যে কোনও কাজকর্মে সকালের দিকে বিশেষ উন্নতির যোগ। বিকেলের দিকে অবশ্য কিছু বাধা আসতে পারে। ... বিশদ
ধৃতরা হল, জাহিদুল শেখ, জাবেদ শেখ, বোধন দাস, রতন বিশ্বাস সহ আরও দু’ জন। জাহিদুলের বাড়ি কেতুগ্রামের মৌগ্রামে হলেও বর্তমানে সে দাঁইহাটের পাইকপাড়ায় থাকে। আর জাবেদ কাটোয়ার কেশিয়াপাড়ার বাসিন্দা। রতনের বাড়ি চর পাতাইহাট এলাকায়। বোধনের বাড়ি দাঁইহাটের মাখালতোরে। আর বাকি দু’ জনের বাড়ি দাঁইহাট শহরের কাঁসারিপাড়ায়। প্রত্যেককেই এদিন কাটোয়া মহকুমা এসিজেএম আদালতে তোলা হলে জাহিদুল আর জাবেদের চারদিন পুলিস হেফাজত হয়, বাকিদের জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাঁইহাটের বাসিন্দা হরিশঙ্কর মিত্র কাটোয়া থানায় রবিবার লিখিত চুরির অভিযোগ জানান। তিনি অভিযোগে জানিয়েছেন, তিনদিন আগে তিনি বাড়িতে ছিলেন না। সেই সময় তাঁর বাড়ির ভিতরে থাকা আলমারি ভেঙে সোনার গয়না ও বেশ কিছু বাসনপত্র চুরি হয়ে গিয়েছে। ২৭ নভেম্বর চুরির ঘটনা ঘটে বলে ধৃতরা জেরায় পুলিসকে জানায়। আর ২০ নভেম্বর তারা স্কুলে হানা দিয়েছিল। এরপরেই কাটোয়া থানার পুলিস ঘটনার তদন্তে নামে। তারপর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পুলিস জানতে পারে, দুষ্কৃতীরা বাইক নিয়ে চুরি করতে এসেছিল। এরপরেই বাইকের সূত্র ধরে পুলিস জাহিদুল শেখকে ধরে। তারপর জিজ্ঞাসাবাদ করে জাবেদ শেখের খোঁজ পায়। দু› জনকে জেরা করে বোধন দাসকে পাকড়াও করা হয়। তারপর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই বাকিদের সন্ধান পায় পুলিস।
ধৃতরা পুলিসি জেরা জানিয়েছে, কাটোয়ার একটি জুনিয়র স্কুলেও কম্পিউটার সহ বেশ কিছু জিনিসপত্র চুরি করেছে। ধৃতদের নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে চুরি যাওয়া কম্পিউটারের সিপিইউ, বাসনপত্র সহ বেশকিছু সামগ্রী উদ্ধার করে। চোরাই সামগ্রী কেনার অভিযোগে দাঁইহাটের দুই ব্যবসায়ীকেও গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। তারা জামিনে ছাড়া পান। ধৃত বোধন দাস সরাসরি চুরিতে যুক্ত ছিল না। চোরাই সামগ্রী বয়ে নিয়ে যাওয়ার করার কাজ করেছিল। কাটোয়া থানার পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। -নিজস্ব চিত্র