Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘ডিলিটেড’ ভোটকর্মীর নাম, ভোট দেওয়া নিয়েই ধোঁয়াশায় তৌসিক

ভোটকর্মীরই ভোট ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত! জানেন না শেষ পর্যন্ত  ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কিনা। অথচ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, ইতিমধ্যে তার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

‘ডিলিটেড’ ভোটকর্মীর নাম, ভোট দেওয়া নিয়েই ধোঁয়াশায় তৌসিক
  • ২ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সন্দীপন দত্ত, মালদহ: ভোটকর্মীরই ভোট ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত! জানেন না শেষ পর্যন্ত  ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কিনা। অথচ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, ইতিমধ্যে তার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। কিন্তু ভাগ্য ঝুলে থাকা মহম্মদ তৌসিক জামালের প্রশ্ন, আমি কি শেষপর্যন্ত ভোট দিতে পারব? ভোট শুরুর তিন সপ্তাহ আগেও জবাব পাচ্ছেন না। উত্তরের খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরছেন তিনি। 

Advertisement

মালদহ জেলার মোথাবাড়ির বাসিন্দা তৌসিক স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মী। ন’বছর আগে ২০১৭ সালে তিনি স্বাস্থ্য দপ্তরে চাকরি পান। বর্তমানে মালদহ জেলার মানিকচক ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরে তিনি কর্মরত। ইতিমধ্যে তিনি চারবার ভোটের ডিউটিও করেছেন।
নভেম্বরে তৌসিক এসআইআরের ফর্ম পূরণ করেন। নামের বানান ভুলের কারণে তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়। সেখানে তিনি তাঁর যাবতীয় নথি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে জমা দেন। এরপর অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় নাম উঠে যায় তাঁর। ফের নথি নিয়ে দৌড়তে হয় তৌসিককে। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। অবশেষে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যায় তৌসিকের। এখন তাঁকে দেওয়া হয়েছে থার্ড পোলিং অফিসারের ডিউটি।
বুধবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসনিক কার্যালয়ে হন্যে হয়ে ঘুরতে দেখা যায় তৌসিককে। সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন আইনজীবী। তৌসিক বলেন, আমি একজন স্বাস্থ্যকর্মী। মিল্কি সরকারি হাসপাতালের কর্মী। আগে আমি চারবার ভোটের ডিউটি করেছি। নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা থেকে আমার নাম বাদ দিয়েছে। আবার এই কমিশনই ভোটের ডিউটিতে পাঠাচ্ছে। এসব কি ছেলেখেলা হচ্ছে? এবিষয়ে প্রশাসনের তরফে সদুত্তর মেলেনি। নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো আধিকারিকই এনিয়ে মুখ খুলতে চাননি। কমিশনের উদ্দেশ্যে তৌসিকের প্রশ্ন, ভোটের ডিউটি করতে রাজি। কিন্তু ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাব কি? উত্তর জানা নেই কারও। • জেলা প্রশাসনিক কার্যালয়ে তৌসিফ। - নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ