তেহরান: খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আগুনে পুড়ছে ইরান। দেশের আর্থিক সংকট, মূল্যবৃদ্ধি ও পর্যাপ্ত সরকারি পরিষেবা না মেলার প্রতিবাদে পথে নেমেছে আম জনতা। বিদ্রোহ ঠেকাতে মাঠে নেমেছে নিরাপত্তা বাহিনী। সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আটকের সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়েছে। একটি রিপোর্টে এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন সংস্থা ‘হিউমান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি’। রিপোর্ট অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ২৯ জন বিক্ষোভকারী ও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্যও। ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৭টিতেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
গত এক সপ্তাহ ধরে আন্দোলন চলছে। বিক্ষোভ মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন। এরইমধ্যে ইলাম প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর তাণ্ডব সংক্রান্ত একাধিক ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ, সেখানকার একটি হাসপাতালে ঢুকে অভিযান চালানো হয়। ঘটনার খবর জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছে মার্কিন বিদেশ দপ্তর। এক্স হ্যান্ডলে ট্রাম্প প্রশাসনের তোপ, ‘ওয়ার্ডের ভিতরে ঢুকে স্বাস্থ্যকর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। জখমদের পর্যন্ত রেহাই দেওয়া হচ্ছে না। কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এর চেয়ে বড় অপরাধ আর কিছু হতে পারে না। হাসপাতাল যুদ্ধক্ষেত্র নয়।’ চাপে পড়ে অভ্যন্তরীণ মন্ত্রককে ঘটনার তদন্তভার দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ান।