Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

২৭ জন হৃদরোগীর শরীরে স্টেন্ট বসিয়ে সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপন

৭৭তম সাধারণতন্ত্র দিবসকে স্মরণীয় করে রাখল কল্যাণীর গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল। ছুটির দিনেও মানবসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে হাসপাতালের ক্যাথল্যাব বিভাগে এক দিনে ২৭ জন হৃদরোগীর উপর অস্ত্রোপচার করে বসানো হয়েছে মোট ৩৭টি স্টেন্ট।

২৭ জন হৃদরোগীর শরীরে স্টেন্ট  বসিয়ে সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপন
  • ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: ৭৭তম সাধারণতন্ত্র দিবসকে স্মরণীয় করে রাখল কল্যাণীর গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল। ছুটির দিনেও মানবসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে হাসপাতালের ক্যাথল্যাব বিভাগে এক দিনে ২৭ জন হৃদরোগীর উপর অস্ত্রোপচার করে বসানো হয়েছে মোট ৩৭টি স্টেন্ট। দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষারত থাকা এই রোগীদের জন্য সাধারণতন্ত্র দিবসের দিনটিকেই বেছে নেওয়া হয়।

Advertisement

রাজ্যের একমাত্র হৃদরোগের পেশাদারি সরকারি হাসপাতাল কল্যাণীর গান্ধী মেমোরিয়াল। তাই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগীরা হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য আসেন কল্যাণীর এই হাসপাতালে। সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন হাসপাতালের সিনিয়র কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ চন্দন মিশ্রের নেতৃত্বে এই জটিল অস্ত্রোপচারগুলি সম্পন্ন হয়। মোট ২৭ জন রোগীর মধ্যে ২৬ জনের শরীরে সফলভাবে স্টেন্ট বসানো সম্ভব হয়েছে। একজন রোগীর ক্ষেত্রে ধমনীর মধ্যে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমে থাকার কারণে সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও স্টেন বসানো সম্ভব হয়নি।

বাকি ২৬ জন রোগীর মধ্যে ১১ জনের শরীরে দু’টি করে স্টেন্ট এবং ১৫ জনের শরীরে একটি করে স্টেন্ট বসানো হয়েছে। অর্থাৎ, মোট ৩৭টি স্টেন্ট সফলভাবে বসানো হয়েছে একদিনে। অস্ত্রোপচার হওয়া রোগীদের মধ্যে ৩ জন ছিলেন মহিলা। অস্ত্রোপচারের পর প্রত্যেক রোগীর অবস্থাই স্থিতিশীল এবং সন্তোষজনক বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে সকলেই চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং বিপদমুক্ত।

চন্দনবাবু বলেন, আমাদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষারত অনেক রোগী ছিলেন, যাঁদের স্টেন্ট বসানো অত্যন্ত জরুরি ছিল। সাধারণতন্ত্র দিবসের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং রোগীদের দ্রুত পরিষেবা দিতেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছিলাম। ছুটির দিন হলেও আমাদের সম্পূর্ণ টিম নিরলস পরিশ্রম করেছে। তার ফলেই এতগুলি সফল অস্ত্রোপচার সম্ভব হয়েছে। বহু মানুষ এই অস্ত্রোপচারের ফলে নিশ্চিত ঝুঁকির হাত থেকে মুক্তি পেলেন। এই সাফল্যের নেপথ্যে হাসপাতালের সুপারিন্টেন্ডেন্ট ডাঃ আশীষ মৈত্রের ভূমিকার কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন চন্দনবাবু। তিনি বলেন, আমাদের সুপার প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্টেন্ট ও পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন বলেই এত বড় উদ্যোগ নিতে পেরেছি।

সম্পর্কিত সংবাদ