কিনশাসা, ২৬ জুলাই: কঙ্গোয় চোখ রাঙাচ্ছে ইবোলা। দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে ভাইরাস। গতকাল অর্থাৎ শনিবার পর্যন্ত সে দেশে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৩ হাজার মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ১৩০০ জনের। গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত ৫ দিনে মৃত্যুর হার ৪০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি উদ্বেগ বাড়িয়েছে ইবোলার এই ভ্যারিয়েন্ট। এটির নাম বুন্দিবুগিও। চারটি ইবোলা স্ট্রেইনের মধ্যে যা সবচেয়ে বিরল এবং সংক্রামক। এটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার প্রায় ৫০ শতাংশ। এমনকী এই স্ট্রেইনটির জন্য কোনো অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা নেই বলেই জানা গিয়েছে। এর ফলে সে দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবা কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। এই ভাইরাসে লাগাম টানতে ইতিমধ্যেই জোরকদমে কাজ শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিন রিসার্চ গ্রুপ জানিয়েছে, বুন্দিবুগিও স্ট্রেইন প্রতিরোধের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে একটি ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছে। যার প্রথম ডোজ ইতিমধ্যেই একজন স্বেচ্ছাসেবক গ্রহণ করেছেন। তাতে সাফল্য মিললে এই রোগ সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভবপর হবে বলেও দাবি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে রোগীর দেহে জ্বর, শারীরিক দুর্বলতা, মাথা ব্যথা, গলায় ব্যথা এবং ডায়েরিয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। ২০১৩-২০১৬ সালের মধ্যে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলার প্রাদুর্ভাব ঘটে। সেবারে প্রায় ২৮ হাজার মানুষ আক্রান্ত হন। মৃত্যু হয়েছিল ১১ হাজার জনের।



