Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

এইচ-১বি ভিসা: ট্রাম্পের চাপানো ১ লক্ষ ডলার ‘ফি’ বাতিল আদালতে, খুশির হাওয়া ভারতীয় অভিবাসী মহলে

ম্যাসাচুসেটস আদালত ট্রাম্পের চাপানো ১ লক্ষ ডলার ফি বাতিল করেছে। ভারতীয় অভিবাসীদের জন্য এটি স্বস্তির খবর। বিস্তারিত পড়ুন।

এইচ-১বি ভিসা: ট্রাম্পের চাপানো ১ লক্ষ ডলার ‘ফি’ বাতিল আদালতে, খুশির হাওয়া ভারতীয় অভিবাসী মহলে
  • ১০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: ফের বিপাকে ডোনাল্ড ট্রাম্প। এইচ-১বি ভিসার জন্য ১ লক্ষ মার্কিন ডলার ফি চাপিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। মার্কিন সংস্থাগুলির উপর ট্রাম্প প্রশাসনের চাপিয়ে দেওয়া সেই মাশুল বেআইনি বলে জানাল মার্কিন আদালত। সোমবার মামলার শুনানিতে এইচ-১বি ভিসার জন্য ট্রাম্পের চাপানো ওই শর্তকে বাতিল করে দিয়েছেন ম্যাসাচুসেটসের বিচারক। আদালতের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে অভিবাসী ভারতীয়দের সংগঠনগুলি।

Advertisement

ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ স্লোগান দিয়েছিলেন ট্রাম্প। মসনদে বসার পরেই তিনি উদ্যোগী হন অভিবাসী ভিসায় রাশ টানতে। প্রথমেই কোপ পড়ে এইচ-১বি ভিসার উপরে। কারণ, এই ভিসায় বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীদের সাময়িকভাবে মার্কিন মুলুকে এনে কাজ করায় একাধিক সংস্থা। গত বছরের সেপ্টেম্বরে এই ভিসা নিয়ে কড়া অবস্থান নেন ট্রাম্প। বলা হয়, অন্য দেশ থেকে আসা কর্মীদের ক্ষেত্রে এইচ-১বি ভিসার আবেদনের সময় এক লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৯৫ লক্ষ টাকারও বেশি) জমা দিতে হবে সংস্থাগুলিকে। ট্রাম্প সরকারের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা হয় ম্যাসাচুসেটসের এক ফেডারেল কোর্টে। শুনানিতে বিচারক লিও সরকিন জানান, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ট্রাম্প এইচ-১বি ভিসার জন্য সংস্থাগুলির উপর যে মাশুল চাপিয়েছিলেন, তা ‘বেআইনি’। ট্রাম্প যে ভিসা-ফি চাপিয়েছিলেন তা মার্কিন কংগ্রেস নির্ধারিত ফেডারেল ইমিগ্রেশন আইনের থেকে অনেকটাই বেশি। এইচ-১বি ভিসার আবেদনের উপর কর চাপানোর কোনো ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের নেই। কংগ্রেস তাঁকে এমন কোনো ছাড়পত্রও দেয়নি।
প্রেসিডেন্টের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করেই ট্রাম্প এই বর্ধিত ফি আরোপ করেছিলেন। মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়ে ভারত ও চীন। কারণ, এই দুই দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় কর্মীরা এইচ-ওয়ান বি ভিসায় আমেরিকায় যেতেন। আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে ফাউন্ডেশন ফর ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইন্ডিয়ান ডায়াস্পোরা স্টাডিজের (এফআইআইডিএস) পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি প্রধান খান্দেরাও খান বলেন, ‘ম্যাসাচুসেটস ফেডারেল কোর্টের রায়ে সকলে স্বস্তি পেয়েছেন। এই রায়ে কর্মসংস্থানভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ফিরবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ