Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

যোগীর প্রশংসার জের, অখিলেশ যাদবের দল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক

‘মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আমাকে সুবিচার দিয়েছেন। অপরাধীদের প্রতি তাঁর জিরো টলারেন্স নীতিই আমার স্বামীর খুনিকে খতম করেছে।’

যোগীর প্রশংসার জের, অখিলেশ যাদবের দল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক
  • ১৫ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

লখনউ: ‘মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আমাকে সুবিচার দিয়েছেন। অপরাধীদের প্রতি তাঁর জিরো টলারেন্স নীতিই আমার স্বামীর খুনিকে খতম করেছে।’ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর এই ভূয়সী প্রশংসা করার খেসারত দিলেন সমাজবাদী দলের বিধায়ক পূজা পাল। তাঁকে সমাজবাদী পার্টি থেকে বহিষ্কার করেন দলীয় প্রধান অখিলেশ যাদব। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের সামনে পূজার ওই বক্তব্যের ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই অখিলেশ জানিয়ে দেন, ‘আর কোনও দলীয় অনুষ্ঠানে পূজাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না।’ ইতিমধ্যে সমাজবাদী পার্টির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। পূজাকে বহিষ্কার করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমাজবাদী পার্টিকে দলিতবিরোধী বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। অন্যান্য মহল থেকেও অখিলেশের দলের সমালোচনা শুরু হয়। রাজ্য বিধানসভায় এক বিতর্কসভা চলাকালীন পূজা বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন, আমার স্বামী রাজু পালকে খুন করা হয়েছিল। আর তার পিছনে যে অপরাধী আতিক আহমেদ, তার বিরুদ্ধে আগে কেউ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আমাকে সুবিচার দিলেন। আতিক আহমেদের মতো অপরাধীকে খতম করলেন।’ একেবারে বিধানসভায় দাঁড়িয় জোর গলায় যোগীর প্রশংসা করার জেরেই অবশেষে বহিষ্কার হতে হল পূজাকে। ২০০৫ সালে বিএসপি বিধায়ক রাজু পালকে বিয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই প্রয়াগরাজে গুলি করে খুন করা হয়। অভিযোগ ওঠে আতিক আহমেদের বিরুদ্ধে। মামলার তদন্ত চলাকালীন ২০২৩ সালে ওই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী উমেশ পালকেও খুন করা হয়। তারপরই আতিক ও তার ভাই আশরফকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ১৫ এপ্রিল ধৃতদের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের গুলি করে খুন করে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজ। সেই ঘটনাকেই বিধানসভায় বাহবা দেন পূজা।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ