বই। সারি সারি বই। কলেজ স্ট্রিট চত্বরের চেনা ছবি। সেই বইয়ের সারির মধ্যে কখনও ধুতি পাঞ্জাবি, কখনও বা পাজামা পাঞ্জাবি পরে ক্যামেরায় লুক দিলেন অভিনেতা জীতু কামাল। কখনও হাতে উঠে এল পছন্দের বই। কখনও বা সাজানো র্যাকের পাশে আরাম করে চেয়ারে বসলেন অভিনেতা। মুখে লেগে থাকল চেনা হাসি। চতুষ্পর্ণীর ফ্যাশন শ্যুটে সেদিন বই হয়ে উঠেছিল পরম বন্ধু। সদ্য সরস্বতী পুজো কেটেছে। চলছে বইমেলা। এই আবহে বইপাড়ায় হয়েছে শ্যুটিং। জীতু নিজেও নানা ধরনের বই পড়তে দারুণ ভালোবাসেন। প্রতিদিনের ব্যস্ত রুটিনের ফাঁকে বই পড়ার জন্য আলাদা করে সময় বের করতে হয় না। সেই সময় আপনিই এসে যেন ধরা দেয়। ফ্যাশন শ্যুটে এসে এত বইয়ের মাঝে থাকতে পেরে দারুণ খুশি তিনি। কখনও মেকআপ হয়ে যাওয়ার পর, কখনও বা লাইট রেডি হওয়ার অবসরে উল্টেপাল্টে দেখলেন পছন্দের বই। ধুতি পরতে ভালোবাসেন অভিনেতা। সঙ্গে বেছে নিয়েছিলেন কাঁথাস্টিচের পাঞ্জাবি। এই ধরনের সূচিশিল্পের কাজের আরও বেশি কদর হওয়া উচিত বলে মত তাঁর। এগুলোই বাংলার ঐতিহ্য। দ্বিতীয় পোশাকটিতেও সে কারণেই রয়েছে হাতের কাজের ছোঁয়া। জীতু মনে করেন এই ধরনের পোশাক সাধারণ মানুষ যত কিনবেন, পরবেন তত প্রান্তিক শিল্পীদের সাহায্য হবে। তিনি নিজেও নানা ধরনের হাতের কাজের পোশাক পরেন। তবে সবকিছুর উপর প্রাধান্য পায় আরাম। বছরের বেশিরভাগ সময় শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত থাকেন অভিনেতা। সে সময় চরিত্রের মতো নিজেকে গড়ে নিতে হয়। পোশাকের কোনও স্বাধীনতা থাকে না। কারণ তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করে চরিত্র। বাকি সময়টাতে নিজেকে খুঁজে নেওয়ার পালা। এমনিতে জীতু স্টাইল নিয়ে সচেতন। কিন্তু অতিরিক্ত কিছু তাঁর পছন্দ নয়। শ্যুটিংয়ের সময়ই বলছিলেন, এই পোশাকে তাঁকে হয়তো দুর্দান্ত দেখতে লাগছে। তাঁর ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানিয়েছে। তার মানে সকলকে ভালো লাগবেই, এমন কোনও কথা নেই। পোশাক কেনার আগে প্রয়োজনে ডিজাইনারের সঙ্গেও পরামর্শ করা যেতে পারে। তবেই সাজ সম্পূর্ণ হবে।



