Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ইরানের ৩ দুর্ভেদ্য পরমাণু কেন্দ্রে হামলা

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে জড়াল আমেরিকা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্রে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বোমারু বিমান বি-২ স্পিরিট স্টিলথ।

ইরানের ৩ দুর্ভেদ্য পরমাণু কেন্দ্রে হামলা
  • ২৩ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে জড়াল আমেরিকা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্রে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বোমারু বিমান বি-২ স্পিরিট স্টিলথ। হামলা চলেছে ইরানের ফোরদো, নাতানজ এবং ইসফাহান পরমাণু কেন্দ্রে। যদিও এর ফলে কোনওরকম তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ায়নি বলে দাবি ইরানের। 

Advertisement

ইরান পরমাণু শক্তিধর দেশ। রাজধানী তেহরানের ১০০ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে সে দেশের সবথেকে চর্চিত পরমাণু কেন্দ্র ফোরদো। আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থার (আইএই) দাবি, ২০০৭ সালে ফোরদো তৈরি হয়। যদিও ইরান সরকার ২০০৯ সালে এই পরমাণু কেন্দ্র তৈরির খবর সামনে আনে। পাহাড়ের নীচে অবস্থানের সুবাদে এই পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালানো সহজ নয়। একপ্রকার দুর্ভেদ্য। এর থেকে বেশ কিছুটা দূরে রয়েছে ইরানের আরও এক পরমাণু কেন্দ্র নাতানজ। মনে করা হয়, এটিই ইরানের সবথেকে বেশি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ পরমাণু কেন্দ্র। এখানে ভূগর্ভস্থ অবস্থায় রয়েছে ৫০হাজারেরও বেশি সেন্ট্রিফিউজ। সামরিক গবেষণার কাজে ব্যবহৃত এই পরমাণু কেন্দ্রে ইউরেনিয়ামকে বিশেষ মাত্রায় পরিশোধন করা সম্ভব। সামান্য ভুলের জেরে এখান থেকে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর সম্ভাবনা প্রবল। অথচ ইরানের দাবি মার্কিন হামলার পরেও এখান থেকে কোনওরকম তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায়নি। কিছুদিন আগেই এখানে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল পরমাণু কেন্দ্রের মাটির উপরে থাকা অংশ। ইরানের তৃতীয় পরমাণু কেন্দ্র ইসফাহান তেহরান থেকে ৩৫০ কিমি দূরে অবস্থিত। চীনের সহযোগিতায় তৈরি এই পরমাণু কেন্দ্রটি বেশ পুরনো। এর সঙ্গে ইরানের প্রায় ৩০০০ পরমাণু বিজ্ঞানী যুক্ত রয়েছেন। এখানেও ইউরেনিয়াম পরিশোধনের কাজ হয়। বাকি দুই পরমাণু কেন্দ্রের মতো এখান থেকেও তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায়নি বলে দাবি ইরানের। 

সম্পর্কিত সংবাদ