সম্পত্তি সংক্রান্ত আইনি প্রচেষ্টায় সাফল্যের সম্ভাবনা। ন্যায্য অর্থ সঠিক সময়ে নাও পেতে পারেন। অর্থপ্রাপ্তির যোগ ... বিশদ
এদিন সন্ধ্যায় শিলিগুড়িতে পুজোর বাজারে বিধান মার্কেট, শেঠ শ্রীলাল মার্কেট, মহাবীরস্থান বাজারে মানুষের ঢল নামে। শহরের শপিংমলগুলিতেও ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিন গণেশ প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রা, অন্যদিকে পুজোর কেনাকাটা করতে মানুষ বাজারের ভিড় করায় শিলিগুড়িতে পুজোর আমেজ তৈরি হয়। সর্বত্রই উৎসবের পরিবেশ।
এদিন পরিবার নিয়ে বিধান মার্কেটে পুজোর বাজার করতে এসেছিলেন এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কর্মী ভাস্কর সাহা। তিনি বলেন, এদিন আবহাওয়া ভালো রয়েছে। আবার কোনদিন বৃষ্টি নামবে, কতদিন চলবে কেউ বলতে পারে না। তাই এদিনই পুজোর কেনাকাটা সেরে নিলাম। বাজারে এসে দেখছি উৎসবের আমেজ। ভালো লাগছে।
হায়দরপাড়ার ব্যবসায়ী দীপেন সূত্রধরও এদিন পরিবার নিয়ে পুজোর বাজার করতে এসেছিলেন। তিনি বলেন, প্রতি বছরই পুজোয় পরিবার নিয়ে বাইরে ঘুরতে যাই। কিন্তু নিজের শহরে সপরিবারে পুজোর বাজার করার আনন্দটা হাতছাড়া করতে চাই না। এর একটা আলাদা আনন্দ রয়েছে। এখন কেনাকাটা করে না রাখলে পরে পছন্দমতো জিনিস পাওয়া যাবে না।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে পুজোর কেনাকাটায় মানুষের ঢল নামায় খুশি দোকানিরাও। বিধান মার্কেটের এক অস্ত্র ব্যবসায়ী গোপাল সরকার বলেন, গত কয়েক বছর ধরে শিলিগুড়িতে গণেশ পুজো থেকে দুর্গাপুজোর আবহ তৈরি হয়। এবারও গণেশ সরকার পুজোর দিন থেকেই বাজারে ভিড় একটু একটু করে বাড়ছিল। এদিন সন্ধ্যা হতে যে জনজোয়ার বাজারে আছড়ে পড়েছে তাতে আমরা খুশি। শপিংমলের যুগেও সাধারণ বাজারে মানুষের ভিড় আমাদের উজ্জীবিত করছে।
শুধু জামা কাপড়ের দোকানই নয়। জুতো, সাজগোজের সরঞ্জাম ও ইমিটেশনের অলঙ্কারের দোকানেও ভিড় ছিল। একদিকে গণেশ ঠাকুরের বিসর্জনের শোভাযাত্রা আর অন্যদিকে বাজারগুলিতে জমজমাট ভিড়, এদিন শিলিগুড়িতে উৎসবের পরিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে। শিলিগুড়িতে শেঠ শ্রীলাল মার্কেটে পুজোর কেনাকাটার ভিড়।-নিজস্ব চিত্র