Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ধান থেকে দ্রুত চাল পেতে সক্রিয় দপ্তর, রাইস মিলকে বেঁধে দেওয়া হল সময়সীমা

চলতি  মরশুমে  রেকর্ড পরিমাণ ধান চাষিদের কাছ থেকে সরকারি উদ্যোগে কেনা হয়েছে। মোট কেনার পরিমাণ ৫৬ লক্ষ টন ছাড়িয়েছে।

ধান থেকে দ্রুত চাল পেতে সক্রিয় দপ্তর, রাইস মিলকে বেঁধে দেওয়া হল সময়সীমা
  • ২৫ জুন, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি  মরশুমে  রেকর্ড পরিমাণ ধান চাষিদের কাছ থেকে সরকারি উদ্যোগে কেনা হয়েছে। মোট কেনার পরিমাণ ৫৬ লক্ষ টন ছাড়িয়েছে। ওই ধান থেকে উৎপাদিত চাল যাতে দ্রুত রাইস মিলগুলি সরকারের কাছে পাঠায় তার জন্য সক্রিয় হল খাদ্যদপ্তর। যে ধান খরিফ মরশুমে কেনা হয়েছে, তার থেকে সেন্ট্রাল পুলের জন্য পুরো চাল ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে। রবি মরশুমে যে ধান কেনা হয়েছে, তার থেকে উৎপাদিত চাল ১৪ আগস্টের মধ্যে দিতে হবে। স্টেট পুলের চাল  দেওয়ার জন্য যথাক্রমে ৩১ জুলাই ও ৩১ আগস্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

মঙ্গলবার  খাদ্যশ্রী ভবনে রাজ্যের খাদ্যসচিব পারভেজ আমেদ সিদ্দিকির সঙ্গে ওয়েস্ট বেঙ্গল রাইস মিল অ্যা঩সোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়। সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি আব্দুল মালেক জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার যে সময়সীমা নির্ধারণ করেছে, রাজ্য খাদ্যদপ্তর তার আগে চাল চাইছে। সময়সীমা কিছুটা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস এদিন দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠন দাবি করেছে। এক মাসের মতো সময় বাড়ানো হবে বলে খাদ্যদপ্তরকে আশ্বাস দিয়েছেন মিল মালিকরা। খাদ্যদপ্তর যে ধান কিনেছে, তার বেশিরভাগটাই খরিফ ধান। মে মাস থেকে বোরো ধান কেনা হয়েছে ৪ লক্ষ টনের কিছু বেশি। এবার বোরো ধান অন্তত ৫ লক্ষ টন কিনতে চাইছে খাদ্যদপ্তর। 
আগামী ২০২৫-২৬ মরশুমের ধান কেনার প্রাথমিক কাজ শুরু করে দিয়েছে খাদ্যদপ্তর। আগামী মরশুমের প্রথম থেকে ধান বহনকারী লরিতে বাধ্যতামূলকভাবে জিপিএস এবং ওজন করার যন্ত্র লাগাতে বলা হয়েছে। ধান কেনার প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা আনতে এই ব্যবস্থাগুলি করা হচ্ছে। জিপিএস-র জন্য পরিবহণ খরচ কিছুটা বাড়ানো হবে। রাইস মিল মালিকরা এই দু’টি সহ আরও কিছু বিষয়ে খাদ্যদপ্তরকে স্মারকলিপি দিয়েছে। ওজন করার যন্ত্র লরিতে লাগানোর ক্ষেত্রে অসুবিধার কথা বলেছে সংগঠন। 

সম্পর্কিত সংবাদ