিন্তু দুঃখ প্রকাশ করেননি। ভোটের পর সাক্ষী মহারাজ একজন কয়েদির (২০১৭ সালে দেশ তোলপাড় হয়ে-যাওয়া উন্নাও ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্ত এক বিধায়ক) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ধন্যবাদ জানিয়ে আসেন, তাঁর জয়ের কারণে। তারপর কিন্তু তাঁকে আর ভর্ৎসনা করা হল না।
শৈশবে বা অল্প বয়সে যেসব কুসংস্কার মজ্জাগত হয়ে গিয়েছে সেসব থেকে মুক্তিলাভ সহজ ব্যাপার নয়। যদি আরএসএস এবং বিজেপির প্রবীণ নেতাদের কথায় সময়ে সময়ে এই সমস্ত কুসংস্কারে প্রকট হয় তবে কোনও লাভ নেই (‘ঈদের জন্য বিদ্যুৎ, দেওয়ালিতে বিদ্যুৎ নয়’, ‘এমন নির্বাচন ক্ষেত্র যেখানে সংখ্যালঘুরাই সংখ্যাগুরু)। কোনও লাভ নেই যদি না দলিত এবং মুসলিমদের পিটিয়ে হত্যার ঘটনা বন্ধ করা হয় এবং প্রতি সপ্তাহে এই ধরনের অন্তত একটি অভিযোগ নথিবদ্ধ করা হয়। উপলব্ধি বদলে সাহায্য করবে না, যদি বিজেপির নির্বাচিত ৩০৩ জন এমপির ভিতরে মুসলিম সমাজ থেকে একজনমাত্র থাকেন।
ভীতি, কল্যাণ
আর একটি ভয়ংকর সমস্যা আছে। দু’টিমাত্র শর্ত পূরণ করতে পারলেই বিজেপি এই শ্রেণীগুলির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হবে। প্রথম শর্ত হল—কারও ভয়-ভীতির মধ্যে বসবাস করা উচিত নয়। দ্বিতীয় শর্তটি হল—তাদের আর্থিক সংগতির ধারাবাহিক শ্রীবৃদ্ধি। আজ এই দু’টি শর্তের কোনোটিই পূরণ হয়নি; এই দু’টি শর্ত পূরণে সরকার কী পদক্ষেপ করবে, কীভাবে এগবে সেটা দেখার জন্য আমাদের আগ্রহ থাকবে।
নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণীর মানুষের মন থেকে ভীতি দূর করতে কঠোর পদক্ষেপ জরুরি। প্রত্যেক সময়ে রেহাই দেওয়ার ব্যাপার রয়েছে, এই ধরনের কুকর্ম এবং সেটা যারা ঘটাচ্ছে দু’টিকেই শাস্তির আওতায় আনা আবশ্যক। সমস্তরকম শাস্তি এড়িয়ে যারা এসব করে যাচ্ছে এবং ভীতির পরিবেশ কায়েম করছে, বিজেপি নেতৃত্ব কি তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করবে? এটি একটি বড় জিজ্ঞাসা যে, হালফিল পরিস্থিতি দেখে এসব হবে বলে ভরসা হয় না, কিন্তু আমার আশা, যারা দণ্ডনীয় আচরণকে প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বের ক্ষমতা এবার তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হবে।
দ্বিতীয় শর্তের পুরোটা, বস্তুত, সরকারের একার হাতে নেই। অসন্তুষ্ট শ্রেণীগুলির আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে যদি কেবলমাত্র তাদেরকে দেওয়া যায় বেশি চাকরি; চাকরির বেশি বেশি নিরাপত্তা; উচ্চ আয়; এবং সরকারি পণ্য ও পরিষেবাতে তাদের অধিকার। উচ্চ এবং ন্যায্য অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সুযোগ এনে দেয় চাকরি এবং আয়। সেখানে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষ যে ভয়াবহ বার্তা রেখে গেল তাতে করে উচ্চ এবং ন্যায্য বৃদ্ধির আশা নেই।
দলিত, মুসলিম, খ্রিস্টান এবং দারিদ্রসীমার নীচের শ্রেণীগুলি, আমার সন্দেহ হয়, বিজেপি প্রার্থীদের ভোট দিয়েছিল এই ভেবে যে অন্য কোনও প্রার্থীই এই লড়াইতে জেতার ক্ষমতা রাখেন না এবং ‘উইনিং’ সাইডে নিশ্চিত করেই আর কোনও প্রার্থীর দেখা মিলবে না। এটা ছিল বিচক্ষণতার ভোট; এ কোনও আস্থার ভোট ছিল না। তাদের আস্থা অর্জনে বিজেপিকে আরও অনেকটা করতে হবে।
এটি একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। বিজেপি এই সরকার গড়েছে তাদের আবেগবিহ্বল বা প্যাশনেট সাপোর্টারদের (যাদের দৃষ্টিতে মোদিজি কোনও ভুলই করতে পারেন না) এবং অসন্তুষ্ট শ্রেণীগুলির (যাদের দৃষ্টিতে মোদিজি, যতদূর সম্ভব, কোনও ঠিক কাজ করেননি) ভোট নিয়ে। করিৎকর্মা মোদিজি এই অজানা সাগর কীভাবে পাড়ি দেন সেটা দেখার জন্যই আমরা অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করব।
10th  June, 2019
রাজনৈতিক স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গে
আগুন নিয়ে খেলা বন্ধ হোক
হিমাংশু সিংহ

 শনিবার যখন এই লেখা লিখছি তখনও চারদিক থেকে গণ্ডগোল, অবরোধ, আগুন লাগানোর খবর আসছে। নাগরিক বিল নিয়ে এককথায় রাজ্য উত্তাল। কিন্তু এই অশান্তি কোনওমতেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে তাই মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন মেনে হাঙ্গামায় প্ররোচনা দেওয়া বন্ধ হোক।
বিশদ

এনআরসি দেশ গড়ার পথ, নাকি ক্ষমতায় পৌঁছনোর ইস্যু
তন্ময় মল্লিক

পরিবর্তনই জীবনের বৈশিষ্ট্য। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় সবকিছুই। কিন্তু পরিবর্তনের এই ধারায় সমস্ত কিছুকে ছাপিয়ে যাচ্ছে রাজনীতির অভিমুখ ও উপাদান। একটা সময় রাজনীতিতে সাফল্য লাভের প্রধান উপাদান ছিল উন্নয়ন। এখন রাজনীতিতে সাফল্য লাভের উপাদান জবরদস্ত ইস্যু। ইস্যু তৈরি করতে পারলেই কেল্লা ফতে। 
বিশদ

14th  December, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

13th  December, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: আগামী ২৭-২৯ ডিসেম্বর তুফানগঞ্জ-১ ব্লক কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে এবং ব্লক প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি কৃষি মেলা আয়োজিত হবে। তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের চিলাখানা ফুটবল মাঠে এই মেলা হবে।   ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে কেন্দ্র করে শনিবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কোনা এক্সপ্রেসওয়ে। গড়ফার কাছে সকাল থেকে অবরোধের পর আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হল অন্তত ...

 কল্যাণী থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি: ট্রাউকে হারিয়ে ২২ ডিসেম্বর ডার্বি নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করে দিলেন ইস্ট বেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রো। শনিবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে ম্যাচের পর স্প্যানিশ কোচ বলেন, ‘এরপর আমরা সল্টলেক স্টেডিয়ামে খেলব। এই মাঠ আমার খুবই পছন্দের। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নোটবন্দির ফাঁদে রাজ্যের বহু আদালত। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আদালতে জমা থাকা পুরনো ৫০০ বা ১০০০ টাকার নোট ব্যাঙ্কে জমা না করায় এমনই জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই সমস্যার সমাধানে কলকাতা হাইকোর্ট প্রশাসন এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

পিতার স্বাস্থ্যহানী হতে পারে। আর্থিক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব হবে না। পঠন-পাঠনে পরিশ্রমী হলে সফলতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক চা দিবস
১৮৭৭- টমাস এডিসন ফোনোগ্রাফের পেটেন্ট নিলেন,
১৯০৮- রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী রঙ্গনাথানন্দের জন্ম,
১৯৫০- সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মৃত্যু,
১৯৭৬- ফুটবলার বাইচুং ভুটিয়ার জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪৩ টাকা ৯৬.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪৪ টাকা ৮০.৪৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৪৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭, ০৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪, ০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪, ১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার, তৃতীয়া ২/৪৫ দিবা ৭/১৮ পরে চতুর্থী ৫৮/২৫ শেষরাত্রি ৫/৩৫। পুষ্যা ৫৪/৩০ রাত্রি ৪/১। সূ উ ৬/১২/৩৫, অ ৪/৫০/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ১/৪৪ মধ্যে পুনঃ ২/৩৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ১০/১২ গতে ১২/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ১/১১ গতে ২/৫১ মধ্যে। 
২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার, তৃতীয়া ৫/৩৫/৫৭ দিবা ৮/২৮/৫০। পুনর্বসু ১/১৯/৩২ প্রাতঃ ৬/৪৬/১৬ পরে পুষ্যা ৫৮/৫৩/৩৭ শেষরাত্রি ৫/৪৭/৫৪, সূ উ ৬/১৪/২৭, অ ৪/৫০/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১২/১ গতে ২/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৯ গতে ৯/২৬ মধ্যে ও ১২/৭ গতে ১/৫৪ মধ্যে ও ২/৪৭ গতে ৬/১৫ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩২/২৬ গতে ১২/৫১/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১/১১/৫৬ গতে ২/৫৩/২৬ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৭ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এনআরসির প্রতিবাদে কুলতলিতে তৃণমূলের মিছিল 
আজ সকালে এনআরসির প্রতিবাদে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে তৃণমূল কংগ্রেস ...বিশদ

03:44:00 PM

বজবজ লাইনের আক্রা স্টেশনে এখনও চলছে রেল অবরোধ, টিকিট কাউন্টার লুট করার চেষ্টা

03:42:37 PM

নদীয়ার চাপড়ায় সড়ক অবরোধ

03:38:51 PM

প্রথম ওয়ান ডে: ভারত ১০৪/৩ (২৫ ওভার) 

03:26:33 PM

বজবজ শাখার আক্রার কাছে রেল অবরোধ, পুলিসকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হল পাথর 
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় এবার শিয়ালদহের বজবজ শাখার আক্রা এবং ...বিশদ

02:30:38 PM

প্রথম ওয়ান ডে: ভারত ৩৩/২ (১০ ওভার) 

02:23:55 PM