নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুরের পর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনও হস্তক্ষেপে রাজি হয়নি ভারত। অবশেষে প্রকাশ্যে একথা স্বীকার করে নিলেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশের সংঘাত থামাতে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার বিষয়টি ভারত কোনওদিনই মান্যতা দেয়নি। অপারেশন সিন্দুরের সময় ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগ বাড়িয়ে ঘোষণা করেছিলেন, তিনিই যুদ্ধ থামাতে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছেন। পরেও একাধিকবার একই দাবি করেছেন তিনি। যদিও ভারত কোনওদিনই সেই দাবি স্বীকার করেনি। বরং দিল্লি বরাবরই বলেছে, দুই দেশের ডিজিএমও স্তরের কথার পর যুদ্ধ থেমেছে। এবার পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্যে ট্রাম্পের সেই দাবি আরও প্রশ্নচিহ্নের মুখে পড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দার আরও জানিয়েছেন, পরে আমেরিকার বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গে এক বৈঠকে ইসলামাবাদ ট্রাম্পের দাবির প্রসঙ্গ তোলে। তখন রুবিও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভারত তাঁদের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। পাকিস্তানের সঙ্গে সমস্ত বিষয়কে ভারত ‘দ্বিপাক্ষিক’ হিসেবেই দেখতে চায়।
একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাত্কারে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপে রাজি ছিলাম। কিন্তু ভারত বারবার জানিয়ে এসেছে, এটা দ্বিপাক্ষিক বিষয়। আমরা তাতেও রাজি ছিলাম। আমরা কোনও কিছু নিয়ে ভিক্ষা করিনি। আমরাও শান্তিপ্রিয় দেশ।’ ভারত চাইলে ভবিষ্যতেও পাকিস্তান আলোচনার জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দার।



