Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শাখা সংগঠনগুলির ব্লকস্তরেও বদল আনছে তৃণমূল, ইঙ্গিত ক্যামাকস্ট্রিটের

মূল সংগঠনের পাশাপাশি যুব এবং শ্রমিক সংগঠনের ব্লকস্তরে রদবদল করতে চলেছে তৃণমূল। শুক্রবার ক্যামাকস্ট্রিটের বৈঠকে তেমনই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সেপ্টম্বরের প্রথম দিকেই নতুন তালিকা প্রকাশ করা হবে।

শাখা সংগঠনগুলির ব্লকস্তরেও বদল আনছে তৃণমূল, ইঙ্গিত ক্যামাকস্ট্রিটের
  • ৩১ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: মূল সংগঠনের পাশাপাশি যুব এবং শ্রমিক সংগঠনের ব্লকস্তরে রদবদল করতে চলেছে তৃণমূল। শুক্রবার ক্যামাকস্ট্রিটের বৈঠকে তেমনই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সেপ্টম্বরের প্রথম দিকেই নতুন তালিকা প্রকাশ করা হবে। দল যাঁকে পদে বসাবে তাঁকেই মেনে নিতে হবে। কেউ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গেলে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে সময় লাগবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। শৃঙ্খলা ফেরাতে নেতৃত্ব যেকোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে। মঙ্গলকোট, মেমারি, মন্তেশ্বর, আউশগ্রামের মতো ব্লকগুলিতে গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। সেসব বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই ব্লকগুলিতে কাদের পদে বসানো হবে, তা শীর্ষ নেতৃত্ব ঠিক করবে। সহযোগী সংস্থার রিপোর্ট সেক্ষেত্রে গুরুত্ব পাবে।

Advertisement

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, শাখা সংগঠনগুলিকে আরও সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই কারণে বিভিন্ন ব্লকে সভাপতি পদে যুব তৃণমূল নতুনদের বসাতে চলেছে। সাত থেকে আটটি ব্লকে বদল আসতে চলেছে। শ্রমিক সংগঠনেও চার থেকে পাঁচটি ব্লকে নতুন সভাপতি নির্বাচিত করা হবে। মূল সংগঠনে গলসি-২ সহ আরও তিনটি ব্লকে সভাপতি পদে পুরনোদের সরানো হচ্ছে। দলের এক নেতা বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের টিকিটের কথা না ভেবে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার জন্য বলা হয়েছে। টিকিট বণ্টনের ক্ষেত্রে রাজ্য নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেবে। এখন থেকে দৌড়াদৌড়ি করার দরকার নেই।
দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে বৈঠকে অভিযোগ করা হয়েছে। বিশেষ করে মন্তেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী একাধিক অভিযোগ করেন। সেসব নিয়ে পরে আলোচনা হবে বলে শীর্ষ নেতৃত্ব জানিয়ে দিয়েছে। কোন নেতা কী করছে, সেসব তথ্য ক্যামাকস্ট্রিটের কাছে আছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে শীর্ষ নেতৃত্বদের সামনে বেশকিছু তথ্য সামনে আনা হয়। তাতে জেলার নেতাদের অনেকেই অবাক হয়েছেন। তৃণমূলের আর এক নেতা বলেন, শহরের নেতাদের নিয়ে ক্যামাকস্ট্রিট সন্তুষ্ট নয়। লোকসভা নির্বাচনে কালনা, বর্ধমান, মেমারির মতো শহরে বহু ওয়ার্ডে শাসক দল পিছিয়ে রয়েছে। কয়েকজন জনপ্রতিনিধির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাঁরাও স্ক্যানারে আছে বলে জানানো হয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে শাসক দল নজরকাড়া ফল করেছিল। সরকার গঠনে এই জেলা বড় ভূমিকা নিয়েছিল বলে দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার দাবি করেন।
 ২০২৬ এর লোকসভা নির্বাচনে প্রতিটি বিধানসভা থেকে লিড আরও বাড়াতে হবে বলে জানানো হয়েছে। বুথে আরও বেশি করে সময় দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে জনসংযোগ বাড়াতে সব থেকে বেশি জোর দিতে হবে বলে শীর্ষ নেতৃত্ব শুক্রবারের বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সি প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র ধরে আলোচনা করে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ