Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

এখনও সময় আছে

ভারত বিপুল জনসংখ্যার এক গরিব দেশ। বিকেন্দ্রীকরণের নীতি ছাড়াই দেশের সামান্য কয়েকটি পকেটে কিছু বড় শিল্প তৈরি হয়েছে। হাতে গোনা কয়েকটি মহানগরকে কেন্দ্র করে ঘটেছে বাণিজ্য ও অর্থনীতির সীমিত বিকাশ। এরকম একটি দেশের অসংখ্য মানুষের পক্ষে জীবিকার সন্ধানে শত শত, এমনকী দু’-এক হাজার কিমি দূরে ছুটে যাওয়ার দুর্ভাগ্যটাই চরম বাস্তব। আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রের এই প্রবণতা অবশ্য নতুন নয়, শতাধিক বছরের পুরনো। স্বাধীনতার পূর্বেকার পরিস্থিতির দায় সাম্রাজ্যবাদী বিদেশি শাসকের উপর চাপিয়ে দিতেই অভ্যস্ত দেশের অভিভাবকরা। কিন্তু স্বাধীনতালাভেরও তো সাত দশক অতিক্রান্ত। এই সুদীর্ঘ সময়ে স্বাধীন রাষ্ট্র কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছে? প্রসঙ্গটি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে উঠেছে। পালাক্রমে কেন্দ্রের প্রধান দুই শাসক কংগ্রেস এবং বিজেপির কাছ থেকে এর সদুত্তর মেলেনি। (মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে একাধিক বার উদয় হওয়া অতি স্বল্পায়ু বারোভাজা সরকারগুলিকে এই আলোচনার বাইরে রাখা হল।) দেশবাসীর প‍্রাপ্তিযোগ একটাই—তরজা। দু’পক্ষের দায় এড়ানোর প্রতিযোগিতা। দোষারোপ আর পাল্টা দোষারোপের পালা। বলা বাহুল্য, এই নির্মম সার্কাস চরম নির্লজ্জকেও লজ্জায় ফেলে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। দেশবাসীর প্রাপ্তির ভাঁড়ার কতটা শূন্যগর্ভ তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আজকের করোনা পরিস্থিতি।
‘পরিযায়ী শ্রমিক’—শ্রমজীবীদের এই একটি শ্রেণী আমাদের মধ্যে বিরাটভাবে থেকেও যেন কোনওভাবেই ছিল না। আমরা জানতাম পরিযায়ী পাখিদের কথা শুধু। তারা খাদ্যের সন্ধানে বিভিন্ন ঋতুতে এদেশ সেদেশ করে বেড়ায়। ঘরের পাশের অগুনতি মানুষও যে পেটের দায়ে একই জীবনে অভ্যস্ত সে সম্পর্কে মধ্যবিত্ত সমাজ ওয়াকিবহাল ছিল না। কিন্তু রাষ্ট্র? এখন দেখা যাচ্ছে, খোঁজটা রাষ্ট্রও রাখেনি অথবা রেখেও চরমভাবে উপেক্ষা করে গিয়েছে। লকডাউন ঘোষণার আগে দু’টি বিকল্প পথের যে-কোনও একটি গ্রহণ করতে হতো: (এক) লকডাউন বলবৎ হওয়ার আগেই নিরাপদে তাঁদের বাড়িতে ফেরাতে হতো, অথবা (দুই) বর্তমান কর্মস্থলেই তাঁদের থাকা খাওয়ার ন্যূনতম স্বাস্থ্যকর বন্দোবস্ত করতে হতো। এই সাময়িক ব্যবস্থা করা যেত কেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের যৌথ প্রয়াসে। দীর্ঘ মেয়াদে কী কর্তব্য, তার বিবেচনা পরিস্থিতির স্বাভাবিকতার উপর নির্ভর করত অবশ্যই। কিন্তু এসবের কিছুই হয়নি। দীর্ঘ দু’মাসে কেন্দ্রের তরফে ঘোষিত একাধিক আর্থিক প্যাকেজ থেকেও পরিযায়ীদের জন্য কী জুটেছে—এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ ভুক্তভোগী পরিবার জানে না। সরকার যখন এতটা চোখবোজা, বিবেকহীন তখন আতান্তরে পড়ে যাওয়া মানুষগুলির সামনে আর কী অবশিষ্ট থাকে—নিজের পায়ের উপর ভরসা রাখা ছাড়া? দেশ-গাঁয়ে নিজের প্রিয় কুটির ভাঙা হলেও সেদিকেই পা বাড়ানো ছাড়া? হলই-বা তা কয়েকশো, এমনকী দু’-এক হাজার কিমি দূরে! শুকনো রুটি চিবিয়ে আছেন কিংবা খালি পেটেই—তবুও পরোয়া করছেন না তাঁরা। সঙ্গে আছেন স্ত্রী, শিশু, বৃদ্ধ বাবা-মা, পরিবারের প্রতিবন্ধী সদস্যও। আসন্নপ্রসবা মহিলাদেরকেও সঙ্গে নেওয়ার ঝুঁকি নিয়েছেন কেউ কেউ। নানা ধরনের মিডিয়ায় চোখ রাখতেই এখন আতঙ্ক হয়। কেননা কাগজের পাতা, টিভির পর্দা, সোশ্যাল মিডিয়া অধিকার করে আছে পরিযায়ী শ্রমিকদের অসংখ্য করুণ ছবি। ক্যামেরার ঝলকেও উঠে আসছে সেসব।
মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট আর মৃতের বিরামহীন মিছিল আমাদের সকলকে ভারাক্রান্ত করে তুলছে। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের সংবেদনশীল মন চাইছে, মানুষগুলির দুর্ভাগ্যে এখানেই পূর্ণচ্ছেদ পড়ুক। বন্ধ হোক মরু অভিযানের থেকেও দুঃসাধ্য তাঁদের এই হেঁটে ঘরে ফেরা। নাগরিক ও নাগরিক সমাজের এই বৈধ দাবিতে সরকার যখন কর্ণপাত করছে না, তখন এক আইনজীবী বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতের গোচরে এনে সুরাহা দাবি করেন। শুক্রবার এই বিষয়ে শুনানি করতে গিয়ে সলিসিটর জেনারেলের মাধ্যমে আদালত সরকারের বক্তব্য জেনে নেয়। তার ভিত্তিতে মামলাটি খারিজ করার পর্বে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, সারা দেশে পরিযায়ী শ্রমিকদের হেঁটে বাড়ি ফেরা আদালত বন্ধ করতে পারবে না কিংবা বিষয়টির উপর নজরদারি করাও তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। করণীয় যা প্রশাসনকেই করতে হবে। দেশবাসী মনে করছে, সরকারের শব্দ, শব্দবন্ধ, বাক্য ও পরিসংখ্যানের জাগলারি ঢের হয়েছে। এসব আর শুধু ক্লান্তিকর মনে হচ্ছে না, সব ছাপিয়ে তা হয়ে উঠেছে নিন্দনীয়, ভীষণ নিষ্ঠুর বিনোদন! দয়া করে এখনও কিছু করুন মহামান্য প্রধানমন্ত্রী। সর্বনাশের অর্ধেকটা এখনও ঠেকানোর সুযোগ আছে। পারলে সেটাই হবে প্রশংসনীয় পদক্ষেপ।
17th  May, 2020
গরিবকে মাথা তুলতে নগদ

 শস্যশ্যামলা বাংলা। কিন্তু বিধ্বংসী উম-পুন তছনছ করে দিয়েছে আমাদের ঘর। সবচেয়ে ক্ষতি করেছে সোনার বাংলার সোনার ফসলের। চাষির ঘরে তাই এখন হাহাকার। দুশ্চিন্তায় মাথায় হাত। কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলার লক্ষ লক্ষ চাষি? ঝড় আসছে বলে আগাম সতর্কবার্তা ছিল।
বিশদ

বিকেন্দ্রিত কোভিড চিকিৎসা

 সোমবারের সরকারি হিসেব বলছে, কালিম্পং ছাড়া রাজ্যে আর কোনও জেলা নেই, যাকে গ্রিন জোন হিসেবে উল্লেখ করা যায়। অর্থাৎ বাকি সমস্ত জেলাতেই কমবেশি কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগী আছে। সোজা কথায়, কালিম্পং বাদে বাংলা করোনা-পীড়িত।
বিশদ

03rd  June, 2020
আশার আলো

করোনার দাপটে যখন বিশ্বজুড়ে মন্দা শুরু হয়েছে, চাকরি যাচ্ছে কোটি কোটি মানুষের, তখন এই রাজ্যের জন্য সুখবর বয়ে এনেছে মোদি সরকারের দেওয়া এক তথ্য। কেন্দ্র জানিয়েছে, গত এক বছরে রাজ্যে চাকরির বাজার বেড়েছে। চাকরি পেয়েছেন প্রায় পৌনে তিন লক্ষ মানুষ।
বিশদ

02nd  June, 2020
সবুজায়ন সংস্কৃতি

 পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে বিধ্বংসী ঝড় বয়ে যাওয়া নতুন কিছু নয়। কিন্তু উম-পুন যে ধাক্কা দিয়ে গিয়েছে, কোনও সংশয় নেই, কলকাতার ইতিহাসে তার বিশেষ উল্লেখ থেকে যাবে। কারণ, স্মরণকালের মধ্যে কলকাতাকে এইভাবে আহত করেনি প্রকৃতির অন্য কোনও খেয়াল।
বিশদ

01st  June, 2020
দুর্দিনে ভরসা সেই কৃষি

ভারতীয় অর্থনীতির উপর করোনা আক্রমণের প্রভাব যে বিরাট হতে চলেছে, তা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই। তবে এখনও পর্যন্ত যতটুকু আমরা জানতে পারছি তা বিক্ষিপ্ত কিছু তথ্য এবং তার বেশিরভাগটাই অনুমান বা আশঙ্কা।
বিশদ

31st  May, 2020
মমতার আশঙ্কাই সত্যি

 করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের ধারাবাহিক ব্যর্থতার মাশুল দিতে হচ্ছে রাজ্যকে। পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া লকডাউন ঘোষণার ফল ভুগতে হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের। এটাই বাস্তব সত্য। তাঁদের নিয়ে কেন্দ্রের যে কোনওরকম সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না, তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট। প্রশ্ন হল, দেশবাসীর সুরক্ষায় সতর্ক প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে দেশের শাসক রাজধর্ম কতটা পালন করছে? বিশদ

30th  May, 2020
খামখেয়ালি ট্রেন

 মানুষ শোকে কাতর হয়। কিন্তু শোক যখন বিরাট বিপুল—জানা হয়ে গিয়েছে যে উপর্যুপরি শোকটাই ভবিতব্য—মানুষ সেই শোকে পাথর হয়ে যায়। ঠিক এই নিয়মেই খবরের কাগজের ভিতরের পাতায় স্বাভাবিক জায়গা খুঁজে নিয়েছে ‘আমরিকায় ভাইরাসের বলি লক্ষ, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭ লক্ষ ছাড়াল’-র মতো বিরটা খবরটি।
বিশদ

29th  May, 2020
বিপদ পিছু ছাড়েনি,
সতর্কতা জরুরি

দু’মাস পেরিয়ে গিয়েছে, অথচ করোনা নিয়ে আতঙ্ক কেটে যাওয়ার কোনও লক্ষণ নেই! বরং এই মারণ ভাইরাসের থাবায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কী দেশে, কী রাজ্যে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরও বেশ কিছুদিন এই ভাইরাসের লালচোখ দেখতে হবে। বিশদ

28th  May, 2020
সমন্বয়ের এতটা অভাব! 

জয় যেখানে চূড়ান্ত লক্ষ্য, সেটা একটা গেম, বা খেলা। সেই হিসেবে যুদ্ধ হল সবচেয়ে বড় খেলা। যুদ্ধে জরুরি সৈন্যসহ লোকবল এবং কৌশল। জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় সেরা কৌশলের দ্বারা। কৌশল নির্ধারণ করতে হয় প্রতিপক্ষ কে এবং কেমন তার শক্তি ও কৌশল ইত্যাদি দেখে।   বিশদ

27th  May, 2020
বিপদকালেও চীনের আগ্রাসন! 

ভারত বরাবরই শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের আদর্শে বিশ্বাসী। কিন্তু তার প্রতিবেশী এমন দু’টি রাষ্ট্র রয়েছে, যারা সে পথে হাঁটে না। চীন ও পাকিস্তান। কখনও সীমান্ত দিয়ে সেনা ঢুকিয়ে দখলদারির চেষ্টা, কখনও বা জঙ্গিহানায় মদত জুগিয়ে ভারত সরকারকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখতে চায় তারা।   বিশদ

26th  May, 2020
আর একটু ধৈর্য 

প্রবাদ যে কতটা সত্য বহন করে, তা পশ্চিমবঙ্গকে হাড়ে হাড়ে টের পাইয়ে দিল ২০২০। এ বছরটা শুরুই হয়েছে যেন বিপর্যয়কে সঙ্গী করে। অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে পড়েছে দেশ। সাড়ে তিন বছরেও ‘কারেকশন’ হয়নি।  বিশদ

25th  May, 2020
এবার কেন্দ্রের পালা

প্রাকৃতিক বিপর্যয় পশ্চিমবঙ্গের ফি বছরের সঙ্গী। কোনও বছর বন্যা, তো পরের বছর বিধ্বংসী ঝড়। কোনও বছর খরা, তো পরের বছর পাহাড়ে ধস। এছাড়া নদীতে ব্যাপক ভাঙন, সুন্দরবন অঞ্চলে মাইলের পর মাইল নদীবাঁধ ভেঙে যাওয়া, লোনাজল ঢুকে গিয়ে কৃষিজমি নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলি আছেই।
বিশদ

24th  May, 2020
দুর্যোগ শেষে অগ্রিম, লক্ষ কোটি
ক্ষতির হিসেব মিলবে তো?

 মারণ ঝড়ের ধ্বংসলীলায় বিধ্বস্ত রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষ। মাথার উপর ছাদটুকুও নেই, শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব অনেকেই। আকাশে আলো ফুটলেও নির্মম কঠিন এই পরিস্থিতিতে তাঁদের জীবনে কে দেবেন আলোর সন্ধান? বিশদ

23rd  May, 2020
 সবাই মিলে বিপর্যয়ের মোকাবিলা করতে হবে

পশ্চিমবঙ্গ নামের সুপ্রাচীন জনপদটি সুজলা সুফলা। সে আমাদের জন্য আশীর্বাদ। এর পিছনে রয়েছে এখানকার প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য। নদীমাতৃক এই সভ্যতা বিপুল পরিমাণে ঋণী বঙ্গোপসাগরের কাছে। বঙ্গের নামাঙ্কিত এই উপসাগর আবার ভয়ঙ্কর খেয়ালি।
বিশদ

22nd  May, 2020
জোড়া বিপর্যয় মোকাবিলার কঠিন চ্যালেঞ্জ

 বিপদ একা আসে না। বিপদের পিছু পিছু আসে অন্য বিপদ। একে করোনা সঙ্কট, তারমধ্যেই ধেয়ে এল এক ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগ উম-পুন। সুপার সাইক্লোন। এমন জোড়া ধাক্কাই সামলাতে হচ্ছে বাংলাকে। বিশদ

21st  May, 2020
অর্থনীতির প্রাণভোমরা

গত পাঁচ দশক ধরে কৃষিক্ষেত্রকে বাদ দিলে, ভারতীয় অর্থনীতির প্রধান শক্তির নাম এমএসএমই—অর্থাৎ ছোট, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। ভারতের শিল্পক্ষেত্রে এমএসএমই দু’ভাবে তার ভূমিকা পালন করে থাকে। (এক) বৃহৎ শিল্পের সহায়ক বা সহযোগী হিসেবে।
বিশদ

20th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি,বারাসত: মঙ্গলবার সন্ধ্যার প্রবল বৃষ্টিতে বসিরহাট পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডের কয়েকশো বাড়ি জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় ঘরের মধ্যে হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: কোচবিহার জেলার মাথাভাঙা মহকুমার নিশিগঞ্জের মাঘপালা সহ কোচবিহার-১ ব্লকের চান্দামারি এলাকায় ব্যাপক গাঁজা চাষ হয়। এখানকার গাঁজা চাষের কথা জেলা সহ রাজ্যের নজরেও রয়েছে। বিগত বছরগুলিতে হাজার হাজার বিঘা গাঁজা গাছ নষ্ট করেছে পুলিস। তারপরও এসব এলাকায় চাষ ...

নয়াদিল্লি, ৩ জুন: চোটের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে হার্দিক পান্ডিয়া। ভারতী দলের এই তারকা অলরাউন্ডারটিকে শেষবার টিম ইন্ডিয়ার জার্সি পরে খেলতে দেখা গিয়েছিল ২০১৮ সালে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনায় মৃত্যুহারে দেশে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে গুজরাত। কেন্দ্রীয় সরকারের এই তথ্য সামনে আসার পর ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, এটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচকদের জন্য যোগ্য জবাব। রবিবার রাজ্যে মোট কোভিড পরীক্ষা দু’লক্ষ পার করেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসাতে যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতের রচনাকার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের (শ্রীম) মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী নূতনের জন্ম
১৯৫৯: শিল্পপতি অনিল আম্বানির জন্ম
১৯৭৪: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরির মৃত্যু
১৯৭৫ - মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্ম
১৯৮৫: জার্মান ফুটবলার লুকাস পোডোলোস্কির জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.২৯ টাকা ৭৬.০১ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৪ টাকা ৯৬.২৩ টাকা
ইউরো ৮২.৬৮ টাকা ৮৫.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশী ২/৫৮ প্রাতঃ ৬/৭ পরে চর্তুদশী ৫৫/৫২ রাত্রি ৩/১৬। বিশাখা নক্ষত্র ৩৪/১৩ রাত্রি ৬/৩৭। সূর্যোদয় ৪/৫৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪/৯। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৪ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশী প্রাতঃ ৫/১ পরে চর্তুদশী রাত্রি ২/৫৩। বিশাখানক্ষত্র সন্ধ্যা ৬/২২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৬/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৬ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১১ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নয়াদিল্লিতে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫১৩
নয়াদিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৫১৩ জনের শরীরে ...বিশদ

03-06-2020 - 09:37:03 PM

রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩৪০
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৪০ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

03-06-2020 - 08:23:00 PM

পাকিস্তানে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,০৬৫ ও মৃত ৬৭ 
পাকিস্তানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪ ...বিশদ

03-06-2020 - 07:40:47 PM

কেরালায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৮২ 
গত ২৪ ঘণ্টায় কেরালায় করোনা আক্রান্ত হল আরও ৮২ ...বিশদ

03-06-2020 - 07:29:31 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১২৮৬ 
গত ২৪ ঘণ্টায় তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত হল আরও ১২৮৬জন। ফলে ...বিশদ

03-06-2020 - 07:19:16 PM

জলপাইগুড়িতে বোমা রাখার ভুয়ো ফোনে চাঞ্চল্য 
তিস্তা ব্রিজে বোমা রাখা আছে। আজ বুধবার এরকমই একটি ...বিশদ

03-06-2020 - 04:50:47 PM