Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

রাজ্যগুলির দাবি ন্যায্য

ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় কেন্দ্র কোনও ‘প্রভু’ নয় এবং রাজ্যগুলিও নয় তার ‘হুকুমবরদার’। কেন্দ্র ‘দাতা’ এবং রাজ্যগুলি ‘অনুগৃহীত’—এমনও নয় সম্পর্কটি। ভারত রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে রাজ্যগুলির সমবায়ের নীতির ভিত্তিতে। সেখানে কেন্দ্র রয়েছে একটি সমন্বয়কারীর ভূমিকায়। দেশ যাতে তার স্বাধীনতা ও অখণ্ডতা এবং সার্বভৌম চরিত্র বজায় রেখে শক্তিশালী হতে পারে সংবিধানে রয়েছে তার যাবতীয় সংস্থান। শক্তিবৃদ্ধির সেরা চাবিকাঠি হল নিরন্তর উন্নয়ন। ভারতে প্রদেশ এবং অঞ্চল ভেদে ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি প্রভৃতি বিচিত্র। তাই ভারতকে উন্নয়নের রাস্তা খুঁজতে হয় বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের সৌন্দর্যকে অক্ষুণ্ণ রেখেই। যাতে এই মহান প্রক্রিয়া বিঘ্নকারী কোনও সংঘাতের বাতাবরণ সৃষ্টি না-হয়, তার জন্য সংবিধান কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলির দায়িত্ব, কর্তব্য ও অধিকার সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছে। সেগুলি বর্ণিত হয়েছে কেন্দ্র তালিকা, রাজ্য তালিকা এবং যৌথ তালিকায়। যেমন প্রতিরক্ষা, বিদেশ, পারমাণবিক শক্তি, রেল ও বিমান, বৈদেশিক বাণিজ্য, ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা প্রভৃতি দায়িত্ব একান্তভাবেই কেন্দ্রকে পালন করতে হয়। রা঩জ্যের তালিকাভুক্ত উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলি হল—কৃষি, পুলিস, স্বাস্থ্য, জমি, আবগারি, প্রাণিসম্পদ, রাজ্য সরকারের পরিষেবা প্রভৃতি। আর কেন্দ্র এবং রাজ্য দুই সরকারের সুসমন্বয়ের ভিত্তিতে যে কাজগুলি সম্পন্ন হয় সেই তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল—শিক্ষা, অকৃষি সম্পত্তির হস্তান্তর, অরণ্য, শ্রমিক ইউনিয়ন, ভেজাল প্রতিরোধ, দত্তক ও উত্তরাধিকার প্রভৃতি। 
তালিকা তিনটি থেকে পরিষ্কার যে, উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র, রাজ্য উভয়েরই বিপুল অর্থের প্রয়োজন। তবে রাজস্ব সংগ্রহের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের ভূমিকা নগণ্য—রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিই হল সকল আয়-সম্পদের উৎস। রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি থেকেই প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কর হিসেবে যাবতীয় রাজস্ব কেন্দ্র সংগ্রহ করে। বিপুল ব্যয়ভার সামলানোর জন্য, এরপর সেই অর্থের কিছুটা কেন্দ্রের রেখে দেওয়ার কথা এবং বাকিটার সুষম বণ্টন হওয়ার কথা সাংবিধানিক ফর্মুলা মেনে। সমস্যাটা ঠিক এখানেই। আয়কর, জিএসটি এবং অন্যান্য সূত্রে কেন্দ্র যে হাজার হাজার কোটি টাকা রাজ্যগুলি থেকে তুলে নিয়ে যায়, তার দরুন রাজ্যগুলির ন্যায্য প্রাপ্য মেটাতে তীব্র অনীহা প্রকাশ করে দিল্লি। নিজের প্রাপ্য পেতে তখন রাজ্যগুলি বাধ্য হয় দিল্লির কাছে দরবার করতে। প্রাপ্য মেটানো দূর, কেন্দ্র বহু ক্ষেত্রে রাজ্যের দাবি, অনুরোধ, উপরোধে সাড়াই দেয় না। দিল্লিওয়ালাদের কারবার দেখে জমিদারি জমানার কথা মনে পড়ে যেতে পারে। ইচ্ছে হলে দেব, মর্জি না-হলে দেব না—কেন্দ্রের হাবভাব পরিষ্কার এটাই। এই ব্যাধি অবশ্য নতুন নয়, বিধান রায়ের আমল থেকেই বাংলা এই জিনিস দেখে আসছে। অত্যন্ত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বন্ধু হিসেবে বিধানচন্দ্র অবশ্য বাংলার জন্য অনেক কিছু বাগিয়ে আনতে পেরেছিলেন। নেহরু জমানার ওই ‘দীর্ঘদেহী’ মুখ্যমন্ত্রীর আরও মস্ত সুবিধা ছিল, তিনিও কংগ্রেসি। 
কিন্তু পরবর্তী পাঁচ-ছয় দশকের বেশিরভাগ সময় বাংলার শাসনকর্তারা অকংগ্রেসি। আরও সমস্যা হল, কেন্দ্রীয় ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতছাড়া হলেও কেন্দ্র আর বাংলার সরকার এক পার্টি বা জোটের হয়নি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। তার ফলে পশ্চিমবঙ্গ বারবারই রাজনৈতিক সংকীর্ণতার বলি হয়েছে। নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘ জমানার তো তুলনাই নেই। তাঁর আমলে বাংলা চিহ্নিত হয়েছে ‘সিঙ্গল ইঞ্জিন’ রাজ্য নামে। অর্থাৎ বাংলার জন্য কেন্দ্রীয় বঞ্চনাই দস্তুর। যেমন এই মুহূর্তে নানা খাতে, প্রকল্পে বাংলার প্রাপ্য অর্থ কেন্দ্র আটকে রেখেছে দিল্লি। তার জন্য অজুহাতেরও অন্ত নেই! নবান্নের হিসেবে, কেন্দ্রের কাছে বাংলার ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকার ন্যায্য প্রাপ্য আটকে রয়েছে। তবে মোদি-শাহের সাধের ‘ডাবল ই঩ঞ্জিন’ রাজ্যগুলিও আর ভালো নেই। বিজেপি/এনডিএ রাজ্য সরকারগুলিকেও শুকিয়ে মারছে দিল্লি। তাই করের ভাগবৃদ্ধির দাবি তুলেছে বাংলার সঙ্গে অন্যরাও। সম্প্রতি কেরল, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু ও তেলেঙ্গানা করের ভাগের অন্তত ৫০ শতাংশ প্রদানের দাবিতে সরব হয়েছে। তাদের অর্থমন্ত্রীরা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এই দাবি তাঁরা জানাবেন অর্থ কমিশনের কাছে। রিপোর্টে সেমতোই সুপারিশ করতে হবে অর্থ কমিশনকে। পিছিয়ে নেই বিজেপি-শাসিত ওড়িশা, গুজরাত, হরিয়ানাও। অর্থাৎ দিল্লির বিরুদ্ধে বঞ্চনার সুর ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারগুলির কণ্ঠেও। তারাও পরিষ্কার করে দিয়েছে, এই অন্যায় বঞ্চনা নিয়ে কেউই আর ‘সংসার’ চালাতে পারছে না। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণই যে গণতান্ত্রিক ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রধান অভিমুখ, এই সত্য অস্বীকার করে ভারত কখনোই শক্তিশালী হবে না। দেশের ঐক্য ও সংহতির সৌন্দর্যের জাদুকাঠি অন্য কিছু নয়।
12th  February, 2025
উৎপাদনে রাজ্যের গুরুত্ব

কেন্দ্রের আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্টের দাবি, ২০২৩-২৪ সালে দেশে বেকারত্বের হার ৩.২ শতাংশে নেমে এসেছে। তত্ত্বগতভাবে এটা বস্তুত ‘পূর্ণ কর্মসংস্থান’ বিবেচনারই শামিল! তবে একইসঙ্গে সতর্ক করা হয়েছে যে, ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর কৃষি ক্ষেত্রের বাইরে সাড়ে ৭৮ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। 
বিশদ

ললাট লিখন

কপালের লিখন খণ্ডাবে কে? গত ২১ মাসে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে অপসারণ চেয়ে বারবার সরব হয়েছে বিরোধীরা। নিজের দলের বিক্ষুব্ধ একটা বড় অংশের বিধায়করাও একই দাবিতে সরব ছিলেন। রাজ্যের হিংসা পরিস্থিতিতে যখন কোনও লাগাম টানা যাচ্ছে না, পুলিস-প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ, রাজ্যের মানুষকে যে সরকার নিরাপত্তা দিতে পারেনি তারা কেন ক্ষমতায় থাকবে— সেই প্রশ্নও তুলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।
বিশদ

11th  February, 2025
দিবাস্বপ্নের কারবারি

জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি) ২০২০ রূপায়ণ নিয়ে মোদি সরকার অনেক ঢাক ঢোল পিছিয়েছিল। কিন্তু এনইপি রূপায়ণের জন্য যে পরিমাণ অর্থ জরুরি, তার সংস্থান কেন্দ্র এখনও করেনি। এনইপি সুপারিশ করেছিল যে, প্রতিবছর জিডিপির অন্তত ৬ শতাংশ অর্থ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ করতে হবে।
বিশদ

10th  February, 2025
ইতিহাসের ‘লজ্জা’!

ঢাকার ৩২নং ধানমন্ডি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির ঠিকানা। এই বাড়ি থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন তিনি। সেটা ১৯৭১ সাল। তার চার বছর পর, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এই বাড়িতেই সপরিবার মুজিবকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল।
বিশদ

09th  February, 2025
সীমা লঙ্ঘন

দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেই অসংখ্য অভিবাসীকে দেশছাড়া করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইমতো বুধবার মার্কিন দেশের একটি সামরিক বিমানে চাপিয়ে অমৃতসরে ফেরত পাঠানো হয়েছে ১০৪ জন ভারতীয়কে।
বিশদ

08th  February, 2025
অভূতপূর্ব, আশাপ্রদ

সিপিএম শাহির পতন যে সময়ের অপেক্ষামাত্র, তা আঁচ করতে পেরেছিল সকলেই। লাগাতার লালসন্ত্রাসে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। ওইসঙ্গে রাজ্যকে গ্রাস করেছিল দুর্নীতি আর অনুন্নয়নের রকমারি। একদিকে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছিলাম শিক্ষায়, অন্যদিকে বাংলাজুড়ে তীব্র হচ্ছিল বেকারত্বের জ্বালা।
বিশদ

07th  February, 2025
রশ্মি

ব্রহ্ম আর শক্তি অভেদ। এক কে মানলেই আর একটীকে মানতে হয়। যিনিই ব্রহ্ম তিনিই শক্তি। তাঁকেই মা বলে ডাকি। কালীই ব্রহ্ম, ব্রহ্মই কালী। যেমন অগ্নি আর তার দাহিকাশক্তি,—অগ্নি মানলেই দাহিকাশক্তি মানতে হয়, একটাকে ছেড়ে আর একটাকে ভাবা যায় না।
বিশদ

06th  February, 2025
বেকাররা সেই তিমিরেই

রাজনীতিকে আপনি ‘রাজার নীতি’ কিংবা ‘নীতির রাজা’ যেদিকে থেকেই ব্যাখ্যা করুন না কেন, তার কেন্দ্রে হল মানুষ। এখন ভারতই বিশ্বের সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশ। ভারতে সরকার তৈরি হয় প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে। 
বিশদ

06th  February, 2025
গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল 

নরেন্দ্র মোদির প্রথম দশ বছরের জমানা থেকে করোনাকালের দু’বছর আমরা ছাড় দিচ্ছি। বাকি আটটি বছর পেয়েছেন তিনি উপদ্রবহীন। প্রতিবারই সরকার গড়েছেন এনডিএ জোটের নেতা হিসেবে। প্রথম দুটি টার্মে তাঁর দল বিজেপি সংসদে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা নিয়েই ‘দাদাগিরি’ করেছে।
বিশদ

05th  February, 2025
লাভবান কত শতাংশ?

মধ্যবিত্তের স্বপ্ন পূরণের বাজেট, বক্তৃতা শেষ হওয়ার পর বলেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবারের কেন্দ্রীয় বাজেটের যে-দিকটি নিয়ে মধ্যবিত্ত উল্লসিত, তা হল— বেতনভোগী যাদের বার্ষিক আয় ১২ লাখ পর্যন্ত, তাদের আর কর দিতে হবে না।
বিশদ

04th  February, 2025
বৈষম্য বৃদ্ধির আশঙ্কা

বাজেট আসে বাজেট যায়, মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয় না। কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে, অন্তত এবার তারা দেশবাসীর এই খেদ দূর করতে পেরেছে। শনিবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সংসদে যে বাজেট পেশ করেছেন, তাতে সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

03rd  February, 2025
কুর্সি দখলের মরিয়া চেষ্টা

সম্পূর্ণ ফ্রিতে পরিষেবা। আম জনতার দুঃখ-কষ্ট ঘুচিয়ে, চোখের জল মোছাতে কে, কত পরিষেবা দেবে, ভোটের ময়দানে নেমে রীতিমতো ঢেঁড়া পিটিয়ে তা জানিয়ে দিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। নিলাম ডাকার ভঙ্গিতে ‘দানের’ এই প্রতিযোগিতার তীব্র লড়াইয়ের আঁচ মেলে ভোটের আগেই।
বিশদ

02nd  February, 2025
কর্পোরেট ফাঁসে

একেবারেই ‘ভদ্রলোকের চুক্তি’! তবে অলিখিত। ব্যাঙ্ক থেকে কোটি কোটি টাকা ঋণ নিলেও তা শোধ করতে হবে না। একটা সময়ের পর ব্যাঙ্ক নিজেই তা মকুব করে দিতে পারে। এতে ঋণ-পরিশোধের কোনও দায় থাকল না। অন্যদিকে, ব্যাঙ্কের খাতায় অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ (এনপিএ বা নন পারফর্মিং অ্যাসেট) কম দেখানো গেলে তাদের ‘আর্থিক স্বাস্থ্য ভালো’ বলে তৃপ্তির ঢেকুর তোলা যাবে।
বিশদ

01st  February, 2025
মহাবিপর্যয় 

প্রয়াগের কুম্ভমেলা ২০২৫ শুরুর আগে থেকেই আরম্ভ হয়ে গিয়েছিল হাজারো গাওনা বাজনা। তার মধ্যে প্রথম হচ্ছে নামকরণ। লোকে যেটাকে ‘পূর্ণকুম্ভ’ বলে জানে, তার নাম দেওয়া হল ‘মহাকুম্ভ’। অন্যবার যে বিশেষ স্নানকে ‘শাহিস্নান’ বলা হয়েছে, তা এবার ‘অমৃতস্নান’।
বিশদ

31st  January, 2025
বেকারত্ব, প্রতিশ্রুতি, পরিণতি

কেউ বি টেক, কেউ এম কম! বিএ, বি এসসি পাশ তো আছেই।‌ যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশ, থুড়ি, রামরাজ্যের এমন কিছু যুবকের কোনও চাকরি জোটেনি। পেটের জ্বালায় তারা বেছে নিয়েছে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের কারবার। মোটা রোজগারের আশায় তৎসহ যোগ দিয়েছে ডাকাতিতেও কেউ কেউ।
বিশদ

30th  January, 2025
খেলাপ ও খেলাপিদের সুরক্ষা

শব্দই ব্রহ্ম। শব্দের পর শব্দ সাজিয়ে মানুষ কথা বলে। সেই কথাই দামি, যা অর্থবহ। ব্যক্তিত্বসচেতন ব্যক্তিরাই অর্থবহ কথা বলেন। সবচেয়ে ব্যক্তিত্বপূর্ণ ব্যক্তিকেই জনগণ তাদের ‘অভিভাবক’ নির্বাচন করে। অভিভাবক সেই কথা বলবেন, যা তিনি রাখতে পারবেন।
বিশদ

29th  January, 2025
একনজরে
৫৫ বলে ৫২। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের নিরিখে মন্দের ভালো। টানা ব্যর্থতার পর অবশেষে রানে ফেরার ইঙ্গিত মিলল বিরাট কোহলির ব্যাটে। বুধবার মোতেরায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় একদিনের ...

টেমস নদীর ধারে বঙ্গ সংস্কৃতির মুকুটে কৃতিত্বের আরও এক পালক। মার্চেই ব্রিটেনে পাকাপাকিভাবে ঠাঁই পেতে চলেছেন মা দুর্গা। ...

মাঘী পূর্ণিমায় পূর্ণকুম্ভে স্নান করতে গিয়ে সঙ্গমে  মৃত্যু হল উত্তর ২৪ পরগনার এক মহিলার। ডুব দিয়ে তিনি উঠে আসতে পারেননি।   ...

কোন সিন্ডিকেটের জন্য চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করল জেলা প্রশাসন। খাদ্যদপ্তর বিভিন্ন রাইসমিলের পাশাপাশি গোডাউনেও অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খুচরো বিক্রেতাদের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

জলপথ পরিবহণ কর্মে বিশেষ শুভ। হস্তশিল্পী, হিসাব-শাস্ত্রবিদ প্রমুখের কর্মে উন্নতি ও সুনাম। মানসিক অস্থিরতা থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব রেডিও দিবস
১৬০১: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সমুদ্র পথে ভারত আগমন
১৮৩২: লন্ডনে প্রথম কলেরার প্রাদুর্ভাব
১৮৭৯: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও কবি সরোজিনী নাইডুর জন্ম
১৮৮২: কলকাতায় প্রথম পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়
১৯৩১: ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে নয়াদিল্লিতে স্থানান্তর হয়
১৯৪৫: অভিনেতা বিনোদ মেহরার জন্ম
১৯৬০: ফ্রান্সের সফল পরমাণু পরীক্ষা
১৯৬৯: পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের প্রথম বাঙালি গভর্নর ও ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান
১৯৭৪ – উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিল্পী ওস্তাদ আমির খাঁর মৃত্যু
১৯৮৫: টেনিস খেলোয়াড় সোমদেব দেববর্মনের জন্ম 
২০১৫: কেশব রেড্ডি, ভারতীয় চিকিৎসক ও লেখক



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮৫.৮৮ টাকা ৮৭.৬২ টাকা
পাউন্ড ১০৬.০৭ টাকা ১০৯.৮১ টাকা
ইউরো ৮৮.১৬ টাকা ৯১.৫৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৮৫,৩০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৮৫,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৮১,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৯৪,৮৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৯৪,৯৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ ফাল্গুন, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। প্রতিপদ ৩৫/২০ রাত্রি ৮/২২। মঘা নক্ষত্র ৩৭/১৩ রাত্রি ৯/৭। সূর্যোদয় ৬/১৩/৪৫, সূর্যাস্ত ৫/২৮/১১। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৭ গতে ৩/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৩৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৫১ গতে ১/২৬ মধ্যে। 
৩০ মাঘ, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। প্রতিপদ রাত্রি ৭/৫২। মঘা নক্ষত্র রাত্রি ৯/০। সূর্যোদয় ৬/১৬, সূর্যাস্ত ৫/২৭। অমৃতযোগ রাত্রি ১/০ গতে ৩/২৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ১০/৩৬ গতে ১২/৫৭ মধ্যে। কালবেলা ২/৪০ গতে ৫/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫২ গতে ১/২৮ মধ্যে। 
১৪ শাবান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শিয়ালদহের ফুল বাজারে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৭টি ইঞ্জিন

11:06:00 PM

ওয়াশিংটনে শুরু হয়েছে মোদি এবং মাস্কের বৈঠক

10:43:00 PM

বীরভূমের হেতমপুরে একটি বাড়িতে আগুন
বীরভূমের দুবরাজপুরের হেতমপুর পঞ্চায়েতের চিৎগ্রামে একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড। জানা গিয়েছে, ...বিশদ

10:22:00 PM

এসআই অমিতাভ মালিক হত্যা মামলা: দার্জিলিং আদালতে আত্মসমর্পণ বিমল গুরুংয়ের
রাজ্য পুলিসের এসআই অমিতাভ মালিক হত্যা মামলায় আজ, বৃহস্পতিবার দার্জিলিং ...বিশদ

10:17:00 PM

উত্তরপ্রদেশের আরালি ঘাটে চলছে আরতি

10:04:00 PM

ওয়াশিংটনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ওয়াল্টজের মধ্যে শুরু হয়েছে বৈঠক

09:47:00 PM