Bartaman Logo
১৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শুধু ভবানীপুরে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণ! জায়গা খুঁজতে হিমশিম পুরসভা, বনদপ্তর

ভবানীপুরে এক লক্ষ গাছ লাগানোর উদ্যোগে বিপাকে পুরসভা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দিয়েছেন, বিস্তারিত পড়ুন।

শুধু ভবানীপুরে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণ! জায়গা খুঁজতে হিমশিম পুরসভা, বনদপ্তর
  • ১৮ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শহরজুড়ে চলছে অরণ্য সপ্তাহ উদযাপন। এই উপলক্ষ্যে চলতি বছর বর্ষায় কলকাতায় প্রায় পাঁচ হাজার গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী চাইছেন, শুধু ভবানীপুর অর্থাৎ তাঁর বিধানসভা এলাকাতেই লাগাতে হবে এক লক্ষ গাছ। কিন্তু, এত গাছ লাগানোর জায়গা কই! সেই জায়গা খুঁজতে এখন হিমশিম পরিস্থিতি পুরসভা এবং বনদপ্তরের কর্তাদের।

Advertisement

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ইতিমধ্যেই শহরের বিভিন্ন পার্ক, রাস্তার ধারে গাছ লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের বলেছেন, ভবানীপুরে এক লক্ষ গাছ লাগাতে হবে। যা শুনে মাথায় হাত অফিসারদের। কারণ, এভাবে কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিশেষ করে ভবানীপুরের মতো এলাকায় এক লক্ষ গাছ লাগানোর জায়গা কোথায়, তা ভেবেই কুলকিনারা পাচ্ছেন না আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন পুরসভার বোটানিস্ট এবং বনদপ্তরের অফিসাররা। আবার দ্বিতীয় পর্যায়ে ভবানীপুরের বিভিন্ন পার্ক এবং রাস্তায় ঘুরে ঘুরে জায়গা খোঁজা হবে বলে পুরসভা সূত্রে খবর। পুরসভার অফিসাররা জানাচ্ছেন, গোটা শহরে একসঙ্গে এত গাছ লাগানোর জায়গা নেই। তার উপর শুধু ভবানীপুরেই এক লক্ষ গাছ, কোথায় লাগাব, বুঝতে পারছি না। কারণ, ওই অঞ্চলে এমনিতেই পুরসভার পার্কগুলি ভালোভাবেই রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন পার্কে প্রচুর পরিমাণ গাছ লাগানোর পরিস্থিতি নেই। তবুও জায়গা খোঁজা চলছে। ওই অঞ্চলে সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ দুই থেকে আড়াই হাজার নতুন গাছ লাগানো যেতে পারে।
অন্যদিকে, পুরসভার উদ্যান বিভাগ জানাচ্ছে, চলতি বছর বিভিন্ন পার্কে প্রচুর ফলের গাছ লাগানো হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে আম, জাম, কাঁঠাল, জামরুল, বাতাবি লেবু, সবেদা ইত্যাদি। পার্কে পাখিদের আনাগোনা বাড়াতেই অন্যান্য গাছের বদলে ফলের গাছ লাগানো হচ্ছে বেশি করে। এর বাইরেও বেশি করে করবী, টেকোমা, টগর ফুলের গাছ লাগানো হচ্ছে। গাছের তালিকা দীর্ঘ। যেখানে বড়ো জায়গা পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে শিশু, জারুল, মেহগিনি, কাঠবাদাম এবং বকুল গাছ লাগানো হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ