জয়পুর: কাজ গোরু চরানো। বেতন ১০ হাজার। টাকা দেবে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি এমনই এক প্রকল্প এনেছে রাজস্থান সরকার।
জয়পুর: কাজ গোরু চরানো। বেতন ১০ হাজার। টাকা দেবে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি এমনই এক প্রকল্প এনেছে রাজস্থান সরকার।
গ্রামেগঞ্জে রাখাল বা গো-পালকদের হামেশাই দেখা যায়। সাধারণত এরা গোয়ালা পরিবারের সদস্য। গোরুর দুধ বা দুগ্ধজাত জিনিস বিক্রি করে সংসার চালান। সারাদিন গোরু নিয়ে মাঠে-ঘাটে ঘুরে বেড়ানোই এদের কাজ। আলাদা করে কোনো বেতন মেলে না এর জন্য। কিন্তু রাজস্থান সরকার যে নতুন প্রকল্প এনেছেন, তাতে গো-পালন একেবারে ‘ফুল টাইম জব’। নতুন এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘গাঁও গোয়ালা যোজনা’। এর আওতায় থাকা ব্যক্তিরা মাসিক ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক পাবেন। প্রশাসনের দাবি, আধুনিক জীবনযাত্রা ও কর্মসংস্থানের পরিবর্তনের কারণে গ্রামের ঐতিহ্যবাহী গো-চারন প্রথা হারিয়ে যাচ্ছিল। গবাদি পশুর দেখভালে সমস্যা তৈরি হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেই নতুন প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কোটা জেলার রামগঞ্জ মাণ্ডি বিধানসভা এলাকার অন্তত ১৫টি গ্রামে একজন করে ‘গ্রাম গোয়ালা’ নিয়োগ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ৭০টি গরুর জন্য একজন গোয়ালা নিয়োগ করা হবে। তবে প্রকল্প উদ্বোধনের সময় রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলওয়ারের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তিনি বলেন, যেসব বাচ্চা গোরুর দুধ খায় তারা বুদ্ধিমান ও চটপটে হয়। কিন্তু যারা মোষের দুধ খায় তারা বেজায় কুঁড়ে হয়। গোরুর দুধ সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। এহেন দাবির বৈজ্ঞানিক যুক্তি কী, জানতে চেয়েছেন বুদ্ধিজীবীরা। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে।