Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ফেসবুকে পরিচয়, দীঘায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ যুবতীকে

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে তরুণীর সঙ্গে পরিচয়ের পর তাঁকে দীঘা সহ বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।

ফেসবুকে পরিচয়, দীঘায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ যুবতীকে
  • ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে তরুণীর সঙ্গে পরিচয়ের পর তাঁকে দীঘা সহ বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল অভিযুক্ত। এমনকি তাঁর কাছ থেকে ওই যুবক টাকাপয়সা নেয় বলে অভিযোগ। এরপরই সে এড়াতে শুরু করে ওই তরুণীকে। তিনি কালীঘাট থানায় অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে মরিস জেমস নামে অভিযুক্ত যুবককে রবিবার রাতে রানাঘাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে কালীঘাট থানা।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তরুণীর প্রোফাইল দেখে মাস দুই আগে বন্ধুত্বের অনুরোধ পাঠায় অভিযুক্ত যুবক। তিনি তা গ্রহণ করেন। এরপর দুজনের মধ্যে মেসেঞ্জারে মেসেজ চালাচালি চলত। কথাবার্তা এগনোর পর মোবাইল নম্বর আদানপ্রদান হয়। তরুণীর সঙ্গে কথা বলা শুরু করে ওই যুবক। মাঝেমধ্যেই ভিডিও কল করত। তরুণী তার সঙ্গে প্রণয় ঘটিত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ওই যুবক তাঁকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেয়। তরুণী লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, বিয়ে করতে রাজি হওয়ায় তিনি ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন ওই যুবকের সঙ্গে। দীঘা সহ বিভিন্ন জায়গায় একাধিকবার বেড়াতে যান মাস দেড়েকের মধ্যে। সেখানেও তারা ঘনিষ্ঠ হন বলে জানিয়েছেন। ওই যুবক তাঁকে জানায় সে ব্যবসা শুরু করবে। এরজন্য তরুণীর কাছ থেকে সবমিলিয়ে দু’লক্ষেরও বেশি টাকা অভিযুক্ত যুবক নেয় বলে অভিযোগ। এরপরে আরও টাকা দাবি করে সে। কিন্তু তরুণী টাকা দিতে রাজি হননি। তারপরই আস্তে আস্তে যোগাযোগ কমিয়ে দেয় অভিযুক্ত যুবক। তরুণীর ফোন ধরত না। নির্যাতিতা বুঝতে পারেন, তিনি প্রতারিত হয়েছেন। এরপরই কালীঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের মামলা রুজু হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, যে নম্বর থেকে ওই যুবক ফোনে কথা বলত, তার সূত্র ধরে জানা যায় সেটি রানাঘাট এলাকার। এরপরই রবিবার রাতে সেখানে হানা দিয়ে অভিযুক্ত যুবক মরিসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত জানিয়েছে, সে একটি হোটেলে রাঁধুনির কাজ করে। বিভিন্ন যুবতী-তরুণীর সঙ্গে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে বন্ধুত্বের সূত্রে তাঁদের প্রেমের ফাঁদে ফেলাটাই তার কাজ। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস। মরিসের বিরুদ্ধে আগে কোনও থানায় অভিযোগ হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সম্পর্কিত সংবাদ