নরেন্দ্র মোদি (প্রধানমন্ত্রী): সোমনাথ... এই নাম আমাদের হৃদয়ে গর্বের সঞ্চার করে। ভারতের অন্তরাত্মার এক শাশ্বত আহ্বান। দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ স্তোত্রে ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের উল্লেখ রয়েছে। স্তোত্রটি শুরু হয়েছে ‘সৌরাষ্ট্রে সোমনাথং চ...’ দিয়ে। যা প্রথম জ্যোতির্লিঙ্গ হিসেবে গুজরাতের প্রভাস পাটানের সোমনাথ মন্দিরের ঐতিহ্যগত ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বের প্রতীক। এখানে শিবলিঙ্গ দর্শনে পুণ্যার্থীরা সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়ে যান। মনস্কামনা পূর্ণ হয়। দুঃখের বিষয় হল, লক্ষ লক্ষ মানুষের এই সাধনক্ষেত্র বারবার বিদেশি হামলার শিকার হয়েছে। মন্দির রক্ষা করতে এগিয়ে এসেছিলেন সাহসীরা। গর্বের বিষয় হল, এই মাটিতেই অহল্যাবাঈ হোলকারের মতো মহিয়সীদের জন্ম হয়েছে। সোমনাথ মন্দিরে যাতে সাধারণ মানুষ প্রার্থনা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন তিনি। ১৮৯০-এর দিকে স্বামী বিবেকানন্দও সোমনাথ মন্দির পরিদর্শন করেন। সেই অভিজ্ঞতা তাঁর মনকে ছুঁয়ে গিয়েছিল। ১৮৯৭ সালে চেন্নাইতে এক বক্তব্যেও সেকথা উল্লেখ করেছিলেন তিনি। ২০২৬ সাল সোমনাথ মন্দিরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ঠিক হাজার বছর আগে এই তীর্থস্থান প্রথমবার বিদেশি শক্তির হানার মুখে পড়ে। ১০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে গজনির মামুদ এখানে হামলা চালিয়েছিলেন। সংস্কারের পর ১৯৫১ সালের ১১ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ডাঃ রাজেন্দ্র প্রসাদের উপস্থিতিতে মন্দিরের দরজা ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল। এই ২০২৬ সালেই সেই উদ্যোগের ৭৫ বছর সম্পন্ন হচ্ছে।



