Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

৪০০ পার: মিথ? নাকি মিথ্যা?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মিথ, আর মিথ্যার মধ্যে ফারাক কতটা? কালজয়ী একটি মিথের কথা বলা যাক। সম্রাট নিরো সম্পর্কে। বলা হয়, রোম যখন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল, সম্রাট নিরো তখন বেহালা বাজাচ্ছিলেন। এই গল্পের প্রচলনের দাপট এতটাই যে, শতাব্দীর পর শতাব্দী পেরিয়ে যাওয়ার পরও সম্রাট নিরো প্রবাদবাক্যে রিজার্ভেশন নিয়ে বসে আছেন। অথচ, ৬৪ সালে যখন রোমে আগুন লাগে, নিরো তখন ছিলেন সমুদ্রের ধারে ছোট্ট গ্রাম আনজিওতে। সেখানে তাঁর বিলাসবহুল রাজপ্রাসাদে। প্রচণ্ড গরমের চোটে ছোটখাটো আগুন তখন লেগেই থাকত। তাই ১৯ জুলাই দূত যখন এসে তাঁকে খবর দিয়েছিল, খুব একটা গুরুত্ব তিনি দিতে চাননি। পরে তাঁর টনক নড়ে। প্রশাসনের পুরো মেশিনারি নামিয়েও কিছু করতে পারেননি তিনি। তবে অগ্নিকাণ্ডের পর রোমকে নতুন করে তৈরি করা, বাসিন্দাদের পুনর্বাসন... এই সবের জন্য রাজকোষ খুলে দিয়েছিলেন নিরো। আর সবচেয়ে বড় কথা, নিরোর সময় বেহালার আবিষ্কারই হয়নি! লোকমুখে ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা যে কখন মিথ হয়ে গিয়েছে, বুঝতে পারেনি ইতিহাস। বুঝতে পারছে না এই সময়কালও। নরেন্দ্র মোদিকে। তাঁর ৪০০ পারের স্লোগানকে। 
কীভাবে তৈরি হয়েছিল এই স্লোগান? কে ঠিক করেছিল টার্গেট? কোন বৈঠকে আলোচনা হয়েছিল? কোন কোন সাধারণ সম্পাদক, কার্যকর্তা, বিজেপি রাজ্য ইউনিটের মাথারা ছিলেন সেই বৈঠকে? দিল্লির এক নেতার কথায়, ৪০০ পারের ব্যাপারে কোনও বৈঠকেই আলোচনা হয়নি। হঠাৎ একদিন ঘুম থেকে উঠে তিনি এবং তাঁর মতো কেন্দ্রীয় নেতারা জানতে পেরেছেন, লোকসভা নির্বাচনে তাঁদের এই পাহাড়প্রমাণ টার্গেটের কথা। যেহেতু কোনও বৈঠকেই এ ব্যাপারে আলোচনা হয়নি, তাই খুব স্বাভাবিকভাবে এর কোনও ব্লু-প্রিন্টও নেই। অর্থাৎ, কোন রাজ্যে কত করে আসন বাড়াতে হবে এবং কীভাবে সেই লক্ষ্যপূরণ সম্ভব... সে নিয়ে এক নয়া পয়সার আলোচনা বিজেপির কেন্দ্রীয় কোনও বৈঠকে হয়নি। ভোটের আগে রাজ্যওয়াড়ি দলীয় রিপোর্ট যেমন পেশ হয়, তেমনটা হয়েছিল। ওখানেই শেষ। সেই রিপোর্টে কিন্তু শক্তিক্ষয়ের ইঙ্গিত ছিল বলেই গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর। সংখ্যালঘু ভোটারদের ক্ষোভ, মেরুকরণে শিক্ষিত সমাজের বিরক্তি—এই সবেরই উল্লেখ ছিল তাতে। তারপরও নরেন্দ্র মোদি ৪০০ পারের ডাক দিয়েছেন এবং সেটা দলের নেতারাই জানতেন না! মোদির সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাঁরাও ‘অব কি বার ৪০০ পার’ শুরু করেছেন বটে, কিন্তু আড়ালে-আবডালে নিজেদেরই প্রশ্ন করেছেন—কীভাবে? নরেন্দ্র মোদি ঘনিষ্ঠ বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এই যে আপনারা ৪০০ পার বলছেন, সেটা হবে কোন অঙ্কে? রাজ্যওয়াড়ি ব্রেক আপটা কী? তিনি জোরের সঙ্গে বলেছিলেন, ‘দেশজুড়ে প্রো-ইনকামবেন্সি হাওয়া বইছে। তাতেই হবে।’ অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ভোট পড়বে। নরেন্দ্র মোদি সরকারের পক্ষে। কীভাবে তিনি সেই হাওয়া বুঝলেন? বিহার, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলেতে যখন আসন কমে যাওয়ার নিশ্চিত লক্ষণ দেখা যাচ্ছে... প্রো-ইনকামবেন্সি হাওয়াটা ঢুকল কোথা দিয়ে? সেই উত্তর শুধু জয়শঙ্কর কেন, বিজেপির তাবড় তাবড় নেতারাও দিতে পারছেন না। নরেন্দ্র মোদিও না।
ভোটপর্ব শুরুর মুখে মোদিজি লাগাতার বলছিলেন, ৪০০ পার হবেই। বিজেপি নিশ্চিত। তিন দফা ভোটের পর ৩৭০ বা ৪০০ পারের অঙ্ক বেমালুম চেপে গেলেন তিনি। তারপর হঠাৎ আবার বলতে শুরু করলেন, ‘আমাদের ৪০০ পার করানোটা আমার চাহিদা নয়, জনগণের ইচ্ছে।’ মানে ভাবটা এমন, ১৪০ কোটি দেশবাসী তাঁর কানে কানে এসে বলে গিয়েছেন, আপনি ৪০০ পার করছেন। আচ্ছা, না হয় ধরে নেওয়া গেল ১৪০ কোটি দেশবাসী তাঁকে এই ইচ্ছের কথা জানাননি। তাহলে কতজন জানিয়েছেন? ১০ কোটি? এক কোটি? এক লক্ষ? ১০০ জনও কি জানিয়েছেন? তাহলেও জানতে ইচ্ছে করে, কোন কোন রাজ্যের মানুষ এমন আশাবাদী। দক্ষিণ ভারতের কোনও রাজ্য থেকে ৪০০ পারের কথা কেউ বলবে বলে মনে হয় না। এমনকী, কর্ণাটকেও বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা ১৪-১৫টার বেশি আসন দেখছে না। অথচ গত লোকসভা ভোটে এই রাজ্য থেকে ২৫টা আসন পেয়েছিল মোদির দল। কৃষক ইস্যু যে সব রাজ্যে প্রভাব ফেলেছে, তাঁরা বলবেন না। মণিপুর বলবে না। প্রাপ্য টাকার জন্য বছরের পর বছর ধুঁকতে থাকা বাংলাও বলবে না। তাহলে ৪০০’র বৈতরণী পার কে করাবে? মোদিঝড় যে নেই, সে ব্যাপারে তো বিজেপির অন্দরেই কানাঘুষো চলে। তাহলে কি ইভিএম? 
ভোটদানের হার প্রতি দফার পর প্রকাশে ঢিলেমি দেখানোর জন্য নির্বাচন কমিশন এমনিতেই বিতর্কে জর্জরিত। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত বুথমুখী ভোটারদের যে হার দেখা যাচ্ছে, পরের এক ঘণ্টার হিসেবে ৪-৫ শতাংশের ফারাক হচ্ছে কীভাবে? ওই বাকি অংশটুকুই কিন্তু দিনের দিনে দিতে ‘অপারগ’ ছিল কমিশন। তাই বিরোধীরা তো গলা ফাটাবেই। কমিশনকে বিজেপির বি টিম বলে কাঠগড়ায় দাঁড়ও করাবে। ৪ জুন ফলাফল বেরনোর পর যদি দেখা যায়, অধিকাংশ আসনেই বিরোধীরা বাজিমাত করেছে, তাহলে এই বিতর্ক ধামাচাপা পড়ে যাবে। কিন্তু বিজেপি যদি সত্যিই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগিয়ে যায়, তাহলে ডালের মধ্যে কালোপানা অংশ বিরোধীরা খুঁজে বের করবেই। তবে তেমন কিছু হয়তো হবে না। কারণ, বিজেপির অতি ভক্তও দূরবীন নিয়ে ৪০০ দেখতে পাচ্ছেন না। কর্মীরা এখনও জানেন না, কোন কোন কেন্দ্রে বাড়তি জোর দেওয়ার ছিল, বা শেষ দফায় দিতে হবে। কোন ধরনের ভোটারদের মগজ ধোলাই এই ৪০০ পারের টার্গেটের জন্য জরুরি ছিল? কোন রাজ্যে কত আসনে জয় ধরে নিয়ে নরেন্দ্র মোদি ৪০০ পার স্লোগান তুলেছেন এবং লাগাতার বিজ্ঞাপন দিয়েছেন?
কী বলা যায় একে? ফাটকা? নাকি স্রেফ ধাপ্পা? ফাটকা কেন? নরেন্দ্র মোদি হয়তো ভেবেছেন, একটা সংখ্যা ছুড়ে দেওয়া যাক। ঝড় না থাকুক, খানিক হাওয়া তো আছে! তাহলেই এই সংখ্যার স্রোতে পাবলিক ভেসে যাবে, আর ভোট দেবে। না মিললে? যতটুকু পাওয়া যাবে, সেটাই লাভ। আর ধাপ্পা কেন? মোদি জানেন, তাঁকে সামনে রেখেই ভোটে নেমেছে বিজেপি। থুড়ি, মোদি জনতা পার্টি। দলের কাঠামো, শীর্ষ স্তর, আদি নেতা, বাজপেয়ি ঘরানা... সবকিছু একা হাতে কফিনবন্দি করেছেন তিনি। গোটা দলটাই এখন তাঁর উপর দাঁড়িয়ে। এটাই তো চেয়েছিলেন মোদি! একাই নায়ক। এক ব্যক্তি, এক মিথ। কিন্তু একনায়কতন্ত্রের একটা মুশকিল আছে—সাফল্যের কৃতিত্ব যেমন তাঁর হয়, ব্যর্থতার সম্পূর্ণ দায়ও চাপে তাঁর কাঁধে। তাই হয়তো মরিয়া হয়ে আরও একটা জুমলা। এবার শুধু দেশবাসী নয়, দলকেও। কোনওমতে বেরিয়ে গেলে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী। জওহরলাল নেহরুর মতো টানা তিনবার দিল্লির কুর্সি। হোক না মিথ্যা! সত্যি হয়ে উঠবে মিথ।
স্প্যানিশ অভিযাত্রী কমান্ডার হার্নান কর্টেজ সম্পর্কেও একটা মিথ আছে। লাতিন আমেরিকার সভ্যতা, সম্পদ, সংস্কৃতি পৃথিবী থেকে মুছে দেওয়ার জন্য দায়ী করা হয় তাঁকে। বলা হয় তাঁর নৃশংসতার কথা। তাঁর অভিযানের পরই চিরতরে বিলুপ্ত হয় অ্যাজটেকদের সাম্রাজ্য। কথিত রয়েছে, অ্যাজটেকদের রাজধানী টেনোচতিতিলানে গণহত্যা চালিয়েছিলেন তিনি। ২ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কলঙ্ক লেগে রয়েছে 
তাঁর কপালে। জনশ্রুতি বলে, কর্টেজ মূর্তিমান শয়তান। কিন্তু এর নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা সত্যিটা কী? কর্টেজ বা স্প্যানিয়ার্ডরা লুটতরাজ চালিয়েছিল, এতে কোনও সংশয় নেই। কিন্তু কারা তাদের পথ 
দেখিয়ে নিয়ে গিয়েছিল? রেড ইন্ডিয়ানদেরই একটা অংশ। সহযোগী ছিল তারা কর্টেজের। হত্যালীলা চালিয়েছিল তারাই। কর্টেজ আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পারেননি। স্প্যানিয়ার্ডরা ফিরে যাওয়ার পর শহর তথা সাম্রাজ্যটাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার কাজটা সেরেছিল গুটিবসন্ত। দেখা দিয়েছিল মহামারী রূপে। ধ্বংস হয়েছিল সভ্যতা। আর একটা মিথ্যা শুধুমাত্র লোকমুখে মিথ হয়ে উঠেছিল। ভারতবর্ষ আজ তাকিয়ে আছে এমনই এক প্যাকেজের দিকে। চোখ ধাঁধানো প্রতিশ্রুতি, মোহ, স্বপ্ন। অন্ধকার বাস্তবের উপর গড়ে ওঠা ঝাঁ-চকচকে ইমারত। ৪০০ পারের স্লোগান। আজ বাদে কাল সামনে আসবে সত্যিটা। হয়তো। কেন এই সংশয়? সবটাই যেন নির্ভর করছে ভোটের ফলের উপর! নরেন্দ্র মোদি জিতে গেলে সবটাই চাপা পড়ে যাবে প্রতিশ্রুতির চাদরের নীচে। আর হারলে? বেরিয়ে আসবে হাড়-কঙ্কাল। মিথ্যা তখন আর মিথ হয়ে উঠবে না। 
ও হ্যাঁ, দিল্লির ভোটে কংগ্রেস প্রার্থী কানহাইয়া কুমারকে বুথের বাইরে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ৪০০ পার নিয়ে কী বলবেন? কানহাইয়ার উত্তর ছিল, ‘বিজেপির আসন নয়, মোদিজি ওটা পেট্রলের দাম বলছেন... বিজেপি জিতে এলে।’
28th  May, 2024
মোদির চ্যালেঞ্জ এখন ত্রিমুখী!
মৃণালকান্তি দাস

জওহরলাল নেহরুর মন্ত্রিসভার শেষ দিকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী ছিলেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী। নেহরু তাঁকে একবার অসমে পাঠাতে চাইলেন। সফরের সবকিছু বুঝে নিয়ে শাস্ত্রী নেহরুর রুম থেকে বেরিয়ে আসেন। নেহরুর হঠাৎ খেয়াল হল, অসমে তো এখন হাড় কাঁপানো শীত।
বিশদ

বাংলা দখলের গেরুয়া স্বপ্ন, লক্ষ্য অতীত
হারাধন চৌধুরী

সমস্যা ভিতর থেকে বুঝতে হলে ফিরে যেতে হবে সাতচল্লিশে। স্বাধীনতার লড়াইয়ে পূর্ববঙ্গের মানুষের ভূমিকা দেশের বাকি অংশের তুলনায় কম ছিল না। সকলেই লড়াই করেছিলেন স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন নিয়ে। সে-বছর আগস্ট মাসের ১৫ তারিখের মধ্য রাত্রি তাঁদের সেই স্বপ্ন চুরমার করে দিয়েছিল।
বিশদ

19th  June, 2024
মোদির ভোট-দিদির ভোট
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ব্রাজিলের ওয়ার্কার্স পার্টি পোর্তো আলেগ্রেতে ক্ষমতায় আসে ১৯৯০ সালে। তখন শহরের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মানুষই ঝুপড়িবাসী। রাস্তা নেই, জল নেই। বিদ্যুৎ বলে একটা বস্তু আছে বটে, কিন্তু তার সংযোগ নেই। বাড়িতে শৌচাগার বা নিকাশি ব্যবস্থাও নেই। পোর্তো আলেগ্রের অধিকাংশই নিরক্ষর।
বিশদ

18th  June, 2024
প্রত্যাখ্যাত নীতিতেই ফের আস্থা মোদির
পি চিদম্বরম

গত ৯ জুন যে নতুন সরকার শপথ নিল, তার গল্পটি অল্প কয়েকটি শব্দে বেঁধে ফেলা যেতে পারে: মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছে, কিন্তু নরেন্দ্র মোদি বেছে নিয়েছেন তাঁর ধারাবাহিকতা। 
বিশদ

17th  June, 2024
সরকার গড়েও মুষড়ে কেন বিজেপি
হিমাংশু সিংহ

এত বড় জয়, টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার অতুল কীর্তি, তবু বিজেপি ও সঙ্ঘ পরিবারের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এত ডিফেন্সিভ কেন? শপথ নিয়েও শাসকের অন্দরে উল্লাস নেই, স্বতঃস্ফূর্ত হাসিটুকুও উধাও, উপর থেকে নিচুস্তর পর্যন্ত সবাই ব্যস্ত আত্মরক্ষায়। বিশদ

16th  June, 2024
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিছক ভোটব্যাঙ্ক নয়
তন্ময় মল্লিক

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কি শুধুই ভোটব্যাঙ্ক? লোকসভা ভোটে বাংলায় জোর ধাক্কা খাওয়ার পর বিজেপির অনেক নেতা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে ‘ঢাল’ করে ব্যর্থতা ঢাকতে চাইছেন। তাঁরা এমন ভাব করছেন যেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্যই বিজেপির বাংলায় ভরাডুবি হয়েছে। বিশদ

15th  June, 2024
মানুষকে অপমান করা হচ্ছে কেন?
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা আউশগ্রামের প্রেমগঞ্জ অথবা বাবুইসোল কিংবা প্রতাপপুরে থাকি। সকাল ৬টার মধ্যে বাড়ির সব কাজ সেরে জঙ্গলে চলে যাই। খেজুর পাতা আনতে। ব্যাপারটা কঠিন। সেই পাতা রোদে শুকাতে দেওয়া হয়। ঝাঁটা তৈরি হবে। বিশদ

14th  June, 2024
গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বিনোদন!
মৃণালকান্তি দাস

চার্চিল নাকি বলেছিলেন, ‘পাবলিক ওপিনিয়ন’ বলে কিছু হয় না, পুরোটাই ‘পাবলিশড ওপিনিয়ন’! বিশদ

13th  June, 2024
পরমাত্মা এখন পরজীবী, প্রণত শরিক পদে
সন্দীপন বিশ্বাস

হে পরমাত্মা, হে নন বায়োলজিক্যাল প্রাণ, ধ্যানের খেলা যখন ভাঙল, তখন আপনি উঠে দেখলেন আপনার একচ্ছত্র সাম্রাজ্য চুরমার, আপনার শৌর্যের ঢক্কানিনাদ মাটিতে লুটোপুটি খাচ্ছে। দীর্ঘ ভোটপর্বের সমাপ্তি হয়েছে। আপনিও শপথ নিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। বিশদ

12th  June, 2024
 ভোট, শেয়ার বাজার এবং কিছু শিক্ষা
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

অধৈর্যদের টাকা ধৈর্যশীলদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর সবচেয়ে ভালো মাধ্যম কী? উত্তরটা দিয়ে গিয়েছেন ওয়ারেন 
বাফে—স্টক মার্কেট। তাঁর কথাটা বাজার দুনিয়ায় প্রায় মিথ হয়ে গিয়েছে। তা সে মার্কিন মুলুক হোক, বা ভারত। নিউটনের তৃতীয় সূত্রের মতো জীবনের নানা ওঠাপড়ার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে বাফের বিশ্লেষণ।
বিশদ

11th  June, 2024
নয়া অবতারে চ্যালেঞ্জের মুখে মোদি
পি চিদম্বরম

‘সমগ্র পৃথিবীটাই একটা রঙ্গমঞ্চ .../ এবং সমস্ত নরনারীই নিছক অভিনয় শিল্পী।/ নিজ নিজ ভূমিকা অনুসারে মঞ্চে তাদের সকলেরই প্রবেশ এবং প্রস্থান ঘটে;/ এমনকী, একই মানুষকে প্রয়োজনমতো অনেক ভূমিকার চিত্রায়ণ করতে হয়।’ বিশদ

10th  June, 2024
শরিকি মেহফিলে এবার মুজরো কার?
হিমাংশু সিংহ

নরেন্দ্র মোদি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খেয়েছেন, এটা এখন সারা বিশ্বের জানা। চোখ ধাঁধানো মন্দির গড়েও উত্তরপ্রদেশে বিপর্যস্ত হয়েছেন, তাও অজানা নয়। কিন্তু যেটা আজানা, তা হচ্ছে জোট সরকারে দ্রুত রং বদলে ফেলা শরিকদের মেহফিলে ‘বিশ্বগুরু’র ‘মুজরো’টা শুরু হতে কতটা সময় লাগবে? বিশদ

09th  June, 2024
একনজরে
বোমা বাঁধতে গিয়ে এক যুবকের দু’হাত উড়ে গেল। দুবরাজপুরের লক্ষ্মীনারায়ণপুর পঞ্চায়েতের বেলবুনি গ্রামে বুধবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। ...

২০২০ ইউরোর সেমি-ফাইনাল। ঘরের মাঠ ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও ডেনমার্ককে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছিল ইংল্যান্ড। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি থেকে প্রথম ...

বিতর্কে জল পড়ল না। উল্টে মাত্রা বেড়ে গেল কয়েক গুণ। কাটমানি নয়, হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ করে খরচের টাকা ফেরত চেয়েছে স্ট্রিট লাইট এজেন্সি। ...

রেমাল ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যেও দু-দু’বার চেষ্টা করেছিলেন জেলবন্দি প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করার। তবে দেখা মেলেনি। জেলের বাইরে একরাত কাটিয়েওছিলেন। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। ফিরে যেতে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চশিক্ষায় নামী স্বদেশি/ বিদেশি প্রতিষ্ঠানে সুযোগ পেতে পারেন। স্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ে চিন্তা। কর্মে অগ্রগতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব উদ্বাস্তু দিবস
১৭০২: মহম্মদ বিন কাশিম সিন্ধু প্রদেশের রওয়ার আক্রমণ করেন এবং রাজা দাহির নিহত হন
১৭৫৬: নবাব সিরাজদ্দৌলার বাহিনী একটি ব্রিটিশ গ্যারিসনের সেনাদের একটি বদ্ধ ঘরে আবদ্ধ করে। সে ঘরে ১৪৬ জনের মধ্যে ১২৩ জন মারা যায়
১৭৫৬: ইংরেজদের কাছ থেকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কলকাতা পুনরুদ্ধার
১৮৩৭: রানী ভিক্টোরিয়ার সিংহাসনে আরোহণ
১৮৫৮: গোয়ালিয়র দুর্গ ব্রিটিশের দখলে গেলে সিপাই বিদ্রোহের অবসান ঘটে
১৮৮৫: সংস্কৃত ভাষার সুপণ্ডিত তারানাথ তর্কবাচস্পতির মৃত্যু
১৯১২: পোলান্ডের বিজ্ঞানী ডক্টর কাসিমির ফুনক প্রথম ভিটামিন আবিষ্কার করেন
১৯২৩: বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক গৌরকিশোর ঘোষের জন্ম
১৯৩৯: ক্রিকেটার রমাকান্ত দেশাইয়ের জন্ম
১৯৪৩: বিশিষ্ট অভিনেতা দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৪৭: বঙ্গ আইন সভায় বাংলা ভাগের প্রস্তাব গৃহীত হয়
১৯৫২: লেখক বিক্রম শেঠের জন্ম
১৯৭২: অভিনেতা রাহুল খান্নার জন্ম
১৯৭৯: ফুটবলার রেনেডি সিংয়ের জন্ম
২০০০: অভিনেতা বসন্ত চৌধুরীর মৃত্যু
২০০৭: অভিনেত্রী অনীতা গুহের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৫৬ টাকা ৮৪.৩০ টাকা
পাউন্ড ১০৪.৩৩ টাকা ১০৭.৮১ টাকা
ইউরো ৮৮.০৪ টাকা ৯১.১৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭২,৩৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭২,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৬৯,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৮,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৮,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আষাঢ়, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪। ত্রয়োদশী ৭/১৮ দিবা ৭/৫১। অনুরাধা নক্ষত্র ৩৩/৫ অপরাহ্ন ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/২৮, সূর্যাস্ত ৬/১৯/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২ গতে ৯/৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৯ গতে ২/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ প্রাতঃ ৫/৫০ মধ্যে পুনঃ ৯/২৪ গতে ১১/১১ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৮ গতে ১২/৫৮ ম঩ধ্যে।  
৫ আষাঢ়, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪। ত্রয়োদশী ৬/৩৭ অনুরাধা নক্ষত্র অপরাহ্ন ৫/৪৭। সূর্যোদয় ৪/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/২২। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪২ গতে ৬/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/১২ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৪/৫৫ মধ্যে মাহেন্দ্রযোগ  দিবা ৫/৫৬ মধ্যে ও ৯/২৩ গতে ১১/১৬ মধ্যে। কালবেলা ৩/১ গতে ৬/২২ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৯ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।  
১৩ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইউরো কাপ: হাঙ্গেরিকে ২-০ গোলে হারাল জার্মানি

19-06-2024 - 11:28:58 PM

টি২০ বিশ্বকাপ: আমেরিকাকে ১৮ রানে হারাল দঃ আফ্রিকা

19-06-2024 - 11:26:30 PM

ইউরো কাপ: জার্মানি ২ : হাঙ্গেরি ০ (৭৫ মিনিট)

19-06-2024 - 11:10:45 PM

 ইউরো কাপ: জার্মানি ১-হাঙ্গেরি ০ (হাফটাইম)

19-06-2024 - 10:24:30 PM

ইউরো কাপ: জার্মানি ১-হাঙ্গেরি ০ (২৩ মিনিট)

19-06-2024 - 09:59:45 PM

ইউরো কাপ: জার্মানি ০ : হাঙ্গেরি ০ (৫ মিনিট)

19-06-2024 - 09:41:41 PM