Bartaman Logo
৬ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

তিন মাসে ৫ হাজার কোটির প্রকল্প জমা পড়েছে, দাবি সুন্দরবন উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রীর

দপ্তরের বাজেট ধরা হয়েছিল ১২৮০ কোটি টাকা। অথচ, নতুন সরকারের তিন মাসে যত প্রকল্প জমা পড়েছে, তার মোট অর্থ দাঁড়িয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা। এমনটাই জানালেন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা।

তিন মাসে ৫ হাজার কোটির প্রকল্প জমা পড়েছে, দাবি সুন্দরবন উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রীর
  • ৬ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দপ্তরের বাজেট ধরা হয়েছিল ১২৮০ কোটি টাকা। অথচ, নতুন সরকারের তিন মাসে যত প্রকল্প জমা পড়েছে, তার মোট অর্থ দাঁড়িয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা। এমনটাই জানালেন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা। বুধবার ক্যানিংয়ে প্রশাসনিক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সুন্দরবনের ১৯টি ব্লক থেকে আমরা এলাকা উন্নয়নে কী কী কাজ করা যায়, সেই সংক্রান্ত প্রস্তাব চেয়েছিলাম। যত প্রকল্প এসেছে, তার জন্য প্রস্তাবিত খরচ গিয়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। তবে আমাদের এ বছরের বাজেট ১২৮০ কোটি টাকা। তাই যেগুলি মানুষের আগে প্রয়োজন, সেরকম কাজগুলি চিহ্নিত করে ব্লক ও মহকুমাস্তরে নির্দেশ পাঠানো হবে। দ্রুত টেন্ডার করে কাজ শুরু করে দেওয়া হবে।’ সূত্রের খবর, মূলত বাঁধ মেরামতি থেকে রাস্তা, জেটিঘাট প্রভৃতি নির্মাণ ও সংস্কার সংক্রান্ত  প্রকল্প জমা পড়েছে। এছাড়া, পূর্বতন সরকারের সময় যেসব কাজ অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে, সেগুলিও দ্রুত শেষ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।

Advertisement

এদিকে, এদিনের বৈঠকে মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে লাইসেন্স প্রদান নিয়ে যে সমস্যা হয়েছে, তারও সমাধান করেন প্রতিমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, ক্যানিং মহকুমা এলাকায় ৯৩ জনকে নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছিল। এঁরা মূলত অন্যের লাইসেন্স নিয়ে মাছ ধরতে যেতেন বলে খবর। কিন্তু এবার বিষয়টি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করে সুন্দরবন টাইগার রিজার্ভ। তাঁরা এখনও কোনো বোট লাইসেন্স পাননি। তাই মাছ ধরতে যেতেও পারছেন না। এই জট কাটাতে এদিন ক্যানিং মহকুমা অফিসে বনবিভাগ, টাইগার রিজার্ভ, জেলা প্রশাসনসহ অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন দীপঙ্করবাবু। পরে তিনি বলেন, ‘এই ৯৩ জনকে আপাতত টেম্পোরারি লাইসেন্স দেওয়া হবে। তাঁরা সেটা নিয়ে মাছ ধরতে যেতে পারবেন। আর যাঁরা এতদিন প্রকৃত মৎস্যজীবী নন, তাও লাইসেন্স করিয়ে সেটি ভাড়ায় খাটাচ্ছিলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী কী করা যায়, চিন্তাভাবনা চলছে।’ তবে এই মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে এখনও জটিলতা রয়েছে বলে খবর। তার কারণ, যাঁরা আগেই লাইসেন্স ও পারমিট পেয়ে গিয়েছিলেন, তাঁরা এখন মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু অভিযোগ,  টাইগার রিজার্ভ থেকে সবুজ সংকেত না মেলায় কেউই বেরতে পারছেন না। কেন দেওয়া হচ্ছে না অনুমতি, তা নিয়ে অন্ধকারে মৎস্যজীবীরা। আরও জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে এবং এদিন সকালে মৎস্যজীবীদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারামারি হয়েছে গোসাবাতে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ