Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

এখনও সময় আছে

ভারত বিপুল জনসংখ্যার এক গরিব দেশ। বিকেন্দ্রীকরণের নীতি ছাড়াই দেশের সামান্য কয়েকটি পকেটে কিছু বড় শিল্প তৈরি হয়েছে। হাতে গোনা কয়েকটি মহানগরকে কেন্দ্র করে ঘটেছে বাণিজ্য ও অর্থনীতির সীমিত বিকাশ। এরকম একটি দেশের অসংখ্য মানুষের পক্ষে জীবিকার সন্ধানে শত শত, এমনকী দু’-এক হাজার কিমি দূরে ছুটে যাওয়ার দুর্ভাগ্যটাই চরম বাস্তব। আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রের এই প্রবণতা অবশ্য নতুন নয়, শতাধিক বছরের পুরনো। স্বাধীনতার পূর্বেকার পরিস্থিতির দায় সাম্রাজ্যবাদী বিদেশি শাসকের উপর চাপিয়ে দিতেই অভ্যস্ত দেশের অভিভাবকরা। কিন্তু স্বাধীনতালাভেরও তো সাত দশক অতিক্রান্ত। এই সুদীর্ঘ সময়ে স্বাধীন রাষ্ট্র কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছে? প্রসঙ্গটি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে উঠেছে। পালাক্রমে কেন্দ্রের প্রধান দুই শাসক কংগ্রেস এবং বিজেপির কাছ থেকে এর সদুত্তর মেলেনি। (মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে একাধিক বার উদয় হওয়া অতি স্বল্পায়ু বারোভাজা সরকারগুলিকে এই আলোচনার বাইরে রাখা হল।) দেশবাসীর প‍্রাপ্তিযোগ একটাই—তরজা। দু’পক্ষের দায় এড়ানোর প্রতিযোগিতা। দোষারোপ আর পাল্টা দোষারোপের পালা। বলা বাহুল্য, এই নির্মম সার্কাস চরম নির্লজ্জকেও লজ্জায় ফেলে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। দেশবাসীর প্রাপ্তির ভাঁড়ার কতটা শূন্যগর্ভ তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আজকের করোনা পরিস্থিতি।
‘পরিযায়ী শ্রমিক’—শ্রমজীবীদের এই একটি শ্রেণী আমাদের মধ্যে বিরাটভাবে থেকেও যেন কোনওভাবেই ছিল না। আমরা জানতাম পরিযায়ী পাখিদের কথা শুধু। তারা খাদ্যের সন্ধানে বিভিন্ন ঋতুতে এদেশ সেদেশ করে বেড়ায়। ঘরের পাশের অগুনতি মানুষও যে পেটের দায়ে একই জীবনে অভ্যস্ত সে সম্পর্কে মধ্যবিত্ত সমাজ ওয়াকিবহাল ছিল না। কিন্তু রাষ্ট্র? এখন দেখা যাচ্ছে, খোঁজটা রাষ্ট্রও রাখেনি অথবা রেখেও চরমভাবে উপেক্ষা করে গিয়েছে। লকডাউন ঘোষণার আগে দু’টি বিকল্প পথের যে-কোনও একটি গ্রহণ করতে হতো: (এক) লকডাউন বলবৎ হওয়ার আগেই নিরাপদে তাঁদের বাড়িতে ফেরাতে হতো, অথবা (দুই) বর্তমান কর্মস্থলেই তাঁদের থাকা খাওয়ার ন্যূনতম স্বাস্থ্যকর বন্দোবস্ত করতে হতো। এই সাময়িক ব্যবস্থা করা যেত কেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের যৌথ প্রয়াসে। দীর্ঘ মেয়াদে কী কর্তব্য, তার বিবেচনা পরিস্থিতির স্বাভাবিকতার উপর নির্ভর করত অবশ্যই। কিন্তু এসবের কিছুই হয়নি। দীর্ঘ দু’মাসে কেন্দ্রের তরফে ঘোষিত একাধিক আর্থিক প্যাকেজ থেকেও পরিযায়ীদের জন্য কী জুটেছে—এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ ভুক্তভোগী পরিবার জানে না। সরকার যখন এতটা চোখবোজা, বিবেকহীন তখন আতান্তরে পড়ে যাওয়া মানুষগুলির সামনে আর কী অবশিষ্ট থাকে—নিজের পায়ের উপর ভরসা রাখা ছাড়া? দেশ-গাঁয়ে নিজের প্রিয় কুটির ভাঙা হলেও সেদিকেই পা বাড়ানো ছাড়া? হলই-বা তা কয়েকশো, এমনকী দু’-এক হাজার কিমি দূরে! শুকনো রুটি চিবিয়ে আছেন কিংবা খালি পেটেই—তবুও পরোয়া করছেন না তাঁরা। সঙ্গে আছেন স্ত্রী, শিশু, বৃদ্ধ বাবা-মা, পরিবারের প্রতিবন্ধী সদস্যও। আসন্নপ্রসবা মহিলাদেরকেও সঙ্গে নেওয়ার ঝুঁকি নিয়েছেন কেউ কেউ। নানা ধরনের মিডিয়ায় চোখ রাখতেই এখন আতঙ্ক হয়। কেননা কাগজের পাতা, টিভির পর্দা, সোশ্যাল মিডিয়া অধিকার করে আছে পরিযায়ী শ্রমিকদের অসংখ্য করুণ ছবি। ক্যামেরার ঝলকেও উঠে আসছে সেসব।
মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট আর মৃতের বিরামহীন মিছিল আমাদের সকলকে ভারাক্রান্ত করে তুলছে। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের সংবেদনশীল মন চাইছে, মানুষগুলির দুর্ভাগ্যে এখানেই পূর্ণচ্ছেদ পড়ুক। বন্ধ হোক মরু অভিযানের থেকেও দুঃসাধ্য তাঁদের এই হেঁটে ঘরে ফেরা। নাগরিক ও নাগরিক সমাজের এই বৈধ দাবিতে সরকার যখন কর্ণপাত করছে না, তখন এক আইনজীবী বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতের গোচরে এনে সুরাহা দাবি করেন। শুক্রবার এই বিষয়ে শুনানি করতে গিয়ে সলিসিটর জেনারেলের মাধ্যমে আদালত সরকারের বক্তব্য জেনে নেয়। তার ভিত্তিতে মামলাটি খারিজ করার পর্বে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, সারা দেশে পরিযায়ী শ্রমিকদের হেঁটে বাড়ি ফেরা আদালত বন্ধ করতে পারবে না কিংবা বিষয়টির উপর নজরদারি করাও তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। করণীয় যা প্রশাসনকেই করতে হবে। দেশবাসী মনে করছে, সরকারের শব্দ, শব্দবন্ধ, বাক্য ও পরিসংখ্যানের জাগলারি ঢের হয়েছে। এসব আর শুধু ক্লান্তিকর মনে হচ্ছে না, সব ছাপিয়ে তা হয়ে উঠেছে নিন্দনীয়, ভীষণ নিষ্ঠুর বিনোদন! দয়া করে এখনও কিছু করুন মহামান্য প্রধানমন্ত্রী। সর্বনাশের অর্ধেকটা এখনও ঠেকানোর সুযোগ আছে। পারলে সেটাই হবে প্রশংসনীয় পদক্ষেপ।
17th  May, 2020
কবে ভ্যাকসিন: ধোঁয়াশা রইল

একেই বলে চর্বিতচর্বণ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানেনই না দেশে কবে থেকে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হবে বা তার ক’টি ডোজ। অথবা তার দাম কী! আর যদি জানেনও তাহলেও তিনি এব্যাপারে ভারতবাসীকে দিশা দেখাতে ব্যর্থ হলেন। বিশদ

ভ্যাকসিন: ভীষণ স্বস্তির কথা

ইউনিক আইডেনটিফিকেশন আধার ইন্ডিয়া-র তরফে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ২০২০ সালের মে মাসে প্রজেক্টেড পপুলেশন ছিল ৯ কোটি ৯৬ লক্ষের কিছু বেশি। সেই হিসেবে ভারতের চতুর্থ বৃহৎ জনসংখ্যার রাজ্য হল পশ্চিমবঙ্গ। অর্থাৎ ১০ কোটি জনসংখ্যার চাপ নিয়ে ২০২১ সালে প্রবেশ করতে চলেছে আমাদের রাজ্য। ভারত একটি গরিব দেশ। বিশদ

25th  November, 2020
এত দেরিতে বোধোদয়!

পরিযায়ী শব্দটার সঙ্গে আমরা অল্প বিস্তর পরিচিত। আমাদের মাতামাতি মূলত পরিযায়ী পাখিদের ঘিরে। শীতের সময়ে দূরদূরান্ত থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসা পরিযায়ী পাখি দেখার আকর্ষণ কম নয়। আর মানুষের ক্ষেত্রে? বিশদ

24th  November, 2020
জঙ্গিদের লক্ষ্য যদি ভ্যাকসিন 

করোনা মহামারী শতাব্দীর সবচেয়ে বড় বিপদ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে সভ্য সমাজের এই চিন্তার উল্টো দিকে হেঁটে চলেছে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি। তারা এটাকে বরং এক দুর্লভ মওকা হিসেবে বেছে নিয়েছে। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি জানে, এই পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলি মানুষকে বাঁচাতে নানাভাবে ব্যস্ত রয়েছে। বিশদ

23rd  November, 2020
মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা

করোনাকালে বহু মানুষেরই আয় কমেছে, অথচ বেড়েছে জিনিসপত্রের দাম। দু’মাস এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকার পর ফের বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের দাম। তাই আশঙ্কাও বাড়ল। এমনিতেই গরিব-মধ্যবিত্তের এখন নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। মূল্যবৃদ্ধির আঁচে দগ্ধ আম জনতা। প্রায় সব খাদ্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। বিশদ

22nd  November, 2020
জীববৈচিত্র রক্ষার দায়িত্ব মানুষের

জীববৈচিত্রের জন্য ভারত একটি উল্লেখযোগ্য দেশ। গোরু, মহিষ, ছাগল, কুকুর, বিড়াল, হাঁস, মুরগির মতো অল্প কিছু প্রাণী গৃহপালিত। কিন্তু এর বাইরে জলে, জঙ্গলে আছে আরও কয়েকশো প্রাণী। কিছু নিরীহ, কিছু হিংস্র। মানুষের সংস্রবের বাইরে, প্রাকৃতিক পরিবেশে যেসব প্রাণী রয়েছে ভারতে তাদের সংরক্ষণ করা হয় মূলত তিনভাবে। বিশদ

21st  November, 2020
শাঁখের করাত! 

শুধু আবেগ নয়, প্রশ্নটা অধিকারের। তথ্য জানার অধিকার। নেতাজি অন্তর্ধান রহস্যের প্রকৃত সত্যটা কী তা জানার অধিকার দেশবাসী, বিশেষ করে বাংলার মানুষের আছে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রের হাতে কী তথ্য আছে তা জানতে আগ্রহী বঙ্গবাসী। নেতাজির বিষয়ে যাবতীয় তথ্য এবার অন্তত কেন্দ্র সামনে আনুক। 
বিশদ

20th  November, 2020
স্বাগত উন্নয়নের রাজনীতি 

নির্ঘণ্ট ঘোষণা শুধু বাকি। সে নিতান্তই আনুষ্ঠানিকতা। এটুকু উপেক্ষা করলে পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ঢাকে কাঠি কিন্তু পড়ে গিয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতে ভোট গ্রহণ নিয়ে যে আশঙ্কা ছিল সেটাও দূর করে দিয়েছে বিহার। পাশের রাজ্যে সফল ভোট গ্রহণের পর নতুন সরকারও তৈরি হয়ে গিয়েছে।  
বিশদ

19th  November, 2020
দাম: আশু সুরাহা চায় মানুষ 

সাম্প্রতিক অতীতে ভারতে অর্থনীতির অবনমনের শুরু ডিমানিটাইজেশন থেকে। নোট বাতিলের ধাক্কায় ভারতবাসীর জীবন-জীবিকার যখন নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম, ঠিক সেইসময়ই নামিয়ে আনা হয় আরও এক আঘাত। চাপিয়ে দেওয়া হয় ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি। নোটবন্দির ভয়াবহ হানার চার বছর ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে। বিশদ

18th  November, 2020
তৎপর হতেই বায়ুদূষণ কমল 

পশ্চিমবঙ্গে নানা জাতি ও ধর্মের মানুষের বাস। ভিন রাজ্যের বহু মানুষকে বাংলা আপন করে নিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এখানে অন্যান্য অনেক রাজ্যের তুলনায় জনঘনত্ব বেশি। এই কারণে যে-কোনও ধরনের সংক্রমণ মোকাবিলার কাজটি করাও এখানে বেশ কঠিন। তবে হাল ছাড়েনি বাংলার প্রশাসন।   বিশদ

17th  November, 2020
ভরসার দৃষ্টান্ত

শরৎ-হেমন্ত হল পশ্চিমবঙ্গে উৎসবের কাল। প্রধান উৎসব দুর্গাপুজো। তার রেশ কাটার আগেই চলে আসে কালীপুজো। কালীপুজোর দিন পুরো বাংলায় পালিত হয় আলোর উৎসব—দীপাবলি। দীপাবলি আলোর উৎসব হলেও বাঙালি এদিন শুধু রকমারি প্রদীপ জ্বালিয়ে এবং বিদ্যুতের আলোয় সবদিক সাজিয়ে আর সন্তুষ্ট হয় না। আলোর উৎসবের আনন্দকে বহুবর্ধিত করে নিতে বাজি পোড়ায়। বিশদ

16th  November, 2020
খয়রাতির ট্র্যাডিশন

কয়লা শতবার ধুলেও তার ময়লা যায় না। পরিচিত প্রবাদ। এই প্রবাদের নিহিতার্থ সকলে জানেন, অন্তর অথবা ভিত্তি যদি কারও অস্বচ্ছ হয় তবে হাজার সাফ করে কিংবা প্রসাধন লাগিয়ে কোনও লাভ হয় না। পার্মানেন্ট ব্ল্যাকের মতো, রয়েই যায়। ভারতের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্কটাও তেমনি। বিশদ

15th  November, 2020
দেওয়ালিতে নগদহীন ধামাকা 

আমাদের দেশের ইতিহাসে এই প্রথম ভারত ‘টেকনিক্যাল রিসেশন’-এর পথে। সহজ বাংলায় বলা যায় মন্দার কবলে পড়ল। সৌজন্যে মোদি সরকারের অর্থনীতি। কেন্দ্রের সরকারের স্বঘোষিত ‘সাফল্য’ যদি এই হয় তাহলে বলতেই হয় অতল গহ্বরে মানুষ তলিয়ে গেলেও এই সরকারের টনক নড়বে না। ভবি ভোলার নয়।   বিশদ

14th  November, 2020
সময়োচিত পদক্ষেপ

করোনার সঙ্গে পৃথিবীর প্রথম পরিচয় সম্পূর্ণ নতুন একটি ভাইরাস হিসেবে। পৃথিবী অসংখ্য ভাইরাসের মোকাবিলা করেছে এবং করছে। করোনার মোকাবিলা করতে নেমে বোঝা গেল এটা একেবারে অন্য জাতের বিপদ। এই ভাইরাস ভয়ানক ছোঁয়াচে বা সংক্রামক। বিশদ

13th  November, 2020
কূটনৈতিক চালে বাজিমাত
হারাধন চৌধুরী

দু’-দু’বার মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের থেকে দূরে সরে যাওয়ার ভুলটি করেননি। তাঁর সরকারের কাছে বরাবরের অগ্রাধিকার সার্বিক উন্নয়ন, আইনের শাসন এবং সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোর কল্যাণ। বিশদ

12th  November, 2020
লোকাল ট্রেন: জেতার চ্যালেঞ্জ

আজ, বুধবার বাংলার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য দিন। চালু হচ্ছে সুবার্বান শাখায় সকলের জন্য লোকাল ট্রেন। অর্থাৎ বিভিন্ন শাখায় লোকাল ট্রন চালু হবে শিয়ালদহ এবং হাওড়া থেকে। শহরতলির দূর দূর প্রান্তের সঙ্গে ফের জুড়ে যাবে মহানগরী কলকাতা। লকডাউনের পর এই প্রথম, মানে প্রায় সাড়ে সাতমাস বাদে। বিশদ

11th  November, 2020
একনজরে
ওরা খেলতে চায়।  করোনাকালে আশেপাশে কী হচ্ছে না হচ্ছে, পরোয়া নেই। গায়ে মেসি, রোনাল্ডোদের জার্সি পরে বড় ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে তারা। যদিও এই মহারথীদের খেলা ...

তিন বছর আগে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক চালু করেছিল ‘উমঙ্গ’ অ্যাপ। বিভিন্ন মন্ত্রকের পাশাপাশি রাজ্য সরকার ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির পরিষেবাগুলি এক ছাতার তলায় এনে দেশের প্রযুক্তিনির্ভর ...

সরকারি উদ্যোগে যেসব বাজারে আলু সরবরাহ করা হবে সেখানে ক্রেতাদের কাছ থেকে সঠিক দাম নেওয়া হচ্ছে কি না তার উপর নজর রাখবে কৃষি বিপণন দপ্তর। ...

পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ জঙ্গিদের গড়। প্রাক্তন আল কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেন থেকে শুরু করে বহু জঙ্গি সংগঠনের নেতারা অ্যাবটাবাদকে গোপন ডেরা বানিয়ে রেখেছে। সন্ত্রাসে মদত প্রসঙ্গে এবার রাষ্ট্রসঙ্ঘে লাদেন নিকেশের ঘটনা তুলে ধরল ভারত। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ কাজে লাগানো উচিত। কর্মস্থানে সহকর্মীর ঈর্ষার শিকার। গুরুজনের স্বাস্থ্যোন্নতি। পুলিসি ঝামেলা, ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯০: ভাষাবিদ সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭২: অভিনেতা অর্জুন রামপালের জন্ম
১৯৭৬: মাইক্রোসফট নামটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোতে ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধিত হয়
২০০৮: লস্কর ই তৈবা জঙ্গিদের মুম্বইয়ে হানা, অন্তত ১৬৪ জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১৯ টাকা ৭৪.৯০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.২৩ টাকা ১০০.৬৩ টাকা
ইউরো ৮৬.৫৮ টাকা ৮৯.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬১, ০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১, ১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী অহোরাত্র। রেবতী নক্ষত্র ৩৮/২০ রাত্রি ৯/২০। সূর্যোদয় ৬/০/৩৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে  ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে  ৩/২২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/২৫ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২৪ গতে ১/৩ মধ্যে। 
১০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, একাদশী প্রাতঃ ৬/১৪। রেবতী নক্ষত্র ১০/৫৩। সূর্যোদয় ৬/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে ও ১/১৮ গতে ২/৪২ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ৩/৩৩ মধ্যে ও ৪/২৭ গতে ৬/৩ মধ্যে। কালবেলা ২/৬ গতে ৪/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২৫ গতে ১/৪ মধ্যে। 
১০ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিয়েগো মারাদোনার জীবনাবসান
দিয়েগো মারাদোনার জীবনাবসান। আজ, বুধবার সন্ধ্যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চলে ...বিশদ

25-11-2020 - 10:14:20 PM

গোয়া ০ মুম্বই সিটি ১ (৯৪ মিনিট) 

25-11-2020 - 09:28:56 PM

আইএসএল: গোয়া  ০  মুম্বই সিটি এফসি  ০ (প্রথমার্ধ)

25-11-2020 - 08:25:44 PM

অস্কারের মঞ্চে এবার জাল্লিকাট্টু
অস্কারের মঞ্চে এবার ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচিত হল মালয়ালম ...বিশদ

25-11-2020 - 07:52:43 PM

কমছে মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের সিলেবাস
২০২১ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পাঠক্রমে কাটছাঁট করা হচ্ছে। ...বিশদ

25-11-2020 - 07:47:48 PM

বদলে যাচ্ছে ফোন করার নিয়ম
বদলে যেতে চলেছে ল্যান্ডলাইন থেকে মোবাইলে ফোন করার পদ্ধতি। আগামী ...বিশদ

25-11-2020 - 07:43:21 PM