Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন! অফিসপাড়ায় রাস্তার ধারে আইটি কর্মীদের ভিড়

গলায় আইকার্ড। হাতে হাতে মোবাইল। ভিডিও অন করা। বহুতল থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে নীচে নেমে এসেছেন আইটি কর্মীরা। অফিস ছেড়ে রাস্তার ধারে! কৌতূহল তুঙ্গে।

মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন! অফিসপাড়ায় রাস্তার ধারে আইটি কর্মীদের ভিড়
  • ৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: গলায় আইকার্ড। হাতে হাতে মোবাইল। ভিডিও অন করা। বহুতল থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে নীচে নেমে এসেছেন আইটি কর্মীরা। অফিস ছেড়ে রাস্তার ধারে! কৌতূহল তুঙ্গে। নিজেদের মধ্যে বলাবলি করছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন শুনলাম…এখানে দাঁড়ালেই দেখতে পাব!’ চায়ের দোকানেও জমাট আড্ডা। কেউ কেউ দাঁড়িয়ে রইলেন টানা ৪ ঘণ্টা। গাড়িতে বসে থাকা অবস্থাতেই মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে পেলেন অনেকে। কেউ আবার বুঝতেই পারলেন না, কোন গাড়িতে বেরিয়ে গেলেন তিনি। শুধু আইটি কর্মীরাই নন, রাস্তার ধারে উৎসুক জনতার ভিড়ও কম নয়। সবারই কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টা নাগাদ একঝাঁক গাড়ির ভিড় সেক্টর ফাইভে। ভিভিআইপিদের বাতিওয়ালা গাড়ি দেখতে অভ্যস্ত এই এলাকার মানুষ। তাই প্রথমে কেউ খুব একটা আমল দেননি। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে হরেক মিডিয়ার হুড়োহুড়ি লেগে যায়। ততক্ষণে অবশ্য মোবাইলের স্ক্রিনেই ‘ব্রেকিং নিউজ’-এ চোখ রেখেছেন অনেকে। জানা যায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসেছেন আইপ্যাকের অফিসে। পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী, র‌্যাফে ছয়লাপ। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাস্তার ধারে সাধারণ মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে। গোদরেজ ওয়াটার সাইডের যে বহুতলে আইপ্যাকের অফিস, তার আশপাশে অসংখ্য আইটি এবং কর্পোরেট অফিস রয়েছে। এলাকাটি অফিসপাড়া নামেই পরিচিত। সেখানেই এদিন ঠিক লাঞ্চ ব্রেকের আগে বড় ব্রেকিং পেয়ে গেলেন অসংখ্য কর্মী!
তাঁদের অনেকেই কম্পিউটার, চেয়ার ছেড়ে মোবাইল হাতে বেরিয়ে আসেন রাস্তায়। যাঁরা টিফিনে নন-ভেজ নিয়ে এসেছিলেন, তাঁরা অফিসের নির্দিষ্ট জায়গায় খেতেও যাননি এদিন। তার বদলে ফুটপাতের ধারে চায়ের দোকানে বসে ন্যুডলস, টোস্ট খেয়ে কার্যত উপভোগ করেছেন বাইরের উত্তেজনা। ইডি-সিবিআই, বিজেপি-তৃণমূল, আইপ্যাক নিয়ে জমিয়ে আড্ডা। ভিড় যাতে রাস্তায় না নামে, তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়েন করা হয়। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। জে কে সাহা ব্রিজ দিয়ে ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানাকে বাঁ হাতে রেখে সোজা গোদরেজ ওয়াটার সাইডে চলে যাওয়া যায়। কিন্তু থানা পেরিয়ে ১৩ নম্বর স্ট্রিটের মুখে গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখে ট্রাফিক পুলিশ। পাশেই ১১ নম্বর স্ট্রিট দিয়ে রিং রোড ধরে ঘোরানো হয় গাড়িগুলি। মুখ্যমন্ত্রী বিকেলে বেরিয়ে যেতেই দূর থেকে মোবাইলে ছবি তোলার হিড়িক পড়ে যায়। তারপর আবার গরম চা। সেখানে গ্যালারিতে চোখ বুলিয়ে আইটি কর্মীরা দেখে নিয়েছেন, কার ছবি ভালো উঠল! 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ