নিজস্ব প্রতিনিধি জলপাইগুড়ি: দাম কমলেও জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টারে তৃতীয় নিলামে চায়ের বিক্রি বাড়ল অনেকটাই। আজ, সোমবার জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টারে ই-অকশনে ৯৮ হাজার ৯০৯ কেজি চা অফার করা হয়। সেখানে বিক্রি হয়েছে ৪৯ হাজার ৯০৮ কেজি চা। অর্থাৎ প্রায় ৫০ শতাংশ চা বিক্রি হয়েছে এদিন। তবে দাম কিন্তু সেভাবে মেলেনি। আজ জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টার থেকে নিলাম হওয়া চায়ের সর্বোচ্চ দাম মিলেছে ১৯১ টাকা কেজি। গড় দাম পাওয়া গিয়েছে কেজি প্রতি ১০৭ টাকা।
১১ বছর বন্ধ থাকার পর গত ৩০ জুন জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টার চালু হয়। প্রথমদিন নিলামের জন্য মজুত করা হয়েছিল ১ লক্ষ ৫ হাজার কেজি চা। কিন্তু তার মধ্যে মাত্র ৪৫ হাজার কেজি চা বিক্রি হয়। পড়ে থাকে ৫৫ হাজার কেজি চা। দ্বিতীয় নিলামেও ধাক্কা খায় জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টার। গত সোমবার জলপাইগুড়ি চা নিলাম কেন্দ্রে ৫৯ হাজার ৪৫৩ কেজি চা অফার করা হয়। এর মধ্যে বিক্রি হয় ২৫ হাজার ৪৩৪ কেজি চা। অর্থাৎ নিলামের জন্য আনা চায়ের মধ্যে মাত্র ৪৩ শতাংশ বিক্রি হয়। এদিন সেখানে মজুত করা চায়ের মধ্যে ৫০ শতাংশ বিক্রি হওয়ায় খুশির হাওয়া নর্থবেঙ্গল টি অকশন কমিটিতে।
যদিও নিলামে সিটিসি চায়ের দাম ক্রমশ কমছে। গত ৩০ জুন জলপাইগুড়ি টি অকশন সেন্টার থেকে বিক্রি হওয়া চায়ের সর্বোচ্চ দাম মিলেছিল ২২৭ টাকা কেজি। সবচেয়ে কম দাম পাওয়া গিয়েছিল কেজি প্রতি ১১৪ টাকা। দ্বিতীয় নিলামে চায়ের গড় দাম পাওয়া যায় ১১৭ টাকা কেজি। আর তৃতীয় নিলামে (২৮ নম্বর সেল) বিক্রি হওয়া চায়ের কেজি প্রতি গড় দাম কমে দাঁড়াল ১০৭ টাকা।
নর্থবেঙ্গল টি অকশন কমিটির সম্পাদক প্রতাপ রাউত বলেন, জলপাইগুড়িতে আগের দুটি অকশনের তুলনায় এদিন নিলামে বেশি পরিমাণ চা বিক্রি হয়েছে ঠিকই। কিন্তু বাজারে তেমন চাহিদা না থাকায় চায়ের দাম কমেছে।