Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি। সেদিনও ভোট ছিল, খাদ্য ও বাসস্থানের অভাবও ছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও ফিরতে বাধ্য করা হয়নি কাউকেই। রাস্তাঘাটে সর্বত্র শিকড় হারানো মলিন মুখের মানুষের আনাগোনায় বদলে গিয়েছিল চেনা পথের চেহারাটাই। কয়েক দশক কেটে গেলেও উদ্বাস্তু সমস্যা এবং দেশভাগের সেই দগদগে ক্ষত আজও শুকোয়নি। কোনওরকমে প্রাণ বাঁচাতে শেষবার ’৭১ সালে বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় ভিটে ছেড়ে পূর্ববঙ্গ থেকে দলে দলে আসে শরণার্থী। খাদ্য নেই, পানীয় জল নেই, মাথার উপর ছাদের বদলে শুধুই খোলা আকাশ। ট্রেনে, স্টেশনে, খাল, বিল নদীর পাড়ে কোলে দুধের শিশু আর বৃদ্ধ বাবা-মাকে নিয়ে একটু নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ। অন্তহীন সব হারানো মানুষের মিছিল। যাঁরাই এসেছেন তাঁদেরই বুকে ধরে আপন করে নিয়েছে বাংলার মাটি। ফেরায়নি কাউকেই। অসহায় শরণার্থীদের জাত ধর্ম সম্প্রদায় কিছুই মিলিয়েও দেখা হয়নি তখন। বিচার করা হয়নি, ওরা হিন্দু না মুসলিম। প্রাণ বাঁচানোর মরিয়া আর্তি নিয়ে আসা মানুষগুলোকে মাথা গোঁজার আশ্রয় দিতে সেদিন কোনও কার্পণ্য করেনি রবীন্দ্রনাথ-নেতাজি-বিবেকানন্দের মানবিক বাংলা। সহস্র উদ্বাস্তু প্রাণ ধীরে ধীরে বাধা পড়েছে একসূত্রে, একই মালায়। হাজারো সঙ্কট আর অভাব, কিছুই এই সঙ্কল্প থেকে টলাতে পারেনি। কিন্তু আজ এতদিন পর কোথায় যেন সেই চিরায়ত সুর কাটছে। বিভেদ ও বিচ্ছিন্নতার আবর্তে ‘মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুমের’ আবেগকেই বিপন্ন করার চক্রান্ত চলছে। বা বলা ভালো, আইন করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে পাঁচিল তোলার এক অপপ্রয়াস শুরু হয়েছে। যার জেরে নতুন করে নিজভূমে পরবাসী হওয়ার ভয় আর আতঙ্ক চেপে বসছে বাংলা তথা গোটা দেশের বুকে। এবার আর দেশভাগ নয়, দেশের মানুষকে নতুন করে শরণার্থী বানানোর এই নতুন উপদ্রবের নাম এনআরসি ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। ধনী দরিদ্র নয়, সৎ অসৎ নয়, এবার মানুষকে ভাগ করা হচ্ছে, শরণার্থী আর অনুপ্রবেশকারী — এই দু’ভাগে। যার প্রধান লক্ষ্য, আরও বেশি করে ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নামে বিভাজন ঘটিয়ে, মেরুকরণ করে ভোটবাক্সে ‘পদ্ম’-র ঢেউ তোলা। সেই লক্ষ্যেই এবার ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের কাঠামোটাকেই দুমড়ে মুচড়ে শুধুমাত্র অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের এমন বিপুল আয়োজন। ফের ২০২৪-এ কেন্দ্রের ক্ষমতা দখলই যার চূড়ান্ত উদ্দেশ্য।
অতি সম্প্রতি অসমে এনআরসি কার্যকর করার সঙ্গেই গোটা প্রক্রিয়ার শুরু। আর তারপর রোজ নিয়ম করে দোর্দণ্ডপ্রতাপ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ঘোষণা, সারা দেশেই এনআরসি হবে। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো হবে ২০২৪-এর আগেই। এই একটা হুঙ্কারই সর্বত্র এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। আবার ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্ক আর ভীতি চেপে বসেছে বাংলার মানুষের মনে। না, ভুল বললাম, গোটা দেশে। বাজারে পেঁয়াজ দেড়শো টাকা ছাড়াচ্ছে। সব্জির বাজার আগুন। ভয়ঙ্কর মন্দা আর সেইসঙ্গে বিক্রি ও চাহিদার অভাবের ত্র্যহস্পর্শে শিল্পে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। চাকরি নেই, উল্টে কাজ হারিয়ে নতুন করে বেকার বাড়ছে। ছোট ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বলছে, এর থেকে এখনই পরিত্রাণের কোনও উপায় নেই। জিডিপি কমতে কমতে ৪.৫-এ এসে দাঁড়িয়েছে। ব্যাঙ্কগুলো ডুবছে। অথচ, সেদিকে কোনও ভ্রুক্ষেপই নেই সরকারের। তারা এখন মেতে রয়েছেন শরণার্থী আর বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে। মুসলিম-অমুসলিম বিভাজন ঘটানোর ভয়ঙ্কর খেলায়। এই সাম্প্রদায়িক আগুন নিয়ে খেলার শেষ কোথায় কে জানে! গেরুয়া শিবির বলছে, বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুদের প্রাপ্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতেই এনআরসি ও নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ করাতে কেন্দ্র বদ্ধপরিকর। আর বিরোধীদের সমালোচনা, আরএসএসের পুরনো এজেন্ডা হিন্দুরাষ্ট্র গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতেই এতটা মরিয়া মোদি সরকার।
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে ইতিমধ্যেই কাশ্মীরের ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি ঘটিয়েছেন মোদি ভাই-অমিত ভাই জুটি। বেআইনি হয়ে গিয়েছে তাৎক্ষণিক তিন তালাকও। অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণেও দেশের সর্বোচ্চ আদালতেও সুপ্রিম কোর্টের আইনি সম্মতি মিলেছে। এবার অনুপ্রবেশকারী মুসলিম হটাও অভিযান। সবমিলিয়ে দেশজুড়ে হিন্দুরাষ্ট্র গড়ার আয়োজন জোর কদমে। শেষ যেটা বাকি ছিল, আগামীকাল, সোমবারই সেই চূড়ান্ত অগ্নিপরীক্ষায় নামছে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহদের সরকার। সোমবারই লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পেশ হওয়ার কথা। বলা বাহুল্য, এই বিলের উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। যদি দ্রুত সরকার এই বিলটিকে রাজ্যসভা ও লোকসভায়, অর্থাৎ সংসদের দুই কক্ষেই পাশ করাতে সক্ষম হয় তাহলে ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই আমূল বদলে যাবে। তখনও দেশের প্রতিটি মানুষ সমান, প্রত্যেক ধর্মের একই স্থান, আমাদের সংবিধানের এই দর্শন আর উপলব্ধির কোনও তাৎপর্য থাকবে কি?
বলা বাহুল্য এনআরসিকে ভোটের বাক্সে আরও বেশি করে ফলপ্রসূ ও কার্যকর করতে তড়িঘড়ি এই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আনছে বিজেপি। এনআরসির জন্য যেন সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের এবং সেইসঙ্গে শিখ, পার্সি, বৌদ্ধ, জৈন সম্প্রদায়ের মানুষকে কোনও ঝামেলা পোহাতে না হয় সেই জন্য। ইতিমধ্যেই অসমে যে ১৯ লক্ষ লোকের নাম চূড়ান্ত এনআরসি তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তার মধ্যে ১২ লক্ষই হিন্দু! এতে অসমে বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে ক্ষমতাসীন বিজেপি। এই একটা তথ্যই বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপির কোর ভোট ব্যাঙ্কটাকে বিপদে ফেলছে। আর সেই জন্যই মোদি-অমিত শাহের যুগলবন্দিতে চলা সরকার এবার ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদানের এই ধুরন্ধর চালটি চালতে চলেছেন।
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল কার্যকর হলে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে যেসব হিন্দু, শিখ, জৈন, পার্সি, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ শরণার্থী হয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন তাঁদেরই শুধু নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। বাকিদের নয়। এর থেকেই বোঝা যায় উদ্দেশ্য খুব পরিষ্কার। বিজেপি আরএসএসের প্রধান লক্ষ্যই হল, নির্দিষ্ট তিনটি প্রতিবেশী দেশে নির্যাতনের শিকার ও আশ্রয়প্রার্থী অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দিয়ে ভারতের মূল স্রোতে শামিল করা। শোনা যাচ্ছে, সংখ্যালঘু অনুপ্রবেশকারী মুসলিমদের জন্য অন্য বন্দোবস্ত। সেখানে লাখ টাকার প্রশ্ন, অনুপ্রবেশকারী সংখ্যালঘু মুসলিমদের অতঃপর ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে, না কি ভারত থেকে পত্রপাঠ বের করে দেওয়া হবে? আরও একটি সংগত প্রশ্ন উঠছে, ভারতের সংবিধান এবং প্রাচীন ঐতিহ্য আদর্শ মানলে ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে কাউকে নাগরিকত্ব দেওয়া যুক্তিযুক্ত কি? বিরোধীরা এই যুক্তিতে সরব হয়েছেন যে, এতে সংবিধানের আত্মার অবমাননা করা হচ্ছে। সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এদেশে সবাই সমান। মানুষে মানুষে এমন বিভেদ করার কোনও সুযোগ এখানে নেই। ধর্ম এদেশে নাগরিকত্ব লাভের কোনও মাপকাঠি বা শর্ত হতে পারে না। অথচ স্বাধীনতালাভের আগে দেশভাগের সময় থেকে যে বিষ আমরা বয়ে চলেছি সেই দ্বিজাতি তত্ত্বের লক্ষ্যপূরণে এবার মরিয়া হয়ে নেমেছে শাসক বিজেপি ও তার প্রাণভোমরা আরএসএস। ভারতকে ধীরে ধীরে ১০০ কোটি হিন্দুর দেশে পরিণত করাই এই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের লক্ষ্য।
তবে, উত্তর-পূর্ব ভারতে বিজেপির সরকার বিপন্ন হতে পারে এই আশঙ্কায় অরুণাচল, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড যেখানে ইনারলাইন পারমিট বহাল আছে সেখানে এই বিল কার্যকর করা যাবে না বলে সংশোধনীতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ, নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্কের জেরে উত্তর-পূর্বে নিজের ভিত্তি দুর্বল করতে চায় না বিজেপি। অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরার মতো রাজ্যে যেসব এলাকা ষষ্ঠ তফসিলের আওতাভুক্ত সেখানেও এই বিল কার্যকর হবে না। অর্থাৎ মূলত হিন্দিবলয় এবং পূর্ব ও পশ্চিম ভারতে মুসলিম জনগোষ্ঠীকে চূড়ান্ত কোণঠাসা করে ভোটবাক্সে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করাই অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদি জুটির প্রধান লক্ষ্য। তা করতে গিয়ে মানুষে মানুষে বিভেদ, এবং স্বাধীনতার সময়েও সংবিধান প্রণেতারা যেটা হতে দেননি, সেই হিন্দুরাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্য থেকে কোনওভাবেই বিচ্যুত হতে চায় না গেরুয়া শিবির। দেশভাগের উপর্যুপরি ক্ষত আমাদের বাংলার শরীরে এখনও দগদগে হয়েই রয়েছে। এই অবস্থায় এনআরসি যাতে বাংলায় বুকে নতুন করে কোনও ক্ষত সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে প্রতিটি মানুষকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বাংলার অগ্নিকন্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই কারণেই দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য আপামর জনসাধারণকে তৈরি হতে বলেছেন। সেই দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনই স্থির করবে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে না কি অটুট থাকবে। আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে সারা দেশে এনআরসি এবং অযোধ্যায় রামমন্দির গড়া সম্পূর্ণ হলে ভারতকে হিন্দুরাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার পথে আর একটাই মাত্র বাধা অবশিষ্ট থাকবে—অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। অর্থাৎ, এক্ষেত্রেও শেষ রক্ষাকবচটিও হারাতে পারে মুসলিম সমাজ। আরএসএসের স্বপ্নের সেই হিন্দুরাষ্ট্র গড়ারই পদধ্বনিই কি শোনা যাচ্ছে মোদি-শাহ জুটির কণ্ঠে? আর সেই ভয়ঙ্কর চেষ্টার সামনে আবারও মানুষের ঢাল হয়ে দাঁড়াবার সঙ্কল্পে অবিচল বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তিনিই পারেন বাংলার মানুষের আর একবার অনৈতিকভাবে উদ্বাস্তু হওয়া ঠেকাতে।
08th  December, 2019
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভুয়ো ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে টাকা ফেরাতে ব্লক লেভেল টাস্ক ফোর্স (বিএলটিএফ) তৈরি করল জেলা প্রশাসন। গত ৭জুলাই জেলাশাসক পার্থ ঘোষ এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন। ...

 কাঠমাণ্ডু: গদি বাঁচাতে শেষপর্যন্ত করোনাকে হাতিয়ার করতে চাইছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। তবে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে তাঁর এই কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সন্দিগ্ধ রাজনৈতিক মহল। জানা গিয়েছে, করোনার মোকাবিলায় দেশে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা জারির প্রস্তাব ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্রেন বন্ধ। শিয়ালদহ খাঁ খাঁ করছে। স্টেশন সংলগ্ন হোটেল ব্যবসায়ীরা কার্যত মাছি তাড়াচ্ছেন। এশিয়ার ব্যস্ততম স্টেশনের আশপাশের লজ, হোটেল, গেস্ট হাউসগুলির সদর ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: আগেই করোনাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন বালুরঘাট শহরের বাইকের একটি শোরুমের এক কর্মী। এবার সেই শোরুমের আরও এক কর্মী এবং সেখানে আসা এক ক্রেতার করোনা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পঠন-পাঠনে আগ্রহ বাড়লেও মন চঞ্চল থাকবে। কোনও হিতৈষী দ্বারা উপকৃত হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,
১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,
১৯৪৯- ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকরের জন্ম,
১৯৫০- গায়িকা পরভীন সুলতানার জন্ম,
১৯৫১- রাজনীতিক রাজনাথ সিংয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৬.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৪ টাকা ৯৭.১৪ টাকা
ইউরো ৮২.৯৩ টাকা ৮৭.৪০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,৭১০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৮১০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী ১৬/৩০ দিবা ১১/৩৯। পূর্বভাদ্রপদ অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২৷ অমৃতযোগ দিবা ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ১১/২৭। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে।
১৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উত্তরবঙ্গে প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস
 আগামী রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের প্রায় সবকটি জেলাতেই ভারী থেকে অতি ...বিশদ

08:10:00 AM

এনকাউন্টারে খতম বিকাশ দুবে
নাটকীয় ঘটনা। যেন কোনও বলিউডি ছবির চিত্রনাট্য। ডনকে ...বিশদ

08:08:31 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,১৯৪৯- ...বিশদ

08:07:16 AM

আজকের রাশিফল 
মেষ: ব্যবসায় অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন। বৃষ: শরীর-স্বাস্থ্যে দ্রুত আরোগ্য। মিথুন: একাধিক উপায়ে ...বিশদ

08:00:40 AM

কোন জেলায় ক’টি কন্টেইনমেন্ট জোন
কলকাতা ২৫ উত্তর ২৪ পরগনা ৯৫ ...বিশদ

08:00:00 AM

কোন জেলায় কত কন্টেইনমেন্ট জোন? জানুন...
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আজ, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে রাজ্যের ...বিশদ

07:58:00 AM