Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

পর্যটনের উপর জোর দিয়ে নিজস্ব আয় বাড়াতে উদ্যোগী রাজ্যের বহু পঞ্চায়েত, হোমস্টে, কটেজ ভাড়া দিয়ে উপার্জনের পরিকল্পনা

নিজস্ব আয় বাড়াতে পর্যটনকে হাতিয়ার করছে রাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি। ‘রাষ্ট্রীয় গ্রাম স্বরাজ অভিযান’-এর আওতায় তারা পঞ্চায়েত দপ্তরের কাছে বিভিন্ন প্রস্তাব পাঠাচ্ছে।

পর্যটনের উপর জোর দিয়ে নিজস্ব আয় বাড়াতে উদ্যোগী রাজ্যের বহু পঞ্চায়েত, হোমস্টে, কটেজ ভাড়া দিয়ে উপার্জনের পরিকল্পনা
  • ২৯ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌম্যজিৎ সাহা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নিজস্ব আয় বাড়াতে পর্যটনকে হাতিয়ার করছে রাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি। ‘রাষ্ট্রীয় গ্রাম স্বরাজ অভিযান’-এর আওতায় তারা পঞ্চায়েত দপ্তরের কাছে বিভিন্ন প্রস্তাব পাঠাচ্ছে। কোনও পঞ্চায়েত চাইছে হোমস্টে গড়ে তুলতে। কোনও পঞ্চায়েত আবার কটেজ তৈরি করে ভাড়া দিয়ে রোজগারের কথা ভাবছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির ‘ডিটেইলড প্রজেক্ট রিপোর্ট’ বা ডিপিআর পাঠানোর পর তা গৃহীত হলে, কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ আর্থিক সহায়তায় গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি ওই কাজ করতে পারবে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু গ্রাম পঞ্চায়েত তাদের ডিপিআর দপ্তরে পাঠিয়েছে বলে খবর। সেগুলি ইতিমধ্যে কেন্দ্রকেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন এলেই ছাড়া হবে টাকা। পঞ্চায়েত প্রধানদের একাংশের দাবি, এমনিতেই পঞ্চায়েতের আয় অনেকটাই কমে গিয়েছে। সম্পত্তি কর বাবদ যা টাকা জমা পড়ে, সেটাই প্রধান আয়ের সংস্থান পঞ্চায়েতগুলির। এর মধ্যেই নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়ে বিভিন্ন পঞ্চায়েত তাদের নিজস্ব রাজস্ব বৃদ্ধি করছে। সেই মতো রাজ্যের বহু পঞ্চায়েত পর্যটনকে সামনে রেখে কোষাগার ভরাতে উদ্যোগী হয়েছে। উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় একাধিক পঞ্চায়েতের এই ধরনের পরিকল্পনা সংক্রান্ত ডিপিআর জমা পড়েছে দপ্তরে। পাহাড়ে পর্যটকদের আনাগোনা সারা বছরই কমবেশি লেগে থাকে। তাই সেখানে হোমস্টে বা কটেজ জাতীয় থাকার ব্যবস্থা করে রোজগারের পথ খুলতে চাইছে বেশ কিছু পঞ্চায়েত। বাকিরাও এই ধরনের পরিকল্পনা করছে বলে খবর। গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি রাজ্য ও কেন্দ্রের টাকা নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার পর তার থেকে যা উপার্জন হবে, তার পুরোটাই পঞ্চায়েতের নিজস্ব কোষাগারে ঢুকবে।  দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ‘পঞ্চায়েতগুলিকে নিজস্ব আয় বাড়াতে বলা হয়েছে অনেকবার। কেউ কেউ উদ্যোগী হলেও শেষ পর্যন্ত বিকল্প কোনও রাস্তা বেরিয়ে আসেনি। তাদের এখন পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে সাহায্য করা হচ্ছে। এই ভাবনা বাস্তবায়িত হলে আগামী দিনে ভালো রোজগার হবে পঞ্চায়েতগুলির। তার সুফল পাবেন সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা।

Advertisement

এই প্রকল্পের সাফল্যের উপর গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নতিও নির্ভর করবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল।  কারণ, পর্যটকদের আকর্ষণ  করতে পারলে স্থানীয়ভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে। সেই সূত্রেই গ্রামবাসীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটবে। পর্যটকরা স্থানীয়  সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ