নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোট আসতেই ফের গোর্খাল্যান্ডের জিগির তুলতে শুরু করেছে কেন্দ্র। অর্থাৎ, গেরুয়া শিবিরের বঙ্গভঙ্গের ব্লুপ্রিন্টকে রূপ দিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে অমিত শাহের দপ্তর। আর সেই কারণেই দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা ছাড়াই পাহাড়-ডুয়ার্সের মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে সরব হন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি পেয়ে বিষয়টি অমিত শাহকেই দেখার জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের (পিএমও) তরফে লিখিতভাবে জানানো হয়েছিল। কিন্তু, পিএমওর নির্দেশকেও তোয়াক্কা না করে দার্জিলিংয়ে কাজ শুরু করে দিল মধ্যস্থতাকারীর দপ্তর। এই মর্মে ১০ নভেম্বর একটি নির্দেশিকাও জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। রাজ্যের সম্মতি ছাড়াই অসাংবিধানিকভাবে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। ফের সোমবার প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন তিনি। পিএমওর হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশিকা জারির বিষয়টির উল্লেখ করা হয়েছে মমতার চিঠিতে। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, ‘কেন্দ্রের এই অযাচিত পদক্ষেপ শুধু অসাংবিধানিকই নয়, রাজনৈতিক কারণে পাহাড়-ডুয়ার্সের শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার লক্ষ্যেও গৃহীত।’



