সংবাদদাতা, বনগাঁ: ১৪ বছরের নাবালিকা ভাইঝিকে ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত জেঠুর আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন বিচারক। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বনগাঁ বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক রাজীব সাহা এই নির্দেশ দেন। পাশাপশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্যাতিতাকে দু’লক্ষ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে (লিগ্যাল এইড)। ঘটনার এক বছরের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি হওয়ায় খুশি নির্যাতিতার পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৫ সালে ৩১ আগস্ট গোপালনগর থানা এলাকায়। নাবালিকাকে বাড়িতে রেখে পুকুরে স্নান করতে গিয়েছিলেন মা। অভিযোগ, বাড়িতে নাবালিকাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে জেঠু (নাবালিকার বাবার খুড়তুতো দাদা)। এমনকি ঘটনার কথা কাউকে বললে প্রাণে মারার ভয় দেখায় অভিযুক্ত। বাড়িতে ফিরে মেয়েকে কাঁদতে দেখে কি হয়েছে জানতে চান মা। এরপরই মাকে ঘটনার কথা বলে নাবালিকা। এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়ে নাবালিকা। টানা ১৫ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল সে। ঘটনার দুদিন পর থানায় অভিযোগ করেন মা। গ্রেপ্তার হয় অভিযুক্ত। বুধবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারক। এদিন সাজা ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় মোট ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে আদালতে। এবিষয়ে সরকারি পক্ষের আইনজীবী সঞ্জয় দাস বলেন, ১৪ বছরের নাবালিকার উপর পাশবিক অত্যাচার করেছিল দোষী ব্যক্তি। এদিন আদালত দোষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। দোষী ব্যক্তি বাকি জীবনে জেলের বাইরে আসতে পারবে না বলে জানিয়েছেন বিচারক। পাশাপাশি আইনজীবী জানান, দোষী ব্যক্তি ২০০৩ সালে নদীয়ার ধানতলা গণধর্ষণ ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ১৬ বছর জেলে থাকার পর জামিনে মুক্ত ছিল। জামিনে থাকাকালীন পুনরায় জঘন্য অপরাধ করে সে। নিজস্ব চিত্র



