সাজ আসলে নিজস্ব অনুভূতি। কেমন পোশাক পরবেন, কেমন হবে গয়না, তা দেখে মানুষটি কেমন, তার খানিক আন্দাজ পাওয়া যায়। কিন্তু কার জন্য সাজেন আপনি? কখনো অনুষ্ঠান। সেখানে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়রা আপনাকে দেখবেন। কখনো পার্টি, সেখানে বিচারকের আসনে হয়তো বন্ধুরা। কখনো বা কর্মক্ষেত্র। সেখানে সহকর্মীদের নজর থাকবে আপনার উপর। কিন্তু একেবারে নিজের জন্য সাজ? ভেবেছেন কখনো? আধুনিক নারী কিন্তু নিজেকে নিয়ে ভাবেন। নিজেকে ভালোবাসা তাঁদের কাছে জরুরি। তাই সাজের প্রাথমিক শর্তই হোক নিজের ভালোলাগা পূরণ।
চতুষ্পর্ণীর ফ্যাশন শ্যুটে অভিনেত্রী মানালি মনীষা দে-র নানা ধরনের লুক তৈরি করা হয়েছিল। কখনো ড্রেস, কখনো স্কার্ট টপ, কখনো বা শাড়ি। সব ধরনের লুকেই কিন্তু স্বাচ্ছন্দ্য এবং ভালোলাগাকে গুরুত্ব দিয়েছেন অভিনেত্রী। নিজের পছন্দ হলে তবেই তো বাকিরা প্রশংসা করবেন। আর বাকিদের প্রশংসার দরকার হবেই বা কেন? আরামদায়ক পোশাক সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যই হোক আপনার ফ্যাশন স্টেটমেন্ট। কিন্তু সেটা ক্যারি করতে জানতে হবে। এমনটাই মনে করেন মানালি। তাঁর পরনে রয়েছে একটি সিল্কের শাড়ি। সোনালি এবং মেরুনের মিশেলে তৈরি। চওড়া পাড়। সঙ্গে সরু জরির ডিজাইন। গোল্ডেন আঁচল এই শাড়ির আভিজাত্য বাড়িয়েছে। গোল্ডেন এবং মেরুন চিরাচরিত কম্বিনেশন। যে কোনো বয়সে ভালো মানায়। এই ধরনের শাড়ি আপনার সংগ্রহে থাকা মানে বংশপরম্পরায় হাতবদল হবে। কেউ প্লিট করে পরবেন। কেউ বা আঁচল ছেড়ে রাখবেন। আবার সামনে আঁচল করেও পরতে পারেন। শাড়িটি এতটাই গর্জিয়াস যে এর সঙ্গে হালকা সাজও ভালো মানাবে। মেরুন ডিজাইনার ব্লাউজ দিয়ে পরেছিলেন মানালি। গলায় সরু চেন। কানে ঝুমকো কানপাশা। ছোট্ট টিপ আর গ্লসি লিপস্টিক স্মুদ এফেক্ট তৈরি করেছে। নায়িকার সাজের বিশেষত্ব খোঁপার সাদা গোলাপ। একটা ফ্রেশ লুক তৈরি হয়েছে। গরমের দিনে জুঁই বা বেলফুলের মালা দিয়েও হেয়ার স্টাইল করতে পারেন।
শাড়ি এবং গয়না কিন্তু ব্যালান্স করে পরতে হবে। গর্জিয়াস শাড়ির সঙ্গে ভারী গয়না সব সময় মানায় না। আবার শাড়িতে কাজ কম থাকলে তখন গয়না নিয়ে আলাদা করে ভাবনাচিন্তা করতে পারেন।
স্বরলিপি ভট্টাচার্য