নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধি থেকে স্থানীয় নেতাদের গ্রেপ্তারের ঘটনা লেগেই রযেছে। বিধানসভা ভোট পরবর্তী সময়ে রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে এই সব নেতাদের বিরুদ্ধে। এবার এই তালিকায় নবতম সংযোজন নন্দীগ্রামের দাপুটে তৃণমূল নেতা আব্দুল আলিম আলরাজি। তবে তাকে গ্রেপ্তার করার আগেই ভোরে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন তিনি। নন্দীগ্রাম-১ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন আব্দুল আলিম আলরাজি। আজ, সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ নিজেই নন্দীগ্রাম থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।
২০২১সালে ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপি কর্মী দেবব্রত মাইতি ও রথীবালা আড়ি খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত আলরাজি। এছাড়া, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে। গত ৫ এপ্রিল রাজ্যের তৎকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল নন্দীগ্রাম পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে গড়চক্রবেড়িয়ায় ২০২১এর ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের শিকার প্রচুর গ্রামবাসী আলরাজির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই ২০২১ সালে ২ ও ৩ মে ব্যাপক সন্ত্রাস হয়েছিল বলে অভিযোগ। আলরাজি আত্মসমর্পণের খবর ছড়াতেই নন্দীগ্রামের নানাপ্রান্ত থেকে বিজেপি কর্মীরা থানার সামনে জড়ো হন। তিনি নন্দীগ্রামের ত্রাস এবং সন্ত্রাসের মাথা বলে বিজেপির দাবি।