Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলার আবেগের
অপর নাম আজ মমতা
হিমাংশু সিংহ

গেরুয়া আস্ফালনকে দুরমুশ করে ৬৫ বছরের এক জননেত্রীর অসামান্য হ্যাটট্রিক। এবং সেই সঙ্গে প্রাপ্ত আসন দু’শো পার। আবারও অপ্রতিরোধ্য বাংলার নিজের মেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এগজিট পোলের ফটোফিনিশের তত্ত্বকে নস্যাৎ করে বীরদর্পে আবার তিনি নবান্নের ১৪ তলার রাজেন্দ্রাণী। যাবতীয় কুটিল চক্রান্তের জাল ছিঁড়ে বাঙালির আবেগের সার্থক প্রতিচ্ছবি। আগামী পাঁচবছর তাঁর হাতেই বাংলার ক্ষমতা তুলে দিল রাজ্যের সাড়ে ৭ কোটি ভোটার। প্রমাণিত হল, বাংলার রাজনীতির শেষ কথা কোনও গুজরাতি নয়, নাগপুরের কোনও তাত্ত্বিক নয়, ইন্দোরের কোনও গুন্ডাও নয়, বলবে আদিগঙ্গার কোলে বাংলার সাধারণ ঘরে বেড়ে ওঠা অসীম সাহসী এক মহিলা। সেই অর্থে এই ফল বহিরাগতদের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠা বাংলার সোচ্চার প্রতিবাদ। বাঙালির আবেগ ও অস্মিতাকে অটুট রাখার রায়। এই পরাজয়ের নৈতিক দায় মাথায় নিয়ে নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের অবিলম্বে ইস্তফা দেওয়া উচিত।
চাপের সামনে হিমালয়ও হেলে, কিন্তু বাংলার নিকনো উঠোন ঘেরা ঘরের মেয়ে দশকের পর দশক উন্নতশির। দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। আপসহীন প্রতিবাদী। অপ্রতিদ্বন্দ্বী অগ্নিকন্যা। তাঁর নিজের কথায় আদ্যন্ত এক ‘স্ট্রিট ফাইটার’। আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে দিতে পথ প্রান্তর পেরিয়ে আজ তিনি বাঙালির ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল যোদ্ধার আসনে। রাজ্যটাকে বাঁচানোর, পথ দেখানোর দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। বিভাজনের নোংরামি নয়, মেরুকরণের বিষ ছড়ানো নয়, বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এই দাঁতে দাঁত চাপা লড়াইয়ে তাঁর অস্ত্র স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী, যুবশ্রী থেকে শুরু করে একের পর এক জনহিতকর উন্নয়ন প্রকল্প। বাঙালি ঘরের মা-বোনেদের সম্ভ্রম রক্ষার ত্রাণকর্ত্রী তিনি। প্রমাণ হল, তাঁকে ভয় দেখানো কোনও চা ওয়ালার বেটার সাধ্য নয়। মোদি-অমিত শাহের পাঠানো বস্তা বস্তা টাকা আর অন্যায়ভাবে তাক করা রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে বুক চিতিয়ে তিনি মাঠজুড়ে খেললেন বরাবরের মতো। এবং জিতলেন এক পায়েই। সার্থকভাবেই তিনি বাংলার নিজের মেয়ে।
রবিবার যত বেলা গড়িয়েছে ততই তাঁর অসামান্য হ্যাটট্রিকের ঐতিহাসিক দ্যুতি মনে করিয়ে দিচ্ছিল ছিয়াশির সেই সাড়া জাগানো মারাদোনাকে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে মুখ থুবড়ে পড়া দেশ দেখল আত্মনির্ভর ভারতের ব্যর্থ ফেরিওয়ালা মোদিজির নৌকা বাংলায় নোঙর করতে চূড়ান্ত ব্যর্থ। এই সোনার গাঁয়ে সবাই যে নিজের ঘরের মেয়ের অপেক্ষায়। বর্গী, মেনন, যোগী, ভোগীরা এই মাটির গন্ধ পেতে তাই ব্যর্থ! বহিরাগত ও বেইমানরা ব্রাত্য। সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই থেকে উত্তরপাড়া কিংবা ডোমজুড়ের উচ্ছিষ্ট দলবদলুদের এখানে স্থান নেই। সেই জনসমর্থনের জোরেই অসামান্য এক জয়ের রেশ ছড়িয়ে দিলেন বাংলার রাজনৈতিক সম্রাজ্ঞী। গত চার দশকের সার্থক জননেত্রী, যার নজির নেই গোটা দেশে।
স্রেফ কেন্দ্রের শাসক বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে করোনার ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে ২৭ মার্চ থেকে ২৯ এপ্রিল, আট দফার নজিরবিহীন নির্বাচন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। লক্ষাধিক কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে জেলায় জেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মারণ ভাইরাস। এও বাংলাকে মারার আর এক চক্রান্ত। চলেছে পুরনো মামলার ফাইল ঘেঁটে সিবিআই ও ইডির চক্রান্ত সাজানোর যুগলবন্দি। কিন্তু কোনও চাপই তাঁকে তাঁর লক্ষ্য থেকে একচুল হেলাতে পারেনি। এবং ফল বেরতেই আবারও বিজয়ীর বেশে নেত্রী বুঝিয়ে দিলেন এই খেলাটা তাঁর কাছে কতটা চেনা। কতটা সহজাত। নিখুঁত পাস, ফ্রি কিক, ব্যাকভলি, একা বল নিয়ে প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সে স্বপ্নের দৌড়, গোল মুখে টাইট ফিনিশিং, বাঙালির প্রিয় ফুটবল মাঠের সবক’টা গুণই একে একে চিনিয়ে দিল রাজনীতির ময়দানে তাঁর অসামান্য ক্লাস। পুরো খেলাটার নেতৃত্ব দিলেন হুইল চেয়ারে বসে। বুঝিয়ে দিলেন, তাঁর মানুষের মন পড়ে ফেলার অদ্ভুত ক্ষমতাটার ধারে কাছে কেউ নেই। সেই প্রত্যয় থেকেই জখম পা নিয়েই চষে বেড়ালেন পাহাড় থেকে সমুদ্র। প্রতিপক্ষের চোখে চোখ রেখে ফিরিয়ে দিলেন একটার পর একটা চ্যালেঞ্জ। ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন কিছু দলবদলু বেইমানের অশ্লীল খেউড়। ওরা এবার ব্যর্থতার নিকষ অন্ধকারে হারিয়ে যাক, কারণ মীরজাফরও ওদের অবস্থা দেখে আজ অট্টহাসিতে মশগুল! বিশ্বাসঘাতকদের রাজনৈতিক কেরিয়ারে চূড়ান্ত যবনিকা। আর নেত্রী শুধু জিতলেন না, দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামান্য ডেলি প্যাসেঞ্জার বানিয়ে ছাড়লেন। এবং সব বাধা টপকে গোলও করলেন দুরন্ত ভঙ্গিমায়। একবার নয়, দু’বার নয়, পরপর তিনবার তাঁর এই অসামান্য গোল করা দেখেছে বাঙালি। তবে তাঁর এবারের সাফল্য নিঃসন্দেহে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত হ্যাটট্রিক!
২০১১। ২০১৬। ২০২১। তারও আগের আড়াই দশকের প্রতিনিয়ত সংগ্রামের ইতিহাসই বা কম কীসে! জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যরা তখন মধ্য গগনে, সিপিএমের নামে বাঘে-গোরুতে একঘাটে জল খায়। ঠিক সেই কঠিন সময়ে দাঁড়িয়েও তাঁদের মোকাবিলা করেছেন রাস্তায় নেমে। সেই সংঘাত থেকেই ঘটে গিয়েছে ২১ জুলাই, নেতাই, নানুর, বানতলা, সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের মতো রাজ্য উত্তাল করা একের পর এক ঘটনা। শেষ পর্যন্ত সাড়ে তিন দশকের জগদ্দল বাম শাসনকে একাহাতে উপড়ে ফেলেছিলেন তিনি। ঠিক দশ বছর আগে তাঁর সেই গোলই সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করেছিল রাজ্যটাকে। সেই পালাবদলের পাঁচবছর পর ২০১৬-য় আরও একবার তাঁরই পুনরাবৃত্তি দেখেছিল বাংলা। সেবারও ফের দু’শোর বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফেরে বাংলার মেয়ে। জোট করেও মুখ থুবড়ে পড়েছিল বাম -কংগ্রেস জোট।
আর এই একুশে বাংলার রাজনীতির কাঠামোটাকেই যখন সঙ্ঘ পরিবার ও বিজেপি ভেঙে ফেলতে মরিয়া ছিল। আইডেন্টিটি পলিটিক্সের নামে গোটা সমাজটাকে হিন্দু আর মুসলিম আড়াআড়ি দু’ভাগে ভাগ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলেছে সমানে। সেই সঙ্গে টাকার প্রলোভন আর দুর্নীতির ফাইলকে শিখণ্ডি করে তৃণমূলের ছোট বড় নেতাদের ব্ল্যাকমেল ও দল ভাঙানোর খেলা, সবই চলেছে পাল্লা দিয়ে। বাঙালির অস্তিত্বরক্ষার সেই সন্ধিক্ষণে গেরুয়া শিবিরের যাবতীয় চক্রান্ত ব্যর্থ করে এমন মধুর বদলা, এমন মধুর হ্যাটট্রিক বিশ্বফুটবলের ইতিহাস খুঁড়ে ফেললেও বড় একটা মিলবে না। সেই বিচারে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা উত্তর রাজনীতিতে কোনও নারীর এতটা বিরাট ক্যানভাস জুড়ে এমন সাফল্য আর দেখা গিয়েছে বলে জানা নেই। ইন্দিরা গান্ধীকেও আজ যেন মমতার এই সাফল্যের পাশে অনেকটাই খর্বকায় লাগছে। হাওড়া, হুগলি, নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও কলকাতা এদিন যত গণনা এগিয়েছে তত সবুজ রঙের আভায় চার দিক ঢেকে গিয়েছে। দুই দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদেও ঘাসফুলের দাপট দেখে বিরোধীরা চোখে সর্ষেফুল দেখেছে। এককথায় বাংলা আজ প্রকৃত অর্থেই মমতাময়। সবুজ আবেগের সঙ্গে কোথায় যেন মিশে গিয়েছে আমাদের সামগ্রিক অস্তিত্বটাই।
রাজনীতির কঠিন আবর্তে গত প্রায় চার দশক তাঁকে বরাবরই বিজয়ীর মুকুট পরিয়েছে বাঙালি। এবারের লড়াই ছিল নিঃসন্দেহে আরও অনেক বেশি কঠিন। কারণ প্রতিপক্ষ নরেন্দ্র মোদির দখলবাজ কেন্দ্রীয় সরকার। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলকে না চেনা, বাংলাকে পদে পদে অপমান করা একটা চরম সাম্প্রদায়িক দলের হাত থেকে রাজ্যটাকে শুধু নয়, তার শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে বাঁচানোর জীবন বাজি রাখা সংগ্রাম। যুযুধান এই লড়াই সংগ্রামের মোকাবিলা করার যোগ্য আর কে আছেন তিনি ছাড়া। এবং জীবনের এই কঠিনতম ভোটযুদ্ধেও জিতে অসামান্য গৌরবমুকুট তুলে নিলেন তিনি। হাসলেন শেষ হাসি। অতিশয়োক্তি হলেও আবারও বলব, স্বশাসিত নির্বাচন কমিশন, সিবিআই, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, আয়কর দপ্তর আর বাকি আধপোয়া বেইমান দলবদলু সবাইকে হাজার যোজন পিছনে ফেলে তুলে নিলেন বিজয়ীর মুকুট। মানচিত্রে দূরবীন দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না আব্বাস বন্ধু সিপিএম কিংবা অধীরের কংগ্রেসকে। মুসলিম ভোট ভাঙার বামপন্থী ষড়যন্ত্রও চূড়ান্ত ধরাশায়ী।
আজ খুব মনে পড়ছে ১৯৮৪ সালের কথা। সেই ১৯৮৪ সালে আমাদের ‘বর্তমান’ এর আত্মপ্রকাশের প্রায় একইসঙ্গে সিপিএমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে যাদবপুরে হারিয়ে নেত্রীর জয়যাত্রারও শুরু। সেই সাফল্যই এক অসামান্য বৃত্ত সম্পূর্ণ করল এই একুশ সালের ২ মে। ৩৭ বছর পর। গোটা কেন্দ্রীয় সরকার ও তার প্রধান দুই কাণ্ডারী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ গত একবছর ধরে বাংলা দখলের যে ষড়যন্ত্র রচনা করেছিলেন। গোটা রাষ্ট্রশক্তিকে বেপরোয়াভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন। কিন্তু ফাইটারের কাছে চক্রান্তটা পরাস্ত হল। মুখোমুখি লড়াই করে তিনি সিপিএমের রক্তচক্ষু উপড়ে ফেলে বাংলাকে নতুন ভোর উপহার দিয়েছিলেন ২০১১-তে। খানাকুল, গোঘাট, আরামবাগে বামেদের একদা মুক্তাঞ্চলে ফুটিয়েছিলেন ঘাসফুল। তারও আগে এআইসিসিকে তোপ দেগে গড়ে তুলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। সেটা ছিল ১৯৯৮ সাল। আজ সেই রাজনৈতিক সংগঠনই মহীরুহে পরিণত। এই একুশ সালে তিনি হারালেন বিজেপিকে। রুখে দিলেন নরেন্দ্র মোদির রথ। এই কাজটা একমাত্র তিনিই করতে পারেন এতটা অবলীলায়। একে একে যখন আঞ্চলিক দলগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে তখন গেরুয়া আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দেশে তিনিই একমাত্র রুখে দাঁড়িয়েছেন সর্বশক্তি দিয়ে। নরেন্দ্র মোদির আজকের এই পরাজয় তাই শুধু বাংলাতে পা রাখতে না পারার লজ্জা নয়, এক ৬৫ বছরের মহিলাকে ক্রমাগত ‘দিদি ও দিদি’ ও ‘জয় শ্রীরাম’ গালাগালি নিক্ষেপ করারও মধুর বদলা।  বাংলা ও বাঙালি আজ মমতাময়।
সঙ্কট থেকে  চরম বিপর্যয়
পি চিদম্বরম

আপনি এই নিবন্ধ যখন পড়ছেন ততক্ষণে ১৮-৪৪ বছর বয়সিদের করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার মতো বিরাট কর্মসূচিটা দেশে চালু হয়ে গিয়েছে। কিছু রাজ্য আগ্রহের সঙ্গে এবং কিছু রাজ্য অনিচ্ছা সত্ত্বেও এতে শামিল হয়েছে। অন্যদিকে, ততক্ষণে শেষ হয়ে গিয়েছে ভোটগণনার মতো আর একটা ইভেন্ট এবং ফলাফল বেরিয়ে গিয়েছে। বিশদ

সঙ্কটকালে করোনাই
হোক প্রধান প্রতিপক্ষ
তন্ময় মল্লিক

করোনা আবহে দ্রুত বদলে যাচ্ছে সব কিছুই। বদলে যাচ্ছে মানুষের চাহিদাও। সোনাদানা, গাড়ি বাড়ির চেয়েও বহু মানুষের কাছে মূল্যবান অক্সিজেন সিলিন্ডার। এই পরিস্থিতিতে বদল দরকার রাজনৈতিক নেতাদেরও। তাঁদের ভাবনার। কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি নয়, সঙ্কটকালে করোনাই হোক প্রধান প্রতিপক্ষ। বিশদ

01st  May, 2021
রাষ্ট্রের কাছে কি
এটাই প্রাপ্য ছিল?
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে আপনাদের সময়কালে একটা দেশভাগ হলে কী করতেন? ভারত স্বাধীন হয়েছে, একটি নতুন রাষ্ট্র নির্মাণ করতে হবে। কীভাবে সামলাতেন? প্রায় ছশোর বেশি দেশীয় রাজ্য আছে। তাদের ভারতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে নরমে অথবা গরমে। পারতেন সেই কুশলতা দেখাতে? বিশদ

30th  April, 2021
কেন্দ্রীয় সরকারের
অপদার্থতায় কোভিড বেলাগাম
মৃন্ময় চন্দ

কোনও ওষুধ বা ভ্যাকসিনই কোভিডে অব্যর্থ নয়, তাই ট্র্যাক-টেস্ট-ভ্যাকসিন এবং মাস্ক ও দূরত্ববিধির ওপর জোর দিলেই কোভিডের পরাক্রম কমবে। সর্বোপরি সর্বশক্তিতে প্রতিরোধ করতে হবে ভোটের বিজয় মিছিল। বিশদ

29th  April, 2021
দেশকে তিনি করেছেন
ছন্নছাড়া শ্মশানভূমি
সন্দীপন বিশ্বাস

জীবনদাতা নিজেই যখন টিকা উৎসবের ঘোষণা করে মরণ উৎসবে মেতে ওঠেন, দেশটা তখন একটা ছন্নছাড়া, শ্মশান ছাড়া আর কিছুই হয়ে উঠতে পারে না। স্বাধীনতার প্ল্যাটিনাম জয়ন্তীর প্রাক্কালে দেশকে আপনি কোন শ্মশান যাত্রায় পাঠাচ্ছেন মিঃ পিএম?  বিশদ

28th  April, 2021
মানুষের জন্য কী করলেন?
জবাব চায় দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রায় ৫১ কোটি ৩০ লক্ষ দেশবাসীকে নিজের ভ্যাকসিন নিজেকেই বুঝে নিতে হবে। এটাই প্রধানমন্ত্রীর নিদান। কেন? দেশের তরুণ প্রজন্ম কি ছাগলের তৃতীয় সন্তান? নাকি এই প্রজন্মের জন্য গোমূত্র স্টক করা হচ্ছে? বলা যায় না... কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যদি বলতে পারেন যে, গোমূত্র খেলে কোভিড হবে না, তাহলে সে দেশে সব সম্ভব। বিশদ

27th  April, 2021
সাত বছর বাদে প্রাপ্তি বঞ্চনা, রোগ আর মৃত্যু
পি চিদম্বরম 

দু’বছর আগে তাকে ক্ষমতায় বসাতে দেশ শুধু বিজেপিকেই ৩০৩ আসন দিয়েছিল। আর তার নেতৃত্বাধীন এনডিএ-কে দিয়েছিল ৩৫৩ আসন। এই বিপুল গরিষ্ঠতা যে সরকারের সেটা
তৃতীয় বর্ষে পদার্পণের প্রাক্কালে প্রাসঙ্গিক দু’টি প্রশ্ন রাখা দরকার: (এক) কোন ধরনের শাসনব্যবস্থা আমরা পেলাম? 
বিশদ

26th  April, 2021
‘সুনার’ ভারতে মৃত্যু মিছিল,
নষ্টামির দায় কার?

হিমাংশু সিংহ

প্রতিদিন ৩ লক্ষের বেশি আক্রান্ত আর ২ হাজার মৃত্যু যে-দেশের নিয়তি, সেখানে সুনার দেশটাই যে অবিরাম কাঁদছে। ‘সুনার বাংলা’ আর হবে কী করে? মহামারীর মধ্যে রাজার 
গলায় একটা অঙ্গরাজ্য দখলের এই নষ্টামি মানায়? বিশদ

25th  April, 2021
অফিসার বদলে বাংলার
রায় বদলানো যাবে না
তন্ময় মল্লিক

কমিশন ‘নিরপেক্ষ’ নির্বাচনের স্বার্থে যাঁদের দায়িত্ব দিচ্ছে, তাঁদের মধ্যে নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠিকে নিয়েই সবচেয়ে বেশি চর্চা। শোনা যাচ্ছে, তাঁকে পছন্দ করার পিছনে রয়েছে নন্দীগ্রামের ব্যাকগ্রাউন্ড। বয়ালে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে উর্দি দেখিয়ে বলেছিলেন, ‘এতে দাগ লাগতে দেব না।’ বিশদ

24th  April, 2021
মোদির হিন্দুত্ব বনাম মমতার
বাঙালিয়ানার লড়াই
মৃণালকান্তি দাস

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হিন্দু মহাসভার মিটিং ভেঙে দিয়েছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ফরওয়ার্ড ব্লকের বাহিনী। শুধু শ্যামাপ্রসাদের মিটিং ভেঙে দেওয়াই নয়, সুভাষ বাহিনী আরও বেশি নির্মম ছিল সাম্প্রদায়িক শক্তির প্রতি। শ্যামাপ্রসাদের নিজের লেখা ‘লিভস ফ্রম আ ডায়েরি’ তার সাক্ষী। বিশদ

23rd  April, 2021
কমিশন যেন ‘ধৃতরাষ্ট্র’, রাজ্যে
গণতন্ত্র বিসর্জনের পথে
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন নিয়ে কমিশন যা করছে তাতে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে তৃণমূল। শুধুমাত্র নাকি বিজেপিকে তুষ্ট করার প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। শুরু থেকেই বিজেপি চেয়েছিল, রাজ্যে আট দফায় নির্বাচন হোক। সেটাই হচ্ছে, যা ভারতবর্ষে আগে কোথাও কখনও হয়নি। বিশদ

22nd  April, 2021
রামনামের এত বদনাম আগে হয়নি
হারাধন চৌধুরী

মোদির সাঙ্গোপাঙ্গরা কী করছে? দেহের ভিতর-বাহির আলো করতে নয়, দেশে আগুন জ্বালাতে রামনাম ব্যবহার করছে। মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টির, অপছন্দের মানুষকে টিজ করার কিংবা মস্তানি গুন্ডামির ভাষা হয়ে উঠেছে ‘জয় শ্রীরাম’! রামনামের এত বদনাম আগে হয়নি। বিশদ

21st  April, 2021
একনজরে
প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে ওড়িশায়। সংক্রমণে রাশ টানতে এবার লকডাউনের পথে হাঁটল নবীন পট্টনায়েকের সরকার। আগামী ৫ মে বিকেল পাঁচটা থেকে ১৯ মে বুধবার ভোর ...

কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট: পদ্ম ও জোড়াফুলে আড়াআড়ি বিভক্ত হল নদীয়া জেলা। রবিবার ভোটগণনায় জেলার উত্তরাংশে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র ছাড়া বাকি সব আসনেই জয়ী হল তৃণমূল। তবে রানাঘাটের আসনগুলিতে জয় পেল গেরুয়া শিবির। ...

মমতা-ঝড়ে বিধ্বস্ত উত্তর দিনাজপুর জেলার বাম-কংগ্রেস ঘাঁটি। জেলার ন’টি আসনের মধ্যে সাতটিতেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। গত লোকসভায় সেখানে বিজেপি মাথাচাড়া দিলেও এবার তারাও কুপোকাত। ...

সসম্মানে ‘চ্যালেঞ্জ’ জিতে নিল তৃণমূল কংগ্রেস। হাওড়া জেলায় ফলাফল ১৬-০। আক্ষরিক অর্থেই বিরোধীশূন্য হাওড়া। চারদিকে শুধুই জয় বাংলা স্লোগান, সবুজ আবীরের উচ্ছ্বাস। নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্য জুড়েই শাসকদল তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার যে হিড়িক পড়েছিল, তার ঢেউ আছড়ে পড়েছিল হাওড়ায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি, প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা, সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০২ - শহর হিসেবে আত্মপ্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির
১৮৩৯ - ভারতীয় শিল্পপতি ও টাটা গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা জামশেদজী টাটার জন্ম
১৯১৩- ভারতের প্রথম পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবি ‘রাজা হরিশচন্দ্র’ মুক্তি পেল
১৯৩৯ - সুভাষচন্দ্র বসু কংগ্রেস ত্যাগ করে ফরওয়ার্ড ব্লক গঠন করেন
১৯৬৯- তৃতীয় রাষ্ট্রপতি ডক্টর জাকির হুসেনের মৃত্যু
১৯৮১- অভিনেত্রী নার্গিসের মৃত্যু
১৯৮৮ - কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান সাহিত্য-ব্যক্তিত্ব প্রেমেন্দ্র মিত্রর মৃত্যু
২০০৬- রাজনীতিবিদ প্রমোদ মহাজনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৩৪ টাকা ৭৫.০৫ টাকা
পাউন্ড ১০১.৭২ টাকা ১০৫.২২ টাকা
ইউরো ৮৮.৩০ টাকা ৯১.৫২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
01st  May, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,৫০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,০৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৭৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
01st  May, 2021

দিন পঞ্জিকা

১৯ বৈশাখ, ১৪২৮, সোমবার, ৩ মে ২০২১। সপ্তমী ২১/২২ দিবা ১/৪০। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র ৮/৮ দিবা ৮/২২। সূর্যোদয় ৫/৬/৪৯, সূর্যাস্ত ৬/০/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০ মধ্যে পুনঃ ১০/১৭ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪৫ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/১১ গতে ২/৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/২৫ গতে ৫/৯ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২০ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে ৪/২৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১০ গতে ১১/৩৩ মধ্যে। 
১৯ বৈশাখ, ১৪২৮, সোমবার, ৩ মে ২০২১। সপ্তমী রাত্রি ৬/৫১। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র দিবা ১/৩০। সৃর্যোদয় ৫/৭, সূর্যাস্ত ৬/১। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে ও ১০/১৪ গতে ১২/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫০ গতে ৯/০ মধ্যে ও ১১/১১ গতে ২/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রেযোগ দিবা ৩/২৮ গতে ৫/১৩ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৪ গতে ৮/২১ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১১ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। 
২০ রমজান। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে ভোট অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

12:51:12 AM

আদর্শ আচরণ বিধি প্রত্যাহার করে নিল নির্বাচন কমিশন 

08:30:02 PM

নেপালে বন্ধ অভ্যন্তরীন বিমান পরিষেবা, ৬মে থেকে বন্ধ আন্তর্জাতিক উড়ানও  

07:43:23 PM

অসমে ভূমিকম্প, মাত্রা ৩.৭ 

07:18:07 PM

ব্যাহত হবে পানীয় জলের পরিষেবা, জানুন কবে
 

দক্ষিণ কলকাতা এবং সংযুক্ত কলকাতার একটা বড় অংশ জুড়ে জল ...বিশদ

06:48:53 PM

বদল হচ্ছে মেট্রোর সময়সূচি
 

আগামী বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতা মেট্রোর পরিষেবা এবং সময়সূচী ফের বদল ...বিশদ

06:34:35 PM