


নয়াদিল্লি: নগদ কাণ্ডে অভিযুক্ত বিচারপতি যশোবন্ত ভার্মাকে সরাতে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হতে পারে লোকসভায়। সব ঠিক থাকলে বাদল অধিবেশনের প্রথম সপ্তাহেই তা পেশ হতে পারে। শুক্রবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল। তাঁর বক্তব্য, অভিযুক্ত বিচারপতির বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার বিষয়টি সাংসদদের উপর নির্ভর করছে। এক্ষেত্রে সরকারের কোনও ভূমিকা নেই। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একাংশের কথায়, ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। এসবের মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিচারপতি ভার্মা। শীর্ষ আদালতের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির রিপোর্টকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, পুরো তদন্ত প্রক্রিয়াটি অসংবিধানিক, পদ্ধতিগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ ও অসম্পূর্ণ। এক্ষেত্রে তাঁর মৌলিক অধিকারও লঙ্ঘন করা হয়েছে।
এদিন আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল বলেন, ‘তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যেই রিপোর্ট পেশ করেছে। এরপর অভিযুক্ত বিচারপতিকে সরাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংসদ। ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পাশ করাতে লোকসভায় কমপক্ষে ১০০ জন ও রাজ্যসভায় ৫০ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। তাই এটি সাংসদদের বিষয়। এখানে সরকারের কিছু করার নেই।’ ইমপিচমেন্টের খাড়া ঝুলছে দেখেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন যশোবন্ত ভার্মা। তাঁর দাবি, নির্দিষ্ট আইনি পদ্ধতি মেনে, অভিযোগ দায়ের করে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।