হঠাৎ পাওয়া যোগাযোগের মাধ্যমে কর্ম জটিলতার অবসান ও মানসিক চিন্তামুক্তি। আয় ব্যয়ের ক্ষেত্র ঠিক থাকবে ... বিশদ
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরই ভারত সহ বিভিন্ন দেশে ইউএস-এইডের কোটি কোটি ডলার অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প। এবার তাঁর ‘ঘুষের প্রকল্প’ মন্তব্য বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে বাগ্যুদ্ধ আরও তীব্র করল। গেরুয়া শিবির ফের নিশানা বানিয়েছে রাহুল গান্ধীকে। তাদের অভিযোগ, নিজেদের দক্ষতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হারাতে না পেরে বিদেশি শক্তির সাহায্য ও অর্থ নিয়েছে হাত শিবির। পাল্টা হিসেবে মার্কিন এজেন্সির সঙ্গে বিজেপি-আরএসএসের যোগসাজশ নিয়ে সরব কংগ্রেস। আর এই তরজার মধ্যেই বিবৃতি জারি করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। সাফ বলা হয়েছে, মার্কিন অনুদানে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের আশঙ্কা মন্ত্রকের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট সব এজেন্সি।
যদিও এই পর্যায়ে এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে এনেছে দেশের প্রথম সারির এক বেসরকারি সংবাদপত্র। তথ্য-পরিসংখ্যান পেশ করে তাদের দাবি, ভোটের হার বাড়াতে ২ কোটি ১০ লক্ষ ডলারের অনুদান ভারত আদৌ পায়নি। বরং রেকর্ড বলছে, ২০২২ সালে ওই টাকা যায় বাংলাদেশের কাছে। খবরকে অস্ত্র করে মোদি সরকারকে পাল্টা আক্রমণ করেছে কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র পবন খেরার দাবি, ‘মিথ্যে কথা বলে বিজেপি আমাদের আক্রমণ করেছে। ১৯৯৩ সালে ইউএস-এইডের সহায়তায় আমেরিকান কাউন্সিল অব ইয়াং পলিটিক্যাল লিডারের সঙ্গে কেন সাক্ষাৎ করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি? তখন তো উনি স্রেফ একজন আরএসএস ক্যাডার। তাহলে তিনি কি ভারতে কংগ্রেস বিরোধী কর্মসূচির ষড়যন্ত্র করতে গিয়েছিলেন? আগে এর জবাব দিক বিজেপি।’
মার্কিন প্রেসিডেন্টের নয়া মন্তব্যের রেশ টেনে এদিন সকাল থেকে ফের রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সুর চড়ায় বিজেপি। ২০২৩ সালে লন্ডনে রাহুল গান্ধী ‘ভারতীয় গণতন্ত্র রক্ষায়’ আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলিকে এগিয়ে আসার আর্জি জানিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে এদিন বিজেপি মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়ার অভিযোগ, বিদেশি অর্থ ব্যবহার করে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালিয়েছিল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত এনজিওগুলি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিদেশি সাহায্য চেয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। মোদিজির প্রতি ঘৃণার বশবর্তী হয়ে ওরা এখন ভারতকেও ঘৃণা করতে শুরু করেছে। কংগ্রেস নেতা পবন খেরার পাল্টা যুক্তি, ‘আমেরিকান এজেন্সি সিআইএ’র সাহায্য নিয়ে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ১৯৬৬ সালে গো-আন্দোলন করেনি? তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি কে কামরাজকে হত্যার চেষ্টা করেনি আরএসএস? মোদির স্বচ্ছ ভারত অভিযান প্রকল্পের প্রচারেও তো থাকে ইউএস-এইডের লোগো। তাহলে? কংগ্রেসের দিকে আঙুল না তুলে আগে মার্কিন এজেন্সির সঙ্গে বিজেপি-আরএসএসের যোগসাজশের জবাব দিক মোদি সরকার। - ফাইল চিত্র