


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: লোকসভা এবং রাজ্যসভা—সংসদের উভয়কক্ষেই দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত ভার্মাকে পদচ্যূত করার প্রক্রিয়া শুরু করতে নোটিস দিলেন সাংসদরা। লোকসভায় সরকার-বিরোধী মিলিয়ে ১৪৫ জন সই করে নোটিস দিলেন স্পিকার ওম বিড়লাকে। রাহুল-প্রিয়াঙ্কা সহ কংগ্রেসের ৫২ জন এতে সই করেছেন। অন্যদিকে, রাজ্যসভায় সম্মিলিতভাবে ৬৩ জন সই করে চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকারকে দেওয়া হয়েছে নোটিস। যদিও সেখানে সোনিয়া গান্ধী বা মল্লিকার্জুন খাড়্গে সই করেননি। সই করেনি সমাজবাদী পার্টির কোনও সাংসদ। তৃণমূল এদিন সভায় ছিল না। তাই তারা কেউ সই করেননি। তবে তৃণমূল এ ব্যাপারে সঙ্গে আছে বলেই জানান কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ নাসির হোসেন। নিয়ম মতো এবার প্রথমে লোকসভার স্পিকার ও রাজ্যসভার চেয়ারপার্সন সই ও বয়ান খতিয়ে দেখবেন। সব ঠিক থাকলে এবং তাঁরা সন্তুষ্ট হলে তিন সদস্যের একটি করে কমিটি গঠন করা হবে। সেক্ষেত্রে লোকসভা ও রাজ্যসভার একটিই কমিটি গঠন হতে পারে। আবার যেহেতু দু’টি সদনেই আবেদন জমা পড়েছে, তাই আলাদা কমিটিও হতে পারে। কমিটিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতি, হাইকোর্টের একজন প্রধান বিচারপতি ও একজন বিশিষ্ট আইনজীবী। তাঁদের তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্টে বিচারপতি ভার্মাকে দোষী বলা হলে তাংকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেবে সদন। এবং সবশেষে তাঁকে পদচ্যুত করতে হলে দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদের সমর্থন দরকার।
এদিকে এদিন সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি ভার্মার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সংক্রান্ত মামলার দ্রুত চেয়েছেন আইনজীবী ম্যাথুস নেদুমপারা। কিন্তু এদিন শুনানিতে তিনি বিচারপতি শব্দ উল্লেখ না করায় রুষ্ট হন প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই। তিনি বলেন, উনি কি আপনার বন্ধু? উনি এখনও বিচারপতি আছেন। আপনি কীভাবে এমন সম্বোধন করতে পারেন? একটা ডেকোরাম তো আছে।