Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বাজেটের পর প্রকাশ পাবে না ‘পিঙ্ক বুক’, এবারও ভাঙছে প্রথা রেল, ঘোষণা ও বাস্তবের ফারাক ঢাকতেই সিদ্ধান্ত?

সম্ভবত এবারও ‘প্রথা’ ভাঙার পথে হাঁটতে চলেছে রেলমন্ত্রক। সাধারণ বাজেট পেশের পরও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হবে না রেলের বিভিন্ন প্রকল্প সংবলিত ‘পিঙ্ক বুক’। প্রশ্ন উঠছে, বিভিন্ন দাবিদাওয়া কিংবা ঘোষণা এবং বাস্তব ছবির মধ্যে ফারাক ঢাকতেই কি এহেন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথে হাঁটছে রেল?

বাজেটের পর প্রকাশ পাবে না ‘পিঙ্ক বুক’, এবারও ভাঙছে প্রথা রেল, ঘোষণা ও বাস্তবের ফারাক ঢাকতেই সিদ্ধান্ত?
  • ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সম্ভবত এবারও ‘প্রথা’ ভাঙার পথে হাঁটতে চলেছে রেলমন্ত্রক। সাধারণ বাজেট পেশের পরও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হবে না রেলের বিভিন্ন প্রকল্প সংবলিত ‘পিঙ্ক বুক’। প্রশ্ন উঠছে, বিভিন্ন দাবিদাওয়া কিংবা ঘোষণা এবং বাস্তব ছবির মধ্যে ফারাক ঢাকতেই কি এহেন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথে হাঁটছে রেল? 

Advertisement

আগামী ২৮ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। নিয়মমতো এরপর সংসদে রেলের ‘ডিমান্ডস ফর গ্রান্টস’ পেশের দিন প্রকাশিত হয় ওই ‘পিঙ্ক বুক’। এটি আদতে কী? রেলের বিভিন্ন প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, তার সবিস্তার তথ্য সংবলিত পরিসংখ্যানই হল ‘পিঙ্ক বুক’। কোনও রেল প্রকল্পের উল্লেখ একবার ‘পিঙ্ক বুকে’ থাকার অর্থই হল, আজ হোক কিংবা ১০০ বছর পর - সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের বাস্তবায়ন ঘটাতেই হবে। ফলে এর গুরুত্ব অপরিসীম। কলকাতা মেট্রো সহ রেলের প্রত্যেকটি জোন এবং উৎপাদন ইউনিট ভিত্তিতে আলাদাভাবে এই ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশ করে কেন্দ্র। বহু বছর ধরেই এপ্রথা চলে আসছে। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন হয়। সেইসময় ফেব্রুয়ারি মাসে নিয়মমাফিক যেমন অন্তর্বর্তী সাধারণ বাজেট পেশ হয়। ঠিক তেমনই ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরের নিরিখে অন্তর্বর্তী ‘পিঙ্ক বুক’ও প্রকাশিত হয়। এখনও পর্যন্ত সেটিই রেলের আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শেষ’ প্রকাশিত ‘পিঙ্ক বুক’। কারণ এরপর পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের পর আর ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশ করেনি রেল। ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরের ‘পিঙ্ক বুক’ও প্রকাশ্যে আনা হয়নি।  রেল সূত্রে খবর, ‘প্রথা’ ভেঙে এবারও সম্ভবত একই পথে হাঁটতে চলেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। যদিও রেলমন্ত্রকের শীর্ষকর্তাদের একাংশের দাবি, হয়তো ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশ্যে আসবে না। কিন্তু অভ্যন্তরীণভাবে ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশ করতেই হবে। নাহলে রেলের পুরো কার্যক্রমই মুখ থুবড়ে পড়বে। এর আগে যতগুলি ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশিত হয়েছে, তাতে বাংলার একাধিক প্রকল্পে নামমাত্র এক হাজার টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এবার ভোটের বছরে বাংলায় বিপুল বরাদ্দের পরিকল্পনা করেছে রেল। সার্বিকভাবে ১৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে। কিন্তু ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশিত না হলে বোঝাই যাবে না, রাজ্যের কোন প্রকল্পে কত টাকার অনুমোদন হল। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ