Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন। কিন্তু, পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন: একটি অত্যন্ত অপ্রিয় জোট সরকারের বিরুদ্ধে সাহসী সংগ্রামের মূল্য অর্জন করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী, কারাবাসসহ নানাবিধ হয়রানি সহ্য করেছিলেন তিনি, বস্তুত একা লড়ে সেইসব মানুষের সমর্থন ফিরিয়ে এনে জয়ী হয়েছিলেন তিনি, যারা তাঁর দলকে এবং তাঁকেও (রায়বেরিলিতে) হারিয়েছিল। আর রাজীব গান্ধীর বিপুল জয়ের নেপথ্যে ছিল প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার কারণে সহানুভূতির ঢেউ।
বিপুল জনসমর্থন
বিজেপির জয়টা শুধু বিপুলসংখ্যক আসনেই (৩০৩) নয়, দলটি যেভাবে সুইপ করেছে তার ব্যাপ্তিটা অবাক-করা। বিজেপি তিনটিমাত্র রাজ্যে দাঁত ফোটাতে পারেনি—কেরল, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ। জয়ের ব্যবধানটাও অবিশ্বাস্য রকমের বড়, দু’টি দলের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে সাধারণত যা হয়ে থাকে তার তুলনায় খুব বড়। এই প্রসঙ্গে যে রাজ্যগুলির নাম করতে হয় সেগুলি হল—গুজরাত, রাজস্থান, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ও অসম।
প্রামাণ্য সংখ্যা কিছু নেই ঠিকই, কিন্তু নির্বাচন এবং সমীক্ষাগুলি নিশ্চিত করেছে যে, প্রত্যাশা মতোই হিন্দিভাষী এবং হিন্দি-জানা রাজ্যগুলির উচ্চবর্ণের মানুষজন বিজেপিকে ঢেলে ভোট দিয়েছে। একই কাণ্ড করেছে অন্যান্য অগ্রসর শ্রেণীও (ওবিসি)। বিস্মকরভাবে এও লক্ষ করা যাচ্ছে যে, দলিত, মুসলিম এবং খ্রিস্টানদেরও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিজেপির পক্ষে ভোট দিয়েছে। তাদের ‘মোটিভেশন’
আলাদা হতে পারে, কিন্তু বাস্তবটা হল তারা ভোটটা দিয়েছে বিজেপিকে।
ভোট পেয়েছে, আস্থা নয়
আমি মনে করি, মোদিজি সুখী কিন্তু তৃপ্ত নন। একটি জিনিস মোদিজি উপলব্ধি করেছেন, যেটা সম্ভবত, তাঁর দলের অন্যরা বুঝতে
পারেননি: দলিত, মুসিলম, খ্রিস্টান এবং
হতদরিদ্রদের ভোট পাওয়াটাই যথেষ্ট নয়, জরুরি
হল তাদের আস্থা অর্জন করা। প্রথম দফার
শেষে তিনি জানতেন যে ওইসব শ্রেণীর আস্থা উপভোগ করেননি, তাই তাঁর গোড়ার দিকের স্লোগান ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর
সঙ্গে পরে যোগ করেছিলেন ‘সবকা বিশ্বাস’।
এটি একটি স্মার্ট পদক্ষেপ ছিল ঠিকই কিন্তু এর ঝঞ্ঝাটও অনেক। নিশ্চিত প্রতিবন্ধকতা ছিল কয়েকটি নাম—গিরিরাজ সিং, সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি এবং সঞ্জীব বাল্যন। অন্য কয়েকজন, নির্বাচিত কিন্তু পরিত্যক্ত অথবা নির্বাচিত এবং প্রতীক্ষিত—মহেশ শর্মা, অনন্তকুমার হেগড়ে, সাক্ষী মহারাজ, সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর এবং অন্যরা অজ্ঞাত।
গিরিরাজ সিং, একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী, তিনি ইতিমধ্যেই জোটসঙ্গী দু’টি দলের নেতাদের সম্পর্কে অন্যায় মন্তব্য করে বসেছেন, একটি ইফতারে যোগ দেওয়ার কারণে। এজন্য বিজেপি সভাপতির ভর্ৎসনার পরেও তিনি কিন্তু দুঃখ প্রকাশ করেননি। ভোটের পর সাক্ষী মহারাজ একজন কয়েদির (২০১৭ সালে দেশ তোলপাড় হয়ে-যাওয়া উন্নাও ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্ত এক বিধায়ক) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ধন্যবাদ জানিয়ে আসেন, তাঁর জয়ের কারণে। তারপর কিন্তু তাঁকে আর ভর্ৎসনা করা হল না।
শৈশবে বা অল্প বয়সে যেসব কুসংস্কার মজ্জাগত হয়ে গিয়েছে সেসব থেকে মুক্তিলাভ সহজ ব্যাপার নয়। যদি আরএসএস এবং বিজেপির প্রবীণ নেতাদের কথায় সময়ে সময়ে এই সমস্ত কুসংস্কারে প্রকট হয় তবে কোনও লাভ নেই (‘ঈদের জন্য বিদ্যুৎ, দেওয়ালিতে বিদ্যুৎ নয়’, ‘এমন নির্বাচন ক্ষেত্র যেখানে সংখ্যালঘুরাই সংখ্যাগুরু)। কোনও লাভ নেই যদি না দলিত এবং মুসলিমদের পিটিয়ে হত্যার ঘটনা বন্ধ করা হয় এবং প্রতি সপ্তাহে এই ধরনের অন্তত একটি অভিযোগ নথিবদ্ধ করা হয়। উপলব্ধি বদলে সাহায্য করবে না, যদি বিজেপির নির্বাচিত ৩০৩ জন এমপির ভিতরে মুসলিম সমাজ থেকে একজনমাত্র থাকেন।
ভীতি, কল্যাণ
আর একটি ভয়ংকর সমস্যা আছে। দু’টিমাত্র শর্ত পূরণ করতে পারলেই বিজেপি এই শ্রেণীগুলির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হবে। প্রথম শর্ত হল—কারও ভয়-ভীতির মধ্যে বসবাস করা উচিত নয়। দ্বিতীয় শর্তটি হল—তাদের আর্থিক সংগতির ধারাবাহিক শ্রীবৃদ্ধি। আজ এই দু’টি শর্তের কোনোটিই পূরণ হয়নি; এই দু’টি শর্ত পূরণে সরকার কী পদক্ষেপ করবে, কীভাবে এগবে সেটা দেখার জন্য আমাদের আগ্রহ থাকবে।
নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণীর মানুষের মন থেকে ভীতি দূর করতে কঠোর পদক্ষেপ জরুরি। প্রত্যেক সময়ে রেহাই দেওয়ার ব্যাপার রয়েছে, এই ধরনের কুকর্ম এবং সেটা যারা ঘটাচ্ছে দু’টিকেই শাস্তির আওতায় আনা আবশ্যক। সমস্তরকম শাস্তি এড়িয়ে যারা এসব করে যাচ্ছে এবং ভীতির পরিবেশ কায়েম করছে, বিজেপি নেতৃত্ব কি তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করবে? এটি একটি বড় জিজ্ঞাসা যে, হালফিল পরিস্থিতি দেখে এসব হবে বলে ভরসা হয় না, কিন্তু আমার আশা, যারা দণ্ডনীয় আচরণকে প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বের ক্ষমতা এবার তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হবে।
দ্বিতীয় শর্তের পুরোটা, বস্তুত, সরকারের একার হাতে নেই। অসন্তুষ্ট শ্রেণীগুলির আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে যদি কেবলমাত্র তাদেরকে দেওয়া যায় বেশি চাকরি; চাকরির বেশি বেশি নিরাপত্তা; উচ্চ আয়; এবং সরকারি পণ্য ও পরিষেবাতে তাদের অধিকার। উচ্চ এবং ন্যায্য অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সুযোগ এনে দেয় চাকরি এবং আয়। সেখানে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষ যে ভয়াবহ বার্তা রেখে গেল তাতে করে উচ্চ এবং ন্যায্য বৃদ্ধির আশা নেই।
দলিত, মুসলিম, খ্রিস্টান এবং দারিদ্রসীমার নীচের শ্রেণীগুলি, আমার সন্দেহ হয়, বিজেপি প্রার্থীদের ভোট দিয়েছিল এই ভেবে যে অন্য কোনও প্রার্থীই এই লড়াইতে জেতার ক্ষমতা রাখেন না এবং ‘উইনিং’ সাইডে নিশ্চিত করেই আর কোনও প্রার্থীর দেখা মিলবে না। এটা ছিল বিচক্ষণতার ভোট; এ কোনও আস্থার ভোট ছিল না। তাদের আস্থা অর্জনে বিজেপিকে আরও অনেকটা করতে হবে।
এটি একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। বিজেপি এই সরকার গড়েছে তাদের আবেগবিহ্বল বা প্যাশনেট সাপোর্টারদের (যাদের দৃষ্টিতে মোদিজি কোনও ভুলই করতে পারেন না) এবং অসন্তুষ্ট শ্রেণীগুলির (যাদের দৃষ্টিতে মোদিজি, যতদূর সম্ভব, কোনও ঠিক কাজ করেননি) ভোট নিয়ে। করিৎকর্মা মোদিজি এই অজানা সাগর কীভাবে পাড়ি দেন সেটা দেখার জন্যই আমরা অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করব।
10th  June, 2019
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে 
হারাধন চৌধুরী

বাঙালি বেড়াতে ভালোবাসে। বেড়ানোর সুযোগটা পাশপোর্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে হলে তো কথাই নেই। কিন্তু গন্তব্য যদি বাংলাদেশ, আর দাবি করা হয় বিদেশ-ভ্রমণের, তবে অনেকেই মুখ টিপে হাসবেন। কারণ, বাংলাদেশকে ‘বিদেশ’ ভাবার মানসিকতা আমাদের গড়ে ওঠেনি। 
বিশদ

17th  January, 2020
হৃদয়জুড়ে মানবসেবা
মৃণালকান্তি দাস

সমকাল তাঁকে যথেষ্ট লজ্জা দিয়েছিল! নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার।  স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি অ্যান্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন  শুধুমাত্র  ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য।  
বিশদ

17th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে।  
বিশদ

16th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে
হারাধন চৌধুরী

সিএএ, এনআরসি প্রভৃতি ভারতের মানুষ গ্রহণ করবেন কি করবেন না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনও হয়নি। তবে, এটুকু বলা যেতে পারে—এই ইস্যুতে ব্যাহত হচ্ছে আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলি। অর্থনৈতিকভাবে আমরা দ্রুত পিছিয়ে পড়ছি। পাশাপাশি এই অধ্যায় বহির্ভারতে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। আমাদের এমন কিছু করা উচিত হবে না যার দ্বারা অন্তত বাংলাদেশে মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইটা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উদ্বাহু নৃত্য করে পাকিস্তানের মৌলবাদী শক্তি। 
বিশদ

16th  January, 2020
রাজনীতির রঙের বাইরে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যে পড়ুয়ারা আজ পথে নেমেছে, তারা তো শিক্ষিত! এঁটেল মাটির তালের মতো। যুক্তি দিয়ে বোঝালে তারা অবাধ্য হয় না। তা না করে নয়াদিল্লি বা উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে পাল্টা ধোলাই দেওয়ার রাস্তা নিয়েছিল পুলিস। আর বলা হয়েছে, মানতে না পারলে পাকিস্তানে চলে যাও। এটাই কি ভারতের মতো গণতন্ত্রের থেকে পাওনা? যুব সমাজ কিন্তু মানছে না। মানবেও না। দিন নেই, রাত নেই তারা কখনও ক্যাম্পাসে ধর্নায় বসছে, কখনও রাজপথে। তাদের লড়াই আজ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন আগ্রাসী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে।
বিশদ

14th  January, 2020
হবু-গবুর রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ভক্ততন্ত্র তালিকা
সন্দীপন বিশ্বাস

সকালবেলা মন্ত্রী গবু হন্তদন্ত হয়ে হবুরাজার ঘরে ঢুকে গিয়ে দেখেন রাজামশাই কম্পিউটারের সামনে বসে ‘কমান্ডো এনকাউন্টার শ্যুটিং গেম’ খেলছেন। মহারাজা পুরোপুরি বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত হয়ে কম্পিউটারের ভিতর যেন ঢুকে পড়েছেন। গেমটা খুব মজার এবং কঠিন। বন্দুক নিয়ে একজন কমান্ডার ঢুকে পড়েছে শত্রুদের ঘাঁটিতে। 
বিশদ

13th  January, 2020
নয়া স্থিতাবস্থা যুবসমাজকে রুষ্ট করছে
পি চিদম্বরম

এই ২০২০ সালের ভারতকে ১৯৬৮ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেখাচ্ছে। ১৯৬৮-তে ফ্রান্সের পরিস্থিতিও অনুরূপ ছিল। আমার মনে আছে ১৯৬৮-তে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কাজকর্ম ভেঙে পড়েছিল। আর এই বিপর্যয় থেকে দেশকে উদ্ধারের দায়িত্ব বর্তেছিল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উপর। ১৯৬৮-র এই যে বিরাট সঙ্কট তার মূল কারণ ছিল ভিয়েতনাম যুদ্ধ।  
বিশদ

13th  January, 2020
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকারের জাহাজ মন্ত্রকের সাগরমালা প্রকল্পের আওতায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পণ্য পরিবহণ বছরে ৩৩ কোটি ৭০ লক্ষ টনে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী জুনে পথ চলা শুরু হচ্ছে এটিকে-মোহন বাগানের। মোহন বাগান ফুটবল ক্লাব প্রাইভেট লিমিটেডের ৮০ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়েছে আরপি-সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপ। রবিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে মোহন বাগান কর্তাদের আমন্ত্রণে ডার্বি দেখতে হাজির ছিলেন আইএসএলে এটিকে’র দল মালিক।  ...

নয়াদিল্লি ও ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি: ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করলেও, এই আইনের ...

  বালিয়া (উত্তরপ্রদেশ), ১৯ জানুয়ারি (পিটিআই): নজিরবিহীনভাবে দাদা মুলায়ম সিং যাদবকে নিশানা করে তোপ দাগলেন ভাই শিবপাল। ইদানীং ছেলে অখিলেশের সঙ্গেই বেশি দেখা যাচ্ছে সপার প্রতিষ্ঠাতাকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

উচ্চতর ও গবেষণামূলক বিদ্যার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ যোগাযোগ ঘটবে। ভ্রমণযোগ রয়েছে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৩৪ - আলোকচিত্র এবং ইলেকট্রনিকস্ কোম্পানী হিসেবে ফুজিফিল্ম কোম্পানীর যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১৭ টাকা ৭১.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯১.২২ টাকা ৯৪.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৬১ টাকা ৮০.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  January, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৫৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
19th  January, 2020

দিন পঞ্জিকা

৫ মাঘ ১৪২৬, ২০ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার, একাদশী ৪৯/১৮ রাত্রি ২/৬। অনুরাধা ৪২/৪৯ রাত্রি ১১/৩০। সূ উ ৬/২২/৫৪, অ ৫/১২/০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫২ মধ্যে. রাত্রি ৬/৫ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৪ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/২৯ গতে ৩/৫০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/৯ গতে ১১/৪৮ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৬, ২০ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার, একাদশী ৫৩/২৯/৩৫ রাত্রি ৩/৪৯/৪৭। অনুরাধা ৪৯/৪৭/৫৬ রাত্রি ১/৩৩/৭। সূ উ ৬/২৫/৫৭, অ ৫/১০/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে ও ১০/৪৪ গতে ১২/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৪ গতে ৮/৫০ মধ্যে ও ১১/২৪ গতে ২/৫১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/৩২ গতে ৯/৭/৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/৮/৫১ গতে ১১/৪৮/১৭ মধ্যে। 
২৪ জমাদিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের বনদপ্তরের খাঁচায় চিতা, এবার আলিপুরদুয়ার
জলপাইগুড়ির পর এবার আলিপুরদুয়ার। বনদপ্তরের পাতা ফাঁদে খাঁচাবন্দি চিতা। ঘটনাটি ...বিশদ

11:23:00 AM

 ২৫০ কেজি ওজনের আইএস মৌলবি গ্রেপ্তার, আনা হল ট্রাকে
ইরাকের বিশেষ বাহিনী (সোয়াট)’র হাতে সম্প্রতি ধরা পড়েছে আইএসের মৌলবি ...বিশদ

11:11:26 AM

অবশেষে ময়নাগুড়িতে ধরা পড়ল ঘাতক বানরটি
অবশেষে ধরা পড়ল ময়নাগুড়ির সেই ঘাতক বানরটি। সোমবার সকালে জলপাইগুড়ির ...বিশদ

10:54:00 AM

কলেজের অস্থায়ী শিক্ষাকর্মীরা এবার আন্দোলনে নামছেন
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বেতন বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবিতে কলেজের অস্থায়ী ...বিশদ

10:33:29 AM

আব্দুল গফফর খানের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি মমতার
‘সীমান্ত গান্ধী’ আব্দুল গফফর খানের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী ...বিশদ

10:27:00 AM

কর্ণাটকে ক্রিকেট বেটিং চক্রের হদিশ, আটক ১১ 
কর্ণাটকে হদিশ মিলল ক্রিকেট বেটিং চক্রের। আটক করা হয়েছে ১১জনকে। ...বিশদ

10:27:00 AM