নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজোর আগেই চালু হতে চলেছে বড়বাজার পোস্তার মেয়ো হাসপাতালের ইনডোর। বিশাল জায়গা থাকা সত্ত্বেও কলকাতা মেডিকেল কলেজের এই অ্যানেক্স হাসপাতালটিকে সেভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজোর আগেই চালু হতে চলেছে বড়বাজার পোস্তার মেয়ো হাসপাতালের ইনডোর। বিশাল জায়গা থাকা সত্ত্বেও কলকাতা মেডিকেল কলেজের এই অ্যানেক্স হাসপাতালটিকে সেভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
বর্তমানে হাসপাতালের পাঁচতলা বাড়িটি অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একতলায় কোনোরকমে চলে পাঁচটি বিভাগের আউটডোর। সেগুলি হল, মেডিসিন, সার্জারি, অর্থোপেডিকস, চোখ এবং ইএনটি। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি, হাসপাতালটিকে পুরোদমে সচল করা হোক। সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে হাল দেখে ক্ষোভ উগরে দেন মেডিকেলের অধ্যক্ষ ডাঃ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের উপর। তারপর উঠে পড়ে লাগে মেডিকেল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, পাঁচতলা বাড়ির দোতলায় হবে ২০টি পুরুষ এবং ২০টি মহিলা বেড মিলিয়ে ৪০ বেডের ইনডোর। এছাড়াও চালু হবে ইমার্জেন্সি। তার পাশে আরও ১০ বেডের ইমার্জেন্সি অবজারবেশন ওয়ার্ড চালু হবে। শনিবার মেডিকেলের অধ্যক্ষ ডাঃ ইন্দ্রনীল বিশ্বাস বলেন, দপ্তরের প্রাথমিক অনুমোদন মিলেছে। পূর্তদপ্তরের কিছু কাজ বাকি। আশা করছি, দ্রুত চালু করা যাবে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এখানে মাটির নীচে দোতলা বেসমেন্ট আছে। লিফট বসানো হবে। সেই সংক্রান্ত কিছু কাজ বাকি আছে। কিন্তু ইনডোর চালুর মতো লোকবল আছে তো? মেডিকেল সূত্রে খবর, ৫ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মী এবং ১২ নিরাপত্তারক্ষী আছেন। এখন দরকার কয়েকজন বিশেষজ্ঞ মেডিকেল অফিসারের। দপ্তরের কাছে সেই দরবার করা হচ্ছে।