নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারের কাছে ধান বিক্রির টাকা তিনটি কাজের দিনের মধ্যে চাষিকে মিটিয়ে দিতে হবে। একথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে খাদ্যদপ্তরের নির্দেশিকায়। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ২০২৫-২৬ নতুন খরিফ মরশুমে রাজ্যজুড়ে চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। খাদ্যদপ্তর নিজে যে স্থায়ী ক্রয়কেন্দ্রগুলি (ভ্রাম্যমাণসহ) চালায় সেগুলি ছাড়াও অস্থায়ী শিবিরগুলিতে বিক্রীত ধানের টাকা যাতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই চাষিরা পান তার জন্য উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। অস্থায়ী শিবিরে ধানক্রয় ব্যবস্থা পরিচালনা করে কয়েকটি সরকারি সংস্থা। সেগুলিকে বলা হয়েছে, ধান কেনার তথ্য ক্রয়পরবর্তী দিনের মধ্যেই খাদ্যদপ্তরকে তারা জানাবে। তারপর চাষিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ওই টাকা পাঠিয়ে দেবে খাদ্যদপ্তর। নির্দিষ্ট স্থানে খাদ্যদপ্তরের স্থায়ী কেন্দ্রীয় ক্রয়কেন্দ্র ৬২০টি। ওইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ স্থায়ী ক্রয়কেন্দ্র খোলা হচ্ছে ১৭৯টি। দুই ধরনের স্থায়ী ক্রয়কেন্দ্রে ধান বেচলে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) কুইন্টাল প্রতি ২,৩৬৯ টাকার সঙ্গে ২০ টাকা হারে বোনাসও মিলবে। ভ্রাম্যমাণ স্থায়ী ক্রয়কেন্দ্রগুলি প্রত্যন্ত এলাকায় চালাতে বলা হয়েছে। যে অঞ্চলের চাষিদের কোনও নির্দিষ্ট জায়গায় অবস্থিত ক্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার সমস্যা আছে, ভ্রাম্যমাণ স্থায়ী কেন্দ্রগুলিকে সেখানে নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রগুলি কোথায় হবে, তা খাদ্যদপ্তরের পোর্টালে ৪৫ থেকে ১৫ দিন আগে জানাতে হবে। চাষিরা অনলাইন বুকিং করেই ক্রয়কেন্দ্রে যাবেন। নির্দিষ্ট দিনে যেতে না পারলে ফের বুকিং নিতে হবে তাঁদের। নভেম্বর-ফেব্রুয়ারির ব্যস্ত সময়ে ধান কেনার উপর বেশি জোর দিতে বলা হয়েছে।



