Bartaman Logo
৬ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ইরান যুদ্ধে মার্কিন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার তলানিতে? রিপোর্ট খারিজ হোয়াইট হাউসের

প্রায় ছ’মাস ধরে ইরানের সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধ চলছে। তেহরানকে ধ্বংস করতে গিয়ে আমেরিকার দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডার প্রায় শেষ!

ইরান যুদ্ধে মার্কিন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার তলানিতে? রিপোর্ট খারিজ হোয়াইট হাউসের
  • ৬ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: প্রায় ছ’মাস ধরে ইরানের সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধ চলছে। তেহরানকে ধ্বংস করতে গিয়ে আমেরিকার দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডার প্রায় শেষ! সম্প্রতি প্রকাশিত এক চাঞ্চল্যকর রিপোর্টে এমনই দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সিএনএন’। রিপোর্ট অনুযায়ী, যুদ্ধে ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টরের ৮০ শতাংশ খরচ হয়ে গিয়েছে। প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের ৫০ শতাংশ ব্যবহার করে ফেলেছে ট্রাম্পের দেশ। টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডারও কার্যত তলানিতে। এর ফলে আকাশপথে হামলা প্রতিরোধে বড়োসড়ো সমস্যার মুখে পড়তে পারে পেন্টাগন। সমস্ত দাবি নাকচ করে দিয়েছে আমেরিকা। 

Advertisement

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্যপূরণের জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুত রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার ফল কী হতে পারে অপারেশন এপিক ফিউরি তা দেখিয়ে দিয়েছে। এরপরও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ঠিকাদারদের আরও বেশি আমেরিকায় নির্মিত অস্ত্র মজুত করতে বলেছেন প্রেসিডেন্ট।’
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু আগে মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডারে ২ হাজার ২০০ প্যাট্রিয়ট ও ৪৫২টি থাড ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ছিল। তেহরানকে ধ্বংস করতে গিয়ে প্রায় পুরোটাই খরচ করে ফেলেছে আমেরিকা। পশ্চিম এশিয়ার একাধিক রাষ্ট্রে মার্কিন সেনার ঘাঁটিগুলিতেও  দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় নেই বললেই চলে। গত সপ্তাহের শেষে ইরানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে শেষ মুহূর্তে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, এর পিছনে অন্যতম কারণ ছিল দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি। হোয়াইট হাউস অবশ্য জানিয়েছে, সৌদি আরব সহ উপসাগরীয় অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলির অনুরোধেই হামলা বাতিল করা হয়। 
ইরানের সঙ্গে আমেরিকার চলতি আলোচনায় অন্যতম টানাপোড়েনের বিষয় হল হরমুজ প্রণালী। এব্যাপারে ওমানের সঙ্গে ইরানের প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। এতে উপসাগর অভিমুখী জাহাজ চলাচলে ইরান ও বহির্গামী জাহাজ চলাচলে ওমানের নিয়ন্ত্রণ থাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে সূত্র উল্লেখ করে জানিয়েছে সংবাদসংস্থা। যদিও বিস্তারিত খুঁটিনাটি আলোচনা এখনও চলছে। নতুন এই প্রস্তাব সম্পর্কে এখনও আমেরিকার কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে এই জলপথে ইরানের একতরফা নিয়ন্ত্রণ বা টোল চাপানোর অধিকার মেনে নেওয়া হবে না বলে মার্কিন আধিকারিকরা বারেবারেই জানিয়েছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ