Bartaman Logo
৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ছাড়ে কলেজ স্ট্রিটকে টেক্কা শারদ বই পার্বণের

কত ছাড় চলছে? স্টলে ঢুকেই প্রশ্ন বইপ্রেমীদের। স্টলের গায়ে অবশ্য বড় হরফে লেখা ছাড়ের পরিমাণ। কোথাও ন্যূনতম ২৫, কোথাও আবার ন্যুনতম ৩০ শতাংশ!

ছাড়ে কলেজ স্ট্রিটকে টেক্কা শারদ বই পার্বণের
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০

অলকাভ নিয়োগী , বিধাননগর: কত ছাড় চলছে? স্টলে ঢুকেই প্রশ্ন বইপ্রেমীদের। স্টলের গায়ে অবশ্য বড় হরফে লেখা ছাড়ের পরিমাণ। কোথাও ন্যূনতম ২৫, কোথাও আবার ন্যুনতম ৩০ শতাংশ! প্রায় সবই নতুন বই। কেউ কেউ আবার নির্বাচিত বইয়ের উপর ছাড় দিচ্ছেন ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত! ছাড়ের নিরিখে এখন পিছিয়ে গিয়ে চেনা কলেজ স্ট্রিট। তাই ভিড় বাড়ছে শারদ বই পার্বণে। বহু স্টলে ৫০ শতাংশ ছাড়েও মিলছে নতুন বই! স্টক খালির অফার! বইপ্রেমীরা কী এই সুযোগ ছাড়ে! রবীন্দ্রসদন-নন্দন-বাংলা আকাদেমি প্রাঙ্গণে এখন শুধু বইয়ের গন্ধ। বইকে ঘিরে উন্মাদনা। পুজোর মুখে মেলা-উৎসবের রঙিন ছবি। আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় হাজারের বেশি স্টল থাকে। তবে, ছাড়ের পরিমাণ বেশি থাকে না। মাত্র ১০ শতাংশ। যেহেতু, এক ছাতার তলায় কয়েক হাজার নতুন বই দেখার সুযোগ থাকে, তাই ছাড় কম হলেও লক্ষ লক্ষ মানুষ ১০ শতাংশ হারেই বই কেনেন। শহরের কলেজ স্ট্রিটে রয়েছে বইপাড়া। সেখানে সারাবছর ১০-২০ শতাংশ ছাড় মেলে। বেশিরভাগ প্রকাশনা সংস্থাই কলেজ স্ট্রিটে ২০ শতাংশ ছাড় দেন। বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা এখন ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ সময়ের জন্য ছাড়ের অফার দেয়। শারদ বই পার্বণ ছাড়েরই মেলা। তাই যেখানে ছাড় বেশি, সেখানেই বইপ্রেমীরা।

Advertisement

৩০ আগস্ট থেকে রবীন্দ্রসদন-নন্দন-বাংলা আকাদেমি প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে শারদ বই পার্বণ। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগিতায় এবং পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের আয়োজনে এই মেলা চলবে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলছে। গুণেন শীল নামে এক প্রকাশক বলেন, আমরা সব বই ২৫ শতাংশ ছাড়ে দিচ্ছি। এছাড়াও, আমাদের নির্বাচিত কিছু নতুন বইও ৫০ শতাংশ ছাড় রয়েছে। ভালো সাড়া পাচ্ছি। মৌমিতা রায় নামে এক পাঠক বলেন, অনেক স্টলেই নতুন বই ২৫-৩০ শতাংশ ছাড়ে পেলাম। নির্বাচিত বইও কিনেছি। ৬০-৭০ শতাংশ ছাড় পেয়েছি। প্রথম দিন এসেছিলাম। আবার এলাম। শেষ দিন যদি ছাড় আর একটু বাড়ে তাহলে আরও কিছু সংগ্রহ করব।
পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সভাপতি সুধাংশশেখর দে এবং সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেন, কলেজ স্ট্রিটের চেয়ে এখানে বেশি ছাড় মিলছে। উদ্বোধনের পর থেকে অসংখ্য বইপ্রেমী আসছেন। প্রতিদিনই ভিড় হচ্ছে। বই কেনাকাটা চলছে রীতিমতো উৎসবের মেজাজে। - নিজস্ব চিত্র

সম্পর্কিত সংবাদ