নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয়ের পর হোটেলে নিয়ে এসে মদ খাইয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। তিলজলার বাসিন্দা ওই নির্যাতিতাকে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। বিয়য়টি প্রকাশ্যে আনলে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের ছবি ভাইরাল করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয় অভিযুক্ত। তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে বুধবার মহম্মদ হায়দারকে গ্রেপ্তার করেছে তিলজলা থানা। তরুণীর সঙ্গে ২০২০ সালে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে পরিচয় হয় ওই যুবকের। অল্পদিনে ওই তরুণী হায়দারের সঙ্গে প্রণয় ঘটিত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বেশ কয়েকবার দেখাও করেন। বেশ কয়েকটি জায়গায় বেড়াতে যান। ২০ জুলাই ওই তরুণীকে একটি হোটেলের সামনে আসতে বলা হয়। সেইমতো তিনি সেখানে পৌঁছে যান। অভিযোগকারিণীকে বলা হয়েছিল দুজন একসঙ্গে আউটিংয়ে যাবে। তরুণী সেখানে পৌঁছলে তাঁকে ওই যুবক হোটেলে নিয়ে যায়। কোল্ড ড্রিংকের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। তরুণী আচ্ছন্ন হয়ে পড়লে তাঁক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। রাতভর তাঁকে আটকে রাখা হয়। ২১ তারিখ তরুণী ফিরে এসে তিলজলা থানায় অভিযোগ করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ ধর্ষণের কেস রুজু করে। তরুণীর মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর জামাকাপড়। বুধবার রাতে অভিযুক্ত হায়দারকে তিলজলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে থানা। এর আগেও একাধিক তরুণীকে ফাঁদে ফেলে ওই যুবক শারীরিক সম্পর্ক করেছিল বলে জেনেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তের হয়ে লিগ্যাল এডের আইনজীবী সৈকত রক্ষিত বলেন, তার মক্কেলের বিরুদ্ধে কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি ধর্ষণের। মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। এটি প্রেমঘটিত বিষয়। সরকারি আইনজীবী সাজ্জাদ আলি খান বলেন, অভিযুক্তকে নির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ধরা হয়েছে।



