Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

যুদ্ধ বন্ধ করতে আলোচনা চাইছে ইরান, দাবি ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা চালাচ্ছে, দাবি ট্রাম্পের। মার্কিন সেনাবাহিনী প্রস্তুত। কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? বিস্তারিত পড়ুন।

যুদ্ধ বন্ধ করতে আলোচনা চাইছে ইরান, দাবি ট্রাম্পের
  • ২৬ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিউ ইয়র্ক: যুদ্ধ শেষ করার আলোচনায় অত্যন্ত আগ্রহী ইরান। দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও তিনি জানিয়েছেন, যদি এই আলোচনা ব্যর্থ হয়, তাহলে বড়ো সামরিক অভিযানের জন্য ওয়াশিংটন পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প জানান, তেহরানের সঙ্গে আলোচনা এখনও চলছে। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য মার্কিন সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ সজ্জিত রয়েছে। তিনি বলেন, ‘ওদের (ইরান) সঙ্গে আলোচনা চলছে। হয়ত কোনো নির্ণায়ক মোড় আসবে। আবার নাও আসতে পারে।’ মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, শুক্রবার ট্রাম্প তাঁর শীর্ষ উপদেষ্টা ও ক্যাবিনেট সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানে ইরানের উপর হামলার মাত্রা বাড়ানো হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়। ইরানের স্ট্র্যাটেজি নিয়েও সেখানে আলোচনা হয়েছে। তবে, ওই বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি। ট্রাম্প যে আক্রমণ ও আলোচনা—দুটি পথই খোলা রাখতে চাইছেন, তা তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট। পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা কমাতে মিশর ও ওমানের তরফেও আলোচনা চালানো হচ্ছে। তেহরান জানিয়েছে, শুক্র ও শনিবারের মধ্যবর্তী রাতে কোনো মার্কিন হামলা হয়নি। টানা দু’সপ্তাহ চলার পর এই প্রথম হামলায় ছেদ পড়ল। ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মুখপাত্র হোসেন কেরমানপুর জানিয়েছেন, ১৩ দিন পর শান্তিপূর্ণ রাত কাটিয়েছেন তাঁরা। মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফেও নতুন করে হামলার ঘোষণা করা হয়নি। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীতে হামলার শিকার একটি তেলবাহী ট্যাংকার থেকে ২৮ জন ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার করেছে ইরানের সেনা। মোজাম্বিকের পতাকাবাহী দিশা নামে ওই জাহাজটি ইরানের জলসীমায় ঢোকার পরই বিপদবার্তা পাঠায়। 

Advertisement

ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাতাহলি জানিয়েছেন, ইরানের উপকূলরক্ষা বাহিনী সঙ্গে সঙ্গে 
পদক্ষেপ করে ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধার করেছে। 
ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ একদিনের জন্য থামলেও পশ্চিম এশিয়ার অন্য প্রান্তে যুদ্ধ চলছেই। লোহিত সাগরের উপকূলে অবস্থিত ইয়েমনের হোডেইডা শহরে শনিবার ভোরে এয়ার স্ট্রাইক চালিয়েছিল সৌদি আরব। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার পালটা হিসাবে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাল ইয়েমনের হুথি জঙ্গিরা। তারা জানিয়েছে, সৌদির ইয়ানবু ও জিজান শহরে তেল সংস্থা আরামকোর পরিকাঠামোতে হামলা চালানো হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ