নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে জাল নথিপত্র দিয়ে ভোটার কার্ড বানিয়েছে। এমনই অভিযোগ দায়ের হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থানায়।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে জাল নথিপত্র দিয়ে ভোটার কার্ড বানিয়েছে। এমনই অভিযোগ দায়ের হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থানায়।
গত কয়েকদিন ধরে ‘ভুয়ো ভোটার’ নিয়ে তপ্ত বাংলার রাজনৈতিক পরিমণ্ডল। একই এপিক নম্বরে একাধিক ব্যক্তির ভোটার কার্ডের হদিশ পাওয়া যাচ্ছে। হরিয়ানা, পাঞ্জাব, গুজরাত, বিহার প্রভৃতি রাজ্যের বাসিন্দাদের ভোটার কার্ডের নম্বরের সঙ্গে বাংলার বাসিন্দার এপিক কার্ডে নম্বর মিলে যাচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে। ভোটার তালিকা থেকে এরকম নামগুলি খুঁজে বার করতে ময়দানে নেমেছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। নির্বাচন কমিশনের উপরও চাপ বাড়িয়েছে রাজ্যের শাসক দল।
এই প্রেক্ষাপটে হাবড়া থানায় জমা পড়া ওই অভিযোগ নিয়ে স্বভাবতই শোরগোল পড়েছে। হাবাড়া এলাকার বাসিন্দা জনৈক অমিত সাধুখাঁ ওই অভিযোগ করেছেন। অভিযোগপত্রে তিনি লিখেছেন, হাবড়া থানার অন্তর্গত বিভিন্ন এলাকায় জাল নথিপত্র দিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতীয় নথি বানিয়ে দেওয়ার একটি চক্র সক্রিয়। এই চক্রের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রথমে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর, জয়নগর ইত্যাদি এলাকায় বসবাসের ব্যবস্থা করে দিয়ে জাল নথিপত্র বানিয়ে দেওয়া হয়। তারপর তাঁদের হাবড়া এলাকায় এনে ভোটার তালিকায় নাম তোলা হয়েছে। দালালদের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে এই কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। মোট ১০ জনের নামে তথ্য দিয়ে অভিযোগ করেছেন তিনি। এফআইআর রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে হাবড়া থানার পুলিস। অভিযোগ পাওয়ার পর একাধিক ব্যক্তিকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে বলে খবর। স্থানীয় সাংসদ তথা বারাসত সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভানেত্রী কাকলি ঘোষদস্তিদার বলেন, ‘অন্য দেশের নাগরিক কি না বা এখানে কীভাবে ভোটার কার্ড বানাতে পারল, তা প্রশাসন তদন্ত করে দেখছে।’